০৬:৫৭ পি.এম
ইয়েমেনে হুতি এবং সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটেছে। হুতিরা রিয়াদ ও খুরাইশ অঞ্চলে রাষ্ট্রীয় তেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা সৌদির অব্যাহত আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এএনআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত রবিবার হামলার দায় স্বীকার করে টেলিগ্রামে একটি বিবৃতি দিয়েছেন হুতি মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনের জবাবে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে। সারি অভিযোগ করেছেন যে সৌদি আরব তাদের ওপর অন্যায়ভাবে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১২ ঘণ্টায় রাজধানী সানা, আল-জাওফ, তাইজ, আমরান, হাজ্জাহ এবং সা'দাহ এলাকায় প্রায় ৫০টি বিমান ও মিসাইল হামলা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরব মোট ১ হাজার ৪৬০ বারেরও বেশি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবে হুথিদের হামলার নিন্দা জানাল মিসর ও পাকিস্তান
হুতি মুখপাত্র সারি জানান, তাদের বাহিনী সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে দুইবার সামরিক আক্রমণ করেছে। এই হামলায় তারা শক্তিশালী ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করেছে।
তিনি আরও দাবি করেন যে, তারা সৌদি আরবের আরামকো তেল কোম্পানিকে লক্ষ্য করে দুটি বড় ধরনের সামরিক হামলা চালিয়েছে। প্রথম হামলাটি রিয়াদে অবস্থিত আরামকোর স্থাপনায় এবং দ্বিতীয়টি খুরাইশ এলাকার আরামকো স্থাপনায় হয়েছে। উভয় অভিযানেই তারা বেশ কিছু শক্তিশালী মিসাইল ও ড্রোন ব্যবহার করেছে।
সারি দাবি করেছেন যে, হামলাগুলো ‘নির্ভুল ও সরাসরি’ স্থাপনায় আঘাত হেনেছিল।
অন্যদিকে, সৌদি আরবের গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুরকি আল মালিকি জানিয়েছেন, রিয়াদ ও খুরাইশে হামলার বিষয়ে হুতিদের দাবি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
আরও পড়ুন: আমি খুবই চিন্তিত: নেতানিয়াহু আসন্ন নির্বাচনে জয় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন