১১:৩৪ পি.এম
আরও কোন জল্পনা-কল্পনা নেই, এবার ফিফার গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে গেছে বাংলাদেশ। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) খেলার অনুমোদন পেয়ে গেছে। ভারতের নাম প্রত্যাহার করায়, ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে।
শেষ মুহূর্তে পাওয়া এই সুযোগটি কোনোভাবেই হাতছাড়া হচ্ছে না বাংলাদেশের। ভারতের জায়গায় ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফিফা আসিয়ান কাপের ডিভিশন-১-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনুমোদন পেতে বাংলাদেশের ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এখন প্রস্তুত। ভারতের সরে দাঁড়ানোর পর, বাংলাদেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছিল, তবে অপেক্ষা করতে হয়েছে ফিফার আনুষ্ঠানিক সবুজ সংকেতের জন্য। আজ বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সেই অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফিফার অর্থায়নে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এই টুর্নামেন্ট। এই প্রতিযোগিতায় আট দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। ভারতের পরিবর্তে ‘এ’ গ্রুপে জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।
আরও পড়ুন: মঙ্গলবার অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক সেমিনারে যোগ দেবেন ডা. জুবাইদা রহমান
আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্বল্পতার কারণে বাংলাদেশের জন্য এই টুর্নামেন্টটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচ তো থাকছেই, সেইসাথে গ্রুপে অবস্থানের ভিত্তিতে অতিরিক্ত একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে প্রতিটি দল। দুই গ্রুপের শীর্ষ দলগুলো ফাইনালে মুখোমুখি হবে। রানার্সআপ দলগুলো তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলবে। একইভাবে দুই গ্রুপের তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়া দলগুলোর মধ্যেও পঞ্চম ও সপ্তম স্থান নির্ধারণী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ, টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলেরই অন্তত চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ নিশ্চিত হয়েছে।
অর্থনৈতিক দিক থেকেও বাংলাদেশের জন্য টুর্নামেন্টটি বেশ সুবিধাজনক হতে চলেছে। টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হবে না। আয়োজকরা অংশগ্রহণকারী দলগুলোর যাতায়াত ও থাকার খরচ বহন করবে। তার সাথে প্রতিটি দলকে অংশগ্রহণ বাবদ অর্থও প্রদান করা হবে।
মূলত, আগামী ৩ অক্টোবর কলকাতায় ব্রাজিলের বিপক্ষে নির্ধারিত প্রীতি ম্যাচকে সামনে রেখে আসিয়ান কাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে ভারত। ফলে তাদের জায়গাটি খালি হয়ে যায়। সেই সুযোগেই শেষ মুহূর্তে টুর্নামেন্টে যোগ দেওয়ার দরজা খুলে যায় বাংলাদেশের সামনে।
আগামী নভেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে জাতীয় দলের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও এই টুর্নামেন্টটি বাড়তি গুরুত্ব বহন করছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি সাফের প্রস্তুতিও আরও ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারবে বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্বাধীনতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে : ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন