মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:০০ পি.এম
রাজশাহীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পুনরায় লেখার সুযোগ দেওয়ার ঘটনাটি শিক্ষা বোর্ডের তদন্তে সত্যতা পেয়েছে। তদন্তের ফলাফলে দেখা গেছে, ওই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষকের বাসায় ডেকে এনে দুটি প্রশ্নের উত্তর নতুন করে লেখানো হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই উত্তরগুলোর মূল্যায়ন করে নম্বরও প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রউফ, তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামীম আরা চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তারা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) শিক্ষা বোর্ডের সচিবের কাছে সিলগালা অবস্থায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি। বিষয়টি নিয়ে দৈনিক যুগান্তরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে রাজশাহীর বেলপুকুর এলাকার আইডিয়াল ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে পরীক্ষকের বাসায় ডেকে নিয়ে পুনরায় উত্তর লেখানোর অভিযোগ উঠে আসে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের উত্তরপত্রে নিজের মোবাইল নম্বর লিখে এসেছিল মেহেদী। ওই নম্বরে ফোন করে ১৪ আগস্ট তাকে নিজের বাসায় ডেকে নেন রাজশাহীর হাজী জমির উদ্দীন সাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের ইংরেজির প্রভাষক ও পরীক্ষক সেকেন্দার আলী। অভিযোগ রয়েছে, টাকার বিনিময়ে তাকে আবার উত্তর লেখার সুযোগ দেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর শিক্ষা বোর্ড পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরীক্ষক সেকেন্দার আলী উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে বোর্ডে জমা দেওয়ার পর সেগুলো জব্দ করা হয়। তদন্ত কমিটি উত্তরপত্র পরীক্ষা করে দেখতে পায়, মেহেদী হাসানকে দ্বিতীয় দফায় লেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এ সময় নম্বরেও কাটাকাটি করা হয়।
তদন্ত কমিটির প্রধান রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের উপপরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) ইব্রাহিম হোসেন বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে কিছু সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. আব্দুর রউফ জানান, উত্তরপত্রে ২ ও ৪ নম্বর প্রশ্নের যে উত্তর মেহেদী হাসান প্রথমে লিখেছিল, তাতে সে কোনো নম্বর পায়নি। পরে তাকে পরীক্ষকের বাসায় ডেকে নিয়ে ওই দুটি প্রশ্নের উত্তর নতুন করে লেখানো হয় এবং সেগুলোর জন্য নম্বরও দেওয়া হয়। উত্তরপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি সাক্ষীদের বক্তব্যেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
তিনি আরও জানান, পরীক্ষক সেকেন্দার আলীকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মেহেদীর পরীক্ষার ফল প্রকাশ না করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের শৃঙ্খলা কমিটিতে বিষয়টি আলোচনার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামীম আরা চৌধুরী বলেন, তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তবে তদন্ত কমিটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় অধিকতর তদন্তের সুপারিশ করেছে। এ জন্য বিষয়টি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানো হবে। পাশাপাশি পরীক্ষক সেকেন্দার আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তদন্ত প্রতিবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছেও পাঠানো হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৮ আগস্ট এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসে ফল প্রকাশের কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গঙ্গা চুক্তির পর ভারতের নিকট থেকে ন্যায্য হিস্যা আদায় করা হবে এবং বাংলাদেশকে কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির অধীনে আসতে দেওয়া হবে না, এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে মাদারীপুর শহরের লেকের পাড়ের স্বাধীনতা অঙ্গনে অনুষ্ঠিত এক নাগরিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং চাকরির নিয়োগ বাণিজ্যসহ বর্তমান সরকারের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এই সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা শাখা।
সমাবেশে নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘দেশে খুন, চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সংখ্যা পূর্বের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছেন না। জুলাই সনদের কথা বলে বর্তমান সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে এনসিপি রাজপথে রয়েছে। এছাড়া ওসমান হাদী হত্যার বিচারও নিশ্চিত করা হবে।’
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনোভাবেই কারচুপি করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন এনসিপির এই আহ্বায়ক। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের বর্তমান সরকার নাকি জাতীয়তাবাদী সরকার। তারা শুধু মুখে বললে হবে না, তাদের প্রমাণ করতে হবে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ কতটুকু রক্ষা করতে পেরেছে। অন্যথায় ধরে নেব তারা তলে তলে সমঝোতা করে চলছে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির মাদারীপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম তুষার ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে নাগরিক সভায় আরও বক্তব্য দেন দলটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, জেলা শাখার সদস্য সচিব ইয়াজ্জেন হোসেন রোমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসিবুল্লাহসহ অন্যান্য দলীয় নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ১ নম্বর পশ্চিম চেঁচরীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো প্রায় ৯৫০ কেজি রড বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে রড বিক্রির এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি ভ্যানগাড়িতে করে পুরোনো রড নিয়ে যাচ্ছেন এক ভাঙারি ব্যবসায়ী। ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি রডগুলোর উৎস জানতে চাইলে ওই ব্যবসায়ী দাবি করেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা মিলে রডগুলো তাঁর কাছে বিক্রি করেছেন। তবে ভিডিওতে রডগুলো সুনির্দিষ্টভাবে কোন বিদ্যালয়ের, তা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১ নম্বর পশ্চিম চেঁচরীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে পুরোনো সিঁড়িকক্ষ ভাঙার সময় বিপুল পরিমাণ রড বের হয়, যা বিদ্যালয়েই সংরক্ষিত ছিল। তাঁদের দাবি, পূর্ববর্তী শিক্ষকের দায়িত্ব হস্তান্তরের তালিকায় (চার্জ লিস্ট) উল্লেখ থাকা ৬৫ কেজি রডের সঙ্গে এই ৯৫০ কেজি রডের কোনো সম্পর্ক নেই। তালিকাভুক্ত ৬৫ কেজি রড মূলত ঠিকাদারের রেখে যাওয়া অতিরিক্ত টুকরা রড ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তার যোগসাজশ করে ওই পুরোনো রডগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা সিফাত জানান, রডগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে ভ্যানগাড়িতে তোলার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে রাতে কিছু রড এনে পুনরায় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে এনে রাখা হয়। সে সময়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন। তিনি আরও জানান, রড বিক্রির বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ আক্তার বলেন, ‘বিদ্যালয় থেকে কোনো রড বিক্রি করা হয়নি। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ।’ তাঁর দাবি, বহিরাগত কিছু ছেলে রাতে অনধিকার চর্চা করে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করত। তাদের প্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
এ বিষয়ে কাঠালিয়া উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিং ফয়সাল জানান, ‘গত ৭ অক্টোবর রড বিক্রির বিষয়টি জানতে পেরে ৮ অক্টোবর বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করি। ওই সময় বিদ্যালয়ের স্টোররুমে কিছু রড পাওয়া যায়। তবে দায়িত্ব হস্তান্তরের তালিকায় উল্লেখিত রড এবং বিক্রির অভিযোগ ওঠা রড এক নয়—এমন তথ্য নতুন করে সামনে এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পুনরায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলার প্রকৃতিতে সৌন্দর্যের এক অনন্য প্রতীক মাছরাঙা পাখি। উজ্জ্বল রঙের পালক, লম্বা ঠোঁট ও ক্ষিপ্র শিকার করার দক্ষতার কারণে পাখিটি সহজেই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। নদী, খাল, বিল, পুকুর ও জলাশয়ের আশপাশে সাধারণত মাছরাঙার দেখা মেলে।
মাছরাঙা মূলত ছোট মাছ শিকারের জন্য পরিচিত। পানির ওপর কোনো ডাল কিংবা খুঁটিতে বসে শিকারের অপেক্ষা করে পাখিটি। পানিতে মাছের উপস্থিতি টের পেলেই দ্রুত ডুব দিয়ে ঠোঁটে শিকার ধরে আবার নিজের বসার জায়গায় ফিরে আসে। এ অসাধারণ শিকার কৌশল প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে মাছরাঙাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির মাছরাঙা দেখা যায়। প্রজাতিভেদে এদের আকার, রং ও খাদ্যাভ্যাসে পার্থক্য রয়েছে। মাছ ছাড়াও কিছু প্রজাতির মাছরাঙা ছোট জলজ প্রাণী, পোকামাকড় ও অন্যান্য ক্ষুদ্র প্রাণী খেয়ে থাকে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মাছরাঙা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খাদ্যশৃঙ্খলের অংশ হিসেবে এরা জলজ প্রাণী ও পোকামাকড়ের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। পাশাপাশি কোনো এলাকার জলাশয় ও প্রাকৃতিক পরিবেশের অবস্থা বুঝতেও পাখির উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তবে জলাশয় ভরাট, গাছপালা ও ঝোপঝাড় কমে যাওয়া, পানি দূষণ এবং মানুষের অসচেতনতার কারণে মাছরাঙাসহ বিভিন্ন বন্য পাখির আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাখিদের নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করতে জলাশয় সংরক্ষণ, দূষণ রোধ এবং পাখি শিকার বন্ধে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।
প্রকৃতির এই রঙিন পাখিকে টিকিয়ে রাখতে হলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মাছরাঙার অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করা গেলে বাংলার নদী-খাল-বিলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও সমৃদ্ধ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা বিষয়কমন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। সাক্ষাৎকালে, দেশটির পক্ষ থেকে তিস্তা প্রকল্পে সম্ভাব্য কারিগরি সহায়তা প্রদানের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের কাছে ব্রিফিং করেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।
তিনি উল্লেখ করেন, নেদারল্যান্ডস তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সমীক্ষা পরিচালনার জ্ঞান এবং কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী। বাংলাদেশ এই বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছে।
বৈঠকে আরও আলোচনা হয় বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস উভয়ই ব-দ্বীপ রাষ্ট্র। তাই অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।
এ সময়, প্রধানমন্ত্রী ভূমি পুনরুদ্ধারে নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।
নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ভূমি পুনরুদ্ধার, চর উন্নয়ন এবং অভিযোজনক্ষম নদীব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ