বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩১ পি.এম
দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও নতুন সদস্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ৫৬ দিনব্যাপী দাওয়াতি অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। আগামী শুক্রবার (৬ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়ে এই অভিযান ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর পল্টনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের চতুর্থ সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকিরের সঞ্চালনায় দুপুর আড়াইটায় সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়।
সভায় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী উল্লেখ করেন, ছাত্রসমাজের মধ্যে নৈতিকতা, আদর্শিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে ছাত্র জমিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সংগঠনের কার্যক্রম দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে এই দাওয়াতি ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কর্মসূচির সফলতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সব পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকির বলেন, সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করতে তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণ অপরিহার্য। তিনি জানান, এই অভিযানের মাধ্যমে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছে সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম তুলে ধরা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। নেতারা তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নতুন ইউনিট গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মুহাম্মদ নুর হোসাইন, কাউসার আহমাদ (ঢাকা) ও কাওছার আহমদ (সিলেট), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুইনুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক মারুফ বিল্লাহ, হাসান মাহমুদ, আবু সুফিয়ান মানসুর ও বায়জিদ আহমাদ সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইনআমুল হাসান নাইম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন (ঢাকা বিভাগ), ফোরকান আলী (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও ফাহিম আহমদ (সিলেট বিভাগ)।
এছাড়া কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক হোসাইন আহমাদ, প্রচার সম্পাদক আহমাদ আল গাজি, দপ্তর সম্পাদক জুবায়ের হোসেন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক কাজী শামসুল আরেফীন, সাহিত্য সম্পাদক উবাইদুল্লাহ খুরশিদ, বিশ্ববিদ্যালয়বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা সভায় অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে জামাল ভূঁইয়াই দায়িত্ব পালন করবেন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে তপু বর্মণের অধীনে খেলার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশের।
কিন্তু মাঠে নামার পূর্বে টিম ম্যানেজমেন্ট তপুকে একাদশের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। চূড়ান্ত অনুশীলনের সময় এই ডিফেন্ডার চোট পেয়ে গেছেন। তার পরিবর্তে সৈয়দ কাজেম শাহকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের বিরুদ্ধে আজ চমক হিসেবে বিশ্বনাথ ঘোষ মাঠে নামবেন। তাকে স্ট্রাইকারের ভূমিকায় খেলাচ্ছেন টমাস ডুলি।
অন্যদিকে গোলবারের ‘চীনের প্রচীর’ হিসেবে মেহেদী হাসান শ্রাবণ আজও থাকবেন। রক্ষণভাগে জিদান ইফসুফ, সাদ উদ্দিন, তারিক কাজী ও জায়ান আহমেদ অবস্থান করবেন। আক্রমণে রাকিব হোসেন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিমরা থাকবেন। জামালের সঙ্গে মাঝমাঠে জুটি গড়বেন শমিত সোম।
বাংলাদেশ একাদশ:
মেহেদী হাসান শ্রাবণ (গোলরক্ষক), জিদান ইফসুফ, সৈয়দ কাজেম শাহ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, জামাল ভূঁইয়া, জায়ান আহমেদ, তারিক কাজী, শমিত সোম, রাকিব হোসেন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : সরকারের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচির আওতায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬’-এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় পর্ব।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সরকারি শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় এ প্রতিযোগিতার।
তিন দিনব্যাপী চলমান এই প্রতিযোগিতায় ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার ১৫টি কলেজের ৫১৯ জন ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করছেন। শিক্ষার্থীরা মোট ৫৭টি ইভেন্টে নিজেদের ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করবেন।
আগামী ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, যা বিভাগীয় পর্বের সমাপ্তি নির্দেশ করবে এবং বিজয়ীরা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ উল্লেখ করেন, খেলাধুলা একজন শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা ও দলগত মানসিকতা গড়ে তোলে।
তিনি আরও জানান, খেলাধুলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য উজ্জ্বল ও স্মরণীয় অর্জন বয়ে আনা সম্ভব এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খেলাধুলার প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী, যা এ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলু।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা দপ্তরের পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন, মুক্তাগাছার শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ছফির উদ্দিন, ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ কে এম শামসুজ্জামান, মুক্তাগাছার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণচন্দ্র, মুক্তাগাছা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান খান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রটোকল ভেঙে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশে হাত মেলালেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনায় প্রবেশের সময় রূপসা উপজেলার তিলক কুদির বটতলায় পথসভাস্থলে গাড়ি থেকে নেমেই তিনি সরাসরি অপেক্ষমাণ মানুষের কাছে চলে যান।
দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মেলানো এবং কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেন পুরো পথসভাস্থলে। প্রধানমন্ত্রীর এই আচরণে উপস্থিত সকলের মধ্যে আনন্দের সঞ্চার ঘটে।
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফর উপলক্ষে রূপসা উপজেলার তিলক কুদির বটতলায় পথসভার আয়োজন করা হয়। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিন সদস্যের একটি দল প্রস্তুত ছিল।
প্রধানমন্ত্রীর পৌঁছানোর আগেই তারা মঞ্চের সামনে অপেক্ষা করছিলেন। দুপুর ২টা ১৬ মিনিটে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ লেখা বাসটি পথসভা মঞ্চের পাশে এসে থামে। তবে অভ্যর্থনার দায়িত্বে থাকা নেতাদের কাছে পৌঁছানোর আগেই প্রধানমন্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে সাধারণ মানুষের ভিড়ে চলে যান।
এ সময় তিনি কোনো আনুষ্ঠানিকতা বা প্রটোকলের তোয়াক্কা না করে উপস্থিত মানুষের সঙ্গে হাত মেলাতে থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর এই স্বতঃস্ফূর্ত আচরণে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আনন্দে উদ্বেলিত হন। উপস্থিত অনেককে বলতে শোনা যায়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন দৃশ্য বিরল। প্রধানমন্ত্রী হয়েও মঞ্চে ওঠার আগে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সঙ্গে হাত মেলানো এবং কুশল বিনিময় করার বিষয়টি উপস্থিত মানুষের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস তৈরি করে।
এরপর তিনি মঞ্চে উঠে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। পরে রূপসা ব্রিজ পার হয়ে খুলনা শহরে প্রবেশ করেন। শহরের কেন্দ্রস্থল ডাকবাংলো মোড়ের মঞ্চে অনির্ধারিত পথসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে চাই। আমি আজ খুলনায় এসেছি নতুন কুঁড়ি উদ্বোধন করতে। আমরা খেলাধুলার মাধ্যমে প্রতিটি স্তরে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই।" তিনি দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতি ধ্বংসের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুগে যুগে অসংখ্য রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী আসবেন। তবে, শত বছরেও একজন কাজী নজরুল ইসলাম তৈরি হবে না। রাজনীতিবিদরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনায় ভূমিকা রাখলেও কবি-সাহিত্যিকদের সৃষ্টি, চিন্তা ও আদর্শ যুগের পর যুগ মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে। বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) জহির উদ্দিন স্বপন এসব কথা বলেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
জহির উদ্দিন স্বপন উল্লেখ করেন, কবি ও সাহিত্যিক হওয়া একটি বিরল প্রতিভা, যা সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে পাওয়া। এ কারণেই তাঁদের সৃষ্টি ও চিন্তার প্রভাব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে মানুষের হৃদয়ে গেঁথে থাকে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন তেমনই একজন বিরল প্রতিভার অধিকারী। তাঁর সাহিত্য, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার চলতি বছরকে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করেছে।
‘গাহি সাম্যের গান, মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান’—জাতীয় কবির এই কালজয়ী বাণীকে প্রতিপাদ্য করে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিক হাসান রাসেল, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহির, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ, সদস্য সচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, পৌর বিএনপির সিনিয়র ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ কামরুজ্জামান খোকন, সরকারি গৌরনদী কলেজের সাবেক ভিপি মোঃ জাকির হোসেন রাজা, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুল আলম সেন্টুসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ