মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি
০৪:০৯ পি.এম
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার পলবান্ধা উজানপাড়া এলাকায় এক যুবকের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত যুবকের দাদা মো. কুদ্দুস শেখ ইসলামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে পলবান্ধা উজানপাড়া এলাকার মোঃশহিদ শেখের মুদির দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবক স্বরণ শেখ (১৫) বিকাশের মাধ্যমে উত্তোলন করা ২৬ হাজার টাকা এবং স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে নেওয়া ১ লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা তার পথরোধ করে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্ব বিরোধের জের ধরে মোঃ আলামিন (২৪) ও মোঃ রনি (২১), পিতা মোঃ ছামিউল শেখ; মোঃ মাসুদ (২৩), পিতা মোঃ চিরকু; এবং মোঃ ছামিউল হক (৪৫) ও মোঃ জামি (৩৮), পিতা মালপ উদ্দিন সহ আরো কয়েকজন মিলে লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে স্বরণ শেখের ওপর হামলা চালায়। হামলায় তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে দিয়ে তার কাছে থাকা ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা ও একটি ভিভো ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্বরণ শেখের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা আহত স্বরণকে উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।
অভিযোগকারী মো. কুদ্দুস শেখ বলেন, “নাতির চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এবং পারিবারিকভাবে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দিতে কিছুটা সময় লেগেছে।”
এ বিষয়ে ইসলামপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গ্রাম আদালতের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ কর্মশালাটি সোমবার দুপুর ১২ টায় সদর উপজেলা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজন করা হয়।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান উক্ত কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন। কর্মশালায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, বিচার প্রক্রিয়া, সুবিধা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে এর গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
এ সময় বিভিন্ন বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে ছোটোখাটো বিরোধ দ্রুত, সহজ এবং স্বল্প ব্যয়ে নিষ্পত্তির জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা। যদি জনগণের মধ্যে এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির সংস্কৃতি আরও মজবুত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান উল্লেখ করেন, গ্রাম আদালত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিচার সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এই সেবার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এ এটি আয়োজনে প্রতিপাদ্য ছিল ‘অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে, সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে’।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ অনুসারে স্থানীয়ভাবে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধের সহজ এবং দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন আদালত গঠিত হয়। গ্রাম আদালত ৩০০,০০০ টাকার মধ্যে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা রাখে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ৭ নম্বর বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব এবং চেয়ারে বসা নিয়ে বিরোধের জেরে বর্তমান চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
সোমবার সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়কে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষটি প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় কয়েকজনকে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের কাছ থেকে জানা যায়, বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন সম্প্রতি একটি মামলায় কারাগারে বন্দি ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কপিল উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জামিনে মুক্ত হয়ে ফরিদ উদ্দিন ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ করতে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব হস্তান্তর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলছিল।
সোমবার এ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা সংঘর্ষে প্রবৃত্ত হয়। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক বলেন, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ও চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আরো জানান, নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমধ্যসাগরে মাল্টার উপকূলের কাছে ইউরোপগামী অভিবাসীদের একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
ইতালীয় কোস্টগার্ড জানিয়েছে যে, নৌকাটি লিবিয়ার উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতে প্রায় ৬০ জন আরোহী ছিলেন।
এক বিবৃতিতে ইতালির কোস্টগার্ড জানায়, নৌকাটি যখন উল্টে যায়, তখন মাল্টা কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা চাইলে ইতালীয় টহলজাহাজ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
কোস্টগার্ডের তথ্যমতে, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দুর্ঘটনার সময় নৌকাটির অনেক যাত্রী সাগরে ছিটকে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অবস্থানরত একটি মাছ ধরার জাহাজ প্রায় ৪৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করার সফলতা দেখিয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে নারী ও শিশুও থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও তাদের পরিচয় ও জাতীয়তা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
লিবিয়া ও উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য অঞ্চল থেকে ইতালি ও মাল্টার উদ্দেশে যাত্রা করা মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় (সেন্ট্রাল মেডিটেরেনিয়ান) রুটকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক অভিবাসন পথগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। যুদ্ধ, দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মানবাধিকার সংকট থেকে বাঁচতে প্রতি বছর হাজার হাজার ব্যক্তি এই পথ ধরে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই, অনিরাপদ নৌযান এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর তথ্যানুসারে, চলতি বছরের রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় রুট পাড়ি দিতে গিয়ে অন্তত ৮২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এই রুটে এক হাজার ৩৩০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল, যা ইউরোপমুখী অভিবাসন সংকটের ভয়াবহতাকেই উপস্থাপন করে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ভূমধ্যসাগরে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার এবং অভিবাসীদের জন্য নিরাপদ ও বৈধ পথ তৈরির প্রশ্নে আহ্বান জানিয়ে আসছে। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনা আবারও ইউরোপমুখী অভিবাসন সংকট এবং সমুদ্রপথে মানবপাচারের ঝুঁকি নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ০৬ জুন পুলিশ সুপারের কাছে সংবাদ আসে যে পাড়ইল ইউনিয়নে ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য অফিসার ইনচার্জ নেয়ামতপুর থানা কে নির্দেশনা প্রদান করা হয় । তদন্তের ধারাবাহিকতায় গতকাল ৭ জুন রাতে সাসপেক্ট হামেদুল নামে ব্যক্তিকে আটক করা হয়। হামিদুল কে জিজ্ঞাসাবাদে তার কথাবার্তা সন্দেহ হলে তার বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজেকে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করেন।
অতঃপর গতকাল মধ্যরাতের পর অদ্য ইং ০৮/০৬/২৬ খ্রিঃ তারিখ পুলিশ সুপার, নওগাঁর দিক নির্দেশনায়, অফিসার ইনচার্জ নিয়ামতপুর থানার নেতৃত্বে নিয়ামতপুর থানার একটি বিশেষ টিম থানা এলাকার ৬নং পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি বসতবাড়ীতে রাত্রী ০০.০৫ ঘটিকা হইতে ভোর ০৫ ঘটিকা পর্য়ন্ত রাত্রীব্যাপী অভিযান চালিয়ে ৯০(নব্বই) কেজি শুকনা গাঁজা চমৎকার প্যাকেট সহ সহ ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত আসামীদ্বয়ের নাম ১। মোঃ হামেদুল ইসলাম(৩৫), পিতা- মোঃ এজামুল, মাতা- মোছাঃ হামেদা বেগম, , ২। মোঃ রশিদ(৪৪), পিতা- মৃত আজমুদ্দিন, মাতা- মৃত সফুরা বিবি, উভয় সাং- তুলার বাঐল, ইউপি- পাড়ইল, থানা- নিয়ামতপুর, জেলা- নওগাঁ বলিয়া জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।
ধৃত আসামীদ্বয়কে পুলিশ সুপার নিজেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তাদের সাথে আরো কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী জড়িত আছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে তারা এই মাদক এখানে কখনো ট্রাকে কখনো হাইস মাইক্রোতে করে নিয়ে আসে। দোতালায় মাটির ভবনটি মাদকের গোডাউন হিসেবে ব্যবহার হয়। এছাড়াও অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সীমান্ত দিয়ে এবং অন্যান্য স্থান থেকে হায়েস গাড়ি যোগে আরো কয়েকবার সংগ্রহ করে মজুদ রাখিয়া বিক্রয় করার কথা গ্রেফতারকৃত আসামিরা স্বীকার করে। এই গোডাউন থেকে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে এবং পার্শ্ববর্তী জেলায় পাইকারি ও খুচরা গাজার বিক্রি করা হয়। মাদক ব্যবসার টাকা ছাড়াও প্রতি ৩০ কেজি গাঁজাতে বাড়ির মালিক হিসেবে হামিদুল ৫০০০ টাকা করে পেয়ে থাকে।
এ সংক্রান্তে নিয়ামতপুর থানা, নওগাঁয় ০১ টি মামলা রুজু করা হয়েছে। সেই সাথে এই বিপুল পরিমাণ মাদক গাজা ব্যবসার স সাথে আরো কারা কারা জড়িত সে বিষয়ে গভীরভাবে পুলিশ তদন্ত করছে। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার, নওগাঁ মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক প্রতিরোধে নওগাঁ জেলা পুলিশ আগামী দিনগুলিতে অভিযান আরো জোরদার করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ