শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৩ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ধর্মীয় সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার জন্য পবিত্র কোরআনের আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়েছেন। তিনি মুসলিমদের অবমাননা করার বিরুদ্ধে কঠোর নিন্দা জানান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ব্রোওয়ার্ড কাউন্টির কোইনোনিয়া ওয়ারশিপ সেন্টারে ‘মাল্টিপল ফেইথস, ওয়ান ফ্লোরিডা’ শীর্ষক একটি আন্তধর্মীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
বিল ক্লিনটন জানান, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে মানুষকে হেয় করা দেখতে দেখতে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানান।
ক্লিনটন বলেন, “মুসলিম হওয়ার কারণে মানুষকে হেয় করা হচ্ছে—এটি দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত।”
সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর মেয়ে চেলসি ক্লিনটনের ইসলাম ধর্মের প্রতি আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, চেলসি যখন ১৫ বছর বয়সী ছিলেন, তখন তিনি পুরো কোরআনটি পড়া শেষ করেন এবং পরে বাবাকেও কোরআন পড়তে উৎসাহিত করেন।
ক্লিনটন পবিত্র কোরআনের সুরা আল-হুজুরাতের ১৩ নম্বর আয়াতের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। ওই আয়াতে উল্লেখ রয়েছে, আল্লাহ মানুষকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছেন, যাতে তারা একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে। তিনি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা এবং একে অপরকে বোঝার গুরুত্বের উপর জোর দেন।
তিনি বলেন, “প্রতিটি ধর্মেই খারাপ মানুষ রয়েছে, কারণ আমরা সবাই ত্রুটিপূর্ণ মানুষ।” ধর্মীয় যুদ্ধ এবং সাংস্কৃতিক সংঘাত নিয়ে নিজের বিরক্তির কথাও তিনি প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ড. দীপু মনিকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর, দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে সিআইডির সদস্যরা তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে নিয়ে যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ১৫ মিনিটের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ড. দীপু মনির প্রাথমিক মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরীক্ষার পর সিআইডির সদস্যরা তাকে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে পুলিশের ইন্সপেক্টর রিদওয়ানুল হক যুগান্তরকে জানান, "দীপু মনির রিমান্ড ছিল। সেই রিমান্ড শেষে আদালতের নির্দেশ ছিল তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আবার কারাগারে নেওয়া। সেই কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে আমরা কারাগারের উদ্দেশে যাচ্ছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের গ্রীষ্মে ইউরোপে নজিরবিহীন দাবদাহের ফলে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে গবেষকরা ধারণা করছেন। তাদের হিসাব অনুযায়ী, এসব মৃত্যুর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘটেছে। ২০২৬ সালের গ্রীষ্ম সম্ভবত ইউরোপের ইতিহাসে দাবদাহজনিত প্রাণহানির দিক থেকে সবচেয়ে ভয়াবহ সময়গুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
গবেষণা সাময়িকী নেচার হেলথে প্রকাশিত দুটি গবেষণা নিবন্ধে এই তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকদের মতে, চলতি বছরের গ্রীষ্মে দাবদাহে মোট ৫০ হাজার ৩৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের চরম আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক গবেষক এবং প্রতিবেদনটির অন্যতম লেখক ক্লেয়ার বার্নস মন্তব্য করেন, দাবদাহজনিত মৃত্যুর হিসাবে ২০২৬ সালের গ্রীষ্ম ইউরোপের অর্ধেকেরও বেশি এলাকার ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল।
জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু সম্মেলনে আন্তর্জাতিক নেতাদের তুরস্কে সমবেত হওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। এর কয়েক দিন আগে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়, শিল্পবিপ্লব-পূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য অর্জনের সুযোগ কার্যত শেষ হয়ে গেছে।
ক্লেয়ার বার্নস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি ঠেকানোর পথ থেকে বিশ্ব অনেকটাই সরে গেছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে সরকারগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত উষ্ণ হতে থাকা মহাদেশ ইউরোপে চরম আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের মধ্যে দাবদাহ এখন অন্যতম প্রাণঘাতী বিপদ হয়ে উঠেছে। মে মাসের শেষ থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত পুরো মহাদেশ নজিরবিহীন তাপমাত্রায় পুড়েছে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিম ইউরোপে এ বছর ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ গরম রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় তাপমাত্রা ১৯৯১ থেকে ২০২০ সালের গড়ের তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। কিছু দেশে নির্দিষ্ট দিনে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যায়।
যেভাবে মৃত্যুর হিসাব নির্ধারণ
চলতি গ্রীষ্মে দাবদাহে প্রাণহানির হিসাব নির্ধারণ করতে ইউরোপের ৩০টি দেশের ৮৫৪টি শহরের তাপমাত্রার তথ্য বিশ্লেষণ করেন গবেষকরা। জলবায়ু পরিবর্তন না ঘটলে তাপমাত্রা কেমন থাকত, তার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির তুলনা করা হয়।
জুনের শুরু থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত দাবদাহজনিত মৃত্যুর সংখ্যা নিরূপণে উচ্চ তাপমাত্রা ও দৈনিক মৃত্যুর সম্পর্ক নিয়ে আগের পিয়ার-রিভিউড গবেষণায় ব্যবহৃত একটি মডেল প্রয়োগ করা হয়। গবেষকদের মতে, এই পদ্ধতিতে পাওয়া আনুমানিক মৃত্যুর সংখ্যা বিভিন্ন দেশের জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের কাছাকাছি থাকে।
গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, ৫০ হাজার ৩৯১ জনের এই প্রাণহানি গত ২৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২২ ও ২০০৩ সালে ইউরোপে যে ভয়াবহ দাবদাহ হয়েছিল, এবারের প্রাণহানির সংখ্যা তার চেয়েও বেশি।
দক্ষিণ ও পশ্চিম ইউরোপে দাবদাহের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়লেও যুক্তরাজ্যসহ উত্তর ইউরোপের তুলনামূলক শীতল দেশগুলোতেও হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
বয়সভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে ৮৫ বছর বা তার বেশি বয়সিদের মধ্যে। তবে ২০ থেকে ৪৪ বছর বয়সি অন্তত ৮০০ জনের মৃত্যুর সঙ্গেও দাবদাহের সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
দাবদাহে বাড়ছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব
গবেষকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, দাবদাহজনিত মৃত্যুর পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের ভূমিকা ক্রমেই বাড়ছে। চলতি শতাব্দীর শুরুর দিকে দাবদাহে মোট মৃত্যুর প্রায় ৪০ শতাংশের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের কারণে সৃষ্ট উষ্ণতা দায়ী ছিল। বর্তমানে এ হার বেড়ে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশে দাঁড়িয়েছে।
গবেষণাটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকা যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাকেল নুনেস বলেন, দাবদাহ কতটা প্রাণঘাতী হতে পারে, গবেষণার ফল তার প্রমাণ তুলে ধরেছে। এর প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান না হওয়ায় দাবদাহকে প্রায়ই ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়।
তিনি আরও বলেন, কম বয়সি মানুষের মৃত্যুও উদ্বেগের বিষয়। ৬৫ বছরের কম বয়সি হাজার হাজার মানুষ এ গ্রীষ্মে দাবদাহের কারণে মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্লেয়ার বার্নস সতর্ক করে বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত বিশ্বকে একের পর এক তীব্র ও বিপজ্জনক গ্রীষ্মের মুখোমুখি হতে হবে। এর ফলে ভবিষ্যতে দাবদাহ আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: সিএনএন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগব্যবস্থা স্টারলিংকের সেবা আবার চালু হয়েছে। তাঁর দাবি অনুযায়ী, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক ইউক্রেনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংকের সংযোগ ফিরিয়ে দিয়েছেন। তবে, সংযোগটি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর একটি প্রতিবেদন নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি। ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, ট্রাম্প মাস্ককে ফোন করে ইউক্রেনের স্টারলিংক ব্যবহারে আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে বলেছিলেন। ফোনালাপের পর স্টারলিংকের সেবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে বলেও সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ফোন করেছিলাম কি না, কিংবা অন্য কেউ ফোন করেছিল কি না, তা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। আমার মনে হয়, তাতে কিছু যায়-আসে না। মূল কথা হলো, তিনি (মাস্ক) সংযোগ ফিরিয়ে দিয়েছেন।’
গত ১৩ অক্টোবর ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানান, স্টারলিংক সেবায় আকস্মিক বিধিনিষেধের কারণে দেশটির সামরিক বাহিনীকে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়েছে। সংযোগ আবার চালু হলেও বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সেবা এখনো অনিয়মিত বলে খবর পাওয়া গেছে।
ইউক্রেনে স্টারলিংকের সংযোগ সীমিত করার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছিল, সে বিষয়ে বিতর্ক চলছে। মাস্ক ও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা একে অপরের দিকে দায় ঠেলে দিয়েছেন। ট্রাম্প স্টারলিংকের সংযোগ সীমিত করার নির্দেশ দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। শুক্রবার তিনি বলেন, ‘এ সিদ্ধান্ত কেউ নিয়েছিল কি না, তা আমি জানি না। তবে আমি নিইনি। আমার মনে হয় না, ইলনও নিয়েছে। আমি যতটুকু বুঝেছি, সেবাটি আগের মতোই রয়েছে।’
স্টারলিংকের গতি ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত মাস্কের ওপর নির্ভর করে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বুধবার তিনি বলেন, ‘মূল বিষয় হলো, এটি একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক চুক্তির আওতায় পরিচালিত হয়। তাদের প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহার করা যাবে এবং কী গতিতে ব্যবহার করা যাবে, তা ওই চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।’
তবে স্টারলিংক ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের দায় অস্বীকার করেছেন মাস্ক। ১৪ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, স্টারলিংকের সামরিক সংস্করণ স্টারশিল্ডের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হাতে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বোঝাতে ‘পটাস’ সংক্ষিপ্ত শব্দ ব্যবহার করে মাস্ক লেখেন, ‘গতি বা ব্যবহারের ওপর যেকোনো বিধিনিষেধ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এবং শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্টই নির্ধারণ করেন।’
স্টারলিংকের গতি কমানো ও ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ট্রাম্প বা তার ডানপন্থি মিত্ররা এই প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিতে ইউক্রেনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন।
জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের টানাপোড়েন
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই টানাপোড়েনের। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তুলনা করে ট্রাম্প একাধিকবার জেলেনস্কিকে ‘কঠিন’ ব্যক্তি বলে মন্তব্য করেছেন।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুতিন ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। যুদ্ধটি দীর্ঘ সময় ধরে চললেও এর অবসান হয়নি। ইউরোপের দেশগুলো রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থন দিয়ে আসছে। তবে ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধের জন্য ইউক্রেনকেও দায়ী করেছেন।
২০২৫ সালে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষাই যুদ্ধ শুরুর কারণ বলে তিনি মনে করেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটাই যুদ্ধ শুরুর কারণ ছিল।’
সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে যুদ্ধ শেষ না হওয়ার জন্য জেলেনস্কিকে দায়ী করেন ট্রাম্প। তিনি লেখেন, ‘সে এই যুদ্ধ শেষ করতে চায় না, সম্ভবত কখনোই চায়নি।’
রাশিয়ার ওপর চাপ কমানো নিয়ে সমালোচনা
যুদ্ধ চলার মধ্যে রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কমানোর অভিযোগে ট্রাম্প সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তাঁর সমালোচকদের মধ্যে রয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির সদস্যরা এবং ট্রাম্পের নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির কয়েকজন নেতাও।
সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল কেনা এবং দেশটির জ্বালানি খাতের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করার বিষয়ে একাধিক ঘোষণা দিয়েছে।
এমন সময়ে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, যখন ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সঙ্গে মিলে যুদ্ধে জড়ানোর কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়েছে। এর রাজনৈতিক প্রভাব সামলাতে হচ্ছে ট্রাম্পকে।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসার আগ্রহও জানিয়েছেন ট্রাম্প। এমন বৈঠক হলে তিন নেতার মধ্যে এটিই হবে প্রথম ত্রিপক্ষীয় বৈঠক।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী মহানগর এক্সপ্রেস এবার কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২৬ অক্টোবর (সোমবার) রাত ৮টা থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনটির চলাচল শুরু হবে।
এদিন সন্ধ্যায় রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে মহানগর এক্সপ্রেসের কক্সবাজারগামী প্রথম যাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
আজ বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ