ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা বৈঠক


ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা বৈঠক

 

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আমিনবাজার এবং দক্ষিণ সিটির মাতুয়াইলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দুটি প্রকল্প নিয়ে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রবিবার (১২ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন এ কথা জানান।

তিনি আরো জানান, বৈঠকে উল্লেখ করা হয় চীনের সিএমইসি গ্রুপ আমিনবাজারে একটি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করবে। প্রকল্পটি প্রতিদিন ঢাকা শহরের প্রায় তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।

এ ছাড়া ২০২৮ সালের আগস্টের মধ্যে প্রকল্পটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ২৫ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন জানিয়েছেন, অপরদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার বি অ্যান্ড এফ কোম্পানি ঢাকা দক্ষিণ সিটির মাতুয়াইল এলাকায় একটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে বর্জ্য থেকে প্রায় ১৫ হাজার টন মিথেন গ্যাস উৎপাদিত হবে, যা থেকে বছরে প্রায় ৮১ হাজার মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এটি দৈনিক প্রায় ২২১ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমতুল্য।

তিনি বলেন, এই প্রকল্প থেকে সৌরবিদ্যুৎ, সার, পশুখাদ্য এবং পরিবেশবান্ধব ইকো-ব্রিকস উৎপাদন করা হবে। এ প্রকল্পে প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টন বর্জ্য ব্যবহার করা হবে।

এটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম

প্রকল্প দুটি দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক আয়োজনের নির্দেশ দেন।

শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শিল্পে এক সপ্তাহের মধ্যে মজুরি বোর্ড গেজেট প্রকাশের ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোমবার বরিশাল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


সোমবার বরিশাল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আগামীকাল সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশাল সফরে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বরিশাল বিভাগে এটি তার প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর।

প্রধানমন্ত্রী গৌরনদীতে খননকৃত বাটাজোর-সরিকল খালের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যোগদান করবেন। বরিশাল নগরীর ত্রিশ গোডাউন বদ্ধভূমি সংলগ্ন সাগরদিঘী খালের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে বরিশাল বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিশেষ সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় আনন্দ মিছিল ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বরিশালে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে কোন ফেস্টুন, ব্যানার কিংবা বিলবোর্ড প্রদান করা হয়নি।

বরিশালে এমন দৃশ্য কোনো সরকার প্রধানের আগমনে এই প্রথমবার দেখা যাচ্ছে। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানান, ‘খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল সফরে আসছেন। বরিশাল বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে তিনি সাংগঠনিক সভা করবেন। তাকে বরণ করে নিতে গৌরনদী থেকে বরিশাল নগর পর্যন্ত ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।’

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও ব্যাপকভাবে নেয়া হয়েছে। নগরজুড়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের পাশাপাশি সার্কিট হাউস ও জেলা শিল্পকলা একাডেমিকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে। সফরের স্থান নিয়মিত পরিদর্শন করছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই তার প্রথম বরিশাল সফর। বরিশালবাসী তাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত। বরিশালের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্প-ছয় লেন সড়ক, রেললাইন ও ভোলা-বরিশাল সেতুর বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। সাংগঠনিক সভায় আমরা আরও কিছু বিষয় তার কাছে তুলে ধরব। এছাড়া তিনি সাগরদী খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ করবেন। সে লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি প্রায় শেষ। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বরিশাল নগরীতে নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে কোনো ব্যানার কিংবা বিলবোর্ড দেননি।’

বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ জানান, আগামীকাল সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন। সফরকালে তিনি গৌরনদীর বাটাজোড় এবং বরিশাল নগরীর ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি-সংলগ্ন এলাকায় পৃথক দুটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুরে সার্কিট হাউসে বিরতির পর বেলা ৩টায় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন।

লোকাল উন্নয়ন বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত কিছু মেগা প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে সম্পন্ন হবে। বিশেষ করে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ আরও দ্রুত হবে। পায়রা বন্দরের সাথে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতকে সংযুক্ত করার যে মহাপরিকল্পনা রয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে তা নতুন গতির আশা করা হচ্ছে। রেললাইন এবং ভোলা-বরিশাল সেতু, ভোলার গ্যাস এসব বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

এর আগে চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালে এসেছিলেন তারেক রহমান। বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ওই দিন দুপুরে বরিশাল নগরের বান্দরোডের বেলসপার্ক মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন এবং বক্তব্য রাখেন। তার পর থেকে আজ সোমবার বরিশালে আসছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

ম্যারাডোনাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়লেন মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


ম্যারাডোনাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়লেন মেসি

বিশ্বকাপে বয়স যেন লিওনেল মেসির কাছে কেবলই একটি সংখ্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৩৯ বছর বয়সেও একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।

এটি স্পষ্ট যে, তিনি সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালে একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন দুটি অনন্য কীর্তি গড়েছেন।

মেসির অনুপ্রেরণায় অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ গোলে জয় তুলে নিয়ে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয়ের স্বপ্নেও রয়েছেন।

কানসাস সিটির ম্যাচের ১০ মিনিটের মধ্যে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায়।

লিওনেল মেসির নিখুঁত কর্নার থেকে হেডে গোল করে দলকে লিড এনে দেন আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬৭ মিনিটে ড্যান এনদোয়ের গোলে সুইজারল্যান্ড সমতায় ফেরার চেষ্টা করে।

তবে, কিছুক্ষণের মধ্যেই ডাইভ দেওয়ার অভিযোগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুইস স্ট্রাইকার ব্রিল এমবোলো।

একটি খেলোয়াড় বেশি নিয়ে খেলার সুবিধা নিয়ে, আর্জেন্টিনা অতিরিক্ত সময়ে জুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের গোলে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে।

ম্যাক অ্যালাস্টারের গোলে অ্যাসিস্ট করে, মেসি বিশ্বকাপে নিজের অ্যাসিস্ট সংখ্যা ১০-এ উন্নীত করেন।

এটি তার জন্য একটি নতুন অর্জন, কারণ তিনি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুই অঙ্কের অ্যাসিস্টের কীর্তি গড়েছেন।

এর আগে সর্বোচ্চ আট অ্যাসিস্ট নিয়ে শীর্ষে ছিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা।

এবং এটি এখানেই শেষ নয়।

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মেসির ১৫ তম ম্যাচ।

এই ম্যাচের মাধ্যমে, তিনি জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসেকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি নকআউট ম্যাচ খেলার নতুন রেকর্ডও গড়লেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যালারিতে উড়ল বাংলাদেশের পতাকা, আর্জেন্টাইনদের ভালোবাসায় সিক্ত বাংলাদেশিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


গ্যালারিতে উড়ল বাংলাদেশের পতাকা, আর্জেন্টাইনদের ভালোবাসায় সিক্ত বাংলাদেশিরা

শেষ হলো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ। ইতিহাসে প্রথমবার সেমিতে জায়গা করে নিয়েছে শীর্ষ চার দল।

কোয়ার্টার ফাইনালের শেষ ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে শেষ চারের টিকিট কেটেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের সময় গ্যালারিতে উড়েছে বাংলাদেশের পতাকা। আর্জেন্টাইন বাংলাদেশি ভক্তরা খেলার সময় বাংলাদেশ খেলা প্লেকার্ড, পতাকা নিয়ে মাঠে হাজির হয়েছিলো বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি। প্লেকার্ড এবং পতাকা দেখেই আর্জেন্টাইনরা এগিয়ে এসে ভালোবাসায় বুকে জড়িয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশীদের।

এমন ভালোবাসায় সিক্ত বাংলাদেশিরাও বেশ অভিভূত।

এমন চমৎকার ও আবেগী একটি মুহূর্তের এক ভিডিও প্রকাশ করেছে বাংলাদেশি স্পোর্টস টেলিভিশন চ্যানেল টি-স্পোর্টস। ভিডিওতে দেখা যায়, এক বাংলাদেশি আর্জেন্টাইনদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তার অভিব্যক্ত করছিলেন।

ওই বাংলাদেশি জানান, প্লেকার্ডে বাংলাদেশ লেখা দেখে অনেক আর্জেন্টাইন তাকে বুকে জড়িয়ে ধরেছে।

যা তার কাছে খেলের থেকে অনেক মনে হয়েছে। তিনি অনেক অনেক আনন্দিত।

এসময় এক আর্জেন্টাইনকেও বাংলাদেশি সেই সমর্থকের সঙ্গে হওয়া কথোপকথনের বিষয়টি তুলে ধরেন। জয়ের পর উচ্ছ্বাসিত আর্জেন্টাইন ও বাংলাদেশি সমর্থকরা মিলে মিশে আনন্দ উদযাপন করেছে। পুরো স্টেডিয়ামে তৈরি হয়েছিলো এক উৎসবের আমেজ।

আগামী বুধবার সেমিফাইনালে আটলান্টায় বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আলবেসিলেস্তরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন চার বই প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা ও কর্মযজ্ঞের প্রতিচ্ছবি: মাহ্দী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


নতুন চার বই প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা ও কর্মযজ্ঞের প্রতিচ্ছবি: মাহ্দী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কয়েক দশক ধরে শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন সময়ে দেওয়া তার বক্তব্য ও নির্বাচনের আগে ইশতেহারে ফুটে উঠেছে।

সেই আলোকে আমাদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। আমরা যে চারটি নতুন বই নিয়ে কথা বলছি, এগুলো প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘকালের শিক্ষাক্ষেত্র নিয়ে রুপকল্প, চিন্তা, অভিজ্ঞতা ও কর্মযজ্ঞেরই প্রতিফলন।’

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের চারটি নতুন পাঠ্যপুস্তকের কাঠামো চূড়ান্তকরণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহ্দী আমিন বলেন, “‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ একদিকে আমরা যেমন বলছি বাংলায় আনন্দময় শিক্ষা বা আনন্দময় শিখন।

একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য টিচার্স গাইড (টিজি) নিয়োগের বিষয়টি ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে। সেটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই বইয়ের ক্ষেত্রে, অন্ততপক্ষে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি- এই দুইটি বইয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এটিকে প্রচলিত বা ট্র্যাডিশনাল পাঠ্যবইয়ের তুলনায় আরো বেশি ব্যতিক্রমধর্মী ও ভিন্নধর্মী করা উচিত।”

তিনি বলেন, “যেমন আমরা সবসময় দেখি বইগুলো সাধারণত টেক্সট-ভিত্তিক হয়, অর্থাৎ অনেক বেশি লেখা থাকে।

ফলে অনেক সময় বিষয়টি শিক্ষার্থীদের কাছে ততটা আকর্ষণীয় মনে হয় না। অন্তত ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’-এর ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন এবং আমরা ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যে আলোচনা করেছি, তাতে আমরা চাই বইটিতে আরো বেশি দৃশ্যমান উপস্থাপনা থাকুক। অর্থাৎ, আরো বেশি ছবি, টেবিল, ডায়াগ্রাম ও ভিজ্যুয়াল উপাদান থাকুক, যাতে শিক্ষার্থীদের বইটি পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় এবং তারা আনন্দের সঙ্গে শিখতে পারে।”

‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’-এর ক্ষেত্রে আরো কিছু কাজ করার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ‘শুরুতে একটি বিস্তারিত ভূমিকা অধ্যায় থাকা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি এই বইয়ের মাধ্যমে আমরা কী অর্জন করতে চাই, শিক্ষা ব্যবস্থায় এর দার্শনিক ভিত্তি ও বাস্তব প্রয়োগ কী হবে এবং এর প্রাসঙ্গিকতা কতটুকু,-এসব বিষয় নিয়ে যদি আরো কিছু যুক্ত করা যায়, তাহলে বইটি আরো সমৃদ্ধ হবে।’

কারিগরি শিক্ষা প্রসঙ্গে মাহ্দী আমিন বলেন, এ ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই। কারিগরি শিক্ষা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। কিন্তু মূল সমস্যা হলো এ বিষয়ে একটা ট্যাবু বা স্টিগমা কাজ করে যে, কারিগরি শিক্ষা সবার জন্য নয়। এক্ষেত্রেও যদি একটি অতিরিক্ত ব্যাকগ্রাউন্ড অধ্যায় রাখা যায়, যেখানে কারিগরি শিক্ষার দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ কী এবং কেন কারিগরি শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে একজন মানুষ তার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারে, তা যদি তুলে ধরা হয় তবে ভালো হবে। কারণ, কারিগরি শিক্ষার মূল বিষয়ই হচ্ছে এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে মোটিভেশন তৈরি করা।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘বর্তমানে যেটা হয় অনেকে কারিগরি শিক্ষায় আসতে চায় না। আমাদের মূল দর্শন হলো, বাংলাদেশের একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের স্কুল থেকে শুরু করে ঢাকার সেরা স্কুল পর্যন্ত, প্রত্যেকটি স্কুলেই কারিগরি শিক্ষার একটি ল্যাব বাধ্যতামূলক করা হবে। এমনকি বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম সারির শিক্ষার্থীও যেন অন্তত কিছুটা হলেও কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে। সুতরাং, মোটিভেশনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আনতে হবে, কেন বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীরই অন্তত কিছুটা হলেও কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করা প্রয়োজন।’

মাহ্দী আমিন বলেন, ‘সব মিলিয়ে যে কাজটুকু হয়েছে, তা খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে হয়েছে। কারণ, আমরা শুধু এই চারটি বই নিয়েই কাজ করছি, বিষয়টি এমন নয়। এর পাশাপাশি আমরা জানি, ফ্যাসিবাদের সময়ে বিভিন্ন বইয়ে অসংখ্য ভুল ছিল। এ বিষয়ে আমাদের যেসব বিশেষজ্ঞ রয়েছেন, তাদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বসেছি। অনেকেই বিভিন্ন ধরনের ভুল চিহ্নিত করেছেন। সুতরাং, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। ইতিহাসেরও অনেক বিকৃতি ছিল। আমরা বলেছি, ইতিহাসের নির্মোহ বহিঃপ্রকাশ যেন থাকে। আমাদের ইতিহাসকে আমাদের মতো করে সাজানোর প্রয়োজন নেই।’

তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচিত সরকারই জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার। ইতিহাসের প্রতিটি পালাবদলে বিএনপি সঠিক অবস্থানে মানুষের পাশে ছিল। আমরা চাই, ইতিহাসের নির্মোহ বিশ্লেষণের মাধ্যমে যে সত্য, সেটিই উঠে আসুক। সেই কাজও সমান্তরালভাবে চলমান রয়েছে। সুতরাং, একটি কারিকুলাম ডেভেলপমেন্ট প্রক্রিয়ায় প্রতিবছরই যে অবিচ্ছেদ্য ও অনিবার্য সংযোজন, বিয়োজন, পরিবর্তন এবং পরিবর্ধনের প্রয়োজন হয়, সেসব কাজ ইতিমধ্যে করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরিমার্জনও অব্যাহত রয়েছে।’

নতুন চারটি বইয়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনেক আবেগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি তার দীর্ঘদিনের কর্মপরিকল্পনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সামনে যেহেতু প্রায় এক মাসের মতো সময় রয়েছে, তাই ডেভেলপমেন্ট বা রিভিশনের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, সেটুকু কাজ আরো করা উচিত। পুরো বাংলাদেশ এই বইগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে।’

তিনি আরো বলেন, “অবশ্যই খেলাধুলা গুরুত্বপূর্ণ, সংস্কৃতি গুরুত্বপূর্ণ, কারিগরি শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’। কারণ এটি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক মূল্যবোধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এই বইটিকে কিভাবে আরো আকর্ষণীয় করা যায়, এর কারিকুলামকে কিভাবে আরো প্রাসঙ্গিক করা যায় এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে এটি দেখতে চান, সেই লক্ষ্য ও ভাবনার সঙ্গে কিভাবে আরো সামঞ্জস্যপূর্ণ করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করার জন্য পুরো টিমের প্রতি আহ্বান।”

মাহ্দী আমিন বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য আগামী ১ জানুয়ারি যেন দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর দোরগোড়ায় পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া যায়। সে হিসেবে বই বিতরণের লজিস্টিকসের জন্য প্রায় এক মাস সময় প্রয়োজন হবে। যে ডেডলাইন রয়েছে, সে অনুযায়ী অন্তত নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে প্রান্তিক পর্যায়ে আমাদের প্রায় ৩১ কোটি বই প্রস্তুত থাকতে হবে। এরপর সারা দেশে এই বিপুলসংখ্যক বই কিভাবে প্রকাশ, মুদ্রণ ও বিতরণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে, সেই মহাযজ্ঞ সফলভাবে সম্পন্ন করা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%