ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীর ১২০ মোড়ে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল বসতে যাচ্ছে


রাজধানীর ১২০ মোড়ে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল বসতে যাচ্ছে

রাজধানীর ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আগামী ছয় মাসের মধ্যে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ইতোমধ্যে ১২টি পয়েন্টে এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

আগামী মাসখানেকের মধ্যে এই সংখ্যা ৬০ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছে ট্রাফিক বিভাগ।

একই সঙ্গে যানজট কমাতে গত প্রায় এক বছরে নগরীর ৭৫টি পয়েন্টে সড়ক ডাইভারশন ও প্রকৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভবিষ্যতে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ভিত্তিক ট্রাফিক নজরদারিসহ প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থা আরও আধুনিক করার পরিকল্পনা রয়েছে ডিএমপির।

আরও পড়ুন: বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার ১৯ অক্টোবর

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে ডিএমপি ট্রাফিকে প্রায় ৪ হাজার ১০০ সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তবে ছুটি, প্রশিক্ষণ ও অসুস্থতার কারণে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ৭০০ সদস্য রাজধানীর ৬৬৮টি ট্রাফিক পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে প্রায় ২৫টি পয়েন্টে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হয়। এসব পয়েন্টে তিন পালায় ডিউটি চলে।

বাকি অধিকাংশ পয়েন্টে দুই পালায় দায়িত্ব পালন করা হয়।

আনিছুর রহমান বলেন, সীমিত জনবল দিয়েই রাজধানীর যানজট কমাতে গত প্রায় এক বছরে ৭৫টি পয়েন্টে ডাইভারশন ও বিভিন্ন ধরনের মডিফিকেশন করা হয়েছে। কোথাও ডাইভারশন দেওয়া হয়েছে, কোথাও সড়কের চলাচল ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর ফলে এখন পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের যানজট বা নতুন কোনো জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। বরং মাঠপর্যায়ে যানজট কমার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

তিনি বলেন, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে আসাদ গেটের ওপাশে চার রাস্তার মোড়ে আগে প্রায়ই যানজট লেগে থাকত এবং সেখানে ট্রাফিক সদস্য মোতায়েন করতে হতো। পরে ওই মোড়ে সরাসরি চলাচল বন্ধ করে বাম দিকে ঘুরে অল্প দূরে ইউটার্ন নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে বাম লেন সব সময় সচল থাকছে এবং যানবাহনের চাকা আর থেমে থাকছে না। ওই জংশন পরিচালনায় ৮ জন পর্যন্ত সদস্য কমানো সম্ভব হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, একই ধরনের ডাইভারশন ও মডিফিকেশন মোহাম্মদপুরের বসিলা, বনানীর কাকলী, মিরপুরের ইসিবি চত্বর ও কালশী ফ্লাইওভারের নিচেও করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের মতে, ঢাকা একটি অত্যন্ত জনবহুল মেগাসিটি। এখানে শুধুমাত্র ট্রাফিক সদস্যের সংখ্যা বাড়িয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সড়কের নকশা বিশ্লেষণ করে বৈজ্ঞানিকভাবে ডাইভারশন ও মডিফিকেশন করা হলে সেটিই সবচেয়ে কার্যকর হয়। এ কারণে ৭৫টি স্থানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আরও কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে বর্তমান জনবল দিয়েই আরও ভালো সেবা দেওয়া সম্ভব হবে বলেও তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, কোথায় কখন যানজট বেশি হয়, সে বিষয়ে ট্রাফিক বিভাগের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কোথাও পিক আওয়ার, কোথাও অফ-পিক আওয়ার। সে অনুযায়ী সদস্য মোতায়েন করা হয়। তবে শুধু ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দীর্ঘদিন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করা সম্ভব নয়। এ ব্যবস্থার সঙ্গে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে যুক্ত করতে হবে। সেটিই হবে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই সমাধান।

আনিছুর রহমান বলেন, রাজধানীতে পর্যায়ক্রমে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে ১২টি পয়েন্টে এই ব্যবস্থা রয়েছে। আগামী মাসখানেকের মধ্যে তা ৬০টি পয়েন্ট অতিক্রম করবে। এরপর আগামী ছয় মাসে রাজধানীর প্রধান ১২০টি পয়েন্টকে এ ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার সোমবার

তিনি বলেন, বর্তমান সিগন্যালগুলো ম্যানুয়ালি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী সিগন্যালের সময় পরিবর্তন করা সম্ভব। তবে উন্নত দেশগুলোতে একটি অ্যালগরিদমের মাধ্যমে পুরো সিস্টেম পরিচালিত হয়। একটি সিগন্যাল আরেকটি সিগন্যালের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কতটি যানবাহন এসেছে, তার ভিত্তিতে ৪০, ৬০, ৮০ সেকেন্ড বা কতক্ষণ সিগন্যাল চালু থাকবে, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত হয় এবং পাশের জংশনের সঙ্গেও সমন্বয় করা হয়।

বর্তমানে সেমি-অটোমেটিক ব্যবস্থা চালুর কারণ ব্যাখ্যা করে আনিছুর রহমান বলেন, উন্নত দেশগুলোর সড়ক অত্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে পরিকল্পিত ও প্রকৌশলগতভাবে নির্মিত। কোথায় কীভাবে মোড় হবে, কত ডিগ্রি কোণে বাঁক থাকবে, কোথায় উঁচু বা নিচু হবেÑসবই পরিকল্পনা অনুযায়ী করা হয়। বাংলাদেশের সড়কব্যবস্থা শুরু থেকেই সে ধরনের পরিকল্পনায় গড়ে ওঠেনি। তাই উন্নত দেশের মডেল পুরোপুরি এখানে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়।

বর্তমান ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আনিছুর রহমান বলেন, গত দুই মাসে নগরবাসীর কাছ থেকে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সহযোগিতা পাওয়া গেছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ট্রাফিক আইন মেনে চলছেন, সিগন্যাল অনুসরণ করছেন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখছেন। এর ফলে আগের তুলনায় দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকার ঘটনা অনেকাংশে কমেছে।

তবে তিনি বলেন, ঢাকার সব সমস্যা শেষ হয়ে যায়নি। ভারী বৃষ্টিপাত হলেই এখনো সড়ক অচল হয়ে যায়। আবার সড়ক অবরোধ করে মিছিল, মিটিং ও বিক্ষোভও যান চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। তাই ঢাকার যানজটকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। তেজগাঁওয়ের সমস্যা মতিঝিলকে, আবার মিরপুরের সমস্যা ওয়ারীকেও প্রভাবিত করে।

আরও পড়ুন: বিএনপি নেতা শাহরিয়ার কবির রুবেল তেলের দাম নিয়ে ফেসবুকে পোস্টে বহিষ্কার

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের সময়ও অনেক ক্ষেত্রে অটোমেটিক সিস্টেম কার্যকরভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। তখন ম্যানুয়ালি সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। তবে ভবিষ্যতে পুরোপুরি অটোমেটিক ব্যবস্থায় যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। তবে এর বাস্তবায়ন রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর নির্ভর করবে বলেও জানান তিনি।

যানজট নিরসনে শুধু ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগ যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে আনিছুর রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা এবং সড়ক ব্যবহারকারী প্রত্যেক মানুষেরই দায়িত্ব রয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দেশের বড় সমস্যা বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। অনেক সময় প্রয়োজনীয় সমন্বয় ছাড়াই রাতারাতি রাস্তা কেটে উন্নয়নকাজ শুরু করা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো অনেক ক্ষেত্রে ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে আগাম যোগাযোগও করে না।

তিনি বলেন, অনেক সময় সকালে দেখা যায়, রাতের বেলায় রাস্তা কেটে রাখা হলেও দিনের বেলায় সেখানে কোনো কাজই হচ্ছে না। এতে যান চলাচলে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়। আবার বিভিন্ন সংস্থা কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় ট্রাফিক সিগন্যালের কেবল কেটে ফেলায় পুরো সিগন্যাল ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করাও জরুরি।

আরও পড়ুন: বিএনপি সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারোয়ার তুষার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরিয়াহ আইন নিয়ে কড়া বার্তায় বিতর্কের মুখে ইব্রাহিম ট্রাওরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪১ এম


শরিয়াহ আইন নিয়ে কড়া বার্তায় বিতর্কের মুখে ইব্রাহিম ট্রাওরে

বুরকিনা ফাসো, যা আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিমভাগে অবস্থিত, সেখানে কখনোই শরিয়াহ আইন বা মুসলিম আইন চালু করা হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ও সামরিক কর্মকর্তা ইব্রাহিম ট্রাওরে। তিনি একই সঙ্গে সৌদি আরব থেকে শরিয়াহ আইন নিয়ে পড়াশোনা করা বুরকিনাবের নাগরিকদের দেশে ফিরে না আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নাইজেরিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি পোস্ট নাইজেরিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তিনি সোমবার (২০ জুলাই) দেশব্যাপী সম্প্রচারিত এক ভাষণে এ মন্তব্য করেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাওরে বলেন যে, তিনি নিজে মুসলিম হলেও বুরকিনা ফাসোতে প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে শরিয়াহ আইন চালুর কোনো সুযোগ নেই।

ট্রাওরে আরও বলেন, "আমি একজন মুসলিম। কিন্তু বুরকিনা ফাসোর প্রত্যেক মানুষের নিজের ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে। এই দেশে কখনোই শরিয়াহ আইন চালু হবে না।"

তিনি সৌদি আরবে শরিয়াহ আইন নিয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "তোমরা বুরকিনা ফাসোতে ফিরে এসো না।" তিনি আলোচনা করেন যে, দেশের উন্নয়নে কাজে লাগবে এমন প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা শরিয়াহ আইন পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাই তারা যেখানে আছেন, সেখানেই থাকতে হবে এবং তাদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাওরে তার বক্তব্যে আরও বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তি ও দক্ষতার ভিত্তিতে শিক্ষা প্রয়োজন। সে কারণেই শিক্ষার্থীদের এমন বিষয়ে পড়াশোনায় গুরুত্ব দেওয়া উচিত, যা দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

সূত্র: ডেইলি পোস্ট নাইজেরিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে ট্রাক উল্টে যান চলাচল বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫২ এম


ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে ট্রাক উল্টে যান চলাচল বন্ধ

মুন্সীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে একটি মালবোঝাই ট্রাক উল্টে যাওয়ার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে পরে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার তৎপরতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে ওঠে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শ্রীনগর উপজেলার উমপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, এক্সপ্রেসওয়ের মাওয়ামুখী সার্ভিস লেনে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ওপর উল্টে পড়ে।

খবর পাওয়ার পর পরই শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকের ভেতরে আটকে পড়া চালক ইব্রাহিম (২৭) এবং হেলপার জুয়েল শেখকে (৩২) উদ্ধার করে। তাদের সামান্য আহত হওয়ায় ঘটনাস্থলেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি ঢাকা থেকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। ফায়ার সার্ভিসের এক ঘণ্টাব্যাপী প্রচেষ্টার পর সড়ক থেকে ট্রাকটি সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে আলোচিত লামিয়া হত্যা মামলায় শ্বশুর-ননদসহ তিন আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ এম


মাদারীপুরে আলোচিত লামিয়া হত্যা মামলায় শ্বশুর-ননদসহ তিন আসামি গ্রেপ্তার

মাদারীপুরে আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে মাদারীপুর সদর মডেল থানার শ্রীনদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র গ্রেপ্তার করেছে।

বুধবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার একটি আত্মীয়ের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমানের নির্দেশে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনার তত্ত্বাবধানে, শ্রীনদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) মো. সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল অভিযানে অংশ নেন।

গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন আসামির নাম হলো—খোকন বেপারি (লামিয়ার শ্বশুর), রিংকি (লামিয়ার ননদ) এবং লিমা (লামিয়ার ননদ)। তারা সকলেই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

পুলিশ জানায়, হত্যামামলার পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য যে, গৃহবধূ লামিয়ার হত্যার ঘটনাটি মাদারীপুর জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। সর্বশেষ এই তিন আসামির গ্রেপ্তারকে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে মনে করছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে আবারও বাড়ছে ডলারের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৩ এম


দেশে আবারও বাড়ছে ডলারের দাম

ডলারের দাম আবারও বাড়ছে। এর ফলে আমদানি ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এর প্রভাব পড়তে পারে। বর্তমানে আমদানি খাতে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সায়। আর খোলাবাজার ও ব্যাংকের নগদ লেনদেনে ডলারের দাম ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে রয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এতে আমদানি ব্যয়, উৎপাদন খরচ ও মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। জুলাই মাসের শুরু থেকেই ডলারের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। আন্তঃব্যাংক লেনদেনের তথ্য অনুযায়ী, মাসের শুরুতে প্রতি ডলারের দাম প্রতিদিন ১৩ থেকে ১৫ পয়সা করে বাড়ছিল। তবে শেষ সপ্তাহে এক লাফে দাম বেড়ে যায় ৫০ পয়সা। এর সাথে তাল মিলিয়ে ব্যাংকগুলোর বিক্রয়মূল্যও বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে আমদানি খাতে প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে বেড়ে ১২৩ টাকা ৯০ পয়সায় বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে খোলাবাজার ও ব্যাংকের নগদ লেনদেনে ডলারের দাম ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, রফতানি আয় প্রত্যাশিত হারে না বাড়লেও আমদানি কার্যক্রম বেড়েছে। ফলে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে এর দামও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক বিনিময় হার নির্ধারণে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে না। চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতেই বাজারে ডলারের দাম নির্ধারিত হয়। তবে কোনো ব্যাংকের বিরুদ্ধে কারসাজির অভিযোগ উঠলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগ বিষয়টি তদন্ত করবে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, ডলারের দাম বাড়ার পেছনে শুধু আইএমএফের পরামর্শ নয়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতাও বড় ভূমিকা রাখছে। এর ফলে উচ্চমূল্যে ডলার কিনে আমদানি করতে হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে ভোক্তা পর্যায়ে। এতে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে। অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির বলেন, বাংলাদেশ খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে যন্ত্রপাতি; সবই আমদানি করে। তাই ডলারের দাম বাড়লে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম কিছুটা বাড়তে পারে। ১৫, ২০ বা ৩০ পয়সা বৃদ্ধি হয়তো বড় সমস্যা নয়। কিন্তু হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেনের ক্ষেত্রে এই সামান্য বৃদ্ধি বড় প্রভাব ফেলে এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থনৈতিক সূচক। এখন নজর রয়েছে ডলারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কতদিন স্থায়ী হয় এবং এর প্রভাব বাজার ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় কতটা পড়ে সেদিকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%