ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগের প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী


বিজ্ঞানীদের মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগের প্রয়োজন: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য বিজ্ঞানীদের বাজেটনির্ভর নয়, বরং খাদ্যের পুষ্টিগুণ, নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে মৌলিক, উদ্ভাবনী এবং মানসম্পন্ন গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।

তিনি বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে কনফারেন্স কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভার মধ্যে এমন বক্তব্য দেন।

মন্ত্রী গবেষণার প্যাটেন্ট গ্রহণের বিষয় এবং কৃষিকে যুগোপযোগী করতে উৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, কৃষি এগিয়ে গেলে দেশও এগিয়ে যাবে। দেশের উন্নতির জন্য নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: ছয় বছরেও নির্মিত হয়নি সেতু, বাঁশের সাঁকোই ভরসা পাঁচ গ্রামের মানুষের

তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদনের অভাব নেই, তবে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের অভাব রয়েছে। এজন্য সরকার নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের খাবারের কারণে মৎস্য এবং কৃষি খাতের উৎপাদন বিঘ্নিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী মাছের খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল নিরাপদভাবে উৎপাদন করা জরুরি। বিশ্ববাজারে স্বাদুপানির মাছের চাহিদা কমেছে। তাই নিরাপদ পদ্ধতিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করে পরবর্তীতে রপ্তানি করা হবে।

কৃষিখাতের মতো মৎস্য চাষে ভর্তুকিমূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মৎস্যচাষিদের এই দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: কালিয়াকৈরে অটোরিকশা শ্রমিকদের অবরোধ, ওসির হস্তক্ষেপে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক স্বাভাবিক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলা প্রশাসকের মন্তব্যের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫০ পি.এম


জেলা প্রশাসকের মন্তব্যের প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন

সাতক্ষীরাবাসীকে ‘ধর্মান্ধ’ আখ্যায়িত করার অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বক্তব্যের প্রতিবাদে বাংলাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেল সাড়ে চারটায় শহরের নিউমার্কেট মোড়ে ওলামা মাশায়েখ পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলার উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। সমাবেশ থেকে অভিযোগ করা হয়, জেলা প্রশাসকের দেওয়া বক্তব্য স্থানীয় জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে এবং জেলার মানুষের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে। অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ওলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা ওসমান গণী, মাওলানা মনিরুল ইসলাম বেলালী, মাওলানা রুস্তম আলী তাওহিদী, মাওলানা শাহাদাত হোসেন, মাওলানা ফারুক হোসেনসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, সাতক্ষীরার মানুষ দীর্ঘকাল ধরে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ বজায় রেখে বসবাস করছেন। একটি দায়িত্বশীল পদে থেকে জেলাবাসীর প্রতি এমন মন্তব্য অনভিপ্রেত ও অসম্মানজনক মনে করা হচ্ছে। এ সময় অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ঘটনার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানানো হয়। বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধ সম্পর্কে কোনো সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের অবমাননাকর মন্তব্য কাম্য নয়। ভবিষ্যতে এমন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তারা। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করেন। সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা ওলামা মাশায়েখ পরিষদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূর্ব সুন্দরবনে এক বছরে ৪৭৪ অভিযান, গ্রেফতার ৩৭৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫২ পি.এম


পূর্ব সুন্দরবনে এক বছরে ৪৭৪ অভিযান, গ্রেফতার ৩৭৭

পূর্ব সুন্দরবনে বন অপরাধ প্রতিরোধে বনরক্ষীদের নজরদারি ও নিরবচ্ছিন্ন অভিযানের ফলে বন বিভাগ বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে। বনে অপরাধের মাত্রা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। গত এক বছরে সুন্দরবনের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জে ফুট পেট্রোলিং পরিচালিত ৪৭৪টি বিভিন্ন সাঁড়াশি অভিযানে ৩৭৭ জন বন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই সময় উদ্ধার করা হয়েছে লক্ষাধিক ফুট হরিণ ধরার ফাঁদ, ২৪৯ কেজি হরিণের মাংস এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ মৎস্য ও কাঁকড়া আহরণের সরঞ্জাম। একই সঙ্গে বন্যপ্রাণী শিকার চিরতরে বন্ধ করতে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকার ও বন অপরাধে জড়িত ১৫০ জনের একটি বিশেষ তালিকা তৈরি করে আইনপ্রয়োগকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে হস্তান্তর করেছে।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের মে মাস থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বনরক্ষীরা বনের গহীনে হেঁটে ও জলপথে ৪৭৪টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এই এক বছরে বন অপরাধের দায়ে মোট ২৪১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ৩৯৬ জন আসামির মধ্যে ৩৭৭ জনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্র জানায়, বনের বিভিন্ন দুর্গম এলাকা থেকে গত এক বছরে জব্দকৃত সামগ্রীর তালিকায় রয়েছে ৪৪৮টি ট্রলার, ১০০টি নৌকা, ৮ হাজার ৩৮১টি অবৈধ কাঁকড়া ধরার ফাঁদ, ৩০০ ফুট মাছ ধরার জাল এবং ১ হাজার ৬৬ কেজি অবৈধভাবে আহরিত কাঁকড়া। এছাড়া সুন্দরবনের নদী ও খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারি চক্রের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সময় দস্যু ও অসাধু চক্রের কাছ থেকে ৯৬ বোতল ও ৫ প্যাকেট মাছ মারার বিষ, বিষ দিয়ে ধরা ৭২৪ কেজি মাছ, ২২ বস্তা বিষযুক্ত চিংড়ির শুঁটকি এবং ২১৭ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির সাধারণ মাছ জব্দ করা হয়েছে। পূর্ব সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পেতে রাখা ফাঁদে বিভিন্ন সময়ে ১৭টি হরিণ ও একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৫৩ ফুট ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে। বর্তমান ডিএফও মো. রেজাউল করিম চৌধুরী সুন্দরবন পূর্ব বিভাগে যোগদান করার পর থেকে হরিণ ও বন্যপ্রাণী শিকার প্রতিরোধে বন বিভাগকে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় এই বিপুল পরিমাণ ফাঁদ উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে কখনো এর চার ভাগের এক ভাগও ফাঁদ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, বনরক্ষীরা চরম ঝুঁকি ও কষ্ট মাথায় নিয়ে দুর্গম বনে হেঁটে নিয়মিত টহল দেওয়ায় বন অপরাধ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত এক বছরে বনের বিভিন্ন স্থান থেকে ২৪৯ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ কেজি কম। মাংস উদ্ধারের এই বিশাল ব্যবধানই প্রমাণ করে যে সুন্দরবনে হরিণ শিকারের প্রবণতা এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। ডিএফও আরও জানান, সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী শিকার পুরোপুরি বন্ধ করতে পূর্ব বন বিভাগের আওতাধীন এলাকাগুলোর ১৫০ জন পেশাদার হরিণসহ বন্যপ্রাণী শিকারির একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এই তালিকা ইতিমধ্যে পুলিশ, র‌্যাব ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে সরবরাহ করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত এই শিকারিরা বর্তমানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কড়া নজরদারির মধ্যে রয়েছেন, যাতে তাঁরা কোনোভাবেই বনের ভেতর প্রবেশ করতে না পারেন। সুন্দরবন সংলগ্ন স্থানীয় বিশাল জনগোষ্ঠী এ ব্যাপারে সহযোগিতা করলে বন অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোরিয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দিঘলিয়ায় পরামর্শমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


কোরিয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দিঘলিয়ায় পরামর্শমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং বিদেশে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে “কোরিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে করণীয়” শীর্ষক এক পরামর্শমূলক কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার আলহাজ্ব সারোয়ার খান কলেজ অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসন, দিঘলিয়ার আয়োজনে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস. কে. আজিজুল বারী হেলাল। এই উপলক্ষ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কঙওঈঅ)-এর প্রজেক্ট ফিল্ড ম্যানেজার হা মিনজুং (ঐধ গরহলঁহম), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দিঘলিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি এম. সাইফুর রহমান মিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মল্লিক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন দাস গুপ্ত।

এছাড়া দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, তিনটি টিটিসির অধ্যক্ষ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রত্যাশী যুবক-যুবতী, অভিভাবক এবং অন্যান্য সুধীজন কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় বক্তারা দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, কোরিয়ান ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব, দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি এবং বৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

সবি হিসেবে সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প “৫ বছরে ১ কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থান” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রধান অতিথি এস. কে. আজিজুল বারী হেলাল তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান বিশ্বে কর্মসংস্থানের বাজারে টিকে থাকতে হলে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। দক্ষিণ কোরিয়াসহ উন্নত দেশগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত ও কারিগরি দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হতে হবে। তিনি তরুণদের প্রতি সরকারের বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি হা মিনজুং বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা, কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা এবং দক্ষ জনশক্তির চাহিদা সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তিনি এও বলেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও ভাষাগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশি তরুণরা কোরিয়ার শ্রমবাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও সুজন দাস গুপ্ত জানান, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বৈদেশিক কর্মসংস্থান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার সম্পর্কে সচেতন করতে এ ধরনের কর্মশালার গুরুত্ব অপরিসীম। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন অতিথিবৃন্দ। প্রশ্নোত্তর পর্বে দক্ষিণ কোরিয়ায় পড়াশোনা, কর্মসংস্থান, ভাষা শিক্ষা, ভিসা প্রক্রিয়া এবং দক্ষতা উন্নয়ন সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বক্তারা বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া অনুসরণ, দালালচক্রের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা এবং দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বিদেশে সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। কর্মশালাটি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা সম্পর্কে বাস্তবসম্মত ধারণা প্রদান করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেবহাটায় ধর্মীয় নেতৃবৃদের ডিজিটাল প্লাটফর্ম গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ পি.এম


দেবহাটায় ধর্মীয় নেতৃবৃদের ডিজিটাল প্লাটফর্ম গঠন

দেবহাটা উপজেলায় বাল্য বিয়ে, শারিরীক শাস্তি ও শিশু শ্রম প্রতিরোধ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তকরণে দুটি দিনের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার, ২৪ জুন, বিকাল সাড়ে ৩টায় উপজেলা মডেল মসজিদের সভাকক্ষে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে এবং সুশীলন দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের সহযোগিতায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের দেবহাটা এপি ম্যানেজার মিল্টন সিংহ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তরিকুল ইসলাম, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি আর, কে বাপ্পা এবং দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম।

অনুষ্ঠানের প্রথম দিন উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ও মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন খুলনা এপিসিও এর সিনিয়র ম্যানেজার লিটন মন্ডল। পুরো অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করেন দেবহাটা এরিয়া প্রোগ্রামের সুশীলনের উপজেলা ম্যানেজার মামুন হোসেন।

২৩ ও ২৪ জুন এই কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যক্ষ মুফতী মাওলানা শাঈখ মুহাম্মদ উছমান গনী। কর্মশালায় সুশীলনের সিডিও মিজানুর রহমান এবং জোস্ন্যা বালা সহ উপজেলা থেকে ১২০ জন ধর্মীয় নেতা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় আলোচনা করা হয় ইসলামে বিয়ে বা পরিবার গঠনের উদ্দেশ্য কি, ইসলাম কি বাল্য বিয়ের অনুমোদন দেয়, শিশুর শারিরীক শাস্তির বিধি-নিষেধ এবং এই ক্ষতিকর সামাজিক প্রথার বিষয়ে। শিশুদের চার ধরনের ঝুঁকি, যেমন শোষণ, নির্যাতন, সহিংস আচরণ ও অবহেলা, এবং শিশু শ্রম নিরসনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় নেতাদের করণীয় সম্পর্কিত ৭টি মূলনীতি তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মর্যাদাপূর্ণ সামাজিক অন্তর্ভুক্তির জন্য কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%