বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৪ পি.এম
যুগে যুগে অসংখ্য রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী আসবেন। তবে, শত বছরেও একজন কাজী নজরুল ইসলাম তৈরি হবে না। রাজনীতিবিদরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনায় ভূমিকা রাখলেও কবি-সাহিত্যিকদের সৃষ্টি, চিন্তা ও আদর্শ যুগের পর যুগ মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) জহির উদ্দিন স্বপন এসব কথা বলেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
জহির উদ্দিন স্বপন উল্লেখ করেন, কবি ও সাহিত্যিক হওয়া একটি বিরল প্রতিভা, যা সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে পাওয়া। এ কারণেই তাঁদের সৃষ্টি ও চিন্তার প্রভাব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মানুষের হৃদয়ে গেঁথে থাকে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন তেমনই একজন বিরল প্রতিভার অধিকারী। তাঁর সাহিত্য, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার চলতি বছরকে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করেছে।
‘গাহি সাম্যের গান, মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান’—জাতীয় কবির এই কালজয়ী বাণীকে প্রতিপাদ্য করে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিক হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহির, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ, সদস্য সচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, পৌর বিএনপির সিনিয়র ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ কামরুজ্জামান খোকন, সরকারি গৌরনদী কলেজের সাবেক ভিপি মোঃ জাকির হোসেন রাজা, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুল আলম সেন্টুসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে হ্রাস ঘটেছে। বর্তমানে দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ হিসাব পদ্ধতির অনুযায়ী, ব্যবহারযোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ কমে ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। প্রকৃত রিজার্ভের হিসাব মোট রিজার্ভ থেকে বিভিন্ন ধরনের দায়দেনা বাদ দিয়ে করা হয়ে থাকে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের জন্য আকুর ১৬৪ কোটি ডলারের আমদানি বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এর পূর্ববর্তী দুই মাসে পরিশোধের পরিমাণ ছিল ১৩৯ কোটি ডলার। মূলত আমদানি বৃদ্ধির কারণে আকুর বিলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার। আকুর বিল পরিশোধের পর বৃহস্পতিবার এটি কমে ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী, বুধবার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। বৃহস্পতিবার তা কমে ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
আকু এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে একটি আন্তআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। সদস্য নয়টি দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। তবে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আকুর সদস্যদেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ