আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০৪:৫০ পি.এম
বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং বিভাগীয় কর্মচারিদের স্বীকৃতির দাবিতে সারাদেশে কর্মসূচি পালন করছে শাখা ডাকঘর কর্মচারিরা। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের ১২ টি উপজেলার ২শ টি শাখা ডাকঘরে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
রবিবার (৫ জুলাই) টাঙ্গাইলের মধুপুর শাখা ডাকঘরের ইডি কর্মচারিরা এই কলম বিরতি অনশন ধর্মঘট পালন করছেন।
কর্মসুচি নেতা বিদ্যূত কুমার পালসহ অন্যান্যরা জানান, প্রথম ধাপে কলম বিরতিতে দাবি আদায় না হলে দ্বিতীয় ধাপে আগামী ৬ জুলাইয়ের পরে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ কলম বিরতিসহ অনশন ধর্মঘট পালন করা হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ডাক কর্মচারি ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম নিজাম ও গোলাম হোসেন মুকুল বলেন, শাখা ডাকঘর কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
এ ছাড়াও বাংলাদেশ শাখা ডাক কর্মচারি সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন এবং বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারি ঐক্য পরিষদ নেতারাও এ দাবির সমর্থন জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদক বিক্রি ও সেবনকারীদের পক্ষে তদবীর করলে কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে তিনি বলেন, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব। তিন বলেন, ‘যারা মাদক বিক্রি, সেবন ও চাঁদাবাজির মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’
রবিবার (৫ জুলাই) দুপুর ১ টায় পাবনার সুজানগর বাজারে ‘মাদক বিক্রেতা, মাদকসেবী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও দখলবাজ প্রতিরোধে’ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সংসদ সদস্য সেলিম রেজা বলেন, ‘রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বর্তমান সরকার মাদক নির্মূলে কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাসিত জীবন থেকে পরিপক্ব ও পরিকল্পনা নিয়েই দেশে এসেছেন।
তিনি এসে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে। দেশ পরিবর্তনে কাজ করছেন। নিজেদের নীতি-নৈতিকতার পরিবর্তন না হলে সমাজের অসংগতি দূর করা সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আমরা মানবিক প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি।
পার্শ্ববর্তী দেশ আমাদের কুক্ষিগত করতে চায়। কিন্তু সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন সাহসী প্রধানমন্ত্রী। পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা ব্যারাজ তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ভালো কাজ করাতে হলে আমাদের মানবিক হতে হবে। মাদক, সন্ত্রাসী নির্মূল করতে হবে। তবেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের চাহিদানুযায়ী দেশ পরিচালনায় সক্ষম হবেন।’
সেলিম রেজা হাবিব বলেন, ‘নির্বাচনী এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ নির্মূলে পৃথক তিনটি কমিটি করে দিয়েছি। মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ অভিযোগে অসম্পৃক্ততা আছে তাদের কমিটিতে স্থান নেই। মাদক, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, সন্ত্রাসী ও মাদক বিক্রেতাদের আলাদা আলাদা তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তালিকা ধরে প্রশাসনের মাধ্যমে আইনি প্রয়োগ করা হবে।’
তিনি প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, ‘প্রশাসনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ যারা ঘাপটি মেরে আছে তাদের অধিকতর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। রাজনৈতিকভাবে আমাদের প্রতিহিংসা নেই। কেউ প্রতিহিংসার শিকার হবে না। হতে দেওয়া যাবে না। কেউ যদি কাউকে প্রতিহিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে সেই নেতাকর্মীর বিএনপি করার দরকার নেই। তাদের দল থেকে বের করে দেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘উপজেলায় দুটি অভিযোগ বক্স থাকবে। অভিযোগ ধরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হট নাম্বার দেওয়া হবে। যারা মুচলেকা দিয়ে আসবে তাদের বিচার হবে না। আমার সঙ্গে যারা রাজনীতি করেন তারাও যদি এসব অপরাধের সঙ্গে থাকে তাহলে তাদের জায়গা হবে না।’
নাগরিক সমাবেশের সভাপতি জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি চাকরি করি। আইন আছে। আইন প্রয়োগ করতে গেলে রাজনৈতিক পর্যায়ে ঐকমত্য থাকতে হয়। কিন্তু মাদক নির্মূলে এই সমস্যা প্রকট দেখা দেয়। মানুষের গণজোয়ার থাকলে খুব দ্রুত মাদকসেবী ও মাদক বিক্রেতাদের নির্মূল করা সম্ভব হয়। আমরা ভিকটিম হওয়ার আগেই মাদক সমূলে নির্মূল করতে সব পর্যায় থেকে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।’
সুজানগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ।
বিশেষ অতিথি বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘পাবনায় মাদক জিরো টলারেন্স চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে সহস্রাধিক মাদকসেবী ও বিক্রেতা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সংক্ষিপ্ত বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। মাদক ও জুয়ায় সংক্ষিপ্ত বিচারে জেল নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করেই আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে। তিনি প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্টদের শক্ত হাতে মাদক দমনে প্রতিহত করতে হবে।’
সুধীজনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মাদকসেবী, বিক্রেতাসহ অপরাধী ধরে তাদের নিজেরা বিচার হাতে না নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেন।’
শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মানবিক মানুষ হতে রক্ষায় শাসন করুন। তাদের মাদক ও অপরাধ সম্পর্কে অবহিত করেন। পাশাপাশি পরিবারের প্রতি সন্তানের সবদিকে খোঁজখবর রাখতে অনুরোধ জানান। মাদককে নির্বাসনে পাঠাতে সবাইকে একযোগে প্রতিহত করতে কাজ করতে হবে।’
নাগরিক সমাবেশে শুরুতেই স্বাগর বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ।
সমাবেশে অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে বক্তব্য দেন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা পাবনার উপপরিচালক তৌফিক ইকবাল, জেলা আনসার ভিডিপি কমান্ড্যান্ট মাহবুবুর রহমান সরকার, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শহিদুল মান্নাফ কবির, বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোনাল্ড চাকমা, জিপি অ্যাডভোকেট আরশেদ আলম, পাবনা প্রেস ক্লাব সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, পাবনা র্যাব ক্যাম্পের কমান্ডার ওয়াহিদুজ্জামান, সুজানগর সার্কেলের এএসপি সাদেক আহমেদ, সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুরে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসাবে ৩০ পুরিয়া হেরোইনসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার পর লালপুর থানাধীন ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রবিবার (৫ জুলাই) দুপুর ১২টার সময় তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে, এমন একটি তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলি শের একটি ট্রিম নিয়ে ওয়ালিয়া বাজারের আলী মার্কেটের একটি অব্যবহৃত দোকানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সেখান থেকে দুই মাদক কারবারিকে—মো. সাহাবুল ইসলাম সাধন (৩৬) এবং মো. ঝুমুর আলী (৩৪)—আটক করা হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৩০ পুরিয়া হেরোইন, যার মোট ওজন প্রায় ৩ গ্রাম।
আটক হওয়া দুই ব্যক্তি লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া (পশ্চিমপাড়া) এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই ঘটনায় আটকদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। লালপুর উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো মাদক কারবারিই আইনের বাইরে থাকতে পারবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লোহিত সাগরের ইয়েমেনের উপকূলে একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলার শিকার হয়েছে বলে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী জানিয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) যুক্তরাজ্যের ‘মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস’ এই হামলার বিষয়টি ঘোষণা করেছে। তারা জানিয়েছে, হামলার সময় জাহাজটি থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে, সেটির ওপর ‘অজ্ঞাত সশস্ত্র হামলাকারীরা’ আক্রমণ চালিয়েছে।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ইয়েমেনের বন্দরনগরী হোদাইদাহ থেকে ৫৬ কিলোমিটার (৩০ নটিক্যাল মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থানকালে জাহাজটি থেকে একটি জরুরি সতর্কবার্তা পাওয়া গেছে। কর্তৃপক্ষ এবারে পুরো ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে ওই এলাকায় চলাচলকারী জাহাজগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার এবং কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ নজরে এলে তা জানাবার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
তবে, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা আবারও জাহাজে হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছে, যদিও সাম্প্রতিক সময়ে তারা এমন কোনো হামলা চালায়নি।
এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে হুথিদের কোনো মুখপাত্র তাৎক্ষণিক সাড়া দেননি। এর সঙ্গে সম্প্রতি এডেন উপসাগরের অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী এলাকায় সোমালি জলদস্যুদের তৎপরতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সূত্র: এএফপি, আলজাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে বিরতিহীনভাবে ভোটারগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এটি চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। দীর্ঘ দেড় যুগ পর সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের সুযোগ পাচ্ছেন বগুড়ার ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, ভোটের প্রথম এক ঘণ্টাতেই শতাধিক ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। দীর্ঘ সময় পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। এবারের নির্বাচনে কার্যনির্বাহী কমিটির মোট ১২টি পদের বিপরীতে ২৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ১ হাজার ৭৭ জন ভোটার তিনটি আলাদা ব্যালটের মাধ্যমে তাদের পছন্দের নেতৃত্ব বেছে নেবেন।
নির্বাচনে মূল লড়াই হচ্ছে দুটি প্যানেলের মধ্যে, বিএনপি সমর্থিত ‘বাদল-হিরু প্যানেল’ এবং জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ‘সেলিম-এরশাদ প্যানেল’। এর বাইরে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নির্বাচনি মাঠে লড়ছেন। চেম্বারের সভাপতি পদে সরাসরি দ্বিমুখী লড়াই হচ্ছে দুই প্যানেলের শীর্ষ নেতার মধ্যে। বাদল-হিরু প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী এমএসএম আতিকুর রহমান বাদল ‘গোলাপ ফুল’ প্রতীক এবং সেলিম-এরশাদ প্যানেলের মো. সেলিম রেজা ‘ছাতা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সহ-সভাপতি পদের ৪টি প্রতীকের বিপরীতে বাদল-হিরু প্যানেল থেকে মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু (আনারস), সেলিম-এরশাদ প্যানেল থেকে মো. এরশাদুল বারী এরশাদ (হারিকেন) এবং মো. মামুনুর রশিদ মামুন (মোমবাতি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহামুদুর রহমান শিপন (খেজুরগাছ) প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। এছাড়া পরিচালক পদের জন্য ২২ জন প্রার্থীর মধ্যে দুই প্যানেলের ১৮ জন এবং ৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, বগুড়া চেম্বারে সর্বশেষ সরাসরি ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৭ সালে। এরপর দীর্ঘ সময় বিনা ভোটে কমিটি গঠিত হওয়ায় সাধারণ ব্যবসায়ীরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে প্রথমে প্রশাসক এবং পরবর্তীতে জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা আছিয়া খাতুনকে চেয়ারম্যান করে তিন সদস্যের এই নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ