রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩২ পি.এম
খুলনা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাজারে খোলা তেল বিক্রি বন্ধ করতে শুধু প্রশাসনিক অভিযান নয়, প্রয়োজন ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সম্মিলিত প্রতিরোধ।
ব্যবসায়ীরা খোলা তেল বিক্রি করবেন না, ভোক্তারাও তা কিনবেন না-নো ট্রানজেকশন নীতি কার্যকর করতে পারলেই বাজার থেকে খোলা তেল তুলে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।
তার মতে, অনিরাপদ ড্রামে তেল সংরক্ষণ ও খোলা তেল বিক্রির কারণে ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণার পাশাপাশি বাড়ছে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি।
আজ রোববার সকালে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে খোলা তেল ও অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার বন্ধে আয়োজিত অ্যাডভোকেসি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সহযোগিতায় ক্যাব খুলনা জেলা কমিটি এ সভার আয়োজন করে।
ক্যাব সভাপতি সফিকুজ্জামান আরও বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী ভোজ্যতেল প্যাকেটজাত অবস্থায় বিক্রি এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধকরণ বাধ্যতামূলক। কিন্তু খোলা তেল বিক্রির ক্ষেত্রে এসব বিধান মানা হচ্ছে না। এমনকি খোলা পাম তেলকে সয়াবিন তেল হিসেবে বিক্রি করে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, ঘরে প্যাকেটজাত তেল ব্যবহার করলেও ভোক্তা পুরোপুরি নিরাপদ নন। হোটেল-রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে কোন ধরনের তেল ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ অনেক ক্ষেত্রেই নেই। ফলে খোলা তেলের ব্যবহার বন্ধে ভোক্তা সচেতনতার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে।
ক্যাব সভাপতি বলেন, খোলা তেল বন্ধে সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসন, বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি প্রত্যাশা করেন, কয়েক মাসের মধ্যে খুলনা সিটি করপোরেশনকে দেশের প্রথম খোলা তেলমুক্ত সিটি করপোরেশন ঘোষণা করা সম্ভব হবে।
সভায় কেসিসি প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, জনস্বার্থ ও মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেজাল নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। আইন বাস্তবায়নে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে। ব্যবসায়ীরা জনগণকে জিম্মি করবে বা সরকারকে জিম্মি করবে-এটি আর মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, খোলা তেল ও খোলা খাবার বর্জনে সামাজিক আন্দোলন জোরদার করতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও খোলা তেল দিয়ে খাবার তৈরি না করার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন। জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি কেসিসি, জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার, ব্যবসায়ী সমিতি ও চেম্বারকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, আইন হয়েছে, এখন স্থানীয়ভাবে সেটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিয়ে দ্রুত বৈঠক করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের ডা. আলিভা হক পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর খুলনার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম, ক্যাব খুলনা জেলা কমিটির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, সাধারণ সম্পাদক এম. নাজমুল আজম ডেভিডসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ভারতের মুর্শিদাবাদে বিশ্ব দূরপাল্লার সাঁতারে স্বর্ণ পদক জিতেছেন বাংলাদেশের ফয়সাল আহমেদ।
ফয়সাল ছাড়াও এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি সাঁতারুরা দুটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জসহ মোট চারটি পদক জয় করেছেন।
মুর্শিদাবাদে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় আজ ১৯ কিলোমিটার পুরুষ ইভেন্টে স্বর্ণপদক জয় করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁতারু ফয়সাল। একই দূরত্বের মহিলা ইভেন্টে রৌপ্যপদক অর্জন করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাঁতারু সোনিয়া আক্তার।
অন্যদিকে, পুরুষদের ৮১ কিলোমিটারের দীর্ঘ ও কঠিন ইভেন্টে রৌপ্যপদক জয় করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পলাশ চৌধুরী। একই ইভেন্টে ব্রোঞ্জপদক অর্জন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নুরুল ইসলাম।
বাংলাদেশ থেকে মোট ৯ জন সাঁতারু এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এর মধ্যে ৬ জন ১৯ কিলোমিটার এবং ৩ জন ৮১ কিলোমিটার ইভেন্টে অংশ নেন।
বাংলাদেশি সাঁতারুদের সাফল্যে আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার সাঁতার অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। বিশেষ করে ৮১ কিলোমিটারের মতো দীর্ঘ ও কঠিন ইভেন্টে দুটি পদক পাওয়া বাংলাদেশের সাঁতারের জন্য বড় অর্জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানীর শহীদ জিয়া শিশু পার্ক ২০২৭ সালের ৩০ জুনের মধ্যে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
আজ (রোববার) বিকেলে শাহবাগস্থ শহীদ জিয়া শিশু পার্ক প্রকল্প এলাকায় পূবালী ব্যাংক পিএলসির ‘শিশু পার্ক শাখা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন। শহীদ জিয়া শিশু পার্ক আধুনিকীকরণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে পার্ক প্রাঙ্গণে পূবালী ব্যাংকের শাখা ভবনটি নতুন করে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুততম সময়ে পার্কের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৩০ শতাংশ।
তিনি বলেন, শিশুদের বিনোদনের জন্য ১৫টি অত্যাধুনিক রাইড ক্রয়ের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এই রাইডগুলোই পুরো প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ। আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা শিশুদের একটি আধুনিক পার্ক উপহার দিতে পারব। ঢাকা শহরকে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, রাস্তার সৌন্দর্যবর্ধন, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও বৃক্ষরোপণসহ সকল সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) থেকে সবাইকে অংশ নিতে হবে।
পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে গৃহস্থালি ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানান প্রশাসক। নাগরিক সচেতনতাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী।এছাড়া সিটি কর্পোরেশন ও ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামে আজও সার না পেয়ে গুদামে হট্টগোল, ভাঙচুর, ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা বাজারে সার ডিলার কাশেম ট্রেডার্স পয়েন্টে সকাল ৮টা থেকে মানুষজন সারের জন্য জড়ো হয়।
এ সময় ডিলার পয়েন্টের লোকজন না আসায় ৯টার দিকে উপস্থিত জনতা সার না পেয়ে হট্টগোল শুরু করে। এ সময় দোকানটির টিনের বেড়া ভাঙচুর করা হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করে।
স্থানীয় কৃষকরা জানায়, গুদামে সার থাকার পরও ডিলারের লোকজন আসেননি। দেড় থেকে দুইশ লোক উপস্থিত ছিল। তারা হইচই করে ও ধাক্কাধাক্কি করে। কেউ কেউ দোকান ঘরের বেড়ার টিন ভাঙচুর করে। তবে কেউ সার নিয়ে যায়নি।
কচাকাটা থানার ওসি অর্পণ কুমার জানান, দোকান ঘরে ভাঙচুর হয়নি। তবে দেড়-দুইশ মানুষ ঠেলাঠেলি, ধাক্কাধাক্কি করে। এতে বেড়ার টিন ভেঙে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন জানান, লোকজন অস্থির হয়ে গেছে। সবাই একসঙ্গে সার চায়। এটা তো সম্ভব নয়। পরে ওসির উপস্থিতিতে সার বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়াও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের মিলনিবাজারে সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করে লোকজন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, ওখানে চারশ বস্তা সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু মানুষ উপস্থিত ছিল অনেক। তাতে ডিলার ভয় পেয়ে যায়। পরে আমি ও কচাকাটা থানার ওসিসহ উপস্থিত থেকে সার বিতরণ করা হয়। চাহিদা অনুযায়ী আরও ২০ টন সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কাল পরশু বিতরণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অন্তর্ভুক্তিমূলক, বাসযোগ্য ও জলবায়ু-সহনশীল নগর গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার পুরোপুরি বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন। তিনি উল্লেখ করেন, এ লক্ষ্য অর্জনে প্রণীত জাতীয় নগর নীতি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ রাজধানীতে ‘জাতীয় নগর ফোরাম’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সহযোগিতা প্রদান করে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)।
ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন বলেন, “জাতীয় নগর নীতির টেকসই কাঠামো বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রতিটি শহরকে বাসযোগ্য করে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য—নগরে বসবাসকারী প্রতিটি নাগরিক যেন তার প্রাপ্য সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে বসবাস করতে পারেন।”
তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নগরবাসীর জীবনে যেন কোনো দুর্ভোগ নেমে না আসে, সে বিষয়ে সরকার সার্বক্ষণিক সজাগ দৃষ্টি রাখছে।
প্রতিমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “আমরা আমাদের প্রিয় শহরগুলোকে শুধু বর্তমান সময়ের জন্যই বাসযোগ্য করতে চাই না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই; যাতে তারা দূষণমুক্ত বাতাসে মুক্তভাবে শ্বাস নিতে পারে।”
আলোচনায় অংশ নিয়ে ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিক্স বলেন, “এই ফোরামের আয়োজনই শেষ কথা নয়; বরং নগর নীতি নিয়ে আজ আমরা যা আলোচনা করেছি, তা বাস্তবায়ন করার জন্য এটি একটি যৌথ দায়বদ্ধতার শুভসূচনা।”
ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাই কমিশনের ডেপুটি হাই কমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালক জেমস গোল্ডম্যান আশা প্রকাশ করে বলেন, এই ফোরামটি বাংলাদেশে টেকসই নগর উন্নয়নে সহায়তাকারী উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করবে।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর আকিরা মাতসুনগা বলেন, “বাংলাদেশের নগর উন্নয়ন খাতে এডিবি দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার। শহরগুলোকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, বাসযোগ্য ও অর্থনৈতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার লক্ষ্যে সহায়তা জোরদার করাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার।”
অনুষ্ঠানের প্যানেল আলোচনায় ঢাকা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম অর্থনৈতিক করিডোরকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীভূত বিনিয়োগের সুবিধার পাশাপাশি যানজট, জলাবদ্ধতা, অপ্রতুল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ দূষণ এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সীমিত সক্ষমতার মতো বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে ওঠার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ