০২:১২ পি.এম
দেশে ইলেকট্রনিক বর্জ্য বা ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২১ সালে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত স্পষ্ট বিধিমালা তৈরি করা হলেও, পরিবেশ অধিদপ্তরের সক্ষমতার অভাব এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের কারণে এটি কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে টিআইবি এবং ডব্লিউইইই সোসাইটি বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক আলোচনাসভায় এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
‘বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সুশাসন: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশে ই-বর্জ্যের সঠিক পরিমাণ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য-উপাত্ত নেই। এর ফলে এই খাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান।
আরও পড়ুন: অ্যামাজনে নতুন ছাঁটাই, প্রায় এক হাজার কর্মী চাকরি হারালেন
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের প্রতিটি জেলায় ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানা স্থাপনের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। সোলার সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হলেও, এসব ব্যবস্থায় ব্যবহৃত পণ্যের বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
আলোচনা সভায় ইভিএম নিয়ে উদ্বেগজনক একটি তথ্য প্রকাশ করা হয়, যেখানে জানানো হয়, দেশের ৪১টি জেলায় প্রায় দেড় লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) বর্তমানে অকেজো ও নষ্ট অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এসব ইভিএমের ব্যবস্থাপনা বা পুনর্ব্যবহারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন