আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি
০৮:৩৪ পি.এম
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক আমজাদ হোসেন। এ সময় তিনি চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।
মঙ্গলবার মৌলভী শামসুল হুদা সড়কে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি তিনি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাব্দির বাড়ি সড়ক এবং এলজিইডি বাস্তবায়নাধীন নাজিরহাট–বদিউজ্জামান সড়ক প্রকল্পের আওতায় গোডাউন সড়কের সমাপ্ত ও চলমান উন্নয়নকাজের সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে ইউএনও প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজের গুণগত মান যাচাই করেন। তিনি এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ঠিকাদার ও কর্মীদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রাক্কলন অনুযায়ী মানসম্মতভাবে কাজ সম্পন্ন করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, উন্নয়নকাজ চলাকালীন কিংবা কাজ শেষ হওয়ার পর কোনোভাবেই যেন রাস্তার ক্ষতি হয়—এমন কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্পের স্থায়িত্ব ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা এবং সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আমজাদ হোসেন জানান, “আদর্শ সন্দ্বীপ গড়ে তুলতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভৈরব পৌরসভার ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য ৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার ৫১৭ টাকার প্রস্তাবित বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বাজেটে ব্যয়ের হিসাবে ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৬২ হাজার ৯১৯ টাকা এবং উদ্বৃত্ত হিসেবে ৬ কোটি ৯৬ লাখ ৭ হাজার ৫৯৮ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ভৈরব পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পৌর প্রশাসক কেএম মামুনুর রশীদ এই বাজেট ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক, পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাবলু, পৌরসভার হিসাবরক্ষক শেরদিন নস্তী এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারাও। পৌর প্রশাসক সংবাদ সম্মেলনে জানান, রাজস্ব খাত, উন্নয়ন খাত, পানি, হাট-বাজার, নগর পরিচালনার অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাত থেকে আয় হিসেবে ৪০ কোটি ৫৪ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭৯ টাকা ধরা হয়েছে। এছাড়া তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ৩৬ কোটি ৫৩ লাখ ২২ হাজার ৯৪৬ টাকা পাওয়া যাবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, বাজেটের মধ্যে রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, ড্রেন নির্মাণ, মশক নিধন, জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন ক্রয়, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান, চক্ষু চিকিৎসা সেবা এবং পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে ব্যয়ের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কর্তৃক আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ অনুষ্ঠানে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দলের একাধিক নেতাকর্মী এবং কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হয়েছেন।
এ হামলার ঘটনা মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে হবিগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউজের অভ্যন্তরে সংঘটিত হয়।
ঘটনার বিবরণ নিয়ে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে অভিযোগ জানিয়ে বলেছেন, জেলা সার্কিট হাউসের ভেতর সেখানে এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাসটির ভাঙচুর করা হয়েছে। হামলাকারীরা গণমাধ্যম কর্মীদের মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়েছে।
আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সংঘটিত এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সহিংসতার একটি ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের লক্ষ্ণৌয়ের সাবেক মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা নানক রাম ভুরজির রহস্যজনক মৃত্যু ঘটেছে।
জানা গেছে, লক্ষ্ণৌয়ের হাজরতগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত দারুলশাফা নতুন বিধায়ক আবাসন কমপ্লেক্সের পেছনের একটি ভবনের ওপরের তলা থেকে পড়ে তিনি নিহত হন।
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা মঙ্গলবার ঘটে। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬৮ বছর।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নানক রাম ভুরজি উত্তর প্রদেশ সরকারের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন এবং বর্তমানে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।
বিধায়ক আবাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন যে, একজন ব্যক্তি আবাসন কমপ্লেক্সের পেছনে একটি ভবনের ৭ তলা থেকে নিচে পড়ে গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং তাকে উদ্ধার করে সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট হয়নি। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, নানক রাম ভুরজি দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্নতায় (ডিপ্রেশন) ভুগছিলেন এবং তাকে প্রায়ই বিধায়ক আবাসন কমপ্লেক্সে ঘোরাফেরা করতে দেখা যেত।
পুলিশ জানিয়েছে, তার পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানানো已经 হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে আনা ৪টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মোট ওজন ৪৩২ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৯২ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আগমনী কাস্টমস চ্যানেলে অভিযান চালিয়ে এসব স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দুবাই থেকে আসা যাত্রী মো. নুর নবীর ট্রলিতে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় ২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। বার দুটির মোট ওজন ২৩২ গ্রাম।
এ ছাড়া বিকেল ৪টা ৪৬ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের আরেকটি ফ্লাইটে ব্যাংকক থেকে আসা যাত্রী মোহাম্মদ শামীম শেখের রেক্টামে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় আরও ২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। এগুলোর মোট ওজন ২০০ গ্রাম।
পরে দুই যাত্রীকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কাস্টমস উদ্ধার হওয়া ৪টি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ