বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:৩৭ এম
দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাকুল প্রিত সিং ফিটনেস সচেতন তারকাদের মধ্যে অন্যতম।
তিনি নিয়মিত শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ পরিচিত।
তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস এবং একটি ছোট ভুল যে কত বড় বিপদের কারণ হতে পারে, সে অভিজ্ঞতাই সম্প্রতি তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।
সম্প্রতি একটি চ্যাট শোতে অংশ নিয়ে রাকুল প্রিত সিং তার ভয়াবহ ফিটনেস দুর্ঘটনার কথা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, জিমে ৮০ কেজি ডেডলিফট করার সময় নিরাপত্তা বেল্ট ব্যবহার না করায় কোমরে বেশ চোট পান। সেই আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে, তাকে টানা ৪০ দিন বিছানায় থাকতে হয়েছিল।
সেই ঘটনার বিষয়ে অভিনেত্রী আরও বলেন, তিনি সাধারণত ডেডলিফট করার সময় নিরাপত্তা বেল্ট ব্যবহার করতেন। কিন্তু দুর্ঘটনার দিন সেটি পরেননি। আর সেই একটি ভুলই তার জীবনে বড় ধরনের ভোগান্তি ডেকে এনেছে।
রাকুল প্রিত বলেন, সেই এক ভুলের কারণে আমার স্নিপড ডিস্ক হয়েছিল এবং ৪০ দিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হয়েছিল। এটি শুধু শারীরিক আঘাত ছিল না, মানসিকভাবেও আমাকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করেছিল।
তিনি বলেন, হঠাৎ করেই আমি স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারছিলাম না। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিক চাপও আমাকে ভেঙে দিচ্ছিল।
অভিনেত্রী বলেন, সক্রিয় জীবনযাপনে অভ্যস্ত একজন মানুষের জন্য দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী থাকা অত্যন্ত কঠিন। বিশেষ করে কাজ, ব্যায়াম ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকা তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল।
এই কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য স্বামী জ্যাকি ভগ্নানির প্রশংসাও করেন রাকুল।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল— ৮০ কেজি ওজন তোলার সময় প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় রাকুলের কোমরের নিচের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে। এতে তার স্নায়ুতন্ত্রেও চাপ সৃষ্টি হয়েছিল।
চোট পাওয়ার পরও তিনি কিছু দিন ব্যথানাশক ও পেশি শিথিলকারী ওষুধের সাহায্যে পেশাগত কাজ চালিয়ে যান। তবে পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে যেতে হয়।
সম্প্রতি রাকুল প্রিত সিং অভিনীত রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘পতি পত্নি অউর ও দো’ মুক্তি পেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া বর্তমানে অপেক্ষায় আছেন তার নতুন সিনেমা ‘বিবান: ফোর্স অব দ্য ফরেস্ট’ মুক্তি নিয়ে। দীপক মিশ্র নির্মিত এ সিনেমায় তার সঙ্গে জুটি হয়ে কাজ করেছেন অভিনেত্রী সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, মনীশ পাল, সুনীল গ্রোভার, শ্বেতা তিওয়ারি প্রমুখ। সিনেমাটি আগামী ২৬ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
এ অভিনেত্রীর হিন্দি সিনেমা দিয়ে অভিষেক হলেও সাফল্যের শুরুটা হয়েছিল তেলুগু সিনেমা দিয়ে। প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ারে তিনি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সারির একজন অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তামান্না ভাটিয়া মনে করেন, দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি ‘কিছুটা পুরুষতান্ত্রিক’। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের এ মতামত জানান।
তিনি বলেন, ‘সেখানে এক ধরনের বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। সেটিকে কিছুটা পুরুষতান্ত্রিক বলা যায়, আর সেই দৃষ্টিভঙ্গি নারীদের প্রতি খুব একটা ইতিবাচক বা প্রশংসাসূচক নয়। তবে আমি এর সংগীতনির্ভর দিকটি বুঝতে পেরেছিলাম। ওখানকার সিনেমায় তারকাসুলভ উপস্থিতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক সাফল্যের দিক থেকে দেখলে সিনেমা অনেক সময় বেশ সীমাবদ্ধ।’
তামান্না আরও বলেন, দক্ষিণী সিনেমায় নারীদের প্রতি এক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, যেটা খুব একটা ইতিবাচক নয়। সেদিক থেকে বলিউড তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছে। তিনি বলেন, হিন্দি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে মূলত দুই ধরনের অভিনেতা-অভিনেত্রী আছেন। কেউ কেউ শিল্পঘেঁষা চরিত্রে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য পান, তাই সবসময় গ্ল্যামারাস গান বা নাচের অংশে তাদের দেখা যায় না। তবে বলিউড এ দুই ধরনের কাজেরই সুযোগ দেয়। আর যারা দুটোই করতে পারেন, তারাই শেষ পর্যন্ত সুপারস্টার হয়ে ওঠেন।
এ অভিনেত্রী জানান, এগুলো তার ব্যক্তিগত চিন্তা। অন্যদের অভিজ্ঞতা ভিন্নও হতে পারে। তিনি বলেন, যেসব অভিনেত্রী ১০-১৫ বছর বা এর বেশি সময় ধরে ক্যারিয়ার ধরে রাখতে পেরেছেন, তারা অভিনয়নির্ভর সিনেমার সঙ্গে নাচ-গানের ছবিতেও সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বড় পর্দায় ফুটবল খেলা দেখার ঘটনায় এক শিক্ষার্থী মারধরের অভিযোগে আসাদুজ্জামান ইমন নামে এক শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ ঘটনায় জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদকসহ আর্থিকভাবে দুজন জড়িত থাকার অভিযোগ এসেছে। তাদেরকে বহিষ্কারের দাবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন ভুক্তভোগী এবং তার সহপাঠীরা।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলা বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কিরণ, একই ব্যাচের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের আসাদুজ্জামান ইমন এবং দর্শন বিভাগের সাহানুর রহমান সানজু। তাদের মধ্যে আসাদুজ্জামান ইমনকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ভুক্তভোগী হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাঈম আহমদ সানি। তিনি জানান, গত ২২ জুন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ফুটবল খেলা দেখতে যান। সেখানে জাকসুর একটি রম্য বিতর্ক অনুষ্ঠান চলায় খেলা সম্প্রচারে অসুবিধা হচ্ছিল। রাত পৌনে ১১টার সময় যখন খেলার পর্দা বন্ধ হয়ে যায়, তখন জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কিরণ ঘোষণা করেন, সবাই মঞ্চ থেকে নেমে না গেলে খেলা শুরু হবে না।
এসময় সানি দ্রুত খেলা চালুর পক্ষে কথা বললে কিরণ মঞ্চ থেকে নেমে এসে তাকে ধাক্কা দেন। এক পর্যায়ে কিরণ, ইমন ও সানজুসহ অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তি তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং একই সঙ্গে শ্বাসরোধের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন সানি। পরে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে টিএসসির একটি ওয়াশরুমে আশ্রয় দিতে বাধ্য হন।
জাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কিরণ বলেন, 'অতিরিক্ত দর্শকের কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হলে আমি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করি। ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কেবল কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। পরে তিনি আহত হয়েছেন শুনে সৌজন্যবশত আমি তার হলে খোঁজ নিতে গিয়েছিলাম। আমার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ মিথ্যা ও অপবাদমূলক।'
অন্য অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান ইমনও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি জানান, তারা সেসময় বাগ্বিতণ্ডা থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে অভিযুক্ত সাহানুর রহমান সানজুর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, বুধবার (২৪ জুন) रात পৌনে ১০টায় পর্যন্ত ভুক্তভোগী এবং তার সহপাঠী ও হলের বন্ধুরা উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করছিলেন। তারা জানান, অভিযুক্ত বাকিদের বহিষ্কারের ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত উপাচার্যের কার্যালয় ত্যাগ করবেন না।
অন্যদিকে, এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান উপ-উপাচার্যবৃন্দ, রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনিক ব্যক্তিদের সঙ্গে জরুরি প্রশাসনিক বৈঠকে বসেন। রাত ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপে একই সময়ে ‘সি’ গ্রুপের আরেকটি ম্যাচে মাঠে নেমেছে হাইতি ও মরক্কো। ম্যাচের ১০ মিনিটের মধ্যেই হাকিমিদের বিপক্ষে এগিয়ে যায় হাইতি। গোলটি করেছেন জোসেফ। পরে ফিফা এটিকে ইয়াসিন বুনুর ‘আত্মঘাতী গোল’ হিসেবে ঘোষণা করে।
এই গোলের জন্য ১৯৭৪ সালের পর পুরুষদের বিশ্বকাপে হাইতি তাদের প্রথম গোল পায়। প্রথম দুই ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা মরক্কোর জন্য একটি মাত্র ড্র-ই শেষ ৩২-এর টিকিট নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট। অন্যদিকে, প্রথম দুই ম্যাচেই স্কটল্যান্ড ও ব্রাজিলের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়া হাইতির জন্য আজকের ম্যাচটি শুধুমাত্র নিজেদের সম্মান বাঁচানোর একটি সুযোগ।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে তারা সকলকে চমকে দিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় মরক্কো, যে দলের র্যাংকিং বিশ্বে ৬ নম্বর। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের মাত্র ৭০ সেকেন্ডের মধ্যে গোল করে বাজিমাত করেন তরুণ ইসমাইল সাইবারি।
আজ যদি হাইতিকে হারিয়ে দেয় মরক্কো, তাহলে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ হিসেবে সরাসরি নকআউটে চলে যাবে। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ৩১ ম্যাচে অপরাজিত (২৬ জয়, ৫ ড্র) থাকা মরক্কোর আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। অন্যদিকে, ফিফা র্যাংকিংয়ের ৮৭ নম্বরে থাকা হাইতি এখনো তাদের প্রথম পয়েন্ট কিংবা প্রথম গোলের খোঁজে রয়েছে। হারলে তারা বিশ্বকাপে টানা ৬ ম্যাচ হারানোর একটি লজ্জাজনক রেকর্ড স্পর্শ করবে, যা এর আগে শুধুমাত্র এল সালভাদরের ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইতির বিরুদ্ধে জয় পাওয়ার পর ব্রাজিল গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দুর্দান্ত শুরু করেছে। দলটির সেরা তারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়র প্রথমার্ধ শেষ করার সময় ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।
ম্যাচের মাত্র সাত মিনিটে গোল করার মাধ্যমে ব্রাজিলের এই জয়ের সূচনা করেন ভিনি। স্কটল্যান্ডের রক্ষণের একটি ভুলের সুযোগ নিয়ে বাইরের দিকে গোলটি করেন তিনি। সেন্টার-ব্যাক স্কট ম্যাককেনার পাস ব্লক করে দেন তরুণ উইঙ্গার রায়ান। সেই ভুলের সুযোগ নিয়ে বল চলে যায় ভিনিসিয়াস জুনিয়রের কাছে, যিনি গোল করতে ভুল করেননি।
এরপর ২২ মিনিটে ভিনি আরেকটি গোল করলে সেটি বাতিল হয় ভিএআর দ্বারা। এই ঘটনায় তার আনন্দ মাটি হয়ে যায়। গোলের আগে বল পাওয়ার পর ভিনির পা সামনে থাকলে, জ্যাক হেনড্রি ভারসাম্য হারান এবং সেই সুযোগ কাজে লাগান ভিনি। কিন্তু ভিএআর এই পরিস্থিতিকে ফাউল হিসেবে ধরে নেয়, ফলে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
তবে যোগ করা সময়ের ৪৫ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের দ্বিতীয় গোলটি করেন ভিনি। দুই ম্যাচ শেষে ব্রাজিল ও মরক্কোর বর্তমান পয়েন্ট ৪। একই সময়ে মরক্কোকে মুখোমুখি হতে হবে গ্রুপের তলানিতে থাকা হাইতির। ফলে দুই দল যদি জেতে, তবে গ্রুপসেরা নির্ধারণের ক্ষেত্রে গোল ব্যবধানই মূল বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। বর্তমানে ব্রাজিলের গোল ব্যবধান +৩, যেখানে মরক্কোর গোল ব্যবধান +১। অতএব, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রতিটি গোলের গুরুত্ব বাড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ