ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

তারকানির্ভর দক্ষিণ কোরিয়ার এবারের বিশ্বকাপ মিশন


তারকানির্ভর দক্ষিণ কোরিয়ার এবারের বিশ্বকাপ মিশন

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে হং মিয়ং-বোর নেতৃত্বে মাঠে নামছে দক্ষিণ কোরিয়া। এবারের আসরে অভিজ্ঞতা ও তারকাখ্যাতি দিয়ে পরিপূর্ণ হলেও, দলের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে, বিশেষ করে গ্রুপ পর্ব পেরোনোই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

‘এ’ গ্রুপে কোরিয়ার প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে স্বাগতিক মেক্সিকো, চেক প্রজাতন্ত্র এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। তুলনামূলকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই গ্রুপকে অনেকেই কঠিন গ্রুপগুলোর একটি হিসেবে গণ্য করছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার শক্তির মূল জায়গা তাদের তারকানির্ভর কাঠামো। রক্ষণভাগের দায়িত্বে রয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের অভিজ্ঞ সেন্টার ব্যাক কিম মিন-জ়াই।

মাঝমাঠ এবং আক্রমণভাগে কোরিয়ার প্রধান ভরসা হলেন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের লি কাং-ইন। তার সৃজনশীলতা এবং গোল করার ক্ষমতা দলের আক্রমণকে গতিশীল করে তুলবে। অন্যদিকে, দলটির সবচেয়ে বড় ভরসা এবং আইকনিক অধিনায়ক হলেন সন হিউং-মিন। বর্তমানে তিনি এমএলএস ক্লাব এলএএফসিতে খেলছেন। তার অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্ব কোরিয়ার বিশ্বকাপ স্বপ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন: বাবার কাঁধে চড়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসা জিন্নাত এইচএসসিতে উত্তীর্ণ

কোরিয়া দলে ব্যক্তিগত মানের খেলোয়াড় থাকলেও, তাদের মূল দুর্বলতা হিসেবে ধরা হচ্ছে স্কোয়াডের গভীরতা এবং ধারাবাহিকতা। টুর্নামেন্টের আগে খেলা প্রস্তুতি ম্যাচগুলোর মধ্যে কিছু বড় হারের কারণে রক্ষণভাগের দুর্বলতা সামনে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, কোরিয়ার নকআউট পর্বে পৌঁছানোর সম্ভাবনা মূলত নির্ভর করবে তাদের তিন প্রধান তারকা—কিম মিন-জ়াই, লি কাং-ইন এবং সন হিউং-মিন—এর ফর্মের ওপর।

দক্ষিণ কোরিয়া এবার নিয়ে ১২তম বারের জন্য বিশ্বকাপ খেলছে। ২০০২ সালে ঘরের মাঠে চতুর্থ হয়েছিল দেশটি, যা বিশ্বকাপে তাদের সেরা সাফল্য। এছাড়াও, ২০১০ এবং ২০২২ বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্ব পার করেছিল এশিয়ার এই দেশটি।

দক্ষিণ কোরিয়া স্কোয়াড :

আরও পড়ুন: রাজউকের প্লট দুর্নীতিতে শওকত আজিজ রাসেল কারাগারে

গোলরক্ষক : কিম সিউং-গিউ (এফসি টোকিও), সঙ্গ বম-কিউন (জেওনবুক হুন্দাই), জো হ্যন-উ (উলসান এইচডি)

ডিফেন্ডার : কিম মুন-হোয়ান (দেয়াজন হানা), কিম মিন-জ়াই (বায়ার্ন মিউনিখ), কিম তাই-হোয়ান (কাসিমা অ্যান্টলার্স), পার্ক জিন-সিওব (জেওনবুক হুন্দাই), সল ইয়ং-উ (রেড স্টার), জেন্স কাস্ট্রপ (বরুশিয়া মোনশেনগ্লাডবাখ), লি কি-হিউক (গ্যাংওন এফসি), লি তাই-সিওক (অস্ট্রিয়া ভিয়েনা), লি হান-বম (মিডজিল্যান্ড), চো ইউ-মিন (শারজাহ এফসি)

মিডফিল্ডার : কিম জিন-গিউ (জেওনবুক হুন্দাই), বে জুন-হো (স্টোক সিটি), পাইক সেউং-হো (বার্মিংহাম সিটি), ইয়াং হিউন-জুন (সেলটিক), ইউম জি-সুং (সোয়ানসি সিটি), লি কাং-ইন (পিএসজি), লি ডং-গিয়ং (উলসান এইচডি), লি জে-সুং (মাইনৎস ০৫), হোয়াং ইন-বম (ফেইয়েনুর্ড), হোয়াং হি-চান (উলভারহ্যাম্পটন)

ফরোয়ার্ড : সন হিউং-মিন (এলএএফসি), ওহ হিউন-গিউ (বেসিকতাস) ও চো গুয়ে-সুং (মিডজিল্যান্ড)।

আরও পড়ুন: রাশেদের ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছেঁড়ার ঘটনায় মানবাধিকার পরিষদের তীব্র নিন্দা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারকাদের বিশ্বকাপ উন্মাদনা, জেনে নিন কোন তারকা কোন দলের সমর্থক?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


তারকাদের বিশ্বকাপ উন্মাদনা, জেনে নিন কোন তারকা কোন দলের সমর্থক?

ফুটবল বিশ্বকাপ মানে হলো কোটি কোটি দর্শকের আবেগ, উচ্ছ্বাস এবং অপেক্ষার একটি অবসান। এই কারণে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরুর আগেই উন্মাদনায় মেতেছেন সাধারণ মানুষদের মতো দেশটির শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। আসুন, এক নজরে জেনে নিই ফুটবলের আসরে এবারের বিশ্বকাপে কোন তারকা কোন দলকে সমর্থন করছেন।

ব্যস্ত শুটিংয়ের ফাঁকে প্রিয় দলের খেলা দেখতে প্রস্তুত থাকেন এসব তারকারা। কেউ আর্জেন্টিনার, কেউ ব্রাজিলের, আবার কেউ স্পেনসহ অন্য দলকে সমর্থন করছেন।

দেশের শীর্ষ নায়ক মেগাস্টার শাকিব খান বিশ্বকাপ এলে বরাবরই নিজের সমর্থিত দল নিয়ে রহস্য বজায় রাখেন। কখনও ব্রাজিল, কখনও আর্জেন্টিনার প্রতি ঝোঁকের ইঙ্গিত দেখা যায় তবে এবারের বিশ্বকাপে তিনি কোনো দলের নাম স্পষ্ট করে উল্লেখ করেননি। ফলে তাকে ঘিরে ভক্তদের কৌতূহলও কম নয়।

অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম ছোটবেলা থেকে ব্রাজিলের সমর্থক। তিনি জানান, খেলার প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহ না থাকলেও বিশ্বকাপ এলে পরিবারের সবাই মিলে খেলা দেখার আনন্দ উপভোগ করেন। যদিও আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির খেলা তার পছন্দের। তারপরও তিনি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন ব্রাজিলকে নিয়ে।

জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর হৃদয়জুড়ে রয়েছে আর্জেন্টিনা। মেসির প্রতি ভালোবাসা থেকেই তার এই সমর্থন এসেছে। তবে তিনি খেলা নিয়ে বাড়াবাড়ি কিংবা অন্য দলকে ছোট করে দেখার সংস্কৃতিকে সমর্থন করেন না।

তরুণ অভিনেত্রী নাজিফা তুষি নিজেকে ব্রাজিলের সমর্থক বললেও মেসির কারণে আর্জেন্টিনার খেলাও তিনি উপভোগ করেন। তার কাছে বিশ্বকাপ মানে বন্ধুদের সঙ্গে উৎসবের মতো সময় কাটানো।

অন্যদিকে অভিনেত্রী মনিরা মিঠু আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ সমর্থক। কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার সময় থেকে এ দলের প্রতি তার ভালোবাসা রয়েছে। জয়-পরাজয় যাই হোক, আর্জেন্টিনার পাশে থাকার কথাও জানান তিনি।

অভিনেতা সিয়াম আহমেদের পছন্দের দল হচ্ছে স্পেন। তার মতে, স্প্যানিশ ফুটবলের ছন্দময় পাসিং, বল নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণাত্মক সৌন্দর্য তাকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে।

অন্যদিকে অভিনেতা মিশা সওদাগর বরাবরের মতো ব্রাজিলের সমর্থক। সাম্বা ফুটবলের নান্দনিকতা তাকে মুগ্ধ করে এবং এবারও তিনি ব্রাজিলের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছেন।

বিশ্বকাপের উত্তেজনা মাঠের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। প্রিয় দলকে ঘিরে তারকাদের উচ্ছ্বাস, আবেগ এবং প্রত্যাশা নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল কিংবা স্পেন সমর্থনের রং ভিন্ন হলেও সবার লক্ষ্য একটাই, ফুটবলের মহা আসরটি উপভোগ করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্ত পেরিয়ে ইয়াবার চালান, নেপথ্যে আন্তর্জাতিক চক্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


সীমান্ত পেরিয়ে ইয়াবার চালান, নেপথ্যে আন্তর্জাতিক চক্র

বাংলাদেশে প্রবেশের আগে ভেস্তে গেল আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের একটি বড় চালান। কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের দুই মিয়ানমার নাগরিককে আটক করেছে র‌্যাব। এই সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫ লাখ ইয়াবা।

আটক ব্যক্তিরা হলেন মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের মন্ডু থানার ভুসিডং এলাকার বাসিন্দা মোঃ সাজেদ (৩২) ও এনামুল হাসান (৩৩)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা স্বীকার করেছে যে, তারা মিয়ানমার থেকে সাঁতার কেটে অবৈধভাবে ইয়াবার এই বিশাল চালান বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিল। র‌্যাব জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানের প্রতি তাদের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের কার্যক্রম রয়েছে।

সীমান্তের নাফ নদী, মিয়ানমার থেকে সাঁতার কেটে প্রায় ৭ জনের মতো মাদক পাচারকারী টেকনাফে অনুপ্রবেশ করছে এমন খবর পায় র‌্যাব। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোরে টেকনাফ সাবরাং এলাকার মন্ডলপাড়ায় তারা অবস্থান নিয়েছিল।

র‌্যাব জানিয়েছে, সাঁতার কেটে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করা মিয়ানমারের নাগরিকরা। তারা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে দুই জন মিয়ানমার নাগরিককে আটক করতে সক্ষম হয়। পাশাপাশি আরো ৫ জন অজ্ঞাত মাদক পাচারকারী দৌড়ে পালিয়ে যায়। আটক মাদক কারবারিদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার এই বড় চালান নিয়ে এসেছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৫ লাখ ইয়াবা।

কক্সবাজারস্থ র‌্যাব-১৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, টেকনাফের সাবরাংখালের দক্ষিণ পাশে মন্ডলপাড়া এলাকায় মোহাম্মদ কবির হোসেনের জমিতে ইয়াবার একটি বড় চালান দেশে প্রবেশের সময় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পালানোর চেষ্টা শুরু করে। তবে র‌্যাব সদস্যরা আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িত দুই মিয়ানমার নাগরিককে আটক করতে সক্ষম হন।

তিনি আরো বলেন, আটক হওয়া দুজনের বাইরে আরও চার থেকে পাঁচজন মাদক কারবারি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা সবাই মিয়ানমারের নাগরিক। তাদের পরিচয় শনাক্ত করতে তথ্য সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম চলছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, তারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার এই বড় চালান বাংলাদেশে নিয়ে আসে। অভিযানে মোট ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

রামুতে বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব জানায়, সীমান্তপথে আসা মাদকের বড় চালান স্থানীয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে, যা যুব সমাজকে অপরাধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে মাদকের বিস্তার রোধে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি এবং অভিযানের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

কক্সবাজারস্থ র‌্যাব-১৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, র‌্যাবের প্রতিটি অভিযান নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য ও দীর্ঘ সময়ের নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং চক্রগুলোকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, তাই এই ধরনের বড় চালান জব্দ এবং সংশ্লিষ্টদের আটক করা সম্ভব হচ্ছে। গোপন তথ্য এবং গোয়েন্দা নজরদারি ছাড়া এ ধরনের অভিযান সফল করা কঠিন।

র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক আরও বলেন, মাদকের চালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি উখিয়ার পালংখালী এলাকায় পরিচালিত অভিযানে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। চলতি বছরে র‌্যাব-১৫ প্রায় ৩৫০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের অধিকাংশই মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত। তাদের মধ্যে অনেকেই পাঁচ, সাত, কিংবা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব হচ্ছে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা এবং র‌্যাব সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। অনেকে বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে; গ্রেপ্তারের পর তারা জামিনে মুক্ত হলেও র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি এবং বলেন, “মাদকের ভয়াবহতা থেকে কেউই নিরাপদ নয়। আমি নিজে মাদক গ্রহণ না করলেও, যদি এটি সমাজে সহজলভ্য থাকে, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। তাই মাদকবিরোধী সংগ্রামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নিতে হবে।”

শুধু চলতি বছরেই মাদকের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৩৫০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আর তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে ১৮ লাখের বেশি ইয়াবা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের আগে মেসির বার্তা ভক্তদের উদ্দেশে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


বিশ্বকাপের আগে মেসির বার্তা ভক্তদের উদ্দেশে

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করার সঠিক পূর্ব মুহূর্তে, শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলের বড় জয় নিয়ে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামল। এই ম্যাচে দুর্দান্ত একটি গোল করার পর অধিনায়ক লিওনেল মেসি আলবিসেলেস্তে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি আবেগঘন ও অনুপ্রেরণামূলক বার্তা দিয়েছেন।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে যাওয়ার পর, যেভাবে মেসি দলের সতীর্থদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছিলেন, এবার অবশ্য টুর্নামেন্ট শুরুর আগে সমর্থকদের সাথে সরাসরি কথা বলেছেন।

আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের সামনে ৩৮ বছর বয়সী এই মহাতারকা বলেন, "আমরা সবাই ভীষণভাবে রোমাঞ্চিত এবং উন্মুখ হয়ে আছি। কাতার বিশ্বকাপের সেই কঠিন সময়ে আমি সমর্থকদের বলেছিলাম— এই দলটা আপনাদের হতাশ করবে না। আমরা মাঠের লড়াইয়ে সেটি প্রমাণ করে দেখিয়েছি; প্রতিপক্ষ কে বা কোন টুর্নামেন্টে খেলছি, তা বিবেচনা না করে আমরা সবসময় সর্বোচ্চ লড়াই করেছি। এখনও আমরা ঠিক একই রোমাঞ্চ এবং জেদ নিয়ে প্রতি ম্যাচে লড়াই করার মানসিকতা ধরে রেখেছি।"

নিজেদের লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করে এলএমটেন আরও যোগ করেন, "বরাবরের মতোই আমরা এবারও ধাপে ধাপে এগোবো। তবে আমাদের ভেতর রয়েছে প্রচণ্ড তাড়না, উত্তেজনা এবং নিজেদের সামर्थ্যের ওপর অগাধ বিশ্বাস।"

মেসি তার বক্তব্যের শেষাংশে সমর্থকদের আশ্বস্ত করেন এবং প্রতিপক্ষকে সতর্কবার্তা দেন।

"আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিতে যাচ্ছি। মানুষের মনে যেন বিন্দুমাত্র সন্দেহ না থাকে যে, গত কয়েক বছর ধরে আমরা যেভাবে মাঠে নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। ফুটবল মাঠে কখনো ভাগ্য সহায় হয়, কখনো হয় না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা একের পর এক ইতিবাচক ফলাফল পেয়েছি, যা ধরে রাখা সত্যিই ভীষণ কঠিন। তবে আমরা নিজেরা যেমন এই জয়ের অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি, তেমনি সমর্থকদেরও অভ্যস্ত করে ফেলেছি। আর এবারও আমরা সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করার চেষ্টাই করব।"

ফুটবলের অনিশ্চয়তার কথা মাথায় রেখে মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিয়ে আলবিসেলেস্তে অধিনায়ক আরও যোগ করেছেন, "দিনশেষে লক্ষ্য পূরণ হবে কি হবে না, সেটা পরের বিষয়; কারণ এটাই ফুটবল। তবে এটুকু নিশ্চিত থাকুন— যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্যই আমাদের হারানো এবার অসম্ভব কঠিন হবে, কারণ আমরা অত্যন্ত লড়াকু এবং প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ একটি দল।"

আইসল্যান্ডের বিপক্ষে এই দাপুটে জয়ের পর অধিনায়কের এমন আত্মবিশ্বাসী বার্তা নিশ্চিতভাবেই বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে এবং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ভক্তের মনে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো বৈধকরণ জনস্বাস্থ্যেকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে : বাটা ও বিএটিটিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩২ পি.এম


পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো বৈধকরণ জনস্বাস্থ্যেকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে : বাটা ও বিএটিটিপি

প্রস্তাবিত বাজেটের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্যের দাম কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে বৃদ্ধি করা হয়নি। বরং দুটি নতুন ধরনের তামাক পণ্যকে করের আওতায় এনে বৈধতা প্রদান করা হয়েছে।

নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো, যা ই-সিগারেট এবং ভেপ ইত্যাদিকে অন্তর্ভুক্ত করে, বৈধকরণের ফলস্বরূপ এবং তামাকজাত দ্রব্যের সামান্য মূল্য বৃদ্ধির কারণে জনস্বাস্থ্য মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেই মনে করছে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) এবং তামাক কর বিষয়ক নলেজ হাব বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি)।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক তাৎক্ষণিক বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথমে আইন থেকে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো পণ্য নিষিদ্ধের বিধান বাদ দেওয়া হয়েছে।

প্রত্যাশিতভাবে, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ এবং পরামর্শকে এক মুহূর্তও উপেক্ষা করে করের আওতায় এনে এসব পণ্যকে বৈধতা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে সরকারের এই সিদ্ধান্ত জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহভাবে অবনতি ঘটাবে এবং দেশের কোটি কিশোর-তরুণ নতুন একটি নেশার ফাঁদে আটকে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজস্ব আয়কে বিবেচনায় নিয়ে এমন ক্ষতিকর নেশাকে বৈধতা প্রদান করায় মানুষ হতাশা প্রকাশ করেছে।

প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের দিকে লক্ষ্য রেখে তামাকজাত দ্রব্যে অ্যাডভেলরেমের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট করারোপের দাবি জানিয়েছিলেন দেশের জনস্বাস্থ্য এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞরা।

কিন্তু সরকার কেবল সিগারেটের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি করেছে। সিগারেটের ১০ শলাকার মূল্য নিম্ন স্তরের জন্য ৬০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৬২ টাকা, তরুণদের জন্য মধ্যম স্তরের সিগারেট ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের সিগারেট ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতিউচ্চ স্তরের জন্য ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা করা হয়েছে।

বাজারে সিগারেটের প্রায় ৭৫ শতাংশ বিক্রি হয় নিম্ন স্তরের সিগারেট। এই স্তরের মূল্য মাত্র ২ টাকা অথবা ৩.৩ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে। ফলে সামান্য মূল্য বৃদ্ধি নিম্ন স্তরের সিগারেটকে সহজলভ্য করে তুলবে।

আরো বলা হয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনা এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার প্রতি বছর তামাকজাত দ্রব্যের মূল্য ও কর হার বৃদ্ধি করে।

কিন্তু নিম্ন স্তরের সিগারেটের নামমাত্র মূল্য বৃদ্ধির ফলে ধূমপানের হার বৃদ্ধি পাবে এবং একই সাথে অন্যান্য স্তরের সিগারেটের ভোক্তারা নিম্ন স্তরের সিগারেট সেবন শুরু করবে। এর ফলে ধূমপানের প্রবণতা বাড়ার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাবে।

বহুল ব্যবহৃত সিগারেটের সামান্য মূল্য বৃদ্ধি সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যকেও পূরণ করবে না। বরং সুনির্দিষ্ট কর আরোপ না করায় তামাক কোম্পানির মুনাফা অযাচিতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এভাবে বাজেট প্রস্তাবনা থেকে ‘ও তদুর্ধ্ব’ শব্দটি বাতিল না করায় মূল্য কারসাজির সুযোগ পেয়ে যাবে এবং তামাক কোম্পানির রাজস্ব ফাঁকি ও মুনাফা বৃদ্ধির পথ প্রশস্ত হবে।

প্রতিক্রিয়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিম্ন স্তরের সিগারেটের নামমাত্র মূল্য বৃদ্ধি, ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচকে বৈধতা প্রদান, বিড়ি, জর্দা ও গুলের মূল্য বৃদ্ধি না করা জনস্বাস্থ্যে প্রশ্নের উদাহরণ হয়ে থাকবে।

এসব সিদ্ধান্ত অত্যন্ত হতাশাজনক এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রশ্নে নেতিবাচক বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সিগারেটের ট্যাক্স স্ট্যাম্পে কিউআর কোড ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল ট্র্যাক ও ট্রেস ব্যবস্থার প্রচলন, সিগারেট এবং বিড়ির কাগজের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ কিছু প্রস্তাবের প্রশংসা করে তারা বলছেন, এইসব পদক্ষেপ সিগারেটের অবৈধ বানিজ্য প্রতিরোধের মাধ্যমে কর ফাঁকি প্রতিরোধ এবং সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে কার্যকর অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%