মোঃ সজিব হোসেন স্টাফ রিপোর্টার পাবনা
০৯:২০ পি.এম
মাদকের মতো একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধিকে কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা সরকারের একক প্রচেষ্টায় নির্ম‚ল করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পাবনা জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আয়োজিত ঈশ্বরদীর বিভিন্ন অংশীজনদের সাথে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোহাম্মদ সোয়াইবের সভাপতিত্বে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার,এসিল্যান্ড আসাদুজ্জামান সরকার,কৃষি অফিসার মোমিনুল ইসলাম, ওসি তদন্ত জামাল উদ্দিন,পিআইও শিহাব উদ্দিন,একাডেমিক সুপারভাইজার আরিফুল ইসলাম,উপজেলা প্রকৌশলী আবুর রাজ্জাক, মিডিয়া কর্মীসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন,মাদক ব্যবসায়ীরা বিত্তশালী বা সচেতন নাগরিকদের সন্তানদের টার্গেট করে। কারণ মাদক ব্যবসায় টাকা বেশি। তাই আমরা যারা ভাবছি "আমি ভালো আছি, আমার পরিবার সুরক্ষিত"Ñতারা আসলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছি। সন্তানদের খোঁজ রাখা, সন্তানরা কার সাথে মিশছে তা পর্যবেক্ষণ করা প্রতিটি মা-বাবার মৌলিক দায়িত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৯০৭ সালের ২৫ অক্টোবর বুধবার, বেতাগী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একই সঙ্গে দেশের ২০টি জেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের অংশ হিসেবে বেতাগীতেও এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম মণি।
প্রধান অতিথি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের একটি সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এর ফলে সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সামাজিক সেবা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে আরও দ্রুত ও সঠিকভাবে পৌঁছে দেয়া যাবে।’
জেলা প্রশাসক মিজ তাছলিমা আক্তারের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খলিল আহমেদ, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা, জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফাত্তাহ, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস, এবং জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বক্তাগণ বলেন, ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’- এ ধারণাকে সামনে রেখে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তাদের আশা, একটি পরিবারের সদস্যসংখ্যা, আর্থসামাজিক অবস্থা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে সরকারি সেবার আওতা বৃদ্ধি এবং সেবাদান প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর হবে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেতাগী উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ২৭৮ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলায় আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ এর সুষ্ঠু এবং নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।
জেলা প্রশাসক পরীক্ষার পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ ও প্রশ্নাতীত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, শিক্ষক সমাজ, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আয়েশা আক্তার। তিনি পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত সকল নিয়ম কানুন উপস্থাপন করেন।
এ সভায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, শিক্ষা কর্মকর্তা, বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির পরবর্তী তারিখ আগামী ১৪ জুলাই নির্ধারণ করেছেন আদালত। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালত এই তারিখ ঠিক করেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. জাকির হোসাইন এ সংক্রান্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, আজ শুনানির জন্য এই মামলায় কারাগারে থাকা ২৬ আসামিকে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে হাজির করা হয়েছে। এদের মধ্যে ছিলেন ২১ জন পুরুষ এবং ৫ জন নারী আসামি। তাদের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন শুনানি শুরু হয়ে যায়।
শুনানি চলাকালীন একপর্যায়ে আদালত কক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং মামলার আসামি সাবিনা আক্তার তুহিন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আদালত কক্ষে একটি বেঞ্চে বসানোর ব্যবস্থা করা হয় এবং মাথায় পানি দেওয়া হয়।
এ সময় তুহিন বলেন, কারাগারে খাবারের কষ্টের কথা তুলে ধরে তার আইনজীবী পলাশী মজুমদারের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ‘আমারে যা করার করুক। আর যেন আমাদের না আনে। সেই ভোরবেলা নিয়ে আসা হয়েছে। খারাপ লাগছে। মনে হয় ডায়াবেটিস নেমে গেছে। প্রেসার বাড়ল না কমল তা বুঝব কেমনে। কোনো আইন নাই, রুলস নাই।’
নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘আমি ডায়াবেটিস, হার্টের রোগী। ভোরবেলা নিয়ে আসা হয়। কলা আর রুটি দেয়। কলা খেতে পারি না, নষ্ট। আর আমাদের কোনো খাবার দেয় না। আমরা আর তো পারি না। সকাল থেকে বসায় রাখছে।’
আজ আদালতে সাবিনা আক্তার তুহিনসহ কয়েকজন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি শেষ করেন। অন্যদিকে, বাকি কয়েকজন আসামির আইনজীবীরা অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
গত বছরের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে আদালতে এই মামলা দায়ের করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।
এরপর গত বছরের ১৪ আগস্ট আদালত এই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় এবং ১৪ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ২৬১ জনকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত। পরবর্তীতে ১১ নভেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কারণে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়।
সর্বশেষ গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ থেকে বর্তমান ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে বদলি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর একটি জুম মিটিংয়ে শেখ হাসিনাসহ কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। ওই মিটিংয়ে শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাত করার নির্দেশনাসহ দেশবিরোধী বক্তব্য দেন, যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মা হচ্ছেন সন্তানের জীবনের প্রথম শিক্ষক। একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা, নৈতিকতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে মায়ের ভূমিকা অপরিসীম। এ উপলব্ধিকে সামনে রেখে আজ বুধবার বেলা ১১টায় দিঘলিয়া উপজেলায় সেনহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর একটি পরিবেশে ‘মা সমাবেশ ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন দাশ গুপ্ত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক এম. সিদ্দিক-উজ-জামান, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মাকসুদা খানম, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য শেখ মোহাম্মদ আলী মিন্টু এবং অভিভাবক সদস্য সৈয়দ রাশেদুজ্জামান।
মায়েদের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন ফারজানা ইয়াসমিন রুবা। এই আয়োজনের সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীদের মায়েরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এসএসসি ২০২৫ পরীক্ষায় জিপিএ ৫ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থী নাঈমা হাসান তন্দ্রা ও জান্নাতুল ফেরদৌস জয়ীতার মায়ের হাতে ‘গর্বিত মা’ সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
এই আয়োজনে মা, শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অতিথিরা। মা সমাবেশ স্মরণীয় করে রাখতে বিদ্যালয় সবুজ চত্বরে ১টি শিউলি ও ১টি জবা ফুলের চারা রোপণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ