শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১০ পি.এম
নীলফামারীতে ঘুমের মধ্যে সাপের কামড়ে মোন্নাফ শাহ রহমান মানিক (১৩) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের বগিলা গাড়ি এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত মোন্নাফ ওই এলাকার মশিউর রহমানের ছেলে। তিনি নীলফামারী ক্যাডেট একাডেমির সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে মোন্নাফ নিজ কক্ষে ঘুমাতে চলে যান। শুক্রবার সকালে তার কক্ষ থেকে অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান পরিবারের সদস্যরা।
ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় তারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। প্রবেশ করার পর মোন্নাফকে বিছানায় ছটফট করতে দেখা যায় এবং তার মুখ দিয়ে ফেনাও বের হচ্ছিল। এই অবস্থায় তাকে দ্রুত নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
রংপুর নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা, রাতে ঘুমের মধ্যেই কোনো বিষধর সাপ মোন্নাফকে কামড় দিয়েছে। একা ঘুমানোর কারণে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসেনি। সকালে অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও হাসপাতালে নেওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
পঞ্চপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. ওয়াহেদুল ইসলাম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কিশোরটি একা ঘুমাচ্ছিল। অসুস্থ হয়ে পড়লেও পরিবারের কেউ বিষয়টি টের পাননি। সকালে হাসপাতালে নেওয়া হলেও রংপুর যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। মোন্নাফের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নীলফামারী সংবাদদাতা
প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৪৮
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটবাসীর জন্য স্বাস্থ্যখাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুসংবাদ প্রদান করেছেন খন্দকার মুক্তাদির।স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি বড় ধরনের সুসংবাদ দিয়েছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সাথে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য তুলে ধরেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, সিলেটে শিগগিরই একটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল এবং অসম্পূর্ণ থাকা ৪৫০ শয্যাবিশিষ্ট ক্যান্সার ইনস্টিটিউট চালু করা হবে। পাশাপাশি পূর্বঘোষিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি দ্রুত চালুর প্রক্রিয়া জোরদার করা হচ্ছে।
বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, “সিলেটে স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে বর্তমানে তিনটি প্রধান প্রকল্প নিয়ে পুরোদমে কাজ চলছে। ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের বাকি কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সিলেটে নতুন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, বিসিকের উন্নয়নমূলক উদ্যোগ এবং এই স্বাস্থ্য প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে পুরো সিলেট অঞ্চলের স্বাস্থ্য খাতসহ সার্বিক সেবায় একটি বিরাট ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
পরিদর্শনকালে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির এবং সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরীসহ অন্যান্য স্থানীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার বাজারে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ৩০০টিরও বেশি মার্কিন প্রতিষ্ঠান, নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা কর কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং অনুৎসাহিত করার নির্দেশনা সত্ত্বেও, রাশিয়ার বাজারে ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে ৩০০টিরও বেশি মার্কিন কোম্পানি। রুশ প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা এবং ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের (ইইএফ) আয়োজক কমিটির নির্বাহী সচিব আন্তন কোবিয়াকভ জানিয়েছেন, তাদের রাশিয়ার বাজার ত্যাগ করার কোনো পরিকল্পনা নেই।
ভ্লাদিভোস্তকে আয়োজিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের ফাঁকে রুশ সংবাদসংস্থা টিএএসএস (TASS)-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কোবিয়াকভ বলেন, "মার্কিন প্রশাসন তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাশিয়ায় ব্যবসা করতে সরাসরি নিষেধ ও নিরুৎসাহিত করা সত্ত্বেও ৩০০টিরও বেশি আমেরিকান কোম্পানি আমাদের বাজারে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পশ্চিমা বিনিয়োগকারীরা রাশিয়ার সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং তাদের একটি অংশ এখনও মস্কোর সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
ব্যবসায়ীদের এই অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কোবিয়াকভ বলেন, "কেউই রাশিয়ার বাজার ছেড়ে যেতে চায় না। তারা প্রত্যেকেই এই অর্থনৈতিক যোগাযোগের গুরুত্ব এবং নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ খুব ভালোভাবেই বোঝেন।" তিনি জানান, অনেক ইউরোপীয় কোম্পানিকে তাদের নিজস্ব সরকার রাশিয়ার সাথে কাজ করা বন্ধ করতে চাপ দিচ্ছে, তবে ব্যবসায়ীরা নিজেদের লাভ রক্ষা করতে চান।
রাশিয়ার সরকারি নীতির প্রশংসা করে উপদেষ্টা বলেন, "যারা রাশিয়ার সাথে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাদের জন্য রুশ সরকার কোনো বাধা তৈরি করছে না। তাদের স্থানীয় অন্যান্য রাশিয়ান কোম্পানির মতো সমান চোখে দেখা হচ্ছে এবং রাশিয়ার অর্থনীতির অংশ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।"
ইউক্রেন যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও, বেশ কিছু শীর্ষ মার্কিন ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের রুশ বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেওয়ার বিষয়টি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতার একটি নতুন চিত্র তুলে ধরছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা কারারক্ষী ও আইনজীবীর পরিচয়ে অভিনব কৌশলে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত।গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. আব্দুস সালাম (৪৯) এবং মো. সুরুজ (২৬) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।জানা যায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করত। এরপর তারা ফোন করে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিভিন্ন মামলার আসামিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করত।এরপর ওই আসামিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতারণার ফাঁদ পাতত চক্রটি। প্রথমে চক্রের একজন নিজেকে ‘সাইফুল, কারারক্ষী, কারাগার প্রধান ফটক, কাশিমপুর কারাগার’ পরিচয় দিয়ে আসামির স্বজনদের ফোন করত। তাদের জানানো হতো, তাদের নিকটাত্মীয়ের জামিন নির্ধারিত আইনজীবীর মাধ্যমে নয়, মানবাধিকার সংস্থার আইনজীবী ‘সিরাজ’-এর মাধ্যমে হয়েছে।পরে আইনজীবী পরিচয়ে কথা বলার জন্য চক্রের অপর সদস্যের একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হতো।ওই নম্বরে ফোন করলে প্রতারক নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে বলত, আসামির জামিন হয়ে গেছে। আদালতের অন্যান্য প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে হবে এবং তার হাতে সময় কম।এরপর ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের কাছাকাছি কোনো দোকানের বিকাশ বা নগদ পারসোনাল নম্বরে টাকা পাঠাতে বলা হতো। টাকা পাঠানোর পর প্রতারকেরা তা তুলে নিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দিত এবং দ্রুত ওই এলাকা ছেড়ে চলে যেত তারা।ডিবি জানায়, গত ১ জুলাই হাতিরঝিল থানায় করা বিকাশ-নগদ প্রতারণার একটি মামলা তদন্ত করতে গিয়ে চক্রটির এই অভিনব প্রতারণার বিষয়টি নজরে আসে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করা হয়।বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের একটি দল গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুস সালাম ও সুরুজকে গ্রেপ্তার করে।ডিবি বলছে, গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থ উদ্ধারে অভিযান চলছে।ডিবি অপরিচিত কারও কথায় যাচাই-বাছাই ছাড়া আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দিয়েছে। অনলাইনে বা মোবাইলে কারও পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য বলা হয়েছে। প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান এইচবিএম ইকবাল এবং সাবেক পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাতসহ ৭৩ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এ বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সরকারের কাছে তথ্য ও নথি চাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংস্থাটি।
জানা গেছে, জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের (ইউএনসিএসি) আওতায় ইউএই সরকারের কাছে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলএআর) পাঠানো হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দুর্নীতি ও আর্থিক অপরাধের তদন্তে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে তথ্য ও নথি আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।
তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি দুবাইয়ের অভিজাত এলাকা দুবাই মেরিনা ও পাম জুমেইরাহতে ফ্ল্যাট ও বাড়ি কিনেছেন বলে তথ্য পেয়েছে দুদক। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সংযুক্ত আরব আমিরাতের গোল্ডেন ভিসাও নিয়েছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আখতারুল ইসলাম জানান, দুবাইয়ে অর্থপাচারের মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য চেয়ে তদন্তকারী দল সম্প্রতি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে চিঠি দিয়েছে। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
দুদক ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট ৭৩ ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে তাদের অধিকতর অনুসন্ধানের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে এবং সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমানের সদস্য হিসেবে একটি বিশেষ দল তদন্তটি পরিচালনা করছে।
তদন্তাধীন ৭৩ ব্যক্তির মধ্যে রয়েছেন— সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এইচবিএম ইকবাল, চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, আহসানুল করিম, আনজুমান আরা শহীদ, হুমায়রা সেলিম, জুরান চন্দ্র ভৌমিক, মো. রাব্বি খান, মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ ওলিউর রহমান, এসএ খান ইখতেখুরুজ্জামান, সৈয়দ ফাহিম আহমেদ, সৈয়দ হাসনাইন, সৈয়দ মাহমুদুল হক, সৈয়দ রুহুল হক, গোলাম মোহাম্মদ ভূঁইয়া, হাজি মোস্তফা ভূঁইয়া, মনোজ কান্তি পাল, মো. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, মো. মাহবুবুল হক সরকার, মো. সেলিম রেজা, মোহাম্মদ ইলিয়াস বজলুর রহমান, এসইউ আহমেদ, শেহতাজ মুনশি খান, একেএম ফজলুর রহমান, আবু ইউসুফ মো. আবদুল্লাহ, গুলজার আলম চৌধুরী, হাসান আশিক তাইমুর ইসলাম, হাসান রেজা মাহিদুল ইসলাম, খালেদ মাহমুদ, এম সাজ্জাদ আলম, মোহাম্মদ ইয়াসিন আলী, মোস্তফা আমির ফয়সাল, রিফাত আলী ভূঁইয়া, সালিমুল হক ঈসা/হাকিম মোহাম্মদ ঈসা, সৈয়দ একে আনোয়ারুজ্জামান/সৈয়দ কামরুজ্জামান, সৈয়দ সালমান মাসুদ, সৈয়দ সাইমুল হক, আবদুল হাই সরকার, আহমেদ সামির পাশা, ফাহমিদা শবনম চৈতি, মো. আবুল কালাম, ফাতেমা বেগম কামাল, মোহাম্মদ আল রুমান খান, মাইনুল হক সিদ্দিকী, মুনিয়া আউয়ান, সাদিক হোসাইন মো. শাকিল, আবদুল্লাহ মামুন মারুফ, মোহাম্মদ আরমান হোসাইন, মোহাম্মদ শওকত হোসাইন সিদ্দিকী, মোস্তফা জামাল নাসের, আহমেদ ইমরান চৌধুরী, বিল্লাল হোসাইন, এমএ হাসেম, মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন চৌধুরী, নাতাশা নূর মুমু, সৈয়দ মিজান মোহাম্মদ আবু হানিফ সিদ্দিকী, সায়েদা দুররাক সিন্ডা জারা, আহমেদ ইফফজাল চৌধুরী, ফারহানা মোনেম, ফারজানা আনজুম খান, কে এইচ মশিউর রহমান, এমএ সালাম, মো. আলী হোসাইন, মোহাম্মদ ইমদাদুল হক ভূঁইয়া, মোহাম্মদ ইমরান, মোহাম্মদ রোহেন কবির, মঞ্জিলা মুর্শেদ, মোহাম্মদ সানাউল্লাহ চৌধুরী, মোহাম্মদ সারফুল ইসলাম, সৈয়দ রফিকুল আলম ও আনিসুজ্জামান চৌধুরী। তবে চলমান তদন্তের কারণে এসব ব্যক্তির পেশাগত পরিচয় প্রকাশ করেনি দুদক।
দুবাইয়ে বাংলাদেশিদের সম্পদ নিয়ে এই অনুসন্ধানের সূত্রপাত সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশনায়। ২০২৩ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালত দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুবাইয়ে ৪৫৯ বাংলাদেশি নাগরিকের সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেন।
সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজ (সিফোরএডিএস) ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ট্যাক্স অবজারভেটরির উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল পর্যন্ত দুবাইয়ে ৪৫৯ বাংলাদেশির মালিকানায় ৯৭২টি সম্পত্তি ছিল। এসব সম্পত্তির নথিভুক্ত মূল্য প্রায় ৩১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২২ সালের মে মাসে প্রকাশিত সিফোরএডিএসের এক গবেষণায় সম্পত্তিগুলোর মূল্য প্রায় ৩১৫ মিলিয়ন ডলার বলা হয়েছিল।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, এসব সম্পত্তির মধ্যে ৬৪টি দুবাই মেরিনায় এবং ১৯টি পাম জুমেইরাহতে রয়েছে। বাংলাদেশিদের মালিকানায় অন্তত ১০০টি ভিলা ও পাঁচটি ভবনের তথ্যও পাওয়া যায়। এ ছাড়া চার-পাঁচজন বাংলাদেশির সঙ্গে প্রায় ৪৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পত্তির যোগসূত্র পাওয়া গেছে বলেও গবেষণায় উল্লেখ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ