ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার-কার্গো হ্যান্ডলিং ও জাহাজ চলাচলে রেকর্ড


চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার-কার্গো হ্যান্ডলিং ও জাহাজ চলাচলে রেকর্ড

২০২৫-২৬ অর্থবছরে নতুন রেকর্ড গড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। কনটেইনার হ্যান্ডলিং, কার্গো পরিবহন, জাহাজ চলাচল ও রাজস্ব আদায় সব দিক থেকেই আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এটি।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৮৪১ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৬৭ টিইইউ-এর তুলনায় ৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি। এর পূর্বে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয় ৩১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯০ টিইইউ।

জাহাজ চলাচলেও নতুন রেকর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট ৪ হাজার ৩২৪টি জাহাজ ভিড়েছে। আগের অর্থবছরে এ সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৭৭টি। অর্থাৎ জাহাজের আগমন বেড়েছে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বন্দরে জাহাজ ভিড়েছিল ৩ হাজার ৯৭১টি।

আরও পড়ুন: মুন্সিপুর সীমান্তে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার সোনাসহ আটক দবির উদ্দিন

বন্দরের কার্যক্রমেও এসেছে গতি। আগে একটি কনটেইনারবাহী জাহাজ বন্দরে গড়ে ২ দশমিক ৫৮ দিন অবস্থান করলেও, এখন তা কমে ২ দশমিক ৩৮ দিনে নেমে এসেছে।

দেশের মোট আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯২ শতাংশ এবং কনটেইনার পরিবহনের প্রায় ৯৮ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এখানে কনটেইনার ও কার্গো জাহাজের পাশাপাশি নিয়মিত জ্বালানি তেল, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরল গ্যাসবাহী জাহাজও ভিড়ে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (মেরিন ও হারবার) কমোডর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ আরটিভিকে বলেন, বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরের পরিচালন ব্যয় কমে ১ হাজার ৯৫১ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। আগের অর্থবছরে এ ব্যয় ছিল ২ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা। ফলে প্রায় ৪৩৭ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

আরও পড়ুন: নড়াইলে ‘ড. রাফি-বেগম মেমোরিয়াল জুনিয়র গলফ টুর্নামেন্টের পুরস্কার ও চারা বিতরণ

তার ভাষ্যে, সরকার ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, অটোমেশন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বন্দর ব্যবহারকারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই চট্টগ্রাম বন্দরের এই সাফল্য এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেবে না ইসরায়েল, হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেবে না ইসরায়েল, হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

ইরানকে কখনোই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে দেয়া হবে না, এমন হুমকির সুরে আগেই জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।  তিনি বলছিলেন, প্রয়োজনে আবারও ইরানে হামলা চালাতে হতে পারে। তাঁর এই মন্তব্য এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সংঘাত বন্ধে কিছুদিন আগে সমঝোতা স্মারক কার্যকর হয়েছে।

বার্তাসংস্থা আনাদোলুর খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইরানকে পরমাণু অস্ত্র বানাতে দেয়া হবে না ইসরায়েল। ইতিমধ্যেই ইরানে আমরা নিজেদেরকে পরমাণু বোমা থেকে রক্ষা করেছি।’

নেতানিয়াহু আরও বলেন, ইরান এবং তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ‘পূর্ণ বিজয়’ অর্জনের অভিযান এখনও শেষ হয়নি। তাঁর ভাষায়, মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতায় নিরাপদ থাকতে হলে ইসরায়েলকে সব সময় শক্তিশালী থাকতে হবে এবং সেই লক্ষ্যে অভিযান চলতেই থাকবে।

ওই সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, গত তিন বছরে ইসরায়েল হামাস, হিজবুল্লাহ এবং ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের বহু নেতাকে হত্যা করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় নিরাপত্তা বাফার জোন গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।

তবে নেতানিয়াহু পরোক্ষভাবে স্বীকার করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে শুরুতে ঘোষিত সকল লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। বিশেষ করে, ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করার এবং দেশটিতে শাসন পরিবর্তনের পরিবেশ তৈরির উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা প্রাপ্তি সম্পূর্ণ সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবম পে স্কেল কার্যকর, গেজেট প্রকাশের পর মিলবে বর্ধিত বেতন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৫ এম


নবম পে স্কেল কার্যকর, গেজেট প্রকাশের পর মিলবে বর্ধিত বেতন

দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর পর সরকারী চাকরিজীবীদের জন্য কার্যকর হয়েছে নবম জাতীয় পে স্কেল। কিন্তু নতুন বেতন কাঠামো চালু হলেও বাড়তি বেতন কবে থেকে ব্যাংক হিসাবে জমা হবে, সেই বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছে নানা প্রশ্ন। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, গেজেট প্রকাশ এবং হিসাব সমন্বয়ের ওপরেই নির্ভর করছে বর্ধিত বেতন পাওয়ার সময়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পে স্কেল কার্যকরের দিন শুরু হলেও প্রশাসনিক আদেশ, গেজেট প্রকাশ, সফটওয়্যারভিত্তিক হিসাব সমন্বয় এবং বেতন বিল প্রস্তুতের কারণে বর্ধিত অর্থ হাতে পেতে সময় লাগতে পারে। অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, গেজেট জারির পর বকেয়াসহ নতুন হারে বেতন দেওয়া সম্ভব হবে। এর আগে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে একই বেতন কাঠামোর অধীনে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই বাস্তবতায় নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবম পে কমিশনের সুপারিশে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিশন ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বিভিন্ন স্তরে মূল বেতন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। তবে চূড়ান্ত বাস্তবায়নে সব সুপারিশ হুবহু থাকবে কিনা, তা সরকারের অনুমোদিত গেজেট ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য মূল বেতন ও ভাতার বিষয়টি আলাদা ধাপে কার্যকর করার চিন্তাভাবনা ছিল। তবে সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থায় কারিগরি জটিলতা এড়াতে মূল বেতন এক ধাপে সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতার সংশোধন পরবর্তী ধাপে কার্যকর হতে পারে। সরকার নতুন বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে, যা সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ে ব্যবহার হতে পারে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী অবস্থান করছেন। তাদের বেতন ও পেনশন খাতে সরকারের বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। নতুন পে স্কেল সরকারি চাকরিজীবীদের স্বস্তি দিলেও অর্থনীতিবিদদের নজর এখন আর্থিক প্রভাবের দিকে। তাদের মতে, বেতন বৃদ্ধি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াবে, তবে বাজার তদারকি ও সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী না হলে বাড়তি চাহিদার কারণে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে চমক দেখাতে চায় বসনিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৮ এম


স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে চমক দেখাতে চায় বসনিয়া

স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এবার নকআউট পর্বের কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ম্যাচে বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা।

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটে ওঠা যুক্তরাষ্ট্র ঘরের মাঠের স্বস্তি কাজে লাগিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে চায়। অন্যদিকে, সেরা তৃতীয় স্থান পাওয়া দলগুলোর একটি হিসেবে নকআউটে ওঠা বসনিয়া নতুন আরেকটি চমক দেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গ্রুপ পর্বে দারুণ সূচনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তারা প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ এবং দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে পরাজিত করে এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট নিশ্চিত করে। যদিও শেষ ম্যাচে তুরস্কের কাছে ৩-২ গোলে পরাজিত হয়েছিল, কিন্তু ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থেকে তারা শেষ বত্রিশে পৌঁছে গেছে মরিসিও পোচেত্তিনোর শিষ্যরা।

বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের নকআউট অভিজ্ঞতা মোটেও কম নয়। ১৯৩০ সালে তারা তৃতীয় স্থান, ২০০২ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ২০১০, ২০১৪ ও ২০২২ সালে শেষ ষোলোতে উপস্থিত ছিল। এবারের আসরেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী স্বাগতিকরা।

অন্যদিকে, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার নকআউটে উঠাটাই একটি বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০১৪ সালের পর তারা ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, কিন্তু এবারে গ্রুপ পর্বে কানাডার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে, সুইজারল্যান্ডের কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত হয়। তবে, শেষ ম্যাচে কাতারকে ৩-১ গোলে পরাজিত করার মাধ্যমে তারা চার পয়েন্ট নিয়ে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দল হিসাবে শেষ বত্রিশে প্রবেশ করে।

এই দুই দলের মধ্যে এর আগে তিন বার দেখা হয়েছে এবং সবগুলোই ছিল প্রীতি ম্যাচ। তবে, প্রতিযোগিতামূলক আসরে এই প্রথমবার তারা মুখোমুখি হচ্ছে। সর্বশেষ ২০২১ সালে সংঘটিত হওয়া দুই দলের লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ১-০ গোলে বিজয়ী হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র শিবিরে কয়েকজন ফুটবলারের চোট নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ক্রিস্টিয়ান রোলদান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি ও অস্টন ট্রাস্টির খেলা নিয়ে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে, অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ, টাইলার অ্যাডামস, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, সের্জিনিও ডেস্ট, ক্রিস রিচার্ডস এবং ফুলারিন বালোগুনকে নিয়ে একাদশ সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে দুটি গোল করা বালোগুন আক্রমণের প্রধান ভরসা বলে বিবেচিত হচ্ছে।

বসনিয়ার দলে আমার ডেডিচের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে, সুইজারল্যান্ডের ম্যাচে লাল কার্ডের কারণে নিষিদ্ধ থাকা তারিক মুহারেমোভিচ দলে ফিরছেন। দলের আক্রমণে অভিজ্ঞ অধিনায়ক এদিন জেকো হিসেবে থাকবেন। যদিও ৪০ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার এখনও বিশ্বকাপে কোনো গোল করতে সক্ষম হননি, তবে দেশের হয়ে তার নামের পাশে ৭৩টি গোল রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য একাদশ: ফ্রিজ; ফ্রিম্যান, রিম, রিচার্ডস, রবিনসন; অ্যাডামস, টিলম্যান; ডেস্ট, ম্যাককেনি, পুলিসিচ; বালোগুন।

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা: ভাসিল; ডেডিচ, কাতিচ, মুহারেমোভিচ, কোলাশিনাচ; বাইরাকতারেভিচ, শুনইচ, বাসিচ, আলাইবেগোভিচ; জেকো, দেমিরোভিচ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধবিরতির শর্ত চূড়ান্ত না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয়: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২০ এম


যুদ্ধবিরতির শর্ত চূড়ান্ত না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নয়: ইরান

ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমানে কোনো উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসার পরিকল্পনা নেই। মঙ্গলবার দেশটির কর্মকর্তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানো যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাদের বৈঠক হওয়ার কোনো পরিকল্পনা গৃহীত হয়নি।

এই অবস্থার কারণে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা আরো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এই প্রসঙ্গে, ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই সপ্তাহ আগে হওয়া যুদ্ধবিরতির শর্তগুলি সম্পূর্ণরূপে চূড়ান্ত করতে হবে আগে। এরপরেই পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতা এবং অন্যান্য জটিল বিষয়গুলোর আলোচনা শুরু হবে। এতে বোঝা যাচ্ছে যে, প্রাথমিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে এখনও দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য বিদ্যমান।

প্রস্তাবিত কাঠামোর অনুযায়ী, কিছু অর্থনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর পাশাপাশি স্থায়ী শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে ৬০ দিনের আলোচনা পরিকল্পনার কথাও রয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দোহায় পৌঁছেছেন। হোয়াইট হাউস এই সফরকে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

যদিও ইরান এবং স্বাগতিক দেশ কাতার জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধিরা সরাসরি ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন না। তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা চালাবেন। কাতার জানিয়েছে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-থানি এই মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন এবং তিনি উইটকফ ও কুশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো পর্যায়ের বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি। অন্যদিকে, কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে নিম্ন পর্যায়ের কৌশলগত আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এই অচলাবস্থা কাটাতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন হামলা নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে রয়টার্স স্বাধীনভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপাতত ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরো কিছু সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও তিনি প্রকাশ্যে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

যুদ্ধের কারণে কিছুদিন বিঘ্ন ঘটার পর, হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবার আংশিকভাবে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে, বিশ্বের মোট তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ এই জলপথ দিয়ে হতো। ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির অপর প্রান্তে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ওমানের সঙ্গে যৌথভাবে এই জলপথ পরিচালনার অধিকার তাদের রয়েছে। তারা জানিয়েছে যে, ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ হলে, অর্থাৎ আগস্টের মাঝামাঝি থেকে, এই পথ ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে ফি নেওয়া হবে।

ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, "হরমুজ প্রণালির সার্বভৌম অধিকার ইরান ও ওমানের।" এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স স্পষ্টভাবে বলেছেন, "আন্তর্জাতিক এই নৌপথ ব্যবহারকারী জাহাজ থেকে ইরানকে কোনো ধরনের ফি আদায় করতে দেওয়া হবে না।" 'দ্য মাইকেল নোলস শো'তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজকে ইরানকে অর্থ দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে না। তিনি আরও দাবী করেন যে, তেল পরিবহন প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে এবং তা যুদ্ধের আগের অবস্থায় পৌঁছেছে। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো পরিসংখ্যান দেননি।

যুদ্ধের অনিশ্চয়তা থাকলেও, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। এর আগে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর উপর হামলা চালায়। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড) মঙ্গলবার জানিয়েছে, জ্বালানি বাজারে চাপ কিছুটা কমলেও দুর্বল অর্থনীতির দেশগুলোতে এখনো খাদ্য ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচনের প্রেক্ষাপটেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক চাপ বেড়েছে। এ অবস্থায় ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জ্বালানি বিক্রেতাদের পেট্রোলের দাম কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যবর্তী এই চুক্তিতে লেবাননে ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে হিজবুল্লাহর মিত্র এবং লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরি, লেবানন-ইসরায়েলের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া পৃথক একটি কাঠামোগত চুক্তি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই কাঠামোর মধ্যে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘ এবং জটিল হয়ে পড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%