ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
কর্মশালায় বক্তারা

খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে প্যাকেটের সামনে সতর্কবার্তা দেওয়ার তাগিদ


খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে প্যাকেটের সামনে সতর্কবার্তা দেওয়ার তাগিদ

বাংলাদেশে শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষের মধ্যে অতি-প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ক্ষতিকর চর্বি সমৃদ্ধ। এই পরিস্থিতির ফলে খাদ্যজনিত বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ অবস্থায় খাদ্যপণ্যের প্যাকেটের সামনের দিকে সহজবোধ্য সতর্কবার্তা বা ‘ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল)’ চালু করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার রাজধানীর বিআইপি কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশে ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল): প্রয়োজনীয়তা, অগ্রগতি ও করণীয়’ শীর্ষক সাংবাদিক কর্মশালায় বক্তারা এই বিষয়টি তুলে ধরেন। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রিন্ট, টেলিভিশন ও অনলাইন গণমাধ্যমের ২৬ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

কর্মশালায় বক্তারা জানান, বাংলাদেশে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার ও উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগে ৭১ শতাংশ মানুষের মৃত্যু ঘটছে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এসব রোগের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্তমানে খাদ্যপণ্যের প্যাকেটের পেছনে ছোট অক্ষরে লেখা জটিল পুষ্টি তথ্য সাধারণ ভোক্তাদের জন্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে ভোক্তারা সহজে জানতে পারছেন না, কোনো খাবারে অতিরিক্ত লবণ, চিনি বা ক্ষতিকর চর্বি রয়েছে কি না।

তারা উল্লেখ করেন, খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারের মোড়কের সামনের দিকে স্পষ্ট ও সহজবোধ্য সতর্কবার্তা চালু করা একটি কার্যকর উদ্যোগ হতে পারে। এর মাধ্যমে ভোক্তারা খাবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, ‘খসড়া প্রবিধানমালাটি বর্তমানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষে এটি দ্রুতই চূড়ান্ত হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের অ্যাসোসিয়েট সায়েন্টিস্ট আবু আহমেদ শামীম বলেন, ‘অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে এফওপিএল একটি বিজ্ঞানসম্মত উপায়। এটি ভোক্তাকে সহজেই অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি বুঝতে সাহায্য করবে।’

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক সেমিনারে যোগ দেবেন ডা. জুবাইদা রহমান

জিএইচএআইয়ের বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, ‘অসংক্রামক রোগে মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এফওপিএল প্রবিধানমালা দ্রুত চূড়ান্তকরণ ও বাস্তবায়ন জরুরি।’

চ্যানেল ২৪-এর নির্বাহী পরিচালক জহিরুল আলম বলেন, ‘অসংক্রামক রোগ মোকাবেলায় এফওপিএলের কার্যকারিতা তুলে ধরে গণমাধ্যমে নিয়মিত আলোচনা ও বিশ্লেষণ খসড়া প্রবিধানমালা চূড়ান্তকরণের পথ সুগম করবে।’

কর্মশালায় আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স—আত্মার কো-কনভেনর মিজান চৌধুরী এবং প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের। গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রজ্ঞার কর্মসূচি প্রধান হাসান শাহরিয়ার ও প্রোগ্রাম অফিসার শবনম মোস্তফা।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে : ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ত্রিশালে ঋণ সহায়তা ও গাছের চারা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


ত্রিশালে ঋণ সহায়তা ও গাছের চারা বিতরণ

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) উদ্যোগে নারীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ঋণ সহায়তা এবং বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বিআরডিবি অফিস চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিআরডিবি গঠিত উপজেলার পৌর সভার ৩নং ওয়ার্ড ও মঠবাড়ী ইউনিয়নের মহিলা দলের ২৪ জন সদস্যের মাঝে ঋণ সহায়তা ও সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুবিধাভোগীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির ৪৮টি গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

এসময় উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ এনামুল হক বলেন, নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, পারিবারিক আয় বৃদ্ধি এবং নিরাপদ সবজি উৎপাদনে এ ধরনের ঋণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন সম্প্রসারণে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

ত্রিশাল উপজেলা ইউসিসিএ লি. এ-র চেয়ারম্যান জহির মোঃ আতাউর রহমান শামীম বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির সুফল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড নিরলসভাবে কাজ করছে। ঋণের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে লাভজনক
গাছের চারার মাধ্যমে সদস্যরা নিজেদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আইয়ুব আলী, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সুব্রত রায়, মাঠ কর্মী মাহামুদা পারভেজ প্রমূখ।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা সুবিধাভোগীদের হাতে ঋণের অর্থ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন শ্রোতার সামনে এক ঘণ্টা গান গেয়ে একন পেলেন ১২ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


তিন শ্রোতার সামনে এক ঘণ্টা গান গেয়ে একন পেলেন ১২ কোটি টাকা

বিশাল একটি মঞ্চ, এলইডি লাইট, লেজার শো এবং পুরো ট্যুরিং দলের উপস্থিতি- সবকিছু মিলিয়ে একটি বড় কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু যখন মার্কিন সংগীতশিল্পী একন মঞ্চে উঠলেন, তখন তিনি দেখলেন, দর্শক সংখ্যা মাত্র তিনজন! তাদের একজনের বিশেষ অনুরোধে তিনি টানা এক ঘণ্টা একই গান গেয়ে ১০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ কোটি টাকারও বেশি, উপার্জন করেছেন।

সম্প্রতি ‘ফ্ল্যাগর‍্যান্ট’ পডকাস্টে একনের ক্যারিয়ারের এই অদ্ভুত অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের একটি ধনী পরিবারের ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। ঐ পরিবারের এক কন্যা একনের ভক্ত হওয়ায় তার বিশেষ অনুরোধে এই কনসার্টের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য একনকে আনার জন্য বিশেষ একটি ৭৪৭ উড়োজাহাজ পাঠানো হয়েছিল। তার বর্ণনায়, বিমানটিতে শোবার ঘর, গোসলের ব্যবস্থা, গেম রুম ও থিয়েটার ছিল। এত বড় আয়োজন দেখে তার মনে হয়েছিল, অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত থাকবেন। কিন্তু ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর পুরো চিত্র বদলে যায়। বিশাল একটি হল, বড় মঞ্চ, এলইডি লাইট ও লেজার- সবই প্রস্তুত ছিল। কিন্তু দর্শকদের জন্য রাখা হয়েছিল মাত্র তিনটি চেয়ার। কিছুক্ষণ পর সেখানে উপস্থিত হন পরিবারের তিন সদস্য- মেয়ে, ছেলে ও স্ত্রী।

একন জানান, নির্ধারিত পরিবেশনা শুরু করার পর মাঝপথে ওই তরুণী তাকে থামিয়ে ‘মিস্টার লোনলি’ গানটি গাওয়ার অনুরোধ করেন। গানটি শেষ হওয়ার পর আবারও একই গান শুনতে চান তিনি। এভাবে এক ঘণ্টা ধরে বারবার ‘মিস্টার লোনলি’ গানটিই গাইতে হয় একনকে। বিষয়টি উল্লেখ করতে গিয়ে একন রসিকতা করে বলেন, তাকে যেন সিডি প্লেয়ারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছিল। এত বড় আয়োজনের বিপরীতে মাত্র তিনজন শ্রোতার সামনে একই গান বারবার গাওয়ার অভিজ্ঞতাকে তিনি ক্যারিয়ারের অন্যতম অদ্ভুত ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।

একনের দাবি, তার পারিশ্রমিক ও মঞ্চসজ্জাসহ পুরো আয়োজনের জন্য প্রায় ৫০ লাখ ডলার খরচ হয়েছিল। পরে তিনি মজা করে বলেন, যদি আগে থেকে অনুষ্ঠানের ধরন জানানো হতো, তাহলে আয়োজকদের এত অর্থ খরচ করতে হতো না। তার বদলে অর্ধেক পারিশ্রমিক নিয়েই পরিবারের বসার ঘরে গিয়ে এক ঘণ্টা কারাওকে করতে পারতেন।

২০০৪ সালে প্রথম অ্যালবাম ‘ট্রাবল’ প্রকাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনে পরিচিতি পান সেনেগালিজ-আমেরিকান এই শিল্পী। ‘লকড আপ’ ও ‘লোনলি’ গানগুলোর মাধ্যমে তিনি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এবং ‘স্ম্যাক দ্যাট’, ‘আই ওয়ানা লাভ ইউ’, ‘ডোন্ট ম্যাটার’, ‘বিউটিফুল’ ও ‘রাইট নাউ (না না না)’ এর মতো একাধিক হিট গান উপহার দিয়েছেন। সংগীতের পাশাপাশি প্রযোজনা ও ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন একন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের সস্তা ড্রোন ঠেকাতে বাজারে আসছে তার চেয়েও সস্তা ‘মার্কিন ড্রোন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


ইরানের সস্তা ড্রোন ঠেকাতে বাজারে আসছে তার চেয়েও সস্তা ‘মার্কিন ড্রোন’

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাভিত্তিক স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ‘পাওয়ারাস’ ইরানের সস্তা ড্রোনের মোকাবিলায় আরও কম খরচের প্রতিরক্ষা ড্রোন তৈরি করছে। প্রতিষ্ঠানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি কারখানায় থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে ‘গার্ডিয়ান’ নামের এসব ড্রোন উৎপাদন করছে। প্রতিটি ড্রোনের দাম প্রায় ৫ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘গার্ডিয়ান’ নামের এই ‘মার্কিন ড্রোন’ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০০ মাইল গতিতে উড়তে সক্ষম। লেগোর মতো সহজে জোড়া লাগানোর উপযোগী নকশা করা এই ড্রোনের প্রধান লক্ষ্য হলো আকাশে ইরানের শাহেদ ড্রোনগুলো ধ্বংস করা।

নিউইয়র্ক টাইমসের

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে নকশা ও উৎপাদন পদ্ধতিতে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করা হয়েছে এসব ড্রোন তৈরির ক্ষেত্রে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর বেসামরিক অবকাঠামোতে ধারাবাহিক হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দ্রুত ও কম খরচে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। সেই চাহিদা পূরণে প্রচলিত ধীরগতির প্রতিরক্ষা উৎপাদনব্যবস্থার বাইরে গিয়ে স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছে পাওয়ারাস।

বর্তমানে আমিরাতের কারখানায় ফিলিপাইন ও চীন থেকে আসা কর্মীরা প্রতিদিন প্রায় ৩০টি ড্রোন তৈরি করছেন। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন সক্ষমতা প্রতিদিন ১০০টি ড্রোনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে কারখানার একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রতি মাসে ১৫ হাজার ড্রোন উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে পাওয়ারাস।

মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস অবকাঠামোর সুরক্ষায় সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি ২ কোটি ২০ লাখ ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি ভারতের মুম্বাইয়ের কাছাকাছি এলাকায় একই ধরনের ড্রোন উৎপাদনের কাজ শুরু করেছে তারা।

কম খরচে দ্রুত অস্ত্র উৎপাদনের এই প্রবণতা বড় প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দ্রুত অস্ত্র সরবরাহের চাপের মধ্যে লকহিড মার্টিন ও রেথিয়নের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও কম ব্যয়ে যৌথভাবে অস্ত্র উৎপাদনের দিকে এগোচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৫ হাজার ডলারের গার্ডিয়ান ড্রোন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে সক্ষম নয়। তবে এটি ইরানের শাহেদ ড্রোনের মতো তুলনামূলক কম খরচের আকাশযান মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে তুলনামূলক কম ব্যয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি পূরণেও এ ধরনের ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

উল্লেখ্য, ইরানের শাহেদ সিরিজের ‘কামিকাজে’ ড্রোন বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে এক ভয়ংকর আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এর রয়েছে জ্বালানিসাশ্রয়ী ইঞ্জিন, রাডার এড়িয়ে যাওয়ার সক্ষমতা এবং ৪০ থেকে ৫০ কেজি বিস্ফোরক বহনের ক্ষমতা। মাত্র ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার মার্কিন ডলারে একটি শাহেদ ড্রোন তৈরি করা যায়।

আশ্চর্যের বিষয় হলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের সময় এসব ড্রোনের বেশির ভাগ ভূপাতিত করা হলেও ইরানের জন্য তা একধরনের জয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। কারণ, মাত্র ২০ হাজার ডলারের একটি ড্রোন ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রায় ৪০ লাখ (৪ মিলিয়ন) ডলার মূল্যের শক্তিশালী রকেট খরচ করতে হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেকনো বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন হামজা চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


টেকনো বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন হামজা চৌধুরী

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের তারকা হামজা চৌধুরীকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশ।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ফুটবল ও প্রযুক্তির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের আরও কাছাকাছি পৌঁছানোর লক্ষ্যেই হামজা চৌধুরীর সঙ্গে এই অংশীদারত্ব। টেকনো ‘টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬’-এর টাইটেল স্পনসরও।

চুক্তির আওতায় টেকনোর বিভিন্ন পণ্য ও প্রচারণায় দেখা যাবে হামজাকে। আসন্ন ক্যামন সিরিজের প্রচারণার পাশাপাশি ফুটবলভিত্তিক ডিজিটাল কনটেন্ট, সমর্থকদের নিয়ে বিভিন্ন আয়োজন এবং ভোক্তাকেন্দ্রিক প্রচারণায় অংশ নেবেন তিনি।

হামজা বলেন, বাংলাদেশ আমার কাছে খুবই বিশেষ। এখানকার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা ও সমর্থন সত্যিই অসাধারণ। টেকনো বাংলাদেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হতে পেরে আমি আনন্দিত। সামনে ভক্তদের জন্য একসঙ্গে দারুণ কিছু করার অপেক্ষায় আছি।

আইস্মার্ট ইউ টেকনোলজি বিডি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী রেজওয়ানুল হক বলেন, হামজার উচ্চাকাঙ্ক্ষা, দৃঢ়তা ও লড়াকু মানসিকতার সঙ্গে টেকনোর ‘স্টপ অ্যাট নাথিং’ ভাবনার মিল রয়েছে।

তিনি জানান, আগামী মাসগুলোতে হামজাকে নিয়ে একাধিক প্রচারণা ও ফুটবলভিত্তিক আয়োজন করবে প্রতিষ্ঠানটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%