ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মেয়াদ শেষ হলেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কারের কাজ


মেয়াদ শেষ হলেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কারের কাজ

 

খুলনার দক্ষিণে অবস্থিত কয়রা উপজেলা, যা সুন্দরবনের নিকটে রয়েছে, প্রতিবছরই দুর্যোগের কারণে সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

আরও পড়ুন: নাচোলের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে ৪টি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়ে মাঠে নামলেন ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আসগার হাসান

গত কয়েক অর্থবছরে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, সংস্কারের কাজের মেয়াদ শেষ হলেও কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে না।

এলাকার বাসিন্দাদের মতে, সড়কে খোঁড়াখুঁড়ির কারণে তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কোটি কোটি টাকা বরাদ্দের পরও কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে না।

 

এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় ১৬১ অসহায় পরিবার পেল হাঁস-মুরগি, স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন

কয়রা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, কয়রা সদর ইউনিয়নের মদিনাবাদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোড় থেকে ৪ নম্বর কয়রা গ্রাম পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের সংস্কারকাজ ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর শুরু হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত এ সড়কের সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এক কোটি ২৩ লাখ টাকা। কাজটি পেয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাকা এন্টারপ্রাইজ।

 

এই কাজটি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ শুরু হওয়ার পর কয়েক মাস ধরে সড়ক খুঁড়ে ইটের খোয়া ফেলা হয়। একপর্যায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি কাজ ফেলে চলে যায়। ফলে, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চার বছর পার হলেও কাজটি অসমাপ্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: টেকনাফের নয়াপাড়া পাহাড়ে সশস্ত্র ডাকাতদের গুলিতে সেনাসদস্য নি-হ-তের খবর

এদিকে, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের বানিয়াখালী থেকে হড্ডা গ্রামের প্রায় ছয় কিলোমিটার সড়কের অবস্থাও অত্যন্ত খারাপ।

 

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এ প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ছয় কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এই কাজটি পেয়েছিল মোহাম্মদ ইউনুচ অ্যান্ড ব্রাদার্স। কাজটি ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রায় এক বছরেও কাজটি সম্পন্ন হয়নি। খোঁড়াখুঁড়ির পর বালু ফেলে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, আমাদী ইউনিয়নে পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালে হুদুবুনিয়া-চান্নিরচক সড়কের দুই কিলোমিটার অংশ কার্পেটিং করার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এক কোটি ৭৪ লাখ টাকা। কাজের দরপত্র পেয়েছিল রাকা-সিয়াম (জেভি) নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২১ সালের জুনে কাজ শুরু করে তারা। কয়েক মাস ধরে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির পর কাজ ফেলে চলে যায় প্রতিষ্ঠানটির লোকজন।

আরও পড়ুন: জরায়ুমুখের ক্যান্সার (Cervical Cancer) প্রতিরোধে, নওগাঁ জেলা পুলিশের, পুলিশ নারী কল্যাণ (পুনাক) এর উদ্যোগে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

হুদুবুনিয়া-চান্নিরচক সড়কের কাজ ২০২২ সালের ২৬ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। সেই সময়সীমা পেরিয়ে প্রায় চার বছর হতে চললেও কাজ শেষ করার কোনো উদ্যোগ নেই।

এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর বাইরে উপজেলার ১৭টি সড়কের সংস্কারকাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবুও কাজ শেষ হয়নি। খোঁড়াখুঁড়ির কারণে ধুলাবালিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ওইসব পথে চলাচলকারীরা।

কয়রা সদরের আসাদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রকল্প শুরু হলেও বাস্তবে অনেক সড়ক বর্তমানে আগের চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, কয়রা হাইস্কুল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৪ নম্বর সড়কসহ কয়েকটি সড়ক খুড়ে রাখা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার বছরেও কাজ শেষ হয়নি। ফলে ধুলাবালি ও খানাখন্দে চলাচলে ভোগান্তি বেড়েছে। আর কাজ যা হয়েছে, তা নিম্নমানের।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সংস্কারকাজ শুরু হওয়ার পর তা মাঝপথে থেমে আছে। কোথাও পুরনো কার্পেটিং তুলে ফেলা হয়েছে, কোথাও সড়কের ওপর খোয়া ও বালু ফেলে রাখা হয়েছে। অনেক জায়গায় বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: যুগে যুগে এমপি-মন্ত্রী আসবেন, একজন নজরুলের জন্ম হবে না: জহির উদ্দিন স্বপন

স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন আগে বৃষ্টি হওয়ার ফলে এসব গর্ত পানিতে ভরে গেছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থী ও রোগীদের।

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আফজাল হোসেন জানান, ‘সড়কগুলোর কাজ যথাসময়ে শেষ করতে ঠিকাদারদের একাধিকবার তাগিদপত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। অনেক ঠিকাদার কাজ শেষ করতে সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সময় বাড়ানোর পরও যারা কাজ শেষ করেননি, তাদের কার্যাদেশ ও জামানত বাতিল হবে। কিছু সড়কের পুনরায় টেন্ডার আহ্বানের কাজ চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন: অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হড়কা বান ও ভূমিধস: নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


হড়কা বান ও ভূমিধস: নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ২৮৯ জনে পৌঁছেছে। উদ্ধার অভিযান দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যাহত থাকলেও ৮২৬ জনের সঙ্গে যোগাযোগ এখনও সম্ভব হয়নি। নিখোঁজদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অবি নারায়ণ কাফলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে মৃতের সংখ্যা ২৮৯ জনে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই হিসাব পাওয়া গেছে।

জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (NDRRMA) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৮২৬ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।

জেলাভিত্তিক হিসাবে, চিতওয়ানে সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে—১০৮টি। এছাড়া নওয়ালপরাসি ইস্টে ৬২, ধাদিংয়ে ২৭, গোরখায় ২০, রাসুয়ায় ১৭, নওয়ালপরাসি ওয়েস্টে ১৫, নুয়াকোটে ১২ এবং তানাহুনে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এই ভয়াবহ বন্যায় নেপালের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নদীর প্রবল স্রোতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ভেসে গেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রমও কঠিন হয়ে উঠেছে।

বন্যার সূত্রপাত ঘটে হিমালয় অঞ্চলে বরফ ও পাথরের বিশাল ধসের পর। এর ফলে নদীতে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও পাথর নেমে এসে সীমান্তবর্তী জনপদ, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন অবকাঠামো ভাসিয়ে নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ মনে করা হলেও পরবর্তী বিশ্লেষণে হিমবাহ-সম্পর্কিত ধস ও ধ্বংসাবশেষের প্রবাহকেই প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

উদ্ধারকারীরা নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আরও অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বদলে যাচ্ছে রহনপুর! ইউএনও জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে নতুন ভোরের সূচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


বদলে যাচ্ছে রহনপুর! ইউএনও জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে নতুন ভোরের সূচনা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রহনপুর পৌরসভাকে একটি জঞ্জালমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক মডেল পৌরসভায় রূপান্তর করার দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে সরাসরি মাঠে নেমেছেন নবনিযুক্ত পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জিল্লুর রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পৌরসভার নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ও দৃশ্যমান পরিবর্তনের লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন এই কর্মঠ কর্মকর্তা।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে পৌর এলাকার সার্বিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম গতিশীল করতে তিনি নিজেই সরেজমিনে উপস্থিত হন। কড়া রোদ ও ধূলাবালি উপেক্ষা করে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড, মোড় ও অলিগলির দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা ও ড্রেন পরিষ্কারের কাজ সরাসরি তদারকি করেন তিনি।

অভিযান চলাকালে পৌর প্রশাসক স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম তদারকিকালে ইউএনও জিল্লুর রহমান বলেন, "নাগরিকদের সুস্থ, নিরাপদ ও সুন্দর জীবনযাত্রা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। রহনপুর পৌরসভাকে একটি জঞ্জালমুক্ত, সুপরিকল্পিত ও আধুনিক পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা-ই করব। এই উদ্যোগ কেবল এক দিনের নয়, এটি নিয়মিত অভিযান হিসেবে অব্যাহত থাকবে।"

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এ সময় পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

দায়িত্ব পেয়েই রহনপুর পৌরসভার খোলস বদলে দেওয়ার এমন ব্যতিক্রমী, আন্তরিক ও দূরদর্শী পদক্ষেপে চরম সন্তোষ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ। এলাকাবাসীর মতে, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার এমন সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করার মানসিকতা রহনপুর পৌরসভার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথকে বহুদূর এগিয়ে নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আপিল বিভাগে নিয়োগ পেলেন বিচারপতি হাবিবুল গনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


আপিল বিভাগে নিয়োগ পেলেন বিচারপতি হাবিবুল গনি

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি নিয়োগ পেয়েছেন। এই নিয়োগের ফলে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের বিচারপতির সংখ্যা পাঁচজনে পৌঁছেছে।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতার অধিকারী হয়ে বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। তার এই নিয়োগ শপথের দিন থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি হাবিবুল গনি হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠতার তালিকায় তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছিলেন।

বর্তমানে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগে বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এবং নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি দায়িত্ব পালন করবেন।

বিচারপতি হাবিবুল গনি ২০১১ সালে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেছিলেন। দীর্ঘ বিচারিক অভিজ্ঞতার পর তিনি আপিল বিভাগে উন্নীত হলেন।

এদিকে, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক, দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিপুল সংখ্যক আপিল বিচারাধীন অবস্থায় তার এই নিয়োগ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, আপিল বিভাগের বিচারকসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর নিষ্পত্তি দ্রুত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বারকোলার জন্য ১২০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচে রাজি লিভারপুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


বারকোলার জন্য ১২০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচে রাজি লিভারপুল

লিভারপুল প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) সঙ্গে ১২০ মিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তিতে পৌঁছেছে ফরাসি উইঙ্গার ব্র্যাডলি বারকোলাকে দলে ভেড়ানোর জন্য। বৃহস্পতিবার রাতে দুই ক্লাবের মধ্যে চুক্তির কাঠামো নিয়ে সমঝোতা হওয়ার খবর দিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান, যা দীর্ঘদিনের আলোচনা শেষে এসেছে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, লিভারপুল বারকোলার জন্য প্রথমে ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের কিছু বেশি পরিশোধ করবে। এরপর ব্যক্তিগত ও দলীয় সাফল্যের ওপর নির্ভর করে আরও প্রায় ২০ মিলিয়ন পাউন্ড যোগ হতে পারে। তবে চুক্তির পুরো কাঠামো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

লিভারপুল গ্রীষ্মজুড়ে বারকোলাকে তাদের প্রধান ট্রান্সফার টার্গেট হিসেবে বিবেচনা করেছে। শুরুতে ২৩ বছর বয়সী এই উইঙ্গারের জন্য পিএসজি প্রায় ১৪৫ মিলিয়ন পাউন্ড দাবি করায় আলোচনা জটিল হয়ে পড়ে। তবে ফরাসি ক্লাবটি তাদের মূল্যায়ন কমিয়ে আনার ফলে সমঝোতার পথ তৈরি হয়।

বারকোলা বর্তমানে পিএসজির সঙ্গে চুক্তির শেষ দুই বছরে রয়েছেন। তিনি ক্লাবকে জানিয়েছেন যে নতুন চুক্তিতে সই করবেন না। নতুন মৌসুমে পিএসজির ম্যাচডে স্কোয়াডেও তিনি জায়গা পাননি।

২০২৩ সালে লিঁও থেকে ৪৫ মিলিয়ন ইউরোতে বারকোলাকে দলে নিয়েছিল পিএসজি। লুইস এনরিকের অধীনে ক্লাবটির চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পথে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তবে গত মৌসুমে বড় ম্যাচগুলোতে দেজিরে দুএ, উসমান দেম্বেলে ও খভিচা কাভারাসখেলিয়াকে বেশি পছন্দ করায় মূল একাদশে নিজের অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েন বারকোলা।

লিভারপুলের হয়ে বারকোলা চুক্তিটি সম্পন্ন হলে তিনি ক্লাবটির ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামের খেলোয়াড় হতে পারেন। এর আগে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডে আলেকজান্ডার ইসাককে দলে এনে রেকর্ড গড়েছে ইংলিশ ক্লাবটি।

বারকোলাকে দলে পেলেও মোহাম্মদ সালাহর জায়গায় ডান প্রান্তের বিকল্প খুঁজছে লিভারপুল। ইয়ানকুবা মিনতেহকে পেতে ব্রাইটনের কাছে দেওয়া দুটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। ক্রিস্টাল প্যালেসের ইসমাইলা সার নিয়েও আগ্রহ দেখিয়েছে তারা, যদিও এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়নি।

লিভারপুল যদি শেষ পর্যন্ত আরও দুই উইঙ্গারকে দলে নেয়, তাহলে কোডি গাকপোর ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। নেদারল্যান্ডসের এই ফরোয়ার্ডকে দলে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে টটেনহাম ও ম্যানচেস্টার সিটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%