০৬:২০ পি.এম
কুড়িগ্রামের চিলমারী নদীবন্দর ঘাট ইজারা দেওয়া হলেও যাত্রীদের জন্য শৌচাগার, সুপেয় পানি ও বসার ছাউনি নেই। এটি সম্প্রতি তোলা ছবি। কালের কণ্ঠের সংবাদ।
কুড়িগ্রামের চিলমারী নদীবন্দর ঘাট চলতি অর্থবছরে এক কোটি ৯৪ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হলেও যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা নেই। শৌচাগার, সুপেয় পানি এবং বসার ছাউনি না থাকায় প্রতিদিন হাজারো যাত্রী ভোগান্তিতে পড়ছেন।
এ পরিস্থিতিতে নারী, শিশু এবং বয়স্কদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে ইজি বাইকের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত এই ঘাটটি রৌমারী, রাজীবপুর, জামালপুর ও শেরপুরের যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত নৌকায় চার-পাঁচ হাজার যাত্রী ঘাটটি ব্যবহার করছে। অনেকের জন্য দূরবর্তী চরাঞ্চল থেকে নৌপথে আসতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লেগে যায়।
কিন্তু যাত্রীদের মাঝে শৌচাগারে যাওয়ার প্রয়োজন হলে তাদের আশপাশের বাড়িগুলোতে যেতে হয়।
রৌমারীর যাত্রী শাহ্ মোমেন বলেন, এত টাকা দিয়ে ঘাট ইজারা দেওয়ার পরেও যাত্রীদের জন্য একটি শৌচাগারও নেই।
নারী যাত্রী শামসুন্নাহার বেগম জানিয়েছেন, ‘টয়লেট না থাকায় নারীদের অনেক সমস্যা হয়। অপরিচিত বাড়িতে গিয়ে টয়লেটে যেতে চাইলে তা অস্বস্তিকর হয়ে যায়।’
আরও পড়ুন: যমুনায় গোসলে নেমে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
রমনা ঘাটের মাস্টার মো. সিদ্দিক বলেন, ‘গণশৌচাগার স্থাপনের জন্য বিআইডাব্লিউটিএ-কে জানানো হয়েছে, কিন্তু এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘যেখানে জনসমাগম হয়, সেখানকার জন্য নিরাপদ শৌচাগার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা না থাকলে পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে।’
এদিকে, বিআইডব্লিউটিএর চিলমারীর বন্দর কর্মকর্তা পুতুল চন্দ্র বলেন, ‘বন্দরের যাত্রী টার্মিনালের কাজ শেষ হয়েছে। সেখানে টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। জেটির কাজ শেষ হলে টার্মিনালটি চালু করা হবে।’ তবে জেটির কাজ শেষ হওয়ার নির্দিষ্ট সময় তিনি জানাতে পারেননি।
আরও পড়ুন: কাউখালীতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ৫ শতাধিক চারা বিতরণ ও রোপণ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন