ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাজিদ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও বিচারের দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন


সাজিদ হত্যার রহস্য উদঘাটন ও বিচারের দাবিতে ইবিতে মানববন্ধন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল কুরআন অ‍্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ আবদুল্লাহ হত্যা রহস্য উদঘাটন, দোষীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ এবং তদন্তে দীর্ঘসূত্রতার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় নিহতের পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবিও তারা তুলেছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নিহতের বাবা আহসান হাবিবুল্লাহ, বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাসিরুদ্দিন মিঝি, শিক্ষক অধ্যাপক ড. খান মুহাম্মাদ ইলিয়াস, শাখা শিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী, শাখা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক এস এম সুইট, শাখা জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার সভাপতি এস এম শামীমসহ বিভাগের প্রায় দুশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: স্পেনে দ্রুতগতির ট্রেন সংঘর্ষে ৬৮ জনের মৃত্যু

এ সময় তাদের মুখে শোনা যায় ‘সাজিদ হত্যার তদন্ত আর নয় বিলম্ব’, ‘বিচার, বিচার, বিচার চাই, সাজিদ হত্যার বিচার চাই’, ‘তদন্ত নিয়ে তালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘সাজিদ হত্যার তদন্ত, করতে হবে করতে হবে’, ‘আমার ভাই মরলো কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘সাজিদ ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে?’, ‘খুনি ধর, জেলে ভর’, ‘খুনিদের ফাঁসি দাও, রশি লাগলে রশি নাও’, ‘সাজিদ ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’, ‘Justice, Justice, We want Justice’ ইত্যাদি স্লোগান।

মানববন্ধনে বক্তারা ব্যক্ত করেছেন যে, পূর্ববর্তী প্রশাসন সাজিদ আবদুল্লাহ হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় যে ব্যর্থতা দেখিয়েছে, তা দুঃখজনক। দীর্ঘ এক বছর অতিবাহিত হলেও হত্যার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দিতে হবে বলেও দাবি জানান বক্তারা। একইসঙ্গে সাজিদ আবদুল্লাহর নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হল বা স্থাপনার নামকরণের পাশাপাশি সাজিদ নিহত হওয়ার পর আর্থিক ক্ষতিপূরণের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেটিও অতি শিগগিরই যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

শাখা শিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী মন্তব্য করেছেন, "শহিদ সাজিদ আবদুল্লাহর নির্মম হত্যাকাণ্ডের এক বছর পার হলেও এখনো রহস্য উন্মোচন হয়নি এবং খুনিদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। প্রশাসনের বিচার প্রক্রিয়ায় ধীরগতি ও টালবাহানা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  দ্রুত রহস্য উন্মোচন, খুনিদের গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। ক্যাম্পাসে ১৭৫ একর এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তিনি।"

নিহত সাজিদ আবদুল্লাহ'র পিতা আহসান হাবিবুল্লাহ বলেছেন, "আমি আমার ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে গেছি। এক বছর পার হওয়ার পরও বিচার না হওয়া কতটুকু যুক্তিসঙ্গত? আর যাকে আমি হারিয়েছি তাকে তো পাব না। বিচারটাও কি পাবো না? এক বছর লাগবে কেন? এত সময় তো লাগার কথা নয়। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিচার নিশ্চিত করার জন্য আরও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।"

আরও পড়ুন: রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫২৫ জন আটক, মামলা ৪৬

তিনি আরও জানান, "আমি আমার ছেলেকে হারিয়েছি। কিন্তু আর যেন কাউকে এভাবে হারাতে না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে আরও সোচ্চার হতে হবে। এক বছর পরও কেন একজন আসামিও গ্রেপ্তার হলো না, এটা তো দুঃখজনক ব্যাপার। এত ভারাক্রান্ত কথা তো মুখ দিয়ে আসতে চায় না। প্রশাসনকে আহ্বান করছি, শহীদ সাজিদ আবদুল্লাহ হত্যার বিচার করুন। দায়মুক্ত হোন। আইন আছে, আদালত আছে। আল্লাহ তো বিচার চাইবার এই অধিকার আমাকে দিয়েছেন। তাহলে বিচার করতে অসুবিধা কোথায়? এখানে যত দাবি পেশ করা হয়েছে, আমি সবগুলোর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করছি। আমি ধুঁকে ধুঁকে মরে যাচ্ছি। আর পারছি না। আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন। আন্দোলন চালিয়ে যান। প্রয়োজনে আমি টাঙ্গাইল থেকে আবার আসবো। তবুও আমি এটার বিচার চাই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘থাকো টাকা নিয়ে আসি’ বলার পর উধাও মা, রাস্তার মোড়ে ৬ ঘণ্টা ধরে কাঁদছিল দুই বোন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


‘থাকো টাকা নিয়ে আসি’ বলার পর উধাও মা, রাস্তার মোড়ে ৬ ঘণ্টা ধরে কাঁদছিল দুই বোন

দিনাজপুরের হিলিতে একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। 'থাকো টাকা নিয়ে আসি' বলে একটি মা তার ছোট সন্তানকে নিয়ে রাস্তার পাশে দুই মেয়েকে রেখে চলে যান। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তিনি আর ফিরে আসেননি। অসহায় দুটি জন শিশু থানা মোড়ে বসে মায়ের জন্য কান্নাকাটি করতে থাকে।

এটি ঘটে রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে বন্দরের চার নম্বর গেটের সামনে থানা মোড়ে।

স্থানীয়রা যখন এই বিষয়টি দেখেন, তখন তারা হাকিমপুর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুদুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। বর্তমানে তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে শিশুদুটির বাবা জীবন ঢাকায় থাকেন এবং তিনি মাদকাসক্ত। অভাব-অনটনের সংসারে মা শাহনাজ ছোট সন্তানকে নিয়ে বড় দুই মেয়ে জিমি ও জান্নাতিকে রাস্তার পাশে রেখে যান। যাওয়ার সময় শিশুদুটিকে বলেন, 'থাকো টাকা নিয়ে আসি'।

ওসি আরও জানান, শিশুদুটির বাড়ি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায়। তাদের দাদা-দাদী জীবিত রয়েছেন। পুলিশ পরিবারের খোঁজ বের করে নিরাপদে শিশুদেরকে তাদের কাছে হস্তান্তর করবে। একই সঙ্গে শিশুদের মায়ের সন্ধানেও পুলিশ কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ ভবিষ্যৎ কর্মবাজারে গেম চেঞ্জার হবে: এএসএম আমানুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ ভবিষ্যৎ কর্মবাজারে গেম চেঞ্জার হবে: এএসএম আমানুল্লাহ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএসএম আমানুল্লাহ বলেন, ভবিষ্যৎ কর্মবাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ‘অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ একটি গেম চেঞ্জার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে টিকে থাকতে শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল দক্ষতা ও বাস্তব সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা অর্জনের বিকল্প নেই।

রবিবার সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে চার দিনব্যাপী ‘রিসোর্স ম্যাটেরিয়ালস ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য জানালেন, উচ্চশিক্ষার মূল লক্ষ্যের মধ্যে দক্ষ, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল মানবসম্পদ গড়ে তোলা অন্তর্ভুক্ত, যারা পরিবর্তনশীল বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে পারবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের সব বিষয়ে ‘অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ কোর্স বাধ্যতামূলক করেছে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও আমাদের দেশে সময়োপযোগী এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম গড়ে উঠতে পারেনি। যদিও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য শিক্ষার্থী নিজ যোগ্যতায় দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, দক্ষতাভিত্তিক পাঠ্যক্রমের ঘাটতির কারণে অনেকেই কর্মবাজারের জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জনে সক্ষম হচ্ছেন না। এ বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, শিক্ষার্থী বা শিক্ষকের সমালোচনা নয়, বরং নীতিনির্ধারকদের দায়ভার রয়েছে।

ড. আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের কার্যকর কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা। আইসিটি শিক্ষাকে আরও বাস্তবমুখী করার লক্ষ্যে সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল বিপণন, গিগ অর্থনীতি ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে নিয়ে যাবে।

তিনি জানান, আইসিটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে তৈরি প্রশিক্ষণ মডিউল ও রিসোর্স ম্যাটেরিয়াল উন্নত করে দেশের সব কলেজে পৌঁছে দেওয়া হবে। এগুলো শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে।

উপাচার্য আরও বলেন, ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের আইসিটি দক্ষতা বৃদ্ধি করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নানা উদ্যোগ ও বড় পরিসরে বিনিয়োগের ব্যবস্থা করেছে। স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ‘অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো বাস্তবভিত্তিক এবং শিক্ষার্থীরা এগুলো আয়ত্ত করতে পারলে সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল বিপণনে দক্ষ হয়ে দেশ-বিদেশের কর্মসংস্থানে এগিয়ে থাকবে। উচ্চশিক্ষার সুযোগও বৃদ্ধি পাবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রশিক্ষণ দপ্তরের পরিচালক সালমা পারভীনের সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিক্ষা বিভাগের প্রধান দীপা শংকর। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন অধ্যাপক ড. এএইচএম রুহুল কুদ্দুস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুবদল নেতা জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপি মহাসচিবের শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৫ পি.এম


যুবদল নেতা জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুতে বিএনপি মহাসচিবের শোক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুর ঘটনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আজ রোববার, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি শোকবার্তায় বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী দর্শনে গভীরভাবে আস্থাশীল মরহুম জাকির হোসেন নান্নু যুবদলের একজন বলিষ্ঠ নেতা হিসেবে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে মনে প্রাণে কাজ করে গেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াকু সৈনিক হিসেবে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। তার মৃত্যুর কারণে দলে একজন দক্ষ সংগঠকের অভাব অনুভূত হবে। জাকির হোসেন নান্নু’র ইন্তেকালে আমি তার শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জানাই। মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে দোয়া করি তিনি যেন তাকে জান্নাত নসীব এবং শোকাহত পরিবারবর্গকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।’

শোকবার্তায় বিএনপি মহাসচিব মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এদিকে, একটি পৃথক শোকবার্তায় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী জাকির হোসেন নান্নুর মৃত্যুর উপর গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।

শোকবার্তায় তিনি মরহুম নান্নুকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন বলিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে উল্লেখ করে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তার সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তার মৃত্যুর কারণে দল একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠককে হারালো।

রুহুল কবির রিজভী মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকবিহ্বল পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু গতরাতে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ইউনাইটেড হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিটফোর্ডের ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ ২৭ জুলাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


মিটফোর্ডের ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ ২৭ জুলাই

রাজধানী ঢাকার পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনের ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার ঘটনায় করা মামলায়, সজীব ব্যাপারীসহ মোট ২১ জন আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৭ জুলাই নতুন দিনের তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আলমগীরের আদালতে মামলার প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য প্রদত্ত তারিখে আসামী পক্ষের আইনজীবীরা মামলাটিকে আদালত পরিবর্তন করার জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করেছেন।

এদিন মামলার বাদী, নিহত সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম আদালতে হাজিরা প্রদান করেন সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেছেন। আদালত তাদের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৭ জুলাই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত আলী বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেট-সংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর কিছু লোক ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে এবং কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।

ওই ঘটনার পরের দিন ১০ জুলাই, নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতয়ালি থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটিতে অজ্ঞাতনামা আরো ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়।

নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান ২৯ ডিসেম্বর একই বছরে সজীব ব্যাপারীসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২১ আসামির মধ্যে ১০ জন বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছে। তিন জন জামিনে আছেন এবং বাকি আটজন পলাতক রয়েছেন।

গত ১২ জুলাই ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%