সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৩ পি.এম
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতান জ্যোতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন অনেক ক্রিকেটার।
জাতীয় দলের সাবেক এক অধিনায়ক, নাম প্রকাশ না করার শর্তে, বলেছেন, “আমি পারফর্ম করা সত্ত্বেও কিন্তু আমি ফুল স্পেলে বল করতে পারিনি। তারপরে প্যাড পরে আমার এমনও অনেক দিন গেছে যে আমি কিন্তু মাঠের বাইরে বসে ছিলাম। ইনফ্যাক্ট, আমাকে ঠিকমতো প্র্যাকটিস পর্যন্ত করানো হতো না। আমি কিন্তু মাঠের বাইরে কান্নাকাটিও করেছি অনেক।”
তিনি আরও যোগ করেন, “এখন তো আর আমরা খেলা নিয়ে চিন্তা নেই। কিন্তু চিন্তা করছি যে একটা ভালো পরিবেশ যেন পায় ক্রিকেট। একটা ভালো পরিবেশ আমাদের মেয়েদের দরকার, যেখানে আসলে এই ধরনের নোংরামি যেন আর না থাকে।”
তিনি বলেন, “আমি যখন দলে ছিলাম, কখনো পারফরম্যান্সের কারণে বাইরে ছিলাম না। আমি সবসময় দলকে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু আমাকে একটা সময় বসিয়ে দেয় কারণ, আমি দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতাম। এটা একজন সিনিয়র হিসেবে আমার দায়িত্ব এবং কর্তব্য ছিল যে দলে আমরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছিলাম। ড্রেসিংরুম বলেন, আমাদের ওয়েট ক্যারি নিয়ে বলেন, আমাদের ভিডিও অ্যানালিস্টকে নিয়ে বলেন বা ফিটনেস এগুলো নিয়ে যতবার কথা বলেছি, মানে আমাকে ততবারই কথা শুনতে হয়েছে এবং একটা সময় আমাকে দল থেকে বের করে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছে।”
তার দাবি, একপর্যায়ে পারফর্ম করার পরও তাকে পুরো স্পেল বোলিং করতে দেওয়া হয়নি, এমনকি নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগও পেতেন না।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের এখনো অনেক ভালো ট্যালেন্টেড মেয়েরা আছে, যারা চাইলে পারফর্ম করতে পারে। কিন্তু কিছু কিছু সিন্ডিকেটের জন্য এগুলো থেকে তারা বঞ্চিত আছে।”
জ্যোতির অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ গত পাঁচ বছরে ৮০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে জয় পেয়েছে মাত্র ৩২টিতে। হার ৪৭টিতে। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। এই ৮০ ম্যাচের ৫৫টি হয়েছে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর বিপক্ষে। টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর বিপক্ষে ৪৩ ম্যাচের মধ্যে বাংলাদেশের জয় মাত্র তিনটিতে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান ডিজিটাল যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও কাজের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এর অযাচিত ব্যবহারের ফলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, তথ্যগত নির্ভুলতা এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কিছু ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।
কোনো এআই টুল বা চ্যাটবট ব্যবহার করার পূর্বে যে পাঁচটি বিষয়ে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি, তা নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. গোপনীয় ও সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার না করা
এআই প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রম্পট বা কমান্ড হিসেবে যা কিছু ইনপুট করা হয়, তা অনেক সময় কোম্পানির সার্ভারে সংরক্ষিত হয় এবং মডেলের মান উন্নয়নে ব্যবহৃত হতে পারে।
সুতরাং, ব্যাংকের হিসাব নম্বর, পিন কোড, পাসওয়ার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, কিংবা অফিসের কোনো গোপনীয় ও সংবেদনশীল নথিপত্র কখনোই এআই টুলের সঙ্গে শেয়ার করা উচিত নয়। তথ্য সুরক্ষায় যেকোনো সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সবসময় সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
২. অন্ধভাবে এআই-এর ওপর ভরসা না করা
এআই টুলগুলো মাঝে মাঝে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে ভুল, ভুয়া বা পুরোনো তথ্য প্রদান করতে পারে, যাকে প্রযুক্তির ভাষায় ‘হ্যালুসিনেশন’ বলা হয়। বিশেষ করে চিকিৎসা, আইনি পরামর্শ, বা আর্থিক লেনদেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কেবল এআইয়ের ওপর নির্ভর না করে সবসময় নির্ভরযোগ্য ও পেশাদার উৎস থেকে তা যাচাই করে নেওয়া উচিত।
৩. প্ল্যাটফর্মের প্রাইভেসি ও ডাটা পলিসি জেনে নেওয়া
যেকোনো নতুন এআই টুল বা অ্যাপ ব্যবহারের আগে তাদের নিয়মাবলি ও প্রাইভেসি পলিসি পড়ে নেওয়া উচিত। অনেক অ্যাপ ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং আচরণ, লোকেশন বা ব্যক্তিগত ডাটা সংগ্রহ করে এবং তা তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে পারে। তাই অ্যাকাউন্ট খোলার সময় টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় ডাটা শেয়ারিং অপশন বন্ধ রাখা নিরাপদ।
৪. এআই-উত্পাদিত ডিপফেক ও ভুয়া কনটেন্ট সম্পর্কে সজাগ থাকা
জেনারেটিভ এআইয়ের মাধ্যমে বর্তমানে নিখুঁত ছবি, ভিডিও, এমনকি মানুষের কণ্ঠস্বর হুবহু নকল (ভয়েস ক্লোনিং) করা সম্ভব। সাইবার অপরাধীরা এই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া খবর ছড়ানো কিংবা পরিবারের সদস্য সেজে আর্থিক জালিয়াতি বা ব্ল্যাকমেইলের মতো অপরাধ ঘটাচ্ছে। তাই যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য বা দৃশ্য দেখলে তা যাচাই না করে বিশ্বাস করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৫. নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ও কর্মদক্ষতা বজায় রাখা
এআইকে কাজের সহায়ক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ হলেও এর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়া নিজের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বাড়ির কাজ বা লেখালেখির পুরো দায়িত্ব এআইয়ের হাতে ছেড়ে দিলে নিজস্ব মেধা বিকাশের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই এআইকে কেবল একটি সহায়ক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করাই শ্রেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে কোচদের অসন্তোষ কিংবা প্রতিবাদ প্রায়ই দেখা যায়। তবে আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতার সঙ্গে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি ছিল বেশ মজার এবং অন্যরকম।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের রেফারি জন ব্রুকসের দিকে হাসিমুখে এগিয়ে যান আর্তেতা। তার আচরণ দেখে মনে হচ্ছিল, রেফারিকে বুঝি আলিঙ্গন করতে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আলিঙ্গন নয়, বরং হলুদ কার্ডই দেখতে হয়েছে আর্সেনাল কোচকে।
ম্যাচের সময় টেকনিক্যাল এলাকার নির্ধারিত সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় আর্তেতাকে হলুদ কার্ড দেখান ব্রুকস। কার্ড দেখানোর ঠিক আগে রেফারির দিকে এগিয়ে যান আর্তেতা। মুখে ছিল হাসি, আর পুরো ভঙ্গিতেই ফুটে উঠেছিল বন্ধুত্বপূর্ণ আবহ। পরে সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বেশ হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।
তবে ম্যাচের ফল বিবেচনায় এই হলুদ কার্ড নিয়ে আর্তেতার খুব বেশি মন খারাপ হওয়ার কারণ নেই। ব্রুনো গিমারায়েস ও বুকায়ো সাকার গোলে সান্ডারল্যান্ডকে তাদের মাঠেই ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে আর্সেনাল।
এই জয়ের সুবাদে লিগ শিরোপা ধরে রেখেছে গানাররা। ৪ ম্যাচ শেষে ১২ পয়েন্টের সঙ্গে তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) শীর্ষ কূটনীতিক কাজা কালাস বলেছেন, "আমরা ভীত নই।" এই হামলার লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের সমর্থনে থাকা পশ্চিমা দেশগুলোকে ভয় দেখানো। তবে তিনি এ ব্যাপারে মত প্রকাশ করেন যে, পশ্চিমাদের উচিত আরো দৃঢ়ভাবে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানো।
ফিনল্যান্ডের রোভানিয়েমিতে ইউরোপীয় আর্কটিক সামিটে যোগ দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আনারুল মিয়া (২৭) নামে এক বহিরাগত যুবককে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুলিশে দিয়েছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক আনারুলের বাড়ি নেত্রকোনায়। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী সুরমা আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রী নগরের একটি বাসায় টিউশনি শেষে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের দিকে আসছিলেন। অটোরিকশা না পেয়ে হেঁটে হলে ফেরার সময় মোটরসাইকেল নিয়ে তাকে অনুসরণ করতে থাকেন আনারুল। কিছুদূর যাওয়ার পর মোটরসাইকেল থামিয়ে তিনি ওই ছাত্রীর কাছে ফোন নম্বর চান এবং বন্ধুত্বের প্রস্তাব দেন। এ সময় তাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন কথাবার্তা ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেন বলে অভিযোগও রয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী ছাত্রী মুঠোফোনে তার সহপাঠীদের বিষয়টি জানান। পরে সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আনারুলকে আটক করেন। তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়া হলে সেখানে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ স্বীকার করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর এক সহপাঠী বলেন, ‘রাত ১১টার দিকে তার বন্ধু কান্নাজড়িত অবস্থায় ফোন করে জানান, একজন মোটরসাইকেল নিয়ে তাকে অনুসরণ করছেন এবং শিস দিয়ে উত্ত্যক্ত করছেন। খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের নিরাপত্তাকর্মীরা ওই যুবককে ধরে রেখেছেন। পরে তাকে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়।’
শাবিপ্রবির প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর ওই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নিরাপত্তার বিষয়টিও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।’
এ ঘটনায় সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা ফারুক মিয়া বাদী হয়ে জালালাবাদ থানায় মামলা করার প্রক্রিয়া শুরু করেন।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ