ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘বেয়াদব’ ডেঙ্গু মশা এখন দিনে ও রাতে কামড়ায়


‘বেয়াদব’ ডেঙ্গু মশা এখন দিনে ও রাতে কামড়ায়

ঢাকা বিভাগের স্থানীয় সরকার পরিচালক মো. আজমুল হক ডেঙ্গু মশাকে ‘বেয়াদব’ মশা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বেয়াদব ডেঙ্গু মশা এখন দিনে কামড়ায় এবং রাতেও কামড়ায়। শুধু পরিষ্কার পানিতে নয়, বরং ময়লা পানিতেও ডেঙ্গু মশার উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ এর আওতায় তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আজমুল হক আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে। বাড়িঘর, অফিস-আদালতসহ আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন এবং ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ডে স্ত্রী-সন্তানসহ ছয় স্বজন হারালেন নূর আলম

গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আজমুল হক। পরে তিনি বিশেষ অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এলাকার জঙ্গল ও আবর্জনা পরিষ্কারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফ রফিক উজ্জামান মন্তব্য করেন, ডেঙ্গু মশা এখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এরা দিনে-রাতে সবসময় কামড়ায়। তাই সকলকে সচেতন থাকতে হবে এবং নিজ নিজ অফিস, বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমার স্ত্রীকে কখনো রান্নাঘরে যেতে হয়নি: অনিল কাপুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


আমার স্ত্রীকে কখনো রান্নাঘরে যেতে হয়নি: অনিল কাপুর

বলিউড অভিনেতা অনিল কাপুর জানিয়েছেন, তার স্ত্রী সুনিতা কাপুরকে বিয়ের পর কখনো রান্নাঘরে যেতে হয়নি। সম্প্রতি ‘ইন্ডিয়া কে টপ ১ পারসেন্ট’ অনুষ্ঠানে নিজের দাম্পত্য জীবনের একটি ঘটনা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনিলের মতে, বিয়ের আগে সুনিতার একটি শর্ত তাকে আরো পরিশ্রম করে সফল হওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছিল।

অনুষ্ঠানের একটি পর্বে, যখন এক প্রতিযোগী ঘরের কাজ থেকে দূরে থাকার ইচ্ছার কথা বলেন, তখন অনিল নিজের জীবনের উদাহরণ টেনে আনেন। তিনি জানান, বিয়ের আগে সুনিতা স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, বিয়ের পর তিনি রান্নাঘরে ঢুকবেন না।

অনিল বলেন, সুনিতা তাকে জানিয়েছিলেন, রান্নাঘরের দায়িত্ব নিতে না হলে তবেই তিনি তাকে বিয়ে করবেন। স্ত্রীর এই শর্ত শোনার পর অনিল ঠিক করেন, তাকে আরো কঠোর পরিশ্রম করে এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে, যাতে সুনিতাকে রান্নাঘরের দায়িত্ব নিতে না হয়।

অভিনেতার দাবি, তিনি সেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন এবং এখন পর্যন্ত সুনিতাকে রান্নাঘরে যেতে হয়নি। তার মতে, সুনিতার সেই শর্ত তার নিজের ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রেও এক ধরনের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিল।

অনিল ও সুনিতার সম্পর্ক বিয়ের অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। তাদের পরিচয় ঘটে ১৯৭৩ সালে। সেই সময় অনিল বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছিলেন, আর সুনিতা ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত মডেল। এক বন্ধুর মাধ্যমে তাদের পরিচয় ঘটে এবং পরে ফোনে কথাবার্তার মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।

অনিল জানিয়েছেন, ফোনে বন্ধুত্বের পর তাদের সম্পর্ক ধীরে ধীরে প্রেমে পরিণত হয়। প্রায় ১১ বছর সম্পর্কের পর ১৯৮৪ সালে তারা বিয়ে করেন। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে সুনিতার সহযোগিতার কথা বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন অনিল।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে আর্থিকভাবে খুব একটা স্বচ্ছল ছিলেন না অনিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সে সময় সুনিতা তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। এমনকি তারা যখন ডেট করতেন, তখন অনেক সময় রেস্তোরার বিলও সুনিতাই পরিশোধ করতেন। অনিলের মতে, সে সময় তারা একে অপরের সঙ্গে দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছিলেন।

দাম্পত্য জীবনের ৪২ বছর পূর্তিতে সুনিতাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন অনিল। তিনি জানিয়েছেন, তাদের বিয়েটি ছিল খুবই সাধারণ। কোনো বড় আয়োজন বা জমকালো অনুষ্ঠান ছিল না। পরিবারের সদস্য ও কাছের কয়েকজনকে নিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছিল।

অনিল ও সুনিতার দাম্পত্য জীবনে তিন সন্তান—সোনাম কাপুর, রিয়া কাপুর ও হর্ষবর্ধন কাপুর। দীর্ঘ এই সম্পর্কের নানা সময়ে সুনিতার অবদান ও তার পাশে থাকার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন অনিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জয়ের লক্ষ্যে লাল-সবুজরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জয়ের লক্ষ্যে লাল-সবুজরা

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে, বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩:০০ টায় শুরু হবে।

টি স্পোর্টস ও টফি এই ম্যাচটি সম্প্রচার করবে।

প্রথম ম্যাচের পরাজয়ের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে এবং টুর্নামেন্টে টিকে থাকার জন্য এই ম্যাচটি লাল-সবুজ জার্সিধারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোচ ও অধিনায়ক উভয়েই সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট অর্জনের ব্যাপারে আশাবাদী।

বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজয় ঘটে। অন্যদিকে, সিঙ্গাপুরও তাদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে ২-০ গোলে হার মানে। ফলে, উভয় দলের জন্যই এই ম্যাচটি ঘুরে দাঁড়ানোর একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অতীত রেকর্ড কিছুটা হতাশাজনক। এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের গত দুটি ম্যাচে বাংলাদেশ যথাক্রমে ২-১ এবং ১-০ গোলে সিঙ্গাপুরের কাছে পরাজিত হয়েছিল।

দলের অন্যতম তারকা ফরোয়ার্ড শেখ মোরসালিন জানিয়েছেন, প্রথম ম্যাচের হার ভুলে পুরো দল এখন সিঙ্গাপুর ম্যাচের জন্য নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে এবং তাদের মূল লক্ষ্য হলো জয় অর্জন করা। মাঝমাঠের হামজা চৌধুরী এবং অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার পারফরম্যান্স এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান বিদ্যমান। সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্যে, সিঙ্গাপুর ১৪৬তম এবং বাংলাদেশ ১৮১তম স্থানে অবস্থান করছে। তবে মাঠের লড়াইয়ে এই ব্যবধান কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে দুই দলের পারফরম্যান্সের ওপর।

বাংলাদেশের জন্য আসিয়ান কাপের ম্যাচগুলো নভেম্বরে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠেয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে ম্যাচে ফলাফল ছাড়াও দলের রক্ষণ, মাঝমাঠের সমন্বয় ও আক্রমণের কার্যকারিতা যাচাই করার সুযোগও থাকবে। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে পরাজয় ভুলে সেই পরীক্ষায় নিজেদের উন্নতি প্রদর্শন করতে চাইবে বাংলাদেশ।

এই ম্যাচের পর, আগামী ১ অক্টোবর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরশিক্ষণ কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত, মানসম্মত ও যুগোপযোগী করার জন্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আহ্বান জানিয়েছেন, যিনি প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য এই উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিল। এই সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান।

উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষা কার্যক্রম, মিডিয়া সেন্টার, একাডেমিক স্কুল, স্টাডি সেন্টার, বহির্বিশ্বে পরিচালিত শিক্ষা কার্যক্রম, আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রসহ অন্যান্য সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি আধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার জন্য।

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, "দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা প্রান্তিক ও কর্মজীবী মানুষ, গৃহিণী, ঝরে পড়া শিক্ষার্থী এবং দুর্গম এলাকায় বসবাসকারীদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিব ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্কুলছাত্রী মাহমুদা আক্তার রক্সিকে হত্যা: ১৯ বছর পর পলাতক আসামির মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্কুলছাত্রী মাহমুদা আক্তার রক্সিকে হত্যা: ১৯ বছর পর পলাতক আসামির মৃত্যুদণ্ড

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী মাহমুদা আক্তার রক্সিকে হত্যার ঘটনায় ১৯ বছর পর রেজাউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে, পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করে তার সাজা কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হুমায়ুন কবির এই রায় প্রদান করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল ইসলাম রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার অভিরাম নুরপুর গ্রামের বাসিন্দা। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আমিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ মার্চ আশুলিয়ার বাসিন্দা ও পিতৃহারা এতিম স্কুলছাত্রী মাহমুদা আক্তার রক্সিকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় রেজাউল ইসলাম। রক্সি ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর রেজাউল তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে শুরু করে।

এর কয়েক দিন পর, ২০০৭ সালের ২ এপ্রিল সকালে রক্সির ঘরে ঢুকে ধারালো শাবল দিয়ে তার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে রেজাউল। গুরুতর আহত অবস্থায় রক্সিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাতে তার মৃত্যু ঘটে।

এ ঘটনায় রক্সির খালাতো ভাই নুরুল ইসলাম বাবু বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৪ জুলাই আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক আব্দুল আলিম রেজাউল ইসলামকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করেন। ২০০৮ সালের ৪ মার্চ আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

জানা যায়, বিচার চলাকালে মামলার বাদী, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক, রেজাউলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীসহ মোট ১২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করে তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।

মামলার বিচার চলাকালে জামিনে গিয়ে আদালতে হাজির না হয়ে পলাতক রয়েছেন রেজাউল। রায় ঘোষণার সময় আদালত তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সাজা কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%