০৭:০৮ পি.এম
ঝালকাঠির আলোচিত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হায়দার হোসাইন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি বেল্লাল হোসেন (৪০) আত্মসমর্পণ করেছেন।
তিনি সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আদালত বেল্লাল হোসেনসহ ৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
আরও পড়ুন: টাকার লোভ সামলাতে পারিনি, স্বীকারোক্তি দিলেন রিয়া
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল হায়দার হোসেন গোরস্থান মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন। এশার নামাজ শেষে বের হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরদিন নিহতের ছেলে মো. তারেক ইবনে হায়দার ঝালকাঠি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠির অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্দুল হালিম এ মামলায় রায় দেন। রায়ে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। হাইকোর্টও ওই পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। দণ্ডাদেশপ্রাপ্তদের মধ্যে মুরাদ হোসেন, আবু শাহাদাত মো. তানভীর ওরফে মেহেদি, আমিনুল ওরফে আমির হোসেন, মো. বিল্লাল হোসেন এবং সমীর হোসেন ভূঁইয়া অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তবে বিল্লাল হোসেন এতদিন পলাতক ছিলেন।
২০০৫ সালে ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যার ঘটনায় সদর থানায় মামলা হয়। সেই মামলায় সরকার পক্ষের কৌশলী ছিলেন হায়দার হোসেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য হাসান সিকদার জানান, দণ্ডিত পলাতক বেল্লাল হোসেন যখন ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন, তখন আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাসচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী ও সন্তান আহত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন