ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রতিবছর বিপিএল অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী


প্রতিবছর বিপিএল অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, দেশের একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করার জন্য তিনি ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।

বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এর আগে জানিয়েছেন, টুর্নামেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা বিপিএল শুরু করতে প্রস্তুত নন। বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো বোর্ডের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, ক্রিকেটাররা বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। কারণ, টুর্নামেন্টটি তাদের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হওয়ায় তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছিলেন। ক্রিকেটারদের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে বিসিবি পরবর্তীতে ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি বাড়িয়ে দেয়।

তবে আমিনুল হক বলেন, "বিপিএলের মতো একটি জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।" তিনি জানান, গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের পর তিনি বিপিএল স্থগিত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। তিনি বলেন, "আমি এইমাত্র আপনাদের (গণমাধ্যম) কাছ থেকে জানতে পারলাম, বিপিএল যে অনুষ্ঠিত হবে না। বিপিএল বাংলাদেশের জন্য একটি জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট।"

আরও পড়ুন: দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হার

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিপিএল আয়োজন না হওয়ায় বোর্ড সভাপতি আপনাদের কাছে কিছু যৌক্তিক কারণ তুলে ধরেছেন। তিনি মনে করেন, "বিপিএলের মতো একটি টুর্নামেন্ট প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত।" কেন এটি অনুষ্ঠিত হলো না, তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রতিযোগিতা যাতে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সেদিকে নজর রাখা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবসম্মত ডব্লিউপিএস কর্মপরিকল্পনার তাগিদ শামা ওবায়েদ ইসলামের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫১ পি.এম


অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবসম্মত ডব্লিউপিএস কর্মপরিকল্পনার তাগিদ শামা ওবায়েদ ইসলামের

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশে ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ (ডব্লিউপিএস) এজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে একটি সমন্বিত, বাস্তবসম্মত ও পরিমাপযোগ্য দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (এনএপি) প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডাকে এগিয়ে নেওয়া কেবল একটি বৈশ্বিক অঙ্গীকারই নয়; বরং এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও যৌথ কর্তব্য।’

আজ রোববার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ডেভেলপিং বাংলাদেশ’স নিউ-জেনারেশন ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান অন ডব্লিউপিএস’ শীর্ষক দু’দিনের কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশ যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করেছে। আগামীকাল (সোমবার) এটি শেষ হবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারকে সাথে নিয়ে ডব্লিউপিএস এজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অঙ্গীকারবদ্ধ।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৩২৫ নম্বর প্রস্তাব বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি এই এজেন্ডার প্রতি দেশের ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি ২০১৯-২০২৫ মেয়াদে গৃহীত বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় কর্মপরিকল্পনার পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরেন, যা ইউএন উইমেনের সহায়তায় বর্তমানে পরিচালিত হচ্ছে।

বক্তব্যে শামা ওবায়েদ মেয়েদের শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার গৃহীত নানা উদ্যোগের কথাও স্মরণ করেন।

পাশাপাশি বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার নারীর শিক্ষা, উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা এবং সংস্কৃতি ও ক্রীড়ায় অংশগ্রহণ বাড়াতে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, সেগুলোও তিনি বিস্তারিত তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব ড. রওশন আরা বেগম বলেন, আগামী প্রজন্মের জন্য এই কর্মপরিকল্পনাটি হতে হবে সুপরিকল্পিত, পর্যাপ্ত অর্থায়নসম্পন্ন এবং কার্যকরভাবে সমন্বিত।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই পরিকল্পনার মূল মালিকানা থাকতে হবে সেই নারীদের হাতেই, যাদের সেবায় এটি তৈরি করা হচ্ছে।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশে ইউএন উইমেনের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং বলেন, নারী, শান্তি ও নিরাপত্তার মজবুত ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করার বড় সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের সামনে।

তিনি মাঠপর্যায়ের এর বাস্তবায়ন, নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ, পরিমাপযোগ্য ফলাফল এবং জবাবদিহিতার ওপর বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।

কর্মশালায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় গ্রুপের সদস্য এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন, যারা বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের ডব্লিউপিএস রূপরেখা তৈরিতে ভূমিকা রাখবেন।

জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে একটি কার্যকর রূপরেখা প্রস্তুত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ, গাছের গুঁড়ি ফেলে কৃষকদের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ রুহুল আমিন রাসেল লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


সার না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ, গাছের গুঁড়ি ফেলে কৃষকদের বিক্ষোভ

 

লালমনিরহাটে সময়মতো ও ন্যায্য মূল্যে সার না পাওয়ার অভিযোগে গাছের গুঁড়ি ফেলে লালমনিরহাট-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। এতে কয়েক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকার পর জেলা প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন তারা।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর বাজারসংলগ্ন বিসিআইসি ডিলার মেসার্স তাহের ট্রেডার্সের সামনে এ বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ শুরু হয়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন কৃষকরা।

বিক্ষুব্ধ কৃষকদের অভিযোগ, টাকা দিয়েও সময়মতো সার পাওয়া যাচ্ছে না। এতে আমনসহ বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, খুচরা বাজারেও পর্যাপ্ত সার মিলছে না। একই সঙ্গে ডিলার পয়েন্ট থেকেও চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ করা হচ্ছে না।

অবরোধের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়। পরে দুপুরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা সঠিকভাবে সার বিতরণের আশ্বাস দিলে কৃষকরা অবরোধ তুলে নেন। এরপর ডিলার পয়েন্টে সার বিতরণ শুরু হলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহাঃ রাসেদুল হক প্রধান বলেন, “জেলায় সারের কোনো সংকট নেই। গতকালও ওই ডিলার পয়েন্টে ৩০০ বস্তা সার দেওয়া হয়েছে। সকালে বৃষ্টির কারণে সার বিতরণে কিছুটা দেরি হওয়ায় কৃষকরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তারা এখন অবরোধ তুলে নিয়েছেন এবং সার বিতরণ শুরু হয়েছে।”

জেলা প্রশাসনের আশ্বাসের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও আমন মৌসুমে কৃষকদের জন্য সময়মতো ও ন্যায্য মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৪৩ জন সহকারী শিক্ষকের চাকরি স্থায়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


২৪৩ জন সহকারী শিক্ষকের চাকরি স্থায়ী

দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৪৩ জন সহকারী শিক্ষকের চাকরি স্থায়ী করা হয়েছে একযোগে। রবিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা, ২০২১-এর বিধান অনুযায়ী চাকরি স্থায়ীকরণের সকল শর্ত পূরণ করায় এই ২৪৩ জন সহকারী শিক্ষকের চাকরি স্থায়ী করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, চাকরি স্থায়ী হওয়া শিক্ষকদের মধ্যে কেউ ২০১৭ সালে, কেউ ২০১৮ সালে এবং কেউ ২০১৯ সালে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন। দীর্ঘ সময় পর তাদের চাকরি স্থায়ী হওয়ায় যোগদানের তারিখ থেকে বেতন-ভাতা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে বকেয়া বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য পাওনাও পরিশোধ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রাম সীমান্ত ঘেঁষা চরে খুদে শিক্ষার্থীদের পাশে ঢাবি পরিসংখ্যান-৮৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


কুড়িগ্রাম সীমান্ত ঘেঁষা চরে খুদে শিক্ষার্থীদের পাশে ঢাবি পরিসংখ্যান-৮৮
 
নদীর কোলঘেঁষা দুর্গম চরাঞ্চলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়াতে এবং পড়ালেখার মানোন্নয়নে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হলো শিক্ষা উপকরণ। উপহারের স্কুলব্যাগ, খাতা-কলম, পেন্সিল, জ্যামিতি বোর্ড, স্কেল ও রাবার হাতে পেয়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায় শিশুদের মধ্যে।
রোববার দুপুরে কুড়িগ্রাম সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের সীমান্ত ঘেঁষা খেওয়ার আলগার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে এসব শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ৮৮তম ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতায় এই বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদ, কুড়িগ্রামের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবুর সভাপতিত্বে এক সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, "চরাঞ্চলের শিশুরা হাজারো প্রতিকূলতা জয় করে স্কুলে আসে। অর্থনৈতিক অনটন ও ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার কারণে অনেক সময় তারা প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণের অভাবে পিছিয়ে পড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিসংখ্যান বিভাগের ৮৮ ব্যাচের বন্ধুরা চর এলাকার শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা চাই চরের প্রতিটি শিশু যেন সমান সুযোগ পেয়ে তাদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে। এই ধরনের উদ্যোগ আগামীতে চরের শিক্ষার্থীদের আরও উৎসাহিত করবে।"
উপকরণ হাতে পেয়ে মহাখুশি চরের খুদে শিক্ষার্থীরা। উপহার পেয়ে পঞ্চমের শিক্ষার্থী সিয়াম ও মরিয়ম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলে, "নতুন ব্যাগ আর লেখার সব খাতা-কলম একসাথে পেয়ে আমাদের খুব ভালো লাগছে। এখন থেকে নতুন ব্যাগে বই নিয়ে প্রতিদিন স্কুলে আসব।" চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী সানজিদা এবং প্রথম শ্রেণীর খাইরুন আনন্দিত কণ্ঠে জানায়, "রঙিন পেন্সিল আর স্কেল পেয়ে খুব আনন্দ হচ্ছে, এখন থেকে মন দিয়ে পড়াশোনা করব।"
অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আখের, নারী ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক নাজমুন নাহার বিউটি, যাত্রাপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রহিমুদ্দিন হায়দার রিপন, ক্রীড়া সংগঠক শাহনুর আশরাফ জুয়েল, সংগঠনের সদস্য লুৎফুর রহমান, রেজাউল করিম রেজা, স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুর রহমান, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আল আমিন, সমাজসেবক বাবলু আহমেদ এবং সংশ্লিষ্ট স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান।
বক্তারা বলেন, চরাঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে এভাবে এগিয়ে আসতে হবে। চরের শিশুরা সুযোগ পেলে যেকোনো প্রতিযোগিতায় নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে সক্ষম হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%