ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

পিকআপ-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বাবা ও ছেলের মৃত্যু


পিকআপ-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বাবা ও ছেলের মৃত্যু

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে মাছবাহী একটি পিকআপভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে বাবা এবং ছেলের মৃত্যু ঘটেছে।

শনিবার (৬ জুন) সকাল ৮টার দিকে রাজারহাট-তিস্তা মহাসড়কের কসাইটারী শিমুলতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর মাছবাহী পিকআপটি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

নিহতদের নামে দুলু মিয়া (২৮) ও তার বাবা সিদ্দিক শেখ হিসেবে পরিচিত। তারা কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট সীমান্তবর্তী বোগমারী পঞ্চগ্রাম এলাকার বাসিন্দা।

আরও পড়ুন: স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন ডা. আমির হামজার, রেনু বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে বাবা-ছেলে রেললাইন পার হচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা রাজারহাটগামী একটি মাছবাহী পিকআপের সাথে তাদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মোটরসাইকেলটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাবা-ছেলে গুরুতর আহত হয়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাঁদের অবিলম্বে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক দুলু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, গুরুতর আহত সিদ্দিক শেখকে প্রথমে রাজারহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এরপর তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, নিহতরা বাবা ও ছেলে। একজন কুড়িগ্রামে এবং অপরজন রংপুরে নেওয়ার পথে মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: মহেশখালীতে রোগীদের জন্য এনসিপির তিনটি হুইল চেয়ার বিতরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ১৪ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


দেশের ১৪ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস

দেশের ১৪টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যার সময় ৮০ কিলোমিটার ঘণ্টায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ ও ২ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

 

পূর্বাভাস অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, যশোর, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুর অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এইসব এলাকায় তীব্র ঝড়ের সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

এছাড়া, রংপুর, দিনাজপুর, খুলনা, বরিশাল, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও মাদারীপুর অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। ফলে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট এলাকার নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে এবং প্রদর্শিত সংকেত মেনে চলার অনুরোধ করছে।

 

এদিকে, আবহাওয়া অফিসের সকালবেলার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু স্থানে দমকা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

 

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ইরান যুদ্ধ

পে-স্কেল নিয়ে নতুন দুঃসংবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৪ পি.এম


পে-স্কেল নিয়ে নতুন দুঃসংবাদ

দীর্ঘ ১১ বছর ধরে নতুন বেতন কাঠামোর অপেক্ষায় থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নবম পে-স্কেল নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।

আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকরের প্রত্যাশা থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে নাই, ফলে চাকরিজীবীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আগামী ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের মধ্য দিয়েই এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হতে পারে। কিন্তু, এখন পর্যন্ত নতুন পে-স্কেল নিয়ে যে তথ্য সামনে এসেছে তা বেশিরভাগই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং অনানুষ্ঠানিক সূত্রনির্ভর।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক বলেছেন, পে-স্কেল নিয়ে সরকারের নীরবতাই কর্মচারীদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তার ভাষায়, সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত বক্তব্য এলেও পে-স্কেল নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট ঘোষণা আসেনি। অর্থ মন্ত্রণালয় কিংবা অর্থসচিবের পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে কর্মচারীদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, আদৌ নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে কি না।

তিনি জানান, সরকারি কর্মচারীরা গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নতুন বেতন কাঠামোর অপেক্ষায় রয়েছেন। আসন্ন বাজেটের মধ্যে এ খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ থাকবে বলে তারা আশা করছেন।

এদিকে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনের পক্ষ থেকে ৩১ মে একটি যৌথমা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন কার্যকরের দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ বছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতনে কোনো মৌলিক পরিবর্তন না এলেও জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে অনেক নিম্নপদস্থ কর্মচারী সংসার চালাতে অতিরিক্ত খণ্ডকালীন কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সরকার তিন ধাপে তিন বছরে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন মূল বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা কার্যকর হতে পারে। পরবর্তী অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ বেতন সমন্বয় করা হবে। আর ২০২৮-২৯ অর্থবছরে বিভিন্ন ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ধাপে ধাপে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

কিন্তু, কর্মচারী নেতারা বলছেন, অতীতের পে-স্কেল বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আগে মহার্ঘ ভাতা প্রদান এবং প্রথম ধাপেই পূর্ণ মূল বেতন কার্যকর করার নজির রয়েছে। এবারও একই পদ্ধতি অনুসরণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতির আহ্বানে আগামী ৭ জুন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। এরপর ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন। সেদিনের বাজেটেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান স্পষ্ট হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্টেনিগ্রো চলচ্চিত্র উৎসবের মূল প্রতিযোগিতায় সম্মানজনক 'নিশি'

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৭ পি.এম


মন্টেনিগ্রো চলচ্চিত্র উৎসবের মূল প্রতিযোগিতায় সম্মানজনক

বাংলাদেশের একমাত্র এমা অ্যাওয়ার্ড জয়ী চলচ্চিত্র 'নিশি' এবার দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ মন্টেনিগ্রোতে যাচ্ছে।

গ্রিন মন্টেনিগ্রো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ১২ তম আসরের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে ছবিটি নির্বাচন করা হয়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ ৩১টি পরিবেশ বিষয়ক চলচ্চিত্র উৎসবের মধ্যে এই চলচ্চিত্র উৎসবটি একটি মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গণ্য হয়।

এই উৎসব হচ্ছে মন্টেনিগ্রোর একমাত্র পরিবেশবাদী চলচ্চিত্র উৎসব। ১ থেকে ৩ আগস্ট মন্টেনিগ্রোর জাবলজাক পৌরসভায় অবস্থিত ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট দুরমিতর ন্যাশনাল পার্কের ব্ল্যাক লেকের পাশে অনুষ্ঠিত হবে উৎসবটি।

গোলাম রাব্বানীর চিত্রনাট্য ও গল্পে 'নিশি' চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে নির্মাণ করেছেন গোলাম রাব্বানী ও জহিরুল ইসলাম।

গোলাম রাব্বানী তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেছেন, 'নিশির এই আন্তর্জাতিক জার্নি সত্যিই দারুণ। সিনেমার মাধ্যমে আমরা আমাদের গল্প বিশ্ববাসীকে দেখাতে পারছি। তাদের কাছ থেকেও অনেক কিছু নিতে পারছি, যা আমাদের সিনেমা জার্নিকে সমৃদ্ধ করছে। ধন্যবাদ আমার ফিল্ম স্কুল আইএএফএম এর প্রতি। আমার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য।'

ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার প্রযোজনায় ইউরোপীয় UNION বাংলাদেশ, গ্রিন ফিল্ম স্কুল অ্যালায়েন্স ও ইউনেসকো ঢাকার সহযোগিতায় নির্মিত 'নিশি'র গল্পে দেখা যায়, এক চা-শ্রমিকের কন্যাসন্তানের লেখাপড়া পানির সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে যায়। বাড়িতে একটি টিউবওয়েল বসানোর প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকা নিশিকে বিয়ে করতে চায় কাঠ ব্যবসায়ী লালচাঁন। এভাবেই এগোতে থাকে গল্প।

সিনেমাটির চূড়ান্ত সম্পাদনা, কালার ও সাউন্ডের কাজ হয়েছে পোল্যান্ডের বিখ্যাত লজ ফিল্ম স্কুলে। চিত্রগ্রহণে ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থী নাতালিয়া পুসনিক। সিলেটের একটি চা-বাগান ও আশপাশের এলাকায় হয়েছে শুটিং। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন চা-বাগানের শ্রমিকের মেয়ে নিশি, চা শ্রমিক বিশ্বজিৎ, গণেশ ও ভারতী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটুয়াখালীতে শুরু হলো ষষ্ঠ নাইওর উৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


পটুয়াখালীতে শুরু হলো ষষ্ঠ নাইওর উৎসব

বাংলার আবহমান গ্রামীণ জীবন, লোকজ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং পারিবারিক বন্ধনের অনন্য প্রতীক হিসাবে ‘নাইওর’কে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীতে ষষ্ঠ নাইওর উৎসব শুরু হয়েছে। আধুনিকতার যুগের কারণে হারিয়ে যেতে বসা এই গ্রামীণ সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এই আয়োজন করা হয়েছে।

দক্ষিণাঞ্চলের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘দখিনের কবিয়াল’র উদ্যোগে শনিবার (৬ জুন) দিনব্যাপী এই উৎসবের আয়োজন করা হয়।

সকালে পটুয়াখালী সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। পরে মোমবাতি প্রজ্বালনের মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে রয়েছে লোকজ সংস্কৃতিনির্ভর নানা অনুষ্ঠান, গান, নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনাসমূহ। অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য কণ্ঠশিল্পী রবি চৌধুরীসহ স্থানীয় শিল্পীরা অংশ নিয়ে তাদের পরিবেশনাগুলি উপস্থাপন করবেন।

অনুষ্ঠানে আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও পটুয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক সেহাংশু সরকার কুট্টির সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, দখিনের কবিয়ালের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসাইন মানিকসহ অন্যান্য অতিথিরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

আয়োজকরা জানান, নাইওর বাংলার লোকজ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিবাহিত নারীদের বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া এবং তাকে ঘিরে পরিবারের সদস্যদের আনন্দ-উৎসবের ঐতিহ্যটাই আবহমান বাংলায় ‘নাইওর’ নামে পরিচিত।

উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ‘এমন আয়োজন শুধু বিনোদনের নয়, বরং বাঙালির শেকড় ও ঐতিহ্যকে নতুন করে জানার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%