রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩১ পি.এম
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিতকরণ এবং বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে যৌথ দ্বিপক্ষীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সভাটি রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকায় হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা এবং হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন।
সভায় বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, আমদানি-রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় দুই দেশের ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। হিলি স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত বাণিজ্যিক কার্যক্রম দুই দেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমাগত শক্তিশালী হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে সীমান্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনা আরও ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হবে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক সমস্যাগুলো আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, হিলি স্থলবন্দর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বার্থে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ব্যবসায়ীদের ভিসা সহজলভ্য করা প্রয়োজন। এর ফলে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ভারতে গিয়ে আমদানির পণ্য যাচাই-বাছাই করতে সক্ষম হবেন।
অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং বন্দরের কার্যক্রমকে সহজ ও গতিশীল রাখতে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে নিয়মিত মতবিনিময় অব্যাহত রাখা অত্যন্ত জরুরি। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় নগরীর যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় বিএমপি কমিশনার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নগরীর যানজট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং দায়িত্ব পালনে আরও সক্রিয় ও সমন্বিত ভূমিকা রাখার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ব্যস্ত এলাকাগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কার্যকর নজরদারি বৃদ্ধি এবং জনসাধারণের চলাচলে স্বস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
মতবিনিময় সভায় উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইনসহ ট্রাফিক বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রাহকদের ধর্মীয় এবং আর্থিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রচলিত ব্যাংকিং এবং শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং সেবা বেছে নেওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে ডুয়াল ব্যাংকিং সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। এছাড়া, বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থব্যবস্থার সঙ্গে আরও সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ জাতীয় সংসদে ঢাকা-৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য প্রদান করেন।
অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে গ্রাহকদের ধর্মীয় এবং আর্থিক প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচলিত ও শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং সেবা বেছে নেওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করেছে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আরও সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোকে মোট ১ হাজার ৬৯৯টি শাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে ১ হাজার ৭৪টি এবং গ্রামাঞ্চলে ৬২৫টি শাখা রয়েছে।
এসব শাখার মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৪০০টি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২২৬টি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৪১টি, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৩৮টি এবং সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৭৬১টি শাখা রয়েছে।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৭৬১টি শাখার মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২০৬টি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৮১টি, এক্সিম ব্যাংক পিএলসির ১৫৫টি, ইউনিয়ন ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১১৪টি এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১০৫টি শাখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের ৩৩টি শাখাও এর আওতায় রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে ৩৫টি প্রচলিত (কনভেনশনাল) ব্যাংকে মোট ৭৫টি ইসলামী ব্যাংকিং শাখা এবং ১ হাজার ১০২টি ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডোর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া, আরও দু’টি কনভেনশনাল ব্যাংককে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থার পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, দেশের একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করার জন্য তিনি ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এর আগে জানিয়েছেন, টুর্নামেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা বিপিএল শুরু করতে প্রস্তুত নন। বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো বোর্ডের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, ক্রিকেটাররা বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। কারণ, টুর্নামেন্টটি তাদের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হওয়ায় তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছিলেন। ক্রিকেটারদের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে বিসিবি পরবর্তীতে ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি বাড়িয়ে দেয়।
তবে আমিনুল হক বলেন, "বিপিএলের মতো একটি জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।" তিনি জানান, গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের পর তিনি বিপিএল স্থগিত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। তিনি বলেন, "আমি এইমাত্র আপনাদের (গণমাধ্যম) কাছ থেকে জানতে পারলাম, বিপিএল যে অনুষ্ঠিত হবে না। বিপিএল বাংলাদেশের জন্য একটি জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট।"
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিপিএল আয়োজন না হওয়ায় বোর্ড সভাপতি আপনাদের কাছে কিছু যৌক্তিক কারণ তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করেন, "বিপিএলের মতো একটি টুর্নামেন্ট প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।" কেন এটি অনুষ্ঠিত হলো না, তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রতিযোগিতা যাতে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সেদিকে নজর রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ