মোঃআসাদুজ্জামান শিবচর মাদারীপুর প্রতিনিধি
১২:৪৫ এম
প্রচণ্ড গরমে জনজীবন যখন নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে, তখন অতিরিক্ত লোডশেডিং মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের চাহিদার তুলনায় প্রায় অর্ধেক পরিমাণ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, যার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
গ্রাম থেকে শহর, সবখানেই মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। কোথাও এক থেকে দুই ঘণ্টা, আবার কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুতের অভাব দেখা দিচ্ছে। এতে লেখাপড়া, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসাসেবা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। জানা যায়, শিবচর পৌর অঞ্চলে নিয়মিত এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর লোডশেডিং করা হলেও গ্রাম অঞ্চলের অবস্থা আরো ভয়াবহ।
বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকে না। কোথাও এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ দেওয়া হয়। আবার কখনো টানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। এতে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছে। আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল ক্ষুদ্র মাঝারি ব্যবসায়ীরা বিদ্যুতের অভাবের ফলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। গৃহস্থালি কাজে বিদ্যুতের ব্যাঘাত ঘটায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসা বাড়ি ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিসে কর্ম ঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে।
পল্লী বিদ্যুৎ অফিস জানিয়েছে, শিবচর উপজেলায় ১ লাখ ৬ হাজার গ্রাহক রয়েছে। এই সকল গ্রাহকের বিদ্যুৎ চাহিদা ৩৫ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৬ থেকে ১৭ মেগাওয়াট, যা অর্ধেকেরও কম। তাই এলাকাভিত্তিক সমন্বয় করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এক এলাকায় এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ হলে পরের ঘণ্টায় ওই এলাকার বিদ্যুৎ দিয়ে অন্য এলাকায় লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে।
শিবচর পৌর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, এভাবে আর কতদিন চলবে? প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। আমরা নিয়মিত বিদ্যুতের বিল দিই, কিন্তু প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পাই না। দিনে-রাতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে জানান তিনি।
লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ভ্যানচালকদেরও বিপাকে পড়তে হচ্ছে। স্থানীয় ভ্যানচালক রফিক বলেন, রাতে ঠিকমতো ব্যাটারি চার্জ দিতে পারি না। তাই সকালে বের হলেও, দুপুরের আগেই ভ্যান বন্ধ করে বাড়ি ফিরতে হয়। আগে আয় হতো ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা, এখন ৩০০ টাকাও হয় না। সংসারে বউ-বাচ্চা নিয়ে খুব কষ্টে আছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুপুরে দেখা যায়, লোডশেডিংয়ে শিশু, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ নানা বয়সের রোগীরা কষ্ট পাচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগী খবির মিয়া বলেন, হাসপাতালে এসেছি সুস্থ হতে, কিন্তু কারেন্ট না থাকায় গরমে মনে হচ্ছে দমই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সারাক্ষণ ঘেমে থাকছি, চোখে ঘুম আসে না। এই কষ্টে রোগ ভালো হওয়ার বদলে আরো বাড়তে শুরু করেছে।
এ বিষয়ে শিবচর পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার অভিলাষ চন্দ্র পাল বলেন, শিবচরে ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে, কিন্তু পাচ্ছি মাত্র ১৬ থেকে ১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আমরা চাহিদার অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ পাচ্ছি। তাই নির্দিষ্ট সময় পর পর লোডশেডিং দিয়ে সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা করছি। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কাজ করে চলেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে ব্রাজিলের জন্য একটি বড় দুঃসংবাদ এসেছে। দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতার বাঁ ঊরুর পেছনের পেশীতে চোট ধরা পড়েছে। তাই পরবর্তী নকআউট পর্বের ম্যাচে তাকে পাওয়া যাবে না।
জাপানের সঙ্গে খেলায় প্রথমার্ধের পর থেকেই তিনি খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। মাঠে তার আচরণ ছিল ব্যথায় কাতর। এই পরিস্থিতিতে সতীর্থ নেইমার ও এন্দ্রিক তাকে সান্ত্বনা দেন। দ্বিতীয়ার্ধে পাকেতার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন এন্দ্রিক।
মঙ্গলবার পাকেতার স্ক্যান করানো হলে বাঁ ঊরুর পেছনের পেশীতে আঘাতের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। তবে কতদিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে, সে সম্পর্কে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সময় জানায়নি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন।
এক বিবৃতিতে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন জানিয়েছে, মঙ্গলবারের ইমেজিং পরীক্ষায় লুকাস পাকেতার বাম ঊরুর পেছনের অংশে মাংসপেশীর আঘাত নিশ্চিত হয়েছে। জাতীয় দলের চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে তাকে নিবিড় চিকিৎসা দেওয়া হবে, যাতে যত দ্রুত সম্ভব মাঠে ফিরে আসতে পারে।
এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রতিটি ম্যাচেই পাকেতা শুরুর একাদশে ছিলেন। মাঝমাঠে তার উপস্থিতি দলের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু ইনজুরির কারণে শেষ ষোলোর ম্যাচে সেই ভরসা থাকছে না।
এর আগে চোটের কারণে রাফিনহাকেও হারাতে হয়েছে ব্রাজিলকে। এবার পাকেতার ছিটকে যাওয়ায় নকআউট পর্বের আগে কোচের উদ্বেগ আরও বেড়ে গেল।
গ্রুপ পর্ব শেষে ব্রাজিল শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে। এখন নরওয়ে ও আইভরি কোস্টের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ীর বিপক্ষে খেলার অপেক্ষায় রয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার কর্মসূচির এই ঘোষণা দেন। এই সংবাদ সম্মেলন শুধুমাত্র জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন ও কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২-৯ জুলাইে রাজধানীতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গু পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় এবং অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে স্মৃতিচারণ, আলোচনা ও দোয়া। ১৬ জুলাই জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে ঢাকার দুই মহানগরীর উদ্যোগে পৃথক আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। ১৮-৩১ জুলাই সারা দেশে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গু পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় এবং অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে স্মৃতিচারণ, আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। ১ আগস্ট সারা দেশে (মহানগরী, জেলা ও উপজেলা) গণমিছিলের আয়োজন করা হবে। ২-৪ আগস্ট শ্রমিক সংগঠনের উদ্যোগে কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে এবং ৫ আগস্ট 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস' উপলক্ষে ১১ দলের উদ্যোগে রাজধানীসহ সারাদেশে সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া, জামায়াতের মহিলা বিভাগ ও ছাত্রসংগঠন আলাদা কর্মসূচি পালন করবে বলে জানানো হয়েছে। জুলাই যোদ্ধাদের বিভিন্ন ফোরামের কর্মসূচিতে জামায়াত অংশগ্রহণ করবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে জামায়াতের তিনটি দাবি থাকবে। এগুলো হলো- গণঅভ্যুত্থানের খুনিদের এবং মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করা; শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিদের বিচার করা; এবং গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাছুম, আবদুল হালিম, হামিদুর রহমান আযাদ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং মহানগরী উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতের সংসদ সদস্য (এমপি) মো. নাজিবুর রহমান সংসদে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি উচ্চ আদালতে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, ‘আজকে ঋণখেলাপের দায়ে এক ব্যক্তির মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এখন কি বলতে পারব, উনি ঋণখেলাপি ছিলেন।’
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে যখন তিনি পয়েন্ট অব অর্ডারে এ মন্তব্য করেন, তখন সংসদে তর্ক বিতর্ক শুরু হয়। তিনি আরও বলেন, ‘ঋণখেলাপিদের এই সংসদে’ দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে। এমপি রুমিন ফারহানার বক্তব্যের ইঙ্গিত দিয়ে নাজিবুর রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে এক সংসদ সদস্য জানতে চেয়েছিল, সংসদে কোনো ঋণখেলাপি আছে কিনা। সে সময় স্পিকার উত্তর দিয়েছিলেন, বিচারাধীন বিষয়ে বলা সম্ভব নয়। কিন্তু আজকে ঋণখেলাপের কারণে একজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে আমি প্রশ্ন করছি, উনি কি সত্যিই ঋণখেলাপি ছিলেন।’
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এটা পয়েন্ট অব অর্ডার নয় বরং নির্বাচনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি বলেন, ‘ইসি আদালতের নির্দেশনায় আদেশ জারি করলে এ ব্যাপারে আমি আপনাদের জানাতে পারব। তাই ইসির চূড়ান্ত রায়ের জন্য আমাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে, তখন চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাবে।’
এছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম, এ সংসদে কোনো ঋণখেলাপি সদস্য নেই, তবে ঋণগ্রস্ত থাকতে পারেন। জামায়াত এমপি যে প্রসঙ্গ তুলেছেন, সেটা যেহেতু আদালতে ফয়সালা হয়ে গেছে, উনি সংসদ-সদস্য হিসেবে এখানে আসেননি। তাই উনি সংসদ-সদস্য নন। তার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং আদালত রায় দিয়েছে। এখানেই শেষ।’
স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে বলেন, ‘পয়েন্ট অব অর্ডারের বিষয়ে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। কিন্তু আসলাম চৌধুরী সংসদ-সদস্য নয়, তবে আপনার ব্যাখ্যা সঠিক।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর সদর উপজেলার শৌলডুবী এলাকায় গাছবোঝাই একটি নছিমনের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. জুলহাস (২৮) নামে এক অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শৌলডুবী এলাকার হাছেন মাতুব্বরের বাড়ির পাশের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুলহাস ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নিধিপট্টি গ্রামের ওহিদ মোল্লার ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশাচালক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে জুলহাস অটোরিকশা নিয়ে শৌলডুবীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা গাছবোঝাই একটি নছিমনের সঙ্গে তার অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে তিনি গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ওই সড়কে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল ও অসতর্ক ড্রাইভিংয়ের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সড়কে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ