শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪১ পি.এম
সিলেটের মাটি ও মানুষের জীবন, লোকসংস্কৃতি, আধ্যাত্মিক সাধনা ও মরমি সংগীতের ইতিহাসে যে ক’জন সাধক-কবি নিজেদের সৃষ্টির মাধ্যমে অমর হয়ে আছেন, আরকুম শাহ তাঁদের অন্যতম। তিনি ছিলেন মরমি সাধক, কবি, গীতিকার ও সুরস্রষ্টা। তাঁর গান ও রচনায় ফুটে উঠেছে মানবপ্রেম, আত্মশুদ্ধি, স্রষ্টার সন্ধান, দেহতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিকতার গভীর দর্শন।
🌿 জন্ম ও সাধনাজীবন
আরকুম শাহের জন্ম ১৮৭৭ সালে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার ধরাধরপুর গ্রামে বলে বিভিন্ন গবেষণামূলক সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়। আধ্যাত্মিক জীবনের প্রথম দিকের সাধনায় তিনি সুফি সাধক শাহ আব্দুল লতিফের সান্নিধ্য লাভ করেন। পরবর্তীতে সুফিবাদী সাধনার ধারায় তাঁর নিজস্ব মরমি দর্শন ও সংগীতের বিকাশ ঘটে।
আরকুম শাহের সৃষ্টিতে সুফিবাদ ও বৈষ্ণব ভাবধারার নানা উপাদানের সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়। তাঁর রচনায় মানুষের অন্তর্জগত, প্রেম, বিরহ, আত্মপরিচয় এবং স্রষ্টার সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের বিষয়গুলো বিশেষভাবে উঠে এসেছে।
📜 সিলেটি নাগরী লিপিতে রচনা
আরকুম শাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো সিলেটি নাগরী লিপিতে গান ও সাহিত্য রচনা। তাঁর রচনায় সে সময়ের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্ক, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন যে, বাংলাদেশ ‘স্বল্পোন্নত দেশ’-এর তালিকা থেকে উত্তরণের জন্য অপেক্ষা করছে। এই উত্তরণ প্রক্রিয়াকে টেকসই করার জন্য বাংলাদেশের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের জন্য সুনিশ্চিত অর্থায়ন, বাজারে প্রবেশাধিকারের সুযোগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোতে ধারাবাহিক সহায়তা অপরিহার্য।
তিনি নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের (ইউএনজিএ) সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেওয়ার সময় এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় প্রতিটি দেশ একে অপরের উপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে, বিশেষ করে আঞ্চলিক পর্যায়ে বাণিজ্য সহায়তা ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অর্থবহ সহযোগিতা নিশ্চিত করে আমরা একে অপরের সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করতে পারি।
তারেক রহমান জানান, কোভিড মহামারি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে। তবে এটি বিশ্বকে একটি বার্তা দিয়েছে, যে বিশ্ব সমাজকে টিকে থাকতে হলে একে অপরের সহায়তা, সহমর্মিতা এবং সহযোগিতা অপরিহার্য। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে টিকা, চিকিৎসা-সামগ্রী ও রোগ নির্ণয়ের সরঞ্জামের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে এগুলো সবার জন্য সহজলভ্য হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের তানগানিকা হ্রদে একটি যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে অন্তত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ৪৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে, এখনও কিছু যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে এবং তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানাচ্ছে, তানগানিকা প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী নরিস মুলঙ্গোইয়ি বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকারী দল কাজ করছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, নৌকাটিতে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের সঙ্গে কিছু পণ্যও ছিল। কঙ্গোর মাপেরা গ্রামের কাছে তানগানিকা হ্রদে নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটি বৃহস্পতিবার তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে কঙ্গোর কালেমি শহরের দিকে যাত্রা শুরু করেছিল। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই এটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। দুর্ঘটনাটি থেকে বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী অ্যানি মোয়োনি রেডিও ওকাপিকে ঘটনাটি সম্পর্কে জানান। জাতিসংঘের সহযোগিতায় পরিচালিত এই সম্প্রচারমাধ্যমকে তিনি বলেন, রাত ১টার দিকে যাত্রীদের ঘুম থেকে জাগানো হয়। তখন তারা দেখতে পান, নৌকাটি একদিকে কাত হয়ে গেছে। এরপর কীভাবে নৌকাটি পুরোপুরি ডুবে যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরো পড়ুন
কঙ্গোর বিভিন্ন অঞ্চলে নৌপথে যাতায়াত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দুর্গম এলাকার অনেক মানুষের জন্য নৌকায় যাতায়াতই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার সবচেয়ে সহজ এবং কম খরচের উপায়। তবে, দেশটিতে নৌযান চলাচলে বিভিন্ন সমস্যা বিদ্যমান। এপির তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কঙ্গোতে একাধিক নৌকাডুবির ঘটনায় শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অনেক সময় নৌকায় ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী তোলা হয়। আবার কিছু নৌযানে পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী জ্যাকেটও থাকে না। এসব কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে প্রাণহানির ঝুঁকি বেড়ে যায়। কঙ্গো বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ, যেখানে জনসংখ্যা ১০ কোটির বেশি। এত বড় জনসংখ্যার তুলনায় সড়কসহ অন্যান্য যোগাযোগব্যবস্থাও যথেষ্ট নয়। ফলে অনেক মানুষকে যাতায়াতের জন্য নৌপথের ওপর নির্ভর করতে হয়।
আরো পড়ুন
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ১৫ আমল
কিগোমা-কালেমি নৌপথে এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এটি দ্বিতীয় বড় দুর্ঘটনা। রেডিও ওকাপির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ আগস্ট কঙ্গোর একটি নৌযান কিগোমা বন্দরে জ্বালানি নেওয়ার সময় আগুন ধরে যায়। পরে নৌকাটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। বন্দর কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে রেডিও ওকাপি জানিয়েছে, ওই ঘটনায় নৌকাটির ছয়জন কর্মী মারা যান এবং আরো একজন নিখোঁজ হন। এমভি প্যাসিফিক নামের ওই নৌকাটি কিগোমা ও কালেমির মধ্যে চলাচল করত এবং মূলত জ্বালানি পরিবহনে ব্যবহৃত হতো। এর আগে গত জুলাইয়ে মধ্য কঙ্গোতেও একটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে, যেখানে রাষ্ট্রীয় পরীক্ষায় অংশ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে যায়। ওই দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন মারা যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার ভলগা অঞ্চলের উলিয়ানভস্কে একটি বড় ধরনের ড্রোন হামলায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি শিশু রয়েছে। এই তথ্য স্থানীয় গভর্নর আলেক্সেই রুস্কিখ নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) গভর্নর আলেক্সেই রুস্কিখ মেসেজিং অ্যাপ ম্যাক্সে একটি বার্তায় উল্লেখ করেন যে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ড্রোন হামলায় আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাতজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং একজন শিশু রয়েছে। পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্কের আঘাত মাঝারি গুরুতর এবং অন্যদের আঘাত তুলনামূলকভাবে সামান্য। শিশুটির অবস্থাও মাঝারি গুরুতর বলে তিনি জানান।
হামলার পর উলিয়ানভস্ক অঞ্চলের সকল চিকিৎসাসেবা উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। আহতদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও গভর্নর জানিয়েছেন।
রুশ কর্তৃপক্ষ হামলাটিকে শত্রুপক্ষের ড্রোন হামলা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে হামলার বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতি বা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তথ্যসূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে আকস্মিক বিদায়ের পর ব্রাজিল নতুন করে স্বপ্ন বোনা শুরু করেছে। ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি যে স্কোয়াড ঢেলে সাজানোর আভাস দিয়েছিলেন, তার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে বিশ্বকাপের পর ঘোষিত প্রথম স্কোয়াডে। গড়ে ২৪.৪ বছর বয়সের ২৬ সদস্যের এই দলে ৮ জন নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নতুন চেহারার সেই ‘সেলেসাও’রা আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পরবর্তী বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করছে।
বিশ্বকাপের ব্যর্থতার পর এটি ব্রাজিলের প্রথম আন্তর্জাতিক অ্যাসাইনমেন্ট। নেইমারের আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ফলে আনচেলোত্তির জন্য পরিবর্তন আনার পথ আরও সহজ হয়েছে। তিনি বিশ্বকাপের ১৫ জন ফুটবলারকে ছাড়াই দল সাজিয়েছেন। বাদ পড়েছেন আলিসন বেকার, লুকাস পাকেতা, মাতেউস কুনিয়া, কাসেমিরো ও ফাবিনিওদের মতো তারকা ফুটবলাররা।
ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী আক্রমণাত্মক ও গতিশীল ফুটবলের ধারা ফিরিয়ে আনতে দেশের ঘরোয়া ক্লাবগুলো থেকে ডাক পেয়েছেন ১০ জন ফুটবলার, যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে অভিজ্ঞতার ভার বহন করতে রিয়াল মাদ্রিদ ও পিএসজির পরীক্ষিত তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, মার্কিনিওস ও ব্রুনো গিমারেসদের স্কোয়াডে রেখেছেন আনচেলোত্তি।
নতুনদের ওপর আস্থা রেখে মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেস মন্তব্য করেন, ‘আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত নতুন প্রতিভার বিকাশ ঘটছে। একটি শক্ত ভিত থাকা জরুরি, যাতে কোচ নতুনদের সুযোগ দিতে পারেন। আমরা অস্ট্রেলিয়াকে সমীহ করি এবং আশা করি একটি চমৎকার ম্যাচ উপহার দিতে পারব।’
অন্যদিকে, বিশ্বকাপে শেষ বত্রিশ থেকে বিদায় নেওয়া অস্ট্রেলিয়ার জন্যও এটি প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। চার দিন পর ব্রিসবেনে ব্রাজিলের বিপক্ষে তারা আরও একটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে। অধিনায়ক ম্যাট রায়ানসহ বিশ্বকাপের ১০ জন ফুটবলার নেই সকারু স্কোয়াডে, দলে যোগ হয়েছেন ৭ জন নতুন মুখ। ৯ বছর পর ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়া অস্ট্রেলিয়া এর আগের ৬ দেখায় মাত্র একবারই (২০০১ সালে ১-০ ব্যবধানে) জয় পেয়েছিল, যেখানে ৪টিতেই জয় ছিল ব্রাজিলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ