বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:৩১ পি.এম
বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি দৃঢ় সমর্থন বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
আজ সকালে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাতের সময় ফিলিস্তিনের ন্যায্য অধিকার এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি বাংলাদেশ অটল থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশের এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা করেন।
হুমায়ুন কবির ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ন্যায়সঙ্গত এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান পুনরায় তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি ফিলিস্তিনের প্রতি দীর্ঘদিনের এবং অবিচল সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে মিশর সত্যি স্বস্তির খবর পেয়েছে। অধিনায়ক মোহামেদ সালাহ, যিনি হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তিনি অবশেষে অনুশীলনে ফিরেছেন।
গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে তিনি দলের আংশিক অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন, যা মিসর শিবিরে ব্যাপক স্বস্তি এনেছে।
তবে, তিনি এখনো পুরো শক্তিতে অনুশীলন করতে পারছেন না। এরপরও, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাঁকে পাওয়া নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, সেটি কিছুটা কেটেছে। গ্রুপ পর্বের সময়, ইরান ম্যাচের আগে তিনি চোট পেয়েছিলেন এবং মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন।
খবরটি রয়টার্সের মাধ্যমে এসেছে।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইরানের বিরুদ্ধে খেলার সময় সালাহ হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগানোর কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। এরপর তাকে নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে মিসরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তাকে অনুশীলনে হাসিমুখে দেখতে পাওয়ার পর স্যোশাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দেয় ‘রাজা ফিরে এসেছেন’।
ডালাসে ৪ জুলাই রাউন্ড ১৬-তে উঠার লড়াইয়ে ‘দ্য ফারাওস’রা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। ২০২৫ সালের আর্থিক বিবরণে দেখা গেছে, গত এক বছরে তার আয়ের বড় অংশ এসেছে ডিজিটাল মুদ্রাভিত্তিক (ক্রিপ্টোকারেন্সি) ব্যবসা থেকে। একই সঙ্গে গলফ ক্লাব, অবকাশকেন্দ্র, হোটেল এবং আন্তর্জাতিক লাইসেন্সিং ব্যবসা থেকেও তিনি বিপুল আয় করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নৈতিকতা দপ্তরে জমা দেওয়া ট্রাম্পের আর্থিক বিবরণে ডিজিটাল মুদ্রাসংক্রান্ত ব্যবসা থেকে এক হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বেশি আয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান থেকেই প্রায় ৮০০ কোটি ডলার আয় হয়েছে। এ ছাড়া তার নামে চালু হওয়া একটি ডিজিটাল মুদ্রা থেকেও এসেছে কয়েক শ কোটি ডলার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের ব্যবসাগুলোও আগের মতোই লাভজনক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে থাকা তার গলফ ক্লাব, অবকাশকেন্দ্র, হোটেল ও বাণিজ্যিক স্থাপনা থেকে গত বছর ৫০০ কোটি ডলারের বেশি আয় হয়েছে। ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো ক্লাব থেকেও এসেছে কয়েক কোটি ডলার।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন প্রকল্পে নিজের প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ আয় করছেন ট্রাম্প।
বিবিসির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, একসময় ট্রাম্পের সম্পদের প্রধান ভিত্তি ছিল রিয়েল এস্টেট ও হোটেল ব্যবসা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক খাত, বিশেষ করে ডিজিটাল মুদ্রায় বিনিয়োগ, তার সম্পদ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
ইতিহাসের অন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে তুলনা করলে ট্রাম্পের সম্পদের পরিমাণ অনেক বেশি। মূল্যস্ফীতির সমন্বয় করেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির সম্পদের পরিমাণ ছিল আনুমানিক ১০০ কোটি ডলারের কিছু বেশি। আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের সম্পদের মূল্য ছিল কয়েক শ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। তুলনায় ট্রাম্পের মোট সম্পদের পরিমাণ এখন কয়েক হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
তবে তার এই বিপুল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, দায়িত্বে থাকা একজন প্রেসিডেন্টের এত বড় ব্যবসায়িক স্বার্থ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে।
যদিও হোয়াইট হাউস এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ট্রাম্প সরাসরি তার ব্যবসা পরিচালনা করেন না। ব্যবসাগুলোর দেখভাল করেন family's সদস্য ও নিযুক্ত ব্যবস্থাপকরা।
সর্বশেষ আর্থিক বিবরণে ব্যবসা, প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিলাসবহুল স্থাপনা ও আন্তর্জাতিক লাইসেন্সিং কার্যক্রম থেকে পাওয়া আয়ের তথ্য ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণ এবং শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
এই বিষয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ, অংশীজনদের অবদানের স্বীকৃতি, ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার সংগ্রামের বিজয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ জুলাইয়ের প্রথম প্রহরে জাতীয় শহীদ মিনারে ‘আলোয় আলোয় স্মৃতি সমুজ্জ্বল’ শীর্ষক কর্মসূচিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়।
পরবর্তী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— ১৫ জুলাই টিএসসি অডিটরিয়ামে ‘গণ-অভ্যুত্থানের বাঁক বদলের দিন’ শীর্ষক আলোচনাসভা; ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে ছাত্র সমাবেশ এবং একই দিনে সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা ও মহানগর শাখায় স্মরণসভা।
১৮ জুলাই ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কর্মসূচি, ২০ জুলাই ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান’ শীর্ষক স্মরণসভা, এবং ২১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘প্রতীকী জুলাই’ শীর্ষক লাইভ পারফরমেন্স অনুষ্ঠিত হবে।
একই দিনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, কবিতা উৎসব ও পথনাটক আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
২২ জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদসহ সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
২৪ ও ২৫ জুলাই সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, মহানগর, উপজেলা, কলেজ ও পৌর ইউনিট নেতারা শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন এবং শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপহারসামগ্রী পৌঁছে দেবেন।
৩ আগস্ট জাতীয় শহীদ মিনারে ছাত্রসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সংলাপ, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদার ও পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ২২ সদস্যের বাংলাদেশি যুব প্রতিনিধিদল চীনে তাদের ১০ দিনের সফর সম্পন্ন করেছে।
গত ২১ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ‘বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডার্স ডেলিগেশন টু ভিজিট চায়না-২০২৬’ কর্মসূচির আওতায় সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (এসআইআইএস)-এর আমন্ত্রণে এ সফর সম্পন্ন হয়।
প্রতিনিধিদলে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। সফরকালে তারা চীনের নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিল্প খাতের নেতৃবৃন্দ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক আগা মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী।
দলের অন্য সদস্যরা হলেন—অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাওন শায়লা, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ফকরুদ্দিন আল কবির, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এর সহকারী অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রভাষক জাকিয়া আহমদ ঝুমা, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মো. মিনহাজুল আবেদিন, সিপিডির রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মো. তাকরিম হোসেন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এর রিসার্চ অফিসার মুহাম্মদ মাজেদুল হক, ইউল্যাবের প্রভাষক নুসরাত তাজকিয়া, দ্য ডেইলি স্টারের টেক অ্যান্ড স্টার্টআপ সম্পাদক জারিফ ফায়াজ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মো. মোকাররম হোসেন, চায়না মিডিয়া গ্রুপের (সিএমজি) সহকারী নিউজ এডিটর মো. লুৎফর কবির, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) স্টাফ রিপোর্টার ওসমান গণি রাসেল, ˆদনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক মোস্তফা-ই-হাসনাত মাহমুদ চৌধুরী, প্রথম আলোর সাংবাদিক মো. সানাউল্লাহ সাকিব, ওসমানী সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের রিসার্চ অ্যানালিস্ট জোনায়েদ খান, সহকারী ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট চৌধুরী সাদিয়া জাহান ফারিহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী আল খালিদ বিন ওয়ালিদ দীপু ও মো. জারিফ রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম সরকার এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রাহাত জামান।
প্রতিনিধি দলটি কুনমিং, সাংহাই ও বেইজিং সফর করেন। সেখানে তারা বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং চীনের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, স্মার্ট নগর উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অবকাঠামো উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষা এবং শিল্প আধুনিকায়নে চীনের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিনিধিদল প্রত্যক্ষ ধারণা লাভ করে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও সংলাপের নতুন সুযোগও সৃষ্টি হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসআইআইএসের সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ-এর নির্বাহী উপপরিচালক ড. লি হংমেই বলেন, এ সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও চীনের জনগণের মধ্যে, বিশেষ করে দুই দেশের তরুণদের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা। একই সঙ্গে চীনের কূটনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, সামাজিক শাসনব্যবস্ বাস্তবায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, সংস্কৃতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারীদের জ্ঞান সমৃদ্ধ করাও এর লক্ষ্য ছিল।
তিনি আরো বলেন, ‘এই কর্মসূচির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলো— চীন সম্পর্কে প্রতিনিধিদলের দৃষ্টিভঙ্গি ও উপলব্ধিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। প্রত্যক্ষ মতবিনিময়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা চীনের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের পথযাত্রা সম্পর্কে আরো বিস্তৃত ও গভীর ধারণা লাভ করেছেন।’
ড. লি বলেন, সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিদলের সদস্যদের অভিজ্ঞতা বিনিময় এ সফরের দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাবের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এটি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, বন্ধুত্ব এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ প্রতিবছরই বাংলাদেশি যুব নেতা প্রতিনিধি দলের চীন সফরের আয়োজন করার পরিকল্পনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ