ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হন্ডুরাসে চীনা ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি শুরু


হন্ডুরাসে চীনা ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি শুরু

মধ্য আমেরিকার রাষ্ট্র হন্ডুরাসে চীনা মালিকানাধীন দোকান এবং বেইজিংয়ের অর্থায়নে পরিচালিত একটি রাষ্ট্রীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের ওপর কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপটি দেশটির নতুন প্রেসিডেন্টের তাইওয়ানপন্থী অবস্থান এবং পূর্বের কূটনৈতিক প্রতিশ্রুতি পুনর্বিবেচনার গুঞ্জনের প্রেক্ষাপটে নেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হন্ডুরাসের বর্তমান প্রশাসনিক পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির বরফ গলতে শুরু করার ফলে মধ্য আমেরিকার ভূরাজনীতিতে বেইজিং ও তাইপে-র মধ্যে প্রভাব বিস্তারের লড়াই নতুন মোড় নিয়েছে।

২০২৩ সালে, হন্ডুরাস তাইওয়ানের সঙ্গে দশকের পর দশক ধরে চলতে থাকা ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছিল। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমীকরণের পরিবর্তনের কারণে দেশটিতে নতুন করে কূটনৈতিক মেরুকরণের গুঞ্জন দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: তুরস্ক, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের ‘বদর’ চুক্তি স্বাক্ষর

হন্ডুরাসের নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারসাম্য আনা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থেই বর্তমান পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনা বিশ্বমঞ্চে চীন ও তাইওয়ানের মধ্যকার চলমান কূটনৈতিক প্রতিযোগিতাকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৬-২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ার প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


২৬-২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ার প্রত্যাশা

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর চার দিনের সরকারি সফরে দেশটিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঢাকা আশা করছে, এই সফরের মাধ্যমে দুদেশের বাণিজ্য, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং কৌশলগত সম্পর্কের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টোকিও সফরের বিস্তারিত তুলে ধরেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম।

পররাষ্ট্রসচিব জানালেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা জাপানের উদ্দেশে রওনা হবেন। সফরের সময় তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও সঙ্গে থাকবেন। আগামী ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মানে আয়োজিত বিশেষ নৈশভোজে অংশগ্রহণ করবেন তিনি।

আসাদ আলম সিয়াম বলেন, “বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরের পর দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিধি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং বাংলাদেশে জাপানি বেসরকারি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।”

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান ও সানায়ে তাকাচির শীর্ষ আলোচনায় ঋণের সুদের হার কমানোসহ পারস্পরিক যৌথ প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ব্যয় কমানোর বিষয়ে জাপানের কাছে নীতিগত আহ্বান জানাবে ঢাকা। এছাড়া মেগা প্রকল্প, বিশেষ করে মেট্রোরেলের সম্প্রসারণ ও পরিচালনা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানের বড় ধরনের সহযোগিতা চাওয়া হবে।

সফরকালে দুই দেশের মধ্যে কয়েকটি স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি চলছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রসচিব বলেন, “বর্তমানে প্রায় ৮টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, সফরকালে এর মধ্যে অন্তত ৩ থেকে ৪টি স্মারক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হতে পারে। এ ছাড়া বৈঠক শেষে একটি যৌথ ঘোষণাপত্র (জয়েন্ট স্টেটমেন্ট) প্রকাশের বিষয় নিয়েও দুই দেশের প্রতিনিধিরা কাজ করছেন।”

সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হবেন কি না–এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রসচিব জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রীর পূর্বনির্ধারিত সূচির সঙ্গে সময়সূচি মিললে তিনি অবশ্যই জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপক্ষীয় অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) পর্যালোচনার জন্য জাপানের সংসদে ওঠার কথা রয়েছে। উভয় দেশের অভ্যন্তরীণ আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরপরই চুক্তিটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করা হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও জাপান ২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি টোকিওতে ঐতিহাসিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষর করে। এটি মূলত একটি ব্যাপকভিত্তিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), যা কোনো উন্নত দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সই করা প্রথম দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক চুক্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কারা, জানা যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


ইসরাইলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কারা, জানা যাচ্ছে

আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ভয়াবহ হামলার পর এটি ইসরাইলের প্রথম নির্বাচন। ওই হামলার পর ইসরাইলের নিরাপত্তাব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। এর ফলে গাজা, লেবানন ও ইরানে যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে এক অস্থির পরিবেশের সৃষ্টি করেছে।

জনমত জরিপগুলোতে যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পরাজয়ের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। তবে ইসরাইলের রাজনৈতিক ব্যবস্থা অত্যন্ত খণ্ডিত হওয়ায় সরকার গঠনের প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় যেকোনো রাজনৈতিক দল ‘কিংমেকার’ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।

ধারাবাহিক জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, নেতানিয়াহুর ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। ৭ অক্টোবরের হামলা ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতা নিয়ে নেতানিয়াহুকে প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে। হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জনসমর্থন থাকলেও নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের প্রতি ইসরাইলিদের আস্থা কমে গেছে।

এছাড়া ধর্ম ও রাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে নেতানিয়াহু সরকারের নীতি অনেক ইসরাইলির কাছে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা এই নেতা রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে টিকে থাকার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে দক্ষ। তার বিরোধীপক্ষ ক্ষমতায় ফেরার জন্য স্পষ্ট পথ এখনও দেখা যাচ্ছে না।

যেভাবে গঠিত হয় ইসরাইলের সরকার

ইসরাইলের নির্বাচন ব্যবস্থা সংসদীয়। ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটের সদস্যদের নির্বাচন সাধারণত প্রতি চার বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। যদিও ইসরাইলের ইতিহাসে বেশিরভাগ পার্লামেন্টই পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারেনি।

২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইসরাইল স্বল্পস্থায়ী সরকার এবং ঘন ঘন নির্বাচনের চক্রে আটকা পড়ে। একই বছর নেতানিয়াহু সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদীয় আসন নিয়ে আবারও ক্ষমতায় ফিরে আসেন। তার নেতৃত্বে গঠিত হয় ইসরাইলের ইতিহাসে অন্যতম কট্টর ডানপন্থি সরকার।

ইসরাইলে জাতীয় ভোটের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির মাধ্যমে পার্লামেন্টের আসন বণ্টন করা হয়। কোনো দলকে নেসেটে আসন পেতে জাতীয় ভোটের অন্তত ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ (অন্তত চারটি আসনের সমান) পেতে হয়।

দেশটির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। একাধিক দলের জোট গঠন করে সরকার পরিচালনার ফলে জোটের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে সরকারের পতন ঘটে।

এ কারণে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন এবং সরকার কতদিন টিকবে, তা নির্ধারণে ছোট ছোট দলগুলো বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। সরকার টিকিয়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রীকে প্রায়ই বিভিন্ন ছোট দলের দাবির সঙ্গে একমত হতে হয়।

নেতানিয়াহুর জোটে ধর্মীয় দলগুলোর প্রভাব

রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থি ইহুদি দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল। এসব দলের অন্যতম দাবি ছিল, তাদের সম্প্রদায়ের সদস্যদের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা থেকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অব্যাহতি দেয়া। বিশেষ করে যুদ্ধের সময় এ বিষয়টি ইসরাইলে আরও আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

নেতানিয়াহুর জোটে রয়েছে তার নিজস্ব ডানপন্থি লিকুদ পার্টি, অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচের রিলিজিয়াস জায়নিজম পার্টি এবং জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের কট্টর ডানপন্থি জিউইশ পাওয়ার পার্টি।

এছাড়া চরমপন্থি ইহুদিদের দল ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম ও শাস ২০২৪ সালে সরকার থেকে বেরিয়ে গেলেও পরোক্ষভাবে সরকারকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করেছে।

নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী কারা?

বর্তমান যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তাদের মধ্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তা গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ও ইয়াইর লাপিদের জোট ‘টুগেদার’ এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যানের ইসরায়েল আওয়ার হোম উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া দেশটির প্রায় ২০ শতাংশ আরব সংখ্যালঘুর প্রতিনিধিত্বকারী চারটি দল—হাদাশ, তাল, রাম ও বালাদ এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা ইয়াইর গোলানের নেতৃত্বাধীন বামপন্থি ডেমোক্র্যাটস পার্টি নেতানিয়াহুর বিরোধী শিবিরে রয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে বছরে এক মাস সচেতনতা কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে বছরে এক মাস সচেতনতা কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

দেশে হাড় ক্ষয় রোগে আক্রান্ত ৬০ লাখ মানুষ রয়েছেন। এই রোগের প্রতিরোধে প্রতি বছর এক মাসব্যাপী সচেতনতা কার্যক্রম আয়োজনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাড় ক্ষয় দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয় রোগের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে সচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বছরের এক মাস হাড় ক্ষয় সচেতনতার জন্য নির্ধারণ করা অত্যন্ত জরুরি। সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে হাড় ক্ষয়জনিত জটিলতা হ্রাস করা সম্ভব হবে।

এ সময় বিশেষজ্ঞরা জানান, ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়, তাই শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেলা ও বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এছাড়া, যদি কোথাও হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষার সুযোগ না থাকে, তবে ফ্র্যাকচার রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট টুল ব্যবহার করে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ইসরাইলের নির্বাচন

জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে আরও এগিয়ে গাডি আইজেনকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর চেয়ে আরও এগিয়ে গাডি আইজেনকট

ইসরাইলের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রকাশিত জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তুলনায় সাবেক সেনাপ্রধান গাডি আইজেনকট আরও এগিয়ে রয়েছেন।

সরকারপ্রধান হিসেবে কে বেশি উপযুক্ত—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসরাইলের জনগণ আইজেনকটের দিকে ঝুঁকেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত জরিপের ফলাফল এই চিত্র তুলে ধরেছে।

‘চ্যানেল ১২’-এর জরিপ অনুযায়ী, ৪৫ শতাংশ উত্তরদাতা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আইজেনকটকে অধিক উপযুক্ত মনে করেন, যেখানে নেতানিয়াহুর পক্ষে মত দিয়েছেন ৩৩ শতাংশ। ফলে আগের জরিপের ১০ শতাংশ ব্যবধান বেড়ে ১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

ইসরাইলে আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে এই ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। জরিপ অনুযায়ী, আইজেনকটের ‘য়াশার’ পার্টি ১২০ আসনবিশিষ্ট নেসেটে (ইসরাইলি পার্লামেন্ট) বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

জরিপ অনুযায়ী, ‘য়াশার’ পার্টি ২৪টি আসন পেতে পারে, অন্যদিকে নেতানিয়াহুর ‘লিকুদ’ পার্টি ২১টি আসন পেতে পারে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের ‘টুগেদার’ পার্টি ১৪টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ইয়ার গোলানের ‘ডেমোক্র্যাটস’ এবং আরব-নেতৃত্বাধীন ‘জয়েন্ট লিস্ট’ ৯টি করে আসন পেতে পারে। আভিগডোর লিবারম্যানের ‘ইসরাইল বেইতেইনু’ পার্টি, কট্টর ডানপন্থি ‘শাস’ পার্টি এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের ‘জুইশ পাওয়ার’ পার্টি আটটি করে আসন পেতে পারে।

জরিপ অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর বিরোধী ইহুদি-নেতৃত্বাধীন দলগুলো ৫৫টি আসন পেতে পারে (যা আগের জরিপের চেয়ে দুটি বেশি), যেখানে নেতানিয়াহুর বর্তমান ক্ষমতাসীন জোট ৫১টি আসন পেতে পারে।

এছাড়া, দুটি আরব দল আরও ১৪টি আসন পেতে পারে। ফলে নেতানিয়াহুর জোটের বাইরে থাকা দলগুলোর মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৯; যদিও ভবিষ্যতে গঠিত হতে যাওয়া কোনো সরকারে তাদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপযুক্ততা নিয়ে করা অন্য একটি প্রশ্নে নাফতালি বেনেট নেতানিয়াহুর চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। বেনেটের পক্ষে মত দিয়েছেন ৩৯ শতাংশ মানুষ, আর নেতানিয়াহুর পক্ষে ৩৪ শতাংশ। এছাড়া ২২ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, তাদের কেউই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য নন।

জরিপে নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ্যে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানানোর প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন রাখা হয়েছিল।

প্রায় ৬৪ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন, ট্রাম্পের এই সমর্থন তাদের ভোট প্রদানের সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব ফেলবে না। অন্যদিকে ১৭ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ট্রাম্পের সমর্থনের কারণে ‘লিকুদ’ পার্টিকে সমর্থন করার সম্ভাবনা তাদের ক্ষেত্রে কমে গেছে। মাত্র ১২ শতাংশ বলেছেন, এই সমর্থন নেতানিয়াহুর দলের প্রতি তাদের সমর্থনকে আরও জোরদার করেছে। সূত্র: আনাদোলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%