ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢামেককে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের


ঢামেককে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

ডা. জুবাইদা রহমান, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান, আজ দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

তিনি জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে শুধু অতীতের গৌরবের ধারাবাহিকতা হিসেবে নয়, বরং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণায় উৎকর্ষ এবং নতুন উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে মানবিক নেতৃত্বের একটি নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

ডা. জুবাইদা রহমান তাঁর চিকিৎসক জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ‘চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা যতই প্রযুক্তি-নির্ভর হোক না কেন, মানুষের ভূমিকা অপরিসীম। চিকিৎসার প্রকৃত ভিত্তি হলো মানবিকতা। একজন রোগীকে চিকিৎসকের দ্বারা একটু আশ্বস্ত করার বাক্যও অনেক সময় ওষুধের মতো কাজ করে।’

আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম

তিনি আবেগঘন কণ্ঠে জানান, চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর তিনি আর কখনো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসবেন না। গাইনোকোলজি অ্যান্ড অবস্টেট্রিক্স রোটেশনকালে অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের কষ্ট কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হোক ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স অ্যান্ড কমপ্যাশন ফর পেশেন্টস’, যেখানে প্রতিটি রোগী সর্বোচ্চ চিকিৎসা এবং সহমর্মিতা পাবেন।’

ডা. জুবাইদা রহমান আগামী ২০ বা ২৫ বছর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আজ আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে আছি, আমাদের কর্মক্ষেত্র ভিন্ন হতে পারে কিন্তু আমাদের পরিচয়ের শিকড় একই-ঢাকা মেডিকেল কলেজ। এখন সময় এসেছে শুধু স্মৃতির বন্ধনে নয়, দায়িত্বের বন্ধনেও আবদ্ধ হওয়ার।’

তিনি বলেন, ‘একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার অবকাঠামো নয়, বরং সেটির মানুষ।ঢাকা মেডিকেল কলেজের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার মেধা, মূল্যবোধ এবং তার মানুষরা।’

চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রতিটি সাফল্যের নেপথ্যে একজন মানুষ, একটি পরিবার এবং একটি জীবন থাকে উল্লেখ করে তিনি চিকিৎসকদের পেশাগত প্রতিযোগিতার মধ্যেও পারস্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন সময়সীমা ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনালের বিজয়ীই: কোর্তোয়ার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনালের বিজয়ীই: কোর্তোয়ার দাবি

স্পেন এবং ফ্রান্সের মধ্যে যে দল সেমিফাইনাল জিতবে, কোর্তোয়ার বিশ্বাস তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে। ছবিটি রয়টার্সের। লস অ্যাঞ্জেলেসে থাকাকালীন সময় পর্যন্ত থিবো কোর্তোয়া বেলজিয়ামকে লড়িয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু ৭১ মিনিটে পায়ের চোটের কারণে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন, যা ম্যাচের অবস্থান পরিবর্তন করে দেয়। কোর্তোয়ার পরিবর্তে মাঠে আসা সেনে লামেন্স বড় ভুল করে বসেন। ৮৮ মিনিটে স্পেনের বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনো সেই সুযোগ গ্রহণ করে। লামেন্সের হাত থেকে বল ছুটে যাওয়ার পর সহজে বলটি জালে জড়িয়ে দেন ওই মিডফিল্ডার। এর ফলে বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ যাত্রা ২-১ ব্যবধানে শেষ হয়ে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে। এর আগে, এক গোল হজম হলেও কোর্তোয়া অসাধারণ সব সেভ দিয়ে বেলজিয়ামকে ম্যাচে টিকে থাকতে সাহায্য করেছিলেন। রিয়াল মাদ্রিদের এই গোলরক্ষক ৪টি নিশ্চিত গোল সেভ করেন। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর তিনি একটি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। কোর্তোয়ার মতে, ফ্রান্স এবং স্পেনের মধ্যকার সেমিফাইনালে যে দল জিতবে, সেই দল এবারের বিশ্বকাপ জিতবে। ৩৪ বছর বয়সী গোলরক্ষক জানিয়েছেন, ‘তারা (স্পেন) বিশ্বকাপ জিততে পারে। এই দলে সেই শক্তি আছে। আমার ধারণা, স্পেন-ফ্রান্স সেমিফাইনালে যে দল জয়ী হবে, তারাই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে।’ সেমিফাইনাল ম্যাচটি ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ডালাসে রাত ১টায়। অন্যদিকে, আজ নরওয়ে-ইংল্যান্ডের লক্ষ্যে মাঠে নামবে। আর আগামীকাল সকালে অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে লড়বে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রোগীদের প্রতি চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তরিক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সঠিক চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস পুরোপুরি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

তিনি জানান, 'স্বাস্থ্যসেবা খাতকে শক্তিশালী করতে চিকিৎসকদের সময়নিষ্ঠা, দায়িত্ববোধ এবং সর্বোপরি রোগীদের প্রতি সহমর্মী আচরণ অত্যন্ত জরুরি।'

আজ দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢামেক মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়নে ডিএমসিয়ানদের ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা: জুবাইদা রহমান।

চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, 'এ দেশ থেকে বহু মানুষ বিদেশে যাচ্ছেন চিকিৎসা করাতে। এর ফলে প্রতি বছর পাঁচ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে যাচ্ছে চিকিৎসার খরচে। দেশের মানুষের এই চিকিৎসা আমরা কেনো দেশে করাতে পারবো না? আমরা কেনো মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারবো না? এটা আইন প্রয়োগ করে হবে না। কেবল চিকিৎসকরাই পারবেন তাদের মানবিক এপ্রোচ আর সঠিক চিকিৎসা দানের মাধ্যমে দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস সম্পূর্ণ ফিরিয়ে আনতে। তাই চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান থাকবে রোগীর আস্থা অর্জনে আরও মানবিক হোন।'

প্রধানমন্ত্রী সরকারের উদ্যোগগুলো তুলে ধরে বলেন, জনগণ যাতে শুরুতেই স্বাস্থ্যসেবা পরামর্শ পায়, এ লক্ষ্যে সারাদেশে এক লাখ হেলথ কেয়ারার বা স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 'এদের মধ্যে ৮০ শতাংশ হবেন নারী হেলথ কেয়ারার, যারা পরিবারভিত্তিক প্রতিরোধমূলক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবেন।'

তিনি আরও বলেন, 'একটি সুস্থ জাতি শুধু হাসপাতাল দিয়ে গড়ে ওঠে না, বরং পারিবারিক সচেতনতা, পরিচ্ছন্ন প্রতিবেশ ও পরিবেশ, স্বাস্থ্য পরামর্শ, নিরাপদ খাদ্য, নিয়মিত ব্যায়াম এবং নাগরিক হিসেবে দায়িত্বশীল জীবনাচরণের ওপর শারীরিক সুস্থতার অনেকখানি নির্ভর করে।'

'প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম' সরকার এই নীতিতে সবার কাছে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চায় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। 'পুষ্টি, টিকাদান, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা পর্যবেক্ষণ, ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার, কিডনি রোগ, হৃদরোগ কিংবা ক্যানসার এমন অনেক বিষয় সম্পর্কে আগেভাগেই স্বাস্থ্যসম্মত পরামর্শ পেলে শুরুতেই রোগের নিরাময় অনেকাংশেই সহজ হয়ে যায়। তাই পরামর্শ অনুযায়ী সচেতনতা অবলম্বন করলে, নিয়মিত পরীক্ষা এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক রোগ গোড়াতেই নিরাময় কিংবা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।'

তিনি জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা উল্লেখ করে বলেন, 'এটি জিডিপির ১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। পর্যায়ক্রমে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের পরিমাণ আগামী পাঁচ বছরে জিডিপির পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'শুধু বাজেট বৃদ্ধি নয়, সরকার বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী এবং কয়েকটি ক্ষেত্রে চিকিৎসা ব্যয় কমিয়েছে। ডায়ালাইসিস ফিল্টার, হার্টের স্টেন্ট, হার্টের ভাল্ব, পেসমেকার, অক্সিজেনাটোরস, পেরিফেরাল ভাসকুলার স্টেন্ট, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি এবলেশন ফাইবার, চোখের লেন্স এবং ক্যানসার চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু কাঁচামালের ওপর ভ্যাট এবং ট্যাক্স কমানো হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ট্যাক্স সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে।'

তিনি জানান, সরকার দেশের প্রতিটি হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১০১ বেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং বর্তমানে দেশের ৫শ’ উপজেলার মধ্যে মাত্র পাঁচটি উপজেলায় ১শ’ বেডের হাসপাতাল রয়েছে। এতে চিকিৎসার প্রয়োজনে রোগীদের শহরমুখী হতে হয়। তাই সরকার দেশের সবকটি উপজেলায় বিদ্যমান ৩১ থেকে ৫১ বেডের হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১০১ বেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সকল হাসপাতালের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করে বিরতিহীন বিদ্যুৎ সরবরাহের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

শিশু স্বাস্থ্য রক্ষায় বর্তমান সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার ইতোমধ্যে শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বরিশাল ও রাজশাহীতে নির্মিত ২শ’ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতালসহ মোট পাঁচটি শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এতে শিশু চিকিৎসা রাজধানীকেন্দ্রিক না হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সহজলভ্য হবে।'

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে মেডিক্যাল বর্জ্য অপসারণ বিজ্ঞানসম্মত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আসুন, আমরা সবাই মিলে মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে বিজ্ঞানসম্মত এবং হাসপাতালগুলোকে ক্লিন রাখার চেষ্টা করি।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'প্রতিটি হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা তথা চিকিৎসক, নার্স এবং সকল স্বাস্থ্যকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছে। ইতোমধ্যেই হাসপাতালগুলোতে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।'

তিনি জানান, 'রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে আরো পাঁচ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাজীবীর বিদ্যমান শূন্যপদ দ্রুত পূরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'চিকিৎসকগণই সত্যিকার অর্থে মানুষের বিপদের বন্ধু। চিকিৎসকগণই রোগে শোকে কাতর মানুষটির পরম বন্ধু হয়ে ওঠেন। একজন চিকিৎসকের উপদেশ ও আন্তরিক ব্যবহার একজন রোগীর কাছে ঔষধের মতো কার্যকরী হয়ে ওঠে। সুতরাং একজন চিকিৎসকের জন্য পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি।'

বক্তব্যের শুরুতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজকে জীবন্ত ইতিহাস ও কালের সাক্ষী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'শুধুমাত্র চিকিৎসা ক্ষেত্রেই নয়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় ২০২৪ সালের বীর ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থান প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।'

তিনি বলেন, 'এই ক্যাম্পাসে শুধুমাত্র দেশ বিদেশের সেরা চিকিৎসকই তৈরী হয়নি, শিক্ষক, গবেষক, সমাজনেতা কিংবা মুক্তিযোদ্ধাসহ এই প্রতিষ্ঠান থেকে এমন মহৎ মানুষ তৈরী হয়েছেন, যারা অন্যের জীবন রক্ষায় নিজেদের জীবন ও স্বার্থ বিলিয়ে দিতেও কুন্ঠাবোধ করেননি।'

পরিশেষে ঐতিহাসিক মেডিক্যাল কলেজের ৮১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক এবং বর্তমান শিক্ষার্থী-শিক্ষক এবং ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এর আগে সকাল ১০টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের শহীদ মিলন চত্বরে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে তারেক রহমান উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার কথা মন দিয়ে শোনেন। আলোচনায় শিক্ষক, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের একটাই প্রত্যাশা উঠে আসে। ঐতিহ্যের এই গৌরব ধরে রেখে ঢামেককে যেন বিশ্বমানের একটি আধুনিক গবেষণা, শিক্ষা ও চিকিৎসাকেন্দ্রে রূপান্তরের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসাররাত সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ড্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লালকেল্লায় বোমা হামলার হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


লালকেল্লায় বোমা হামলার হুমকি

লালকেল্লা, দিল্লির সচিবালয় এবং দু’টি স্কুলে 'বোমা রাখা আছে' বলে অজ্ঞাতপরিচয়ে এক দুষ্কৃতীর দেওয়া হুমকির পর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুরো এলাকা তল্লাশি শেষে পুলিশ জানায়, এটি ছিল ভুয়া হুমকি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১০ জুলাই) এক ব্যক্তি মুম্বাই পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করে লাল কেল্লা উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এরপর মুম্বাই পুলিশ বিষয়টি দ্রুত দিল্লি পুলিশকে জানায়।

খবর পেয়ে উত্তর দিল্লি জেলা পুলিশ এবং বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুরো এলাকা তল্লাশি চালায়। কিন্তু কোথাও কোনো বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু না পাওয়ায় পুলিশ হুমকিটিকে ভুয়া বলে ঘোষণা করে।

এটা উল্লেখযোগ্য যে, প্রায় আট মাস আগে লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি শক্তিশালী গাড়িবোমা বিস্ফোরণে ১৫ জন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হন। ওই ঘটনার জন্য কাশ্মীরভিত্তিক একটি জঙ্গি চক্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। তদন্তে আল-কায়েদা-ঘনিষ্ঠ সংগঠন আনসার গাজওয়াতুল হিন্দের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

এছাড়া, চলতি বছরের মে মাসে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং পলাতক ডন দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার অভিযোগে ৯ জনকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল।

তদন্তকারীদের দাবি, তারা দিল্লি, মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা করছিল। তাদের সম্ভাব্য লক্ষ্য ছিল পারমাণবিক স্থাপনা, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র। সূত্র: এনডিটিভি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারে পানি কমায় ভেসে উঠছে বন্যার ক্ষতচিহ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


মৌলভীবাজারে পানি কমায় ভেসে উঠছে বন্যার ক্ষতচিহ্ন

 

মৌলভীবাজারের রাজনগর ও কমলগঞ্জ উপজেলায় বন্যাকবলিত এলাকা থেকে ধীরগতিতে কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভেসে উঠছে ক্ষত চিহ্ন।

ক্ষতির মধ্যে রয়েছে কৃষকের আমন ধান, আউশ আবাদের বীজতলা ও গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট। এছাড়াও বন্যাকবলিত এলাকায় পুকুর ডোবা ও নলকোপ ডোবে যাওয়ার কারণে এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র বিশুদ্ধ পানির সংকট।

রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের উজিরপুর গ্রামের শিব্বির আহমেদ জানিয়েছেন, বন্যার পানিতে আমাদের ফসলি জমিসহ বিভিন্ন ক্ষতি হয়েছে যা পুষিয়ে উঠা আমাদের জন্য অনেক কষ্টের। দুইশ ফুটের ভাঙন দিয়ে পানি প্রবেশ করে আমাদের এলাকায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এদিকে কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর ভাঙনের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে পানিবন্দি মানুষেরও একই চিত্র।

জেলা প্রশাসক সূত্রে জানা যায়, দুই উপজেলার পানিবন্দি মানুষের মধ্যে এখন পর্যাপ্ত ১৭৫০ পেকেট শুকনো খাবার, রান্না করা খাবার ও ১১০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক খালিদ বিন ওয়ালিদ জানান, জেলার প্রধান নদী থেকে ধীর গতিতে পানি কমতে শুরু করেছে। উপরের বৃষ্টির থেমে গেলে আশা করি বন্যা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

রাজনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল সিকদার বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া শুকনো খাবার বিতরণ করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%