১২:০৬ পি.এম
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় ৩০টি আঙুল নিয়ে ৯ জুন জন্ম নেওয়া আলোচিত নবজাতকটি ৪০ ঘণ্টা পরে নিজ বাড়িতে মারা গেছে।
"৩০ আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া সেই নবজাতকের মৃত্যু" এই সংবাদটি আরটিভিতে প্রচারিত হওয়ার পর, মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও আকলিমা আক্তার বিষয়টি জানেন এবং পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।
মঙ্গলবার (১৩ জুন) সকালে উপজেলার প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসহায় পরিবারটিকে ১০ হাজার টাকার একটি চেক প্রদান করা হয়। পরিবারটিকে চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাবারের জিনিসপত্রও দেয়া হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং ৩০ আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুটির মা এবং বাবা।
আরও পড়ুন: উখিয়ার অগ্নিকাণ্ডে নাহিদ ও তার পরিবারের খোঁজ নেই, হতাহতদের তালিকা নেই
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার জানান, পরিবারটির সম্পর্কে জানতে পেরে আমি অবগত হই যে তারা অসহায়। শিশুটির জন্মের সময় চিকিৎসার জন্য তাদের ঋণ করতে হয়েছে। দ্রুততার সঙ্গে শিশুটি মারা যায়। তাই মানবিক কারণে আমি পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগ নিয়েছি।
উল্লেখ্য, শিশুটির বাবা ইসমাইল পালোহন উপজেলার বড় মাছুয়ার ইউনিয়নের ভোলমারা গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন দিনমজুর। গত ৯ জুন মঠবাড়িয়ার বেসরকারি হাসপাতালে ড্রিম এন্ড হেলথ কেয়ারে শিশুটির জন্ম হয়। জন্মের পর শিশুটির শারীরিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্ট হয়। শিশুটির দুই হাত ও দুই পায়ে মোট ৩০টি আঙুল ছিল। এছাড়া জন্মগতভাবে তার জিহ্বা ছিল না, এমনটিও চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন