বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:০৪ পি.এম
খুলনা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : একটি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে যেন কোনো শিক্ষার্থী জীবনের দৌড় থেকে ছিটকে না পড়ে, এ লক্ষ্যে জেলার ডুমুরিয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়।
ফেল নয়, ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ-এমন বার্তা দেওয়া হয় এ আয়োজন থেকে।
গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় আন্দুলিয়া, শাহপুরের সোনামুখ স্মার্ট একাডেমি হলরুমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন, এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরামর্শ সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এ এম কামরুল ইসলামের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ ব্যতিক্রমী আয়োজনে এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের হতাশা থেকে বের করে এনে কীভাবে নতুন করে প্রস্তুতি নিয়ে কাক্সিক্ষত সাফল্যে পৌঁছানো যায়, সেই বিষয়ে দিনব্যাপী আলোচনা ও দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক হাফিজুর রহমান। বক্তব্য রাখেন সাইফুল ইসলাম মল্লিক, এ. এম. কামরুল ইসলাম (সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা, সোনামুখ স্মার্ট একাডেমি ), বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ড. সন্দীপক মল্লিক, এস এম নূরুল ইসলাম, অধ্যাপক মামুন কাদের, অধ্যাপক তাসিন কাদির, অধ্যাপক ড. বিশ্বাস শাহিন আহমেদ, সোনামুখ স্মার্ট একাডেমির প্রিন্সিপাল হুসাইন আহমেদ এবং ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক সৌমেন মণ্ডলসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, একটি পরীক্ষার ফলাফল কোনো শিক্ষার্থীর পুরো জীবন নির্ধারণ করে না। ব্যর্থতার কারণ চিহ্নিত করে সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত অনুশীলন ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে গেলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরাও সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছাতে পারে।
বিশেষ করে এ বছর অনেক শিক্ষার্থী ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে অকৃতকার্য হয়েছে উল্লেখ করে বক্তারা ইংরেজি বিষয়ে দুর্বলতা কাটাতে নিয়মিত পড়াশোনা, অনুশীলন ও দক্ষ শিক্ষকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
আগামী পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে সোনামুখ স্মার্ট একাডেমি এলাকার সকল শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সাবজেক্টে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে বিশেষ সহায়তা প্রদানের কথা ঘোষণা করে।
এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ ধরনের দিনব্যাপী আয়োজন ব্যতিক্রমী একটি উদ্যোগ।
শিক্ষার্থীদের শুধু ফলাফলের ভিত্তিতে বিচার না করে তাদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কথা শোনা হয় ও সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়।
একই অনুষ্ঠানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও মানবিক শিক্ষার ওপর আলোচনা এবং ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান শেষে সবাইকে পুরস্কৃত করা হয়। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ‘তুমিও জিতবে’ বইটি উপহার দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অনুষ্ঠানের মূল বার্তা ছিল-ফল খারাপ হয়েছে, ভবিষ্যৎ নয়, আজকের ব্যর্থতাই আগামী দিনের সাফল্যের সিঁড়ি হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কমিটির (কিউএসি) ৫ম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কিউএসি-এর আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীনের সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের গুণগত মানোন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনা এবং শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও কাঠামোবদ্ধ ও মানসম্মত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান (এএসপি) সংশ্লিষ্ট, কে-পি-আই ফ্রেমওয়ার্ক, আউটকাম বেজড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম সংশ্লিষ্ট অ্যাকাডেমিক রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনস, পিএসএসি মনিটরিং ফ্রেমওয়ার্ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে মিশন অ্যান্ড ভিশন রিভিউ-সংক্রান্ত বিভিন্ন কমিটি চূড়ান্ত করা হয়।
সভায় সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোর কার্যপরিধি ও দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে অ্যাকাডেমিক পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কিউএসির ৫ম সভায় কমিটির সদস্য হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালকসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান ও কাতারের চলমান দ্বিপক্ষীয় আলোচনার অংশ হিসেবে কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সম্প্রসারণের পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এই তথ্য জানায় ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাঈ জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক আগ্রাসনের কারণে গত কয়েক মাসে অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কাতার যে উদ্যোগ নিয়েছে, সে বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে দুই পক্ষ আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং সংলাপের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা নিয়ে মতবিনিময় করেছে।
এছাড়া, আল থানি ও আরাগচি হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে সাময়িকভাবে একটি যৌথ নৌ-চলাচল করিডর প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবিত ধাপভিত্তিক কাঠামো নিয়েও আলোচনা করেন।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী এ সময় প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন বলে জানিয়েছে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে আয়োজিত ‘ঢাকা দিবস ২০২৬-হৃদয়ে ঢাকা’ উদযাপন উপলক্ষে আগামীকাল বিকেলে অনুষ্ঠেয় শোভাযাত্রায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন।
শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস, বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণ থাকবে।
উল্লেখ্য, ঢাকা দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শোভাযাত্রায় ঢাকার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরতে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী ও সাংস্কৃতিক উপকরণ প্রদর্শনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বড় আকারের স্টিমার, বাকরখানি, জিলাপি, ঘুড়ি ও নাটাইয়ের প্রতিকৃতি প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ ও নাট্যকলা বিভাগের শিল্পী ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকবে।
শোভাযাত্রাটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে-বাহাদুর শাহ পার্ক, কোর্ট চত্বর, রায়সাহেব বাজার, গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট ও শিক্ষা ভবনের পাশ দিয়ে নগর ভবনে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণকে আকর্ষণীয়, ঐতিহ্যনির্ভর ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি এবং গবেষণাক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২ জন গবেষককে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী এবং ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ সম্মাননাপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন।
উপাচার্য ড. ওবায়দুল ইসলাম সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষক ও গবেষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গবেষণাধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার ক্ষেত্রে তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, শুধু সরকারি অর্থায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ও ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতা প্রয়োজন।
শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলছে। গবেষণার জন্য ১ হাজার কোটি টাকা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ১ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠনের লক্ষ্যে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং জোরদারের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থার সঙ্গে ‘ল্যাব টু ল্যাব’ এবং ‘রিসার্চার টু রিসার্চার’ কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে আমরা গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে চাই। এক্ষেত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য তিনি শিক্ষক ও গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ