নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৯ পি.এম
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা মোছা. জেসি চৌধুরীকে নিয়ে একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। প্রকাশিত সংবাদে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন জেসি চৌধুরী।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জেসি চৌধুরী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সরকারি সেবা প্রদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুসরণ করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
সম্প্রতি “নাগেশ্বরী উপজেলার ‘অঘোষিত ইউএনও’ জেসি চৌধুরী” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে সার ডিলার নিয়োগে প্রভাব বিস্তারের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা অস্বীকার করে জেসি চৌধুরী বলেন, সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত সংশ্লিষ্ট সরকারি কমিটির মাধ্যমে নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় তার কোনো প্রভাব বিস্তার বা অনৈতিক লেনদেনের সুযোগ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও দাবি করেন, অনৈতিক কোনো সুবিধায় সম্মতি না দেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করে তার পেশাগত সুনাম ও প্রশাসনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
জেসি চৌধুরী বলেন, কারও বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই-বাছাই এবং সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান।
নিজের সুনাম ক্ষুণ্নের উদ্দেশ্যে অপপ্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে প্রকাশিত সংবাদের অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তিন সহকারী পুলিশ কমিশনারকে (এসি) বদলি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন কর্মস্থলে তাদের পদায়ন করা হয়েছে জনস্বার্থে, যা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) মো. শাহরিয়ার আলী স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
আদেশ অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মেহেদী হাসান শাকিলকে ডিএমপির রমনা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (নিউমার্কেট জোন) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
রমনা বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. নাসিম এ-গুলশানকে ডিএমপির গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ টিম) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. নাদিম হায়দার চৌধুরীকে ট্রাফিক-শাহবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কর্মকর্তাদের উল্লেখিত স্থানে পদায়ন করা হলো জনস্বার্থে, এবং এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের মাটি ও মানুষের জীবন, লোকসংস্কৃতি, আধ্যাত্মিক সাধনা ও মরমি সংগীতের ইতিহাসে যে ক’জন সাধক-কবি নিজেদের সৃষ্টির মাধ্যমে অমর হয়ে আছেন, আরকুম শাহ তাঁদের অন্যতম। তিনি ছিলেন মরমি সাধক, কবি, গীতিকার ও সুরস্রষ্টা। তাঁর গান ও রচনায় ফুটে উঠেছে মানবপ্রেম, আত্মশুদ্ধি, স্রষ্টার সন্ধান, দেহতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিকতার গভীর দর্শন।
🌿 জন্ম ও সাধনাজীবন
আরকুম শাহের জন্ম ১৮৭৭ সালে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ধরাধরপুর গ্রামে বলে বিভিন্ন গবেষণামূলক সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়। আধ্যাত্মিক জীবনের প্রথম দিকের সাধনায় তিনি সুফি সাধক শাহ আব্দুল লতিফের সান্নিধ্য লাভ করেন। পরবর্তীতে সুফিবাদী সাধনার ধারায় তাঁর নিজস্ব মরমি দর্শন ও সংগীতের বিকাশ ঘটে।
আরকুম শাহের সৃষ্টিতে সুফিবাদ ও বৈষ্ণব ভাবধারার নানা উপাদানের সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়। তাঁর রচনায় মানুষের অন্তর্জগত, প্রেম, বিরহ, আত্মপরিচয় এবং স্রষ্টার সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের বিষয়গুলো বিশেষভাবে উঠে এসেছে।
📜 সিলেটি নাগরী লিপিতে রচনা
আরকুম শাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো সিলেটি নাগরী লিপিতে গান ও সাহিত্য রচনা। তাঁর রচনায় সে সময়ের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ