মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৫ পি.এম
উত্তর কোরিয়া নতুন ধরনের একটি অস্ত্রের পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এই পরীক্ষাটি তদারকি করেছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। কিম উল্লেখ করেছেন, এই পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার উন্নত সামরিক প্রযুক্তির একটি উদাহরণ।
দুই দিন আগে, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান জানিয়েছিল যে, উত্তর কোরিয়া পূর্ব উপকূলের দিকে দুটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এ ঘটনার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে।
উত্তর কোরিয়া নিজেকে একটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশটির নেতারা বারবার তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের কর্মসূচির স্থায়িত্বের কথা বলেছেন। কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, রবিবার কিম জং উনের উপস্থিতিতে নতুন ধরনের অস্ত্রের পরীক্ষা হয়েছে। তবে অস্ত্রটির প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
কেসিএনএ জানিয়েছে, কিম এই পরীক্ষার প্রশংসা করেছেন এবং এটিকে দেশের উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কিম আরও বলেন, এই ধরনের সামরিক প্রযুক্তির উন্নয়ন দেশের যুদ্ধ প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আট দিন আগে, উত্তর কোরিয়া পূর্ব সাগরের দিকে কয়েকটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যা পরে পিয়ংইয়ং জানিয়েছিল যে, এটি একটি সামরিক মহড়ার অংশ ছিল।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, ওই মহড়ায় দূরপাল্লার কামান ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয় এবং সেগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। দক্ষিণ কোরিয়া এসব ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের নিন্দা জানিয়েছে এবং বলেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের লঙ্ঘন। তারা উত্তর কোরিয়াকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।
জাপানও উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে। দেশটি এসব ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে। গত সপ্তাহে, উত্তর কোরিয়া আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, যেখানে উত্তর কোরিয়াকে তার পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছিল।
উত্তর কোরিয়া বলেছে, পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হিসেবে তাদের মর্যাদা দেশের আইনেই স্থায়ীভাবে নির্ধারিত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আইএইএর ওই প্রস্তাব পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হিসেবে উত্তর কোরিয়ার অবস্থানে কোনো প্রভাব ফেলবে না। কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জংও পূর্বে বলেছিলেন, পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হিসেবে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান চূড়ান্ত। তিনি যারা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগের আশা করছেন, তাদেরকে ‘মূর্খ’ বলে মন্তব্য করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কৌতুকশিল্পী সময় রায়না এবং ‘টুয়েলভথ ফেল’ অভিনেত্রী মেধা শঙ্করের মধ্যে প্রেমের গুঞ্জন নতুন কিছু নয়। তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার কারণে সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চলছিল। এবার সেই আলোচনায় যুক্ত হয়েছে বিয়ের গুঞ্জন। শোনা যাচ্ছে, সময় ও মেধা আগামী ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে এ ধরনের দাবি করা হয়েছে। তবে বিয়ের গুঞ্জন সম্পর্কে সরাসরি কোনো ঘোষণা না দিয়ে বরং মজার ছলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সময় ও মেধা।
রবিবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সময় রায়না ওই পোস্টের একটি ছবি শেয়ার করেন। সেখানে লেখা ছিল, ‘সময় রায়না ডিসেম্বর মাসে মেধা শঙ্করকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন।’ পোস্টটি শেয়ার করে সময় লেখেন, ‘ডিসেম্বরে তো আমার ভারত সফর আছে। দুঃখিত মেধা শঙ্কর, বিয়ে পিছিয়ে দিতে হবে।’
মেধা নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতেও সময়ের সেই স্টোরিটি শেয়ার করেছেন। তিনি সঙ্গে হাসির ইমোজি দেন। পরে অভিনেত্রী আরো একটি মিম শেয়ার করেন। সেখানে লেখা ছিল, ‘ভিত্তিহীন বিয়ের গুঞ্জনগুলো পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় আমি।’
কয়েক দিন আগে রেডিটে প্রকাশিত একটি বেনামি পোস্ট থেকেই মূলত তাদের বিয়ের গুঞ্জন ছড়ায়। ওই পোস্টে দাবি করা হয়, সময় ও মেধা আগামী ডিসেম্বরে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। পোস্টদাতা নিজেকে সময়ের পরিবারের ঘনিষ্ঠজন বলেও দাবি করেন।
পোস্টটিতে আরো বলা হয়, সময় ও মেধা বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। এমনকি সময় নাকি দ্রুত মেধাকে বিয়ে করতে চান। তবে পোস্টে করা এসব দাবির কোনোটি সময় কিংবা মেধা নিশ্চিত করেননি।
চলতি বছরের শুরুতে সময় ও মেধাকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ার পর থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। মেধা সময়ের অনুষ্ঠান ‘ইন্ডিয়াজ গট ল্যাটেন্ট’-এর দ্বিতীয় মৌসুমের একটি পর্বেও অংশ নিয়েছিলেন। সেই পর্বে বরুণ ধাওয়ান, নিশান্ত তানওয়ার ও শ্যারন ভার্মা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সময় ও মেধার সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। তখন সময় মেধাকে নিজের ‘সবচেয়ে ভালো বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেছিলেন।
এদিকে সম্প্রতি সময় ও মেধার সুইজারল্যান্ডে একসঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার গুঞ্জনও ছড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুজনের প্রকাশ করা ছবি দেখে ভক্তদের একাংশ এমন ধারণা করেন। যদিও তারা একসঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন কি না, সে বিষয়টিও নিশ্চিত করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা থেকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেন। এই যাত্রার সময় তিনি তুর্কিশ এয়ারলাইনসের কর্মীদের সঙ্গে একটি ছবি তোলেন। উক্ত ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তুর্কিশ এয়ারলাইনসের কর্মকর্তা ইসলাম গুরে।
ইসলাম গুরে তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন যে, নিউইয়র্ক যাত্রার প্রথম ধাপে প্রধানমন্ত্রীকে ইস্তাম্বুল পর্যন্ত সঙ্গ দিতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি প্রধানমন্ত্রীর এবং তার প্রতিনিধিদলের তুর্কিশ এয়ারলাইনসের নির্ধারিত ফ্লাইট বেছে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ইস্তাম্বুল থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রাখার আগে তুর্কিশ এয়ারলাইনসের ক্রুদের সঙ্গে একটি স্মরণীয় ছবি তোলার সুযোগও তিনি পান। ইসলাম গুরে বাংলাদেশ ও তুরস্কের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে ভূমিকা রাখতে পেরে গর্ব অনুভব করেন।
এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর সকালে, তারেক রহমান তুর্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন। ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতির পর তিনি নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সফরে বিভিন্ন বৈঠক ও কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, তারেক রহমান তুর্কিশ এয়ারলাইনসের কয়েকজন কর্মী ও কর্মকর্তার সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন। ছবিটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক শহর ম্যানচেস্টারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৭ সালের জি২০ (G20) শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে চূড়ান্ত করেছে দেশটির সরকার। ২০২৭ সালের ২৭ ও ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এই হাই-প্রোফাইল সম্মেলন, যা ম্যানচেস্টার সেন্ট্রাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্বনেতাদের স্বাগত জানাবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম, যিনি ম্যানচেস্টার শহরকে তার সাবেক 'রাজনৈতিক দুর্গ' হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন, যা তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এই সম্মেলনের মূল আকর্ষণ হবে বিশ্বনেতাদের উপস্থিতি। চলতি বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে জি২০-এর সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবে। বিশ্বের ১৯টি বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) নিয়ে গঠিত এই জোটটি বিশ্বের মোট অর্থনৈতিক ক্ষমতার ৮৫ শতাংশেরও বেশি প্রতিনিধিত্ব করে।
জি২০ সম্মেলনে সব সদস্য রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। এতে অংশগ্রহণ করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইসহ অন্যান্য বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকেও সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হবে, যদিও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা বিশ্বের সাথে তার কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন বিদ্যমান।
ঐতিহাসিক স্থান ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব
ম্যানচেস্টারের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সাবেক রেলওয়ে স্টেশন 'ম্যানচেস্টার সেন্ট্রাল'-এ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সম্মেলনটি শহরের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ আয়োজন হতে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার সময় জানান, ম্যানচেস্টার একটি অনন্য ইতিহাস ও পরিচয়ে সমৃদ্ধ শহর। তিনি দাসপ্রথা বিরোধী আন্দোলনে শহরের ঐতিহাসিক ভূমিকা ও আত্মমর্যাদার কথা আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
তিনি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় জনস্বার্থকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার ওপর জোর দেন। প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগ এবং দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার নির্দেশও তিনি দেন।
আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-তে অন্তর্ভুক্ত, অনুমোদিত (সবুজ পাতায়) ও প্রস্তাবিত নতুন প্রকল্পসমূহের অনুমোদন ও পর্যালোচনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ উন্নয়নে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন খালগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও কার্যকর রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি সুয়ারেজ ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে পরিশোধিত পানি নদীতে নির্গমনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, "সরকারের পরিকল্পনা ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে থাকতে হবে।" তিনি ভবিষ্যতের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই ধরনের প্রকল্পকে ক্লাস্টারভিত্তিকভাবে সমন্বিত করার মাধ্যমে প্রকল্পের পুনরাবৃত্তি ও ওভারল্যাপ কমানোর সম্ভাবনার কথাও তিনি তুলে ধরেন। এতে সরকারি সম্পদের অপচয় কমবে এবং প্রকল্পের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন হলে সম্পূরক প্রকল্প গ্রহণ করা যেতে পারে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময়সীমা নির্ধারণ করে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করার কথাও বলেন তিনি। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরিধি পুননির্ধারণ, রি-স্কোপিং ও মার্জারের মাধ্যমে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান কবির আহামদ, কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রধান মো. বাবুল মিঞা, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. জামানুর রহমান, ঢাকা ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর হাছিন আহমেদসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ