শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:১৪ এম
আগামী ৩১ অক্টোবর, ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বানে ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুটি জনসভা এবং ৬টি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচির জন্য রাজপথে জনসমুদ্রের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ৭ দফা দাবির ভিত্তিতে এই কর্মসূচি সফল করার জন্য খুলনায় সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৭টি উপ-কমিটি এবং বিভাগভিত্তিক অর্পিত দায়িত্ব সফলভাবে পালন শুরু করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক প্রেসব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগর আমীর ও ঐক্য জোট নেতা মাহফুজুর রহমান এই তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি উল্লেখ করেন, লং মার্চের আওতায় খুলনার বাবরী চত্বর (শিবাবাড়ী) ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডে পৃথক দুটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকালে ঢাকার বায়তুল মোকররম মসজিদের সামনে জনসভা দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হবে। পথিমধ্যে ৬টি পথসভা এবং কুষ্টিয়ায় আরেকটি জনসভার মাধ্যমে তৃতীয় দফার লং মার্চ কর্মসূচি শেষ হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, আসন্ন লংমার্চের গাড়ি বহরে এক হাজারের অধিক পাজেরো, হাইয়েস, মাইক্রোসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গাড়ি যুক্ত থাকবে। খুলনার প্রবেশ পথ থেকে শুরু করে ফুলবাড়িগেট পর্যন্ত ১৭ পয়েন্টে লং মার্চকে স্বাগত জানানো হবে। শিববাড়ী মোড় ও আশপাশের এলাকায় ২০০ মাইকের হর্ণ থাকবে। এছাড়া ২০টি তোরণ, একশ’টি বড় সাইজের বিলবোর্ড, সাড়ে ১৩ হাজার প্যানা প্রস্তুত করা হয়েছে। লং মার্চের সফলতার লক্ষ্যে প্রায় তিন লাখ লিফলেট ও পর্যাপ্ত ফেষ্টুন তৈরি করা হয়েছে। শিববাড়ী মোড়ের পথসভায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে এবং নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই পথসভাটি জনসভায় রূপান্তরিত হবে। কর্মসূচির সফলতায় ১২শ’ স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। পথসভা সুন্দর ও সফল করার লক্ষ্যে মূল পথসভাস্থলে ৪৫/২৪ বর্গফুট বিশাল আকৃতির একটি মঞ্চ নির্মাণের কাজ বর্তমানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি, সহকারী পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, টিম সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি, মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এমপি, এনসিপির মহানগর আহবায়ক আহমদ হামিম রাহাত, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহানগর সভাপতি মুফতি শরীফ সাইদুর রহমান, লেবার পার্টির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. সাইফুদ্দোহা, বিডিপির মহানগর সভাপতি এডভোকেট মো. হানিফ উদ্দিন, জাগপার সভাপতি খান মো. রাশেদ, মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা ও র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা যুবদলের সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে আজ বিকালে শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য প্রদান করেন শৈলকুপা থানা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি আবু তালেব মিয়া এবং বিশিষ্ট দলের খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক উসমান আলী বিশ্বাস। এছাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবু ফিরোজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন মোল্লাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন।
এ সময় বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে জমি নিয়ে বিরোধের কারণে আনজেরা বেগম (৩০) এবং বিধবা নাইমা সুলতানা (৩১) নামের অন্তঃসত্ত্বা দুই নারীকে মারধর ও লাথি-ঘুষি মেরে আহত করার অভিযোগ উঠেছে দুই সহোদর জসিম খান ও জহির খানের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ গাড়ফা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত দুই নারীকেই মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত নারীদের অভিযোগ, তাঁদের বাড়ির জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জসিম খান ও জহির খানের সঙ্গে বিরোধ চলছে। গত ৩ অক্টোবর আনজেরা বেগমের স্বামী সজিব খান তাঁর কর্মস্থল কেআর কলেজে ভোরবেলায় আকস্মিকভাবে মারা যান।
তাঁরা দাবি করেন, বুধবার সকালে জসিম ও জহিরসহ চার-পাঁচজন তাঁদের বাড়ির জমি দখল করতে এলে তাঁরা বাধা দেন। তখন তাঁদের উপর এলোপাতাড়ি মারধর ও লাথি-ঘুষি চালানো হয়। একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন।
আহত দুই নারী এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ঘটনায় মোল্লাহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে প্রতিপক্ষকে বাড়িতে গিয়ে না পাওয়ায় তাঁদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহাদাৎ হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আজ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেষ হবে। তবে আগামীকাল শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) থেকেই বঙ্গোপসাগরে যাত্রা করার পরিকল্পনা রয়েছে জেলেদের। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার অবসান ঘটলেও তাদের যাত্রাপথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। এর প্রভাবে দেশের উপকূলে বিরূপ আবহাওয়া বিরাজ করছে। বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণকারী জেলেরা প্রথম দিনে যেতে পারছেন না। এছাড়া, জেলে মহাজনদের মধ্যে বন ও জলদস্যু আতঙ্কও রয়েছে। তাদের মাথায় রয়েছে লাখ লাখ টাকার ঋণের বোঝা। এই প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে নতুন করে ঋণ নিয়ে তাদের সাগরে ট্রলার পাঠাতে হচ্ছে।
এদিকে, মহাজন ও ট্রলার মালিকরা নিষেধাজ্ঞার সময় তাদের জাল ও ট্রলার মেরামত করে সমুদ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। জেলেরা অবসর কাটিয়ে মহাজনের আড়তে এসে উপস্থিত হয়েছেন। যদিও প্রথম দিনে সাগরে যেতে পারছেন না, তবুও যাওয়ার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন জেলে ও মহাজনরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উপকূলীয় বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন মৎস্য আড়ৎ, জেলে পাড়া ও মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাট এলাকা ঘুরে সাগরযাত্রার প্রস্তুতির চিত্র দেখা গেছে। শরণখোলা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, জেলেরা শেষ মুহূর্তে এসে ব্যস্ত সময় পার করছেন জাল মেরামতে। ঘাটে নোঙর করা অর্ধশতাধিক ট্রলার রয়েছে। এসব ট্রলারের জেলেরা কেউ জাল তুলছেন, কেউ তুলছেন খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য মালামাল। অন্যদিকে বরফ কলগুলোতেও শ্রমিকদের মধ্যে ব্যস্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলেরা ট্রলারে বরফ তুলছেন।
এই সময় জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিষেধাজ্ঞার সময় তারা জাল ও ট্রলার মেরামত কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এখন তারা আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। কারণ উত্তাল সাগরে ট্রলার নিয়ে বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ঘাটেই তাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। মৎস্য আড়ৎদার মো. কবির হাওলাদার বলেন, এবছর সকল ব্যবসায়ীই কমবেশী লোকসানে রয়েছেন। আমার ৭-৮টি ট্রলারে কোটি টাকার ওপরে বিনিয়োগ (স্থানীয় ভাষায় দাদন বলা হয়) করা হয়েছে। গত মৌসুমে এসব ট্রলারে আহরিত ৩-৪ কোটি টাকার মাছ বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এবার বিক্রি হয়েছে মাত্র এক কোটি টাকা। বিভিন্নভাবে সংগ্রহ করে এই বিশাল অংকের টাকা বিনিয়োগ করে তারা এখন ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।
এই ব্যবসায়ীর আরো বক্তব্য, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও আবহাওয়া খারাপ থাকায় সাগরে কোনো ট্রলার যেতে পারছে না। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে আগামী ২ ও ৩ নভেম্বর থেকে সাগরে যাওয়া শুরু করবে ট্রলাগুলো। তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হচ্ছে। বাগেরহাট জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো: দুলাল ফরাজী ও শরণখোলা সমুদ্রগামী ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রথম দিনে সাগরে যাওয়া যাচ্ছে না। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে মাছ ধরা শুরু হবে। তারা আরো বলেন, লাখ লাখ টাকা লোকসানে পড়ে সব ব্যবসায়ী ঋণগ্রস্ত। তারওপর সাগরে দস্যুদের ভয়। তাই দস্যুদমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।
কয়েকজন জেলে জানান, দীর্ঘ বছর ধরে সাগরে মাছ শিকারে নিয়োজিত থাকলেও সরকারের দেয়া খাদ্য সহায়তা থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছেন। এ ব্যাপারে সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন। শরণখোলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতেই ইলিশ আহরণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে। এরপর সাগরে জাল ফেললে আশানুরূপ মাছ ধরা পড়বে জেলেদের জালে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রথম দিন সাগরে যাওয়া নিয়ে কিছুটা সংকটে পড়েছেন জেলেরা। তিনি আরো বলেন, সাগরে নির্বিঘ্নে মাছ ধরার জন্য বন ও জলদস্যু নির্মূলে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর পদক্ষেপ নিবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রকৃতির মধ্যে এখন শরৎ ও হেমন্তের মিষ্টি বাতাস বইছে; ঋতু পরিবর্তনের এই সমীরণ শুধুমাত্র পাতার পতনের সময় নয়, বরং এটি আপন ঠিকানা ছেড়ে নতুন ঠিকানায় পা রাখার একটি দীর্ঘশ্বাসও। এই ঋতু পরিবর্তনের আবহে সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির কার্যালয়ে এক আবেগঘন ও মননশীল বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
সাব-রেজিস্ট্রার অমায়িক বাবুর বদলিজনিত কারণে এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। কর্মজীবনের দাপ্তরিক পালাবদলে প্রিয় মুখগুলোর বিদায়বেলা চারপাশের পরিবেশকে ভারী করে তুলেছিল। সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করা এই কর্মবীরকে ঘিরে সেখানে উপস্থিত ছিলেন সহকর্মী ও দলিল লেখক সমিতির সদস্যরা।
বিদায়ের এই মুহূর্তে বক্তারা উল্লেখ করেন, দাপ্তরিক কাজের গণ্ডি অতিক্রম করে অমায়িক বাবু তাঁর অমায়িক ব্যবহারের মাধ্যমে সবার হৃদয়ে যে সুবাস ছড়িয়ে গেছেন, তা ঋতু পরিবর্তনের হাওয়াতেও অম্লান থাকবে।
সেখানে উপস্থিত সকলের চোখের কোণে জল আর মুখে স্মৃতির রোমন্থন- সব মিলিয়ে সাতক্ষীরার এই বিদায়বেলাটি রূপ নিয়েছিল এক সাহিত্যিক ও আবেগময় আয়োজনে, যেখানে প্রস্থান মানেই কেবল দূরত্ব নয়, বরং ভালোবাসার চিরস্থায়ী একটি স্মারক।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহবুব উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মহিদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মোহায়মিনুল মারকোচ, সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোবাশ্বেরুজ্জামান টুটুল ও হাফিজুর রহমান। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন সমিতির সাবেক সভাপতি হায়দার আলী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ আজাদ হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ