ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোহাম্মদপুরে ভবনের একাংশ ধসে আতঙ্কে বাসিন্দারা


মোহাম্মদপুরে ভবনের একাংশ ধসে আতঙ্কে বাসিন্দারা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আজিজ মহল্লায় একটি তিনতলা पुरনো ভবনের একাংশ ধসে পড়েছে। এই দুর্ঘটনার পর আতঙ্কিত হয়ে ভবনের বাসিন্দারা ভবনটি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।

এটি শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুরের দিকে ঘটে। এই ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, ধসে পড়ার পর ভবনটি একদিকে হেলে যাওয়ায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে বিকট শব্দ হয় এবং তখনই ভবনটি একদিকে হেলে পড়ে। একই সঙ্গে ভবনটির একপাশ দিয়ে কিছু অংশ ধসে পড়ে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

ভবনটির বাসিন্দাদের মতে, ভবনটিতে ১০-এর অধিক পরিবারের বসবাস রয়েছে। বিকট শব্দে ভবনটি হেলে পড়ার সময় বাসিন্দারা আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে। পরে সকলে বেরিয়ে আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবহেলা নয়, দীর্ঘদিনের যেসব লক্ষণ হতে পারে ফুসফুস ক্যানসারের ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৮ এম


অবহেলা নয়, দীর্ঘদিনের যেসব লক্ষণ হতে পারে ফুসফুস ক্যানসারের ইঙ্গিত

ফুসফুসের ক্যানসার একটি প্রাণঘাতী রোগ, যেটি বিশ্বের অন্যতম। তবে, এই রোগের বড় সমস্যা হলো, শুরুর দিকে এর লক্ষণগুলো সাধারণ ঠান্ডা-কাশি বা মৌসুমি অসুস্থতার মতো হয়ে থাকে, যার কারণে অধিকাংশ মানুষ এটি গুরুত্ব দেন না। ফলে রোগটি অনেক দেরিতে ধরা পড়ে। অথচ যদি এটি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়, তাহলে চিকিৎসার সাফল্যের সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফুসফুসের ক্যানসার প্রথমে শরীরে নীরবে বিস্তার লাভ করে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসের ক্ষতি করে। তাই কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ যদি দীর্ঘদিন ধরে দেখা দেয়, তাহলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া খুবই জরুরি।

দীর্ঘদিনের কাশি হলে সতর্ক হোন। সাধারণ সর্দি-কাশি সাধারণত এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে কমে আসে। কিন্তু যদি কাশি কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থায়ী হয় বা সময়ের সঙ্গে আরও তীব্র হতে থাকে, তাহলে এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। অনেক সময় কাশি গভীর, কর্কশ বা ঘনঘন হতে পারে। অনেকে হলে এটিকে আবহাওয়ার পরিবর্তন বা অ্যালার্জির সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যান। তবে, যদি দীর্ঘদিন কাশি থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

ফুসফুসের ভেতরে টিউমারের উপস্থিতির ইঙ্গিত হতে পারে ঘন ঘন নিউমোনিয়া বা ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত হওয়া, বিশেষ করে যদি ফুসফুসের একই অংশে বারবার সংক্রমণ দেখা দেয়। সাধারণত বড় ধরনের সংক্রমণের পর শরীর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠে। কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে একই সমস্যা ফিরে এলে তা কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।

বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি ফুসফুসের ক্যানসারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। কখনো চাপ লাগার মতো আবার কখনো তীক্ষ্ণ ব্যথা অনুভূত হতে পারে। হাসি, কাশি বা গভীর শ্বাস নেওয়ার সময় ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। ফুসফুসের টিস্যু বা আশপাশের স্নায়ু আক্রান্ত হলে এমন উপসর্গ দেখা যেতে পারে।

ঠান্ডা লাগলে বা গলায় সংক্রমণ হলে সাময়িকভাবে গলা বসে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে, যদি কণ্ঠস্বর দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কর্কশ থাকে বা স্বাভাবিকের তুলনায় বদলে যায়, তাহলে তা ফুসফুসের টিউমার কাছাকাছি স্নায়ুতে চাপ সৃষ্টি করার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নেওয়া উচিত।

হাঁটাহাঁটি, সিঁড়ি ভাঙা বা দৈনন্দিন কাজের সময় যদি আগের তুলনায় সহজেই শ্বাসকষ্ট অনুভূত হয় এবং সময়ের সঙ্গে তা বৃদ্ধি পেতে থাকে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। টিউমার বড় হলে শ্বাসনালিতে চাপ পড়লে, ফলে ফুসফুসের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।

অকারণে ওজন কমে যাওয়া একটি সতর্কসংকেত হতে পারে, যদি খাদ্যাভ্যাস বা ব্যায়ামে কোনো পরিবর্তন না এনে কিছু সপ্তাহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ওজন কমে যায়। ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি শরীরের বিপাকে পরিবর্তন ঘটায়, ফলে বেশি শক্তি ব্যয় হয়। এতে নিয়মিত খাবার খেলেও শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না এবং ওজন কমতে শুরু করে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, এসব উপসর্গের একটি বা একাধিক যদি দীর্ঘদিন ধরে থাকে, তাহলে নিজে থেকে ওষুধ খেয়ে সময় নষ্ট না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসা সহজ হয় এবং সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈরী আবহাওয়ায় বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ এম


বৈরী আবহাওয়ায় বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও বন্যা পরিস্থিতির কারণেই জেলা প্রশাসন বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার মেয়াদ আবারও বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য জেলায় সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) জেলা প্রশাসনের জারি করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, চলমান বৈরী আবহাওয়া এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে যে সকল পর্যটক ও সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৬ জুলাই প্রথম দফায় ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়ার ফলে ৯ জুলাই দ্বিতীয় দফায় সেই মেয়াদ বাড়িয়ে ১২ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছিল। সর্বশেষ পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় তৃতীয় দফায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ১৫ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র, ঝরনা, পাহাড়ি ট্রেইল, নদীপথ, দুর্গম এলাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যটক, ট্যুর অপারেটর ও সাধারণ মানুষের প্রবেশ ও ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে টানা বর্ষণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধস, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার ফলে স্বাভাবিক জনজীবন বিঘ্নিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওষুধ না খেয়েও জ্বর-সর্দি থেকে সেরে ওঠা সম্ভব?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১১ এম


ওষুধ না খেয়েও জ্বর-সর্দি থেকে সেরে ওঠা সম্ভব?

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে জ্বর, সর্দি এবং কাশির প্রকোপ বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। বিশেষ করে বর্ষাকালে ভাইরাসজনিত সংক্রমণের কারণে অনেকেই এই ধরনের সমস্যায় ভুগে থাকেন।

চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের সংক্রমণ বেশির ভাগ সময় ভাইরাসের কারণেই হয় এবং সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই এ সমস্যাগুলি নিজে থেকেই সেরে যায়। তাই অযথা অ্যান্টিবায়োটিক বা কফ সিরাপ সেবন করার পরিবর্তে সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা সবচেয়ে নিরাপদ।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, জ্বর হলে প্রয়োজনে প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। এটি শরীরের তাপমাত্রা কমানোর পাশাপাশি মাথাব্যথা, হাত-পা এবং শরীরের ব্যথাও কিছুটা উপশম করতে পারে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিরেকে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা উচিত নয়, কেননা ভাইরাসজনিত সংক্রমণে এই সকল ওষুধ কার্যকর নয়।

সর্দির কারণে নাক যদি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে কুসুম গরম পানির ভাপ নেওয়া প্রয়োজনীয় এবং উপকারী হতে পারে। এতে শ্বাস নেওয়াটা সহজ হয়, মাথাব্যথা কমে এবং বুকের জমে থাকা কফ বের হতে সহায়তা করে। কাশি বা গলা খুশখুশে ভাব কমাতে কুসুম গরম পানি বা লবণ মিশ্রিত গরম পানিতে কুলকুচি করাও উপকারী।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের নির্দেশানুসারে গলার লজেন্সও ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও, আদা, গোলমরিচ অথবা হলুদ দিয়ে তৈরি গরম পানীয় প্রদাহ কমাতে এবং গলার অস্বস্তি দূর করতে কিছুটা সহায়ক হতে পারে।

জ্বরের সময় শরীরে পানিশূন্যতার দেখা দিতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি, স্যুপ, ডাবের পানি অথবা ইলেকট্রোলাইটসমৃদ্ধ পানীয় পানের উপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি যথেষ্ট বিশ্রাম নেওয়া, হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরা এবং ঘরের পরিবেশ ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল উপযোগী করার মাধ্যমেও দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব। পুষ্টিকর খাবার, বিশেষ করে ফলমূল, শাকসবজি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, জ্বর বা সর্দি-কাশি হলে নিজের ইচ্ছামতো ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যদি জ্বর তিন দিনের বেশি স্থায়ী হয় অথবা শ্বাসকষ্ট, তীব্র মাথাব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, বারবার বমি, অস্বাভাবিক দুর্বলতা অথবা উচ্চ তাপমাত্রা অনুভূত হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি।

সঠিক সময়ে চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় বিশ্রাম নিলে অধিকাংশ ভাইরাসজনিত জ্বর ও সর্দি সাধারণত কোনো জটিলতা ছাড়াই ভালো হয়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রিয় দলের হার মানতে কষ্ট হচ্ছে? যেভাবে সামলাবেন মানসিক চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ এম


প্রিয় দলের হার মানতে কষ্ট হচ্ছে? যেভাবে সামলাবেন মানসিক চাপ

বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ বা বিপিএলের মতো বড় ক্রীড়া আসর এলেই বাংলাদেশে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। বিশেষ করে ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে পরিবার, বন্ধু বা সহকর্মীদের সঙ্গে খেলা দেখা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-তর্ক যেন নিয়মিত দৃশ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু প্রিয় দলের পরাজয়ের পর সেই আনন্দ অনেকের জন্য হতাশা, রাগ বা মানসিক অস্বস্তিতে পরিণত হয়।

কেউ কেউ প্রতিপক্ষের সমর্থকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন, আবার কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল বা বিদ্রূপের শিকার হন। এবারের বিশ্বকাপেও খেলা ঘিরে সহিংসতা ও আত্মহত্যার মতো ঘটনা সামনে এসেছে।

মনোবিজ্ঞানীরা বলেছেন, প্রিয় দলের পরাজয়ের পর মন খারাপ বা হতাশা অনুভব করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। এই অবস্থাকে অনেক সময় 'স্পোর্টস ফ্যান ডিপ্রেশন' বা 'স্পোর্টস ফ্যান ব্লুজ' বলা হচ্ছে। সাধারণত এই অনুভূতি কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে। কিন্তু যদি দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে হতাশা, বিরক্তি বা বিষণ্নতা থেকে যায় এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে, তখন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আবেগ প্রকাশের সময় নির্ধারণ করা প্রয়োজন। প্রিয় দলের পরাজয়ের পর কষ্ট, হতাশা কিংবা ক্ষোভ অনুভব করা স্বাভাবিক, বিশেষ করে যদি সেটি গুরুত্বপূর্ণ কোনো ম্যাচ হয়। তাই নিজের আবেগকে অস্বীকার না করে কিছুটা সময় দিন। ম্যাচ শেষ হওয়ার প্রায় ৪৫ থেকে ৬০ মিনিট নিজের অনুভূতি প্রকাশ করুন। সুযোগ থাকলে একই দলের অন্য সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলুন, নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করুন এবং তাদের মতামতও শুনুন। এতে পরাজয়ের ধাক্কা সামলানো সহজ হতে পারে।

তবে এই সময় পার হওয়ার পর ধীরে ধীরে অন্য কাজে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করুন। একই বিষয় নিয়ে বারবার ভাবতে থাকলে হতাশা আরও বাড়তে পারে। চাইলে ম্যাচ-পরবর্তী কিছু সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেও দূরে থাকতে পারেন, কারণ সেখানে ট্রল, বিদ্রূপ বা নেতিবাচক আলোচনা মানসিক চাপ বাড়াতে পারে।

শরীরকে সক্রিয় রাখা খুব কার্যকর এক উপায় হতে পারে মনের চাপ কমাতে। নিয়মিত ব্যায়াম বা খেলাধুলা শরীরে ডোপামিনের মতো 'ভালো লাগার' হরমোনের নিঃসরণ বাড়াতে সাহায্য করে। ২০১৮ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ১০ থেকে ৩০ মিনিটের ব্যায়ামও মন ভালো করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

প্রিয় দলের হারের পর চাইলে ফুটবল বা ক্রিকেট খেলতে পারেন, সাইকেল চালাতে পারেন, দৌড়াতে যেতে পারেন, সাঁতার কাটতে পারেন কিংবা ট্রেকিংয়ের মতো আউটডোর কার্যক্রমেও অংশ নিতে পারেন।

নিজেকে ব্যস্ত রাখা গুরুত্বপূর্ণ। প্রিয় দলের পরাজয়ের পর শরীরে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা মানসিক অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দেয়। এই সময় হাঁটাহাঁটি করা, গান বা পডকাস্ট শোনা, নাটক বা সিনেমা দেখা, বই পড়া, নিজের অনুভূতি লিখে রাখা, পাজল সমাধান করা, ছবি আঁকা বা শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের ব্যায়াম করার মতো কাজগুলো উপকারী হতে পারে। এসব অভ্যাস শুধু খেলার হতাশাই নয়, দৈনন্দিন জীবনের মানসিক চাপও কমাতে সহায়ক।

খেলা উপভোগ করা আনন্দের হলেও সেটি জীবনের একমাত্র আনন্দের উৎস হওয়া উচিত নয়। তাই প্রিয় দলের হার যদি খুব বেশি প্রভাব ফেলে, তাহলে নিজের অন্য আগ্রহ ও শখের দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। রান্না, বাগান করা, ছবি আঁকা, গান শোনা বা নতুন কোন দক্ষতা শেখার মতো কাজ মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে এবং পরাজয়ের হতাশা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেক দল বিদায় নেবে, আর সেটিই প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলার স্বাভাবিক বাস্তবতা। তাই প্রিয় দলের পরাজয়কে জীবনের অংশ হিসেবেই গ্রহণ করার চেষ্টা করুন। জয়-পরাজয় খেলাধুলারই অংশ—এ কথা মনে রেখে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখাই মানসিক সুস্থতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: হেলথলাইন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%