রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৩ পি.এম
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের অভিভাবকতুল্য। এজন্য প্রত্যেক শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো ভাবতে হবে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান করতে হবে তাদের সন্তান হিসেবে। তাদের নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘শিক্ষাব্যবস্থা : কুমিল্লা কনসেপ্ট’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, মাদক সমস্যা দূরীকরণে শিক্ষা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজে লাগিয়ে সমাজ থেকে মাদক সমস্যার সমাধান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি এলাকার শিক্ষানুরাগী, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সমাজসেবকসহ সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার উন্নয়নের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন এলাকার সংসদ সদস্যরাও স্বপ্রণোদিত হয়ে শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছেন। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে ‘কুমিল্লা কনসেপ্ট’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক আনসার সদস্য ঘুষের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। তার কার্যক্রমের ফলে ৯৮ হাজার সৌদি রিয়ালসহ এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া রিয়ালের বাংলাদেশি মুদ্রায় মূল্য প্রায় ৩২ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।
এই ঘটনা রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটের দিকে বিমানবন্দরের হেভি লাগেজের ৪ নম্বর গেটে ঘটে।
সূত্রে জানা যায়, দুবাইগামী যাত্রী মোহাম্মদ হালিম যখন হেভি লাগেজের গেটে প্রবেশ করেন, তখন তার গতিবিধি কর্তব্যরত আনসার সদস্য মো. নিজাম উদ্দিনের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। এই সময়, নিজাম উদ্দিনকে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করেন ওই যাত্রী। তবে নিজাম উদ্দিন ঘুষের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তাৎক্ষণিকভাবে শিফটে দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রশিক্ষক ওমর ফারুককে বিষয়টি জানান।
ওমর ফারুক ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তিনি মো. আলমগীর হোসেন এবং আনসার সদস্য চঞ্চল সাদেক রানাকে সঙ্গে নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে ওই যাত্রীর মালামাল তল্লাশি করেন। তল্লাশির একপর্যায়ে ৯৮ হাজার সৌদি রিয়াল উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে, শিফট ইনচার্জ আটক যাত্রী মোহাম্মদ হালিম এবং উদ্ধার করা রিয়াল বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।
আটক মোহাম্মদ হালিম কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম জজ মিয়া।
বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় দায়িত্ব পালনের সময় ঘুষের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আনসার সদস্য মো. নিজাম উদ্দিনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রশংসা করেছে। তার এই পদক্ষেপকে দায়িত্বশীলতা, সততা ও কর্তব্যনিষ্ঠার দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর চারঘাটে মোঃ আল হেলাল (৩২) নামের এক মাদক কারবারিকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে উপজেলার মোক্তারপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে ৮৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
রবিবার দুপুর ১২ টায় এসআরবি-৫, রাজশাহীর মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এসআরবি জানায়, রবিবার ভোর রাত পৌনে চারটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আল হেলালের বসতবাড়ির একটি শয়নকক্ষে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় দেয়ালে টানানো একটি স্যামসাং মনিটরের পেছনে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় ৮৮০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আল হেলাল বিক্রির উদ্দেশ্যে ইয়াবাগুলো নিজের কাছে রাখার কথা স্বীকার করেছে।
এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে চারঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিন সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের বালাগঞ্জে দুর্গাপূজার একটি মণ্ডপে ঢুকে প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে পুলিশ সাইদুজ্জামান শিমুল (২৯) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বটি দা। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাতটা থেকে আটটার মধ্যে বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বালাগঞ্জ পশ্চিম বাজার নবীনগর সার্বজনীন পূজামণ্ডপে। বালাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ তরফদার এই তথ্য জানিয়েছেন।
মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুদীপ পাল জানান, শনিবার রাতে শিমুল পূজামণ্ডপে প্রবেশ করে দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী ও কার্তিকের প্রতিমার বিভিন্ন অংশে বটি দিয়ে কোপ দেয়। পরে বিষয়টি জানার পর মন্দির কমিটির সদস্যরা সেখানে গিয়ে পুলিশকে অবহিত করেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পর শিমুলকে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে একটি বটি দা উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
ওসি মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ তরফদার বলেন, ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে শিমুলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। রোববার তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’
মন্দির কমিটির সভাপতি লাল মোহন দাস নান্টু বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন ওসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত এক দশকে ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা শিল্পে ধারাবাহিক উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত পরিসংখ্যানগুলো নির্দেশ করে যে, অস্ত্র, সামরিক প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ পরিবর্তনের পেছনে প্রতিরক্ষা বাজেটের বৃদ্ধি, ক্রয়নীতি সংস্কার, বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ এবং গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
প্রতিরক্ষা শিল্পে বড় পরিবর্তন
২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন রেকর্ড ১ লাখ ৭৮ হাজার কোটি রুপিতে পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার কোটি রুপি। ২০২০-২১ অর্থবছরে উৎপাদন ছিল ৮৪ হাজার ৬৪৩ কোটি রুপি এবং ২০১৩-১৪ সালে ৪৩ হাজার ৭৪৬ কোটি রুপি। ভারত সরকার ২০২৯ সালের মধ্যে বার্ষিক প্রতিরক্ষা উৎপাদন ৩ লাখ কোটি রুপি এবং রপ্তানি ৫০ হাজার কোটি রুপিতে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
প্রতিরক্ষা বাজেট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বাজেট ছিল ২ লাখ ৫৩ হাজার কোটি রুপি, যা ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বেড়ে ৭ লাখ ৮৫ হাজার কোটি রুপি হয়েছে।
নতুন সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় ও উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ মূলধনি ব্যয় ২০১৪-১৫ অর্থবছরের ৯৪ হাজার ৫৮৭ কোটি ৯৫ লাখ রুপি থেকে বেড়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২ লাখ ১৯ হাজার কোটি রুপি হয়েছে।
রপ্তানিতে চমক
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানাচ্ছে, প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ঘটেছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৬৮৬ কোটি রুপি রপ্তানি থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা বেড়ে রেকর্ড ৩৮ হাজার ৪২৪ কোটি রুপি হয়েছে। এক বছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। বর্তমানে ভারতের তৈরি প্রতিরক্ষা পণ্য ৮০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
বেসরকারি খাতের উদ্ভাবন
রপ্তানিতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণও বৃদ্ধি পেয়েছে। গত অর্থবছরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ১৭ হাজার ৩৫৩ কোটি রুপির প্রতিরক্ষা পণ্য রপ্তানি করেছে, যা মোট রপ্তানির ৪৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। সরকারি প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান ছিল ২১ হাজার ৭১ কোটি রুপি বা ৫৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। সামগ্রিক উৎপাদনে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশ প্রায় ৭৬ শতাংশ এবং বেসরকারি খাতের অংশ ২৪ শতাংশ, যার মূল্য প্রায় ৪২ হাজার কোটি রুপি।
দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের সময় গোলাবারুদ দ্রুত পুনরায় মজুত, ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জাম মেরামত এবং উৎপাদন বৃদ্ধির সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদেশি সরবরাহকারীদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সামরিক সরঞ্জামে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন ও আধুনিকায়নের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ভারতের প্রতিরক্ষা ক্রয়নীতিতেও এই পরিবর্তনের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল (ডিএসি) প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) নকশাকৃত এবং ভারতীয় শিল্পে উৎপাদিত ৬ লাখ কোটি রুপি মূল্যের বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের জন্য ‘অ্যাকসেপ্টেন্স অব নেসেসিটি’ বা প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬২ হাজার কোটি রুপির ৯৭টি ‘তেজস এমকে-১এ’ যুদ্ধবিমান এবং প্রায় ৬২ হাজার ৭০০ কোটি রুপির ১৫৬টি ‘এলসিএইচ প্রচণ্ড’ হালকা যুদ্ধ হেলিকপ্টার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দেশীয় উৎপাদনে জোরদার
২০১৬ সালের প্রতিরক্ষা ক্রয়নীতি এবং ২০২০ সালের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ নীতির মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি আরও জোরদার করা হয়েছে। এরপর ২০২৫ সালের প্রতিরক্ষা ক্রয় ম্যানুয়ালে প্রায় ১ লাখ কোটি রুপির রাজস্ব খাতের ক্রয়প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত ২০২৬ সালের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ নীতিতেও দেশীয় নকশা ও উৎপাদনে সহায়তা এবং দেশীয় উপাদানের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা খাতে স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং উদ্ভাবকদের অংশগ্রহণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ‘ইনোভেশনস ফর ডিফেন্স এক্সিলেন্স’ বা আইডেক্স কর্মসূচির আওতায় মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ৬৭৬টি স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান ও উদ্ভাবক যুক্ত হয়েছে এবং ৫৫১টি নকশা ও উন্নয়ন চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এ খাতে ব্যয় হয়েছে ৪৯৮ কোটি ৭৮ লাখ রুপি।
প্রতিরক্ষা গবেষণায়ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ডিআরডিওর গবেষণা ও উন্নয়ন বরাদ্দ ছিল ১৩ হাজার ৭১৬ কোটি ১৪ লাখ রুপি। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা বেড়ে ২৯ হাজার ১০০ কোটি ২৫ লাখ রুপি হয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে গবেষণা ও উন্নয়ন বাজেটের ২৫ শতাংশ শিল্প, স্টার্টআপ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
দেশীয়করণের সুফল
দেশীয়করণের ফল সেনাবাহিনীর গোলাবারুদ মজুতেও প্রতিফলিত হচ্ছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের ব্যবহৃত ১৭৫ ধরনের গোলাবারুদের মধ্যে ১৫৯টি দেশীয়ভাবে উৎপাদনের আওতায় এনেছে। ফলে গোলাবারুদের ক্ষেত্রে প্রায় ৯১ শতাংশ স্বনির্ভরতা অর্জনের দাবি করা হচ্ছে।
এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ভারত প্রতিরক্ষা খাতে গবেষণা, নকশা, পরীক্ষা, উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ, আধুনিকায়ন ও রপ্তানিকে একটি সমন্বিত শিল্প কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। তবে দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলেও সব ধরনের সরঞ্জাম ও উপাদান দেশে উৎপাদন করা সম্ভব হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই; আমদানিনির্ভরতা পুরোপুরি দূর করাও এর লক্ষ্য নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ