বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:২২ পি.এম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রশাসন অধিক জনবান্ধব হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী জানানোর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দক্ষ, উদ্ভাবনী, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনকল্যাণমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে হবে।
একইসঙ্গে, তিনি উল্লেখ করেন যে, সমৃদ্ধ, মর্যাদাশীল ও উজ্জ্বল বাংলাদেশ গঠনে মেধা, শ্রম ও সততার সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার, রাজধানীর শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ১৪৪ ও ১৪৫তম আইন ও প্রশাসন কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ প্রদান ও সমাপনী অনুষ্ঠান হিসেবে প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় তিনি এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বর্তমান বিশ্বের প্রশাসন আর কেবল নথিপত্র পরিচালনার সীমাবদ্ধ নয়; এটি এখন জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ওপর নির্ভরশীল।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইতোমধ্যে নীতি বিশ্লেষণ, সেবা প্রদান, অভিযোগ নিষ্পত্তি, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
ভবিষ্যতের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এই প্রযুক্তিটি দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগাতে হবে। তিনি গুরুত্বারোপ করেন যে, সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে এআই নির্ভর করে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করে তোলার প্রয়োজন।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে তৈরি পোশাক শিল্পের পাশাপাশি চামড়া শিল্প, সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদন এবং জ্ঞানভিত্তিক সেবা খাতের বিকাশ জরুরি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার স্টার্টআপ খাতে চলতি অর্থবছরে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে।
চীনের ‘একটি গ্রাম, একটি পণ্য’ উদ্যোগের উদাহরণ তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার নিজস্ব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, ব্র্যান্ডিং ও বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে। সকলকে মিলে এ বিষয়ে কাজ করতে হবে।
তিনি পরীক্ষামূলকভাবে একটি জেলায় এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান জানান কর্মকর্তাদের। তিনি আরও বলেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার পরিচয় তার পদবিতে নয়, বরং কর্ম, সততা ও উদ্ভাবনী চিন্তায়।
মানুষের জীবন সহজ করা, সময় সাশ্রয় এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতিটি কর্মকর্তাকে নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন সম্ভাবনার পথ ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় শৃঙ্খলা, জবাবদিহি ও কর্মসংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে।
এসব কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে মাঠ প্রশাসনসহ সব পর্যায়ের কর্মকর্তার আন্তরিকতা, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠা অপরিহার্য।
নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কর্মজীবনে নানা চ্যালেঞ্জ আসবে, তবে প্রতিটি সংকটকে সুযোগে রূপ দিতে হবে। জ্ঞানচর্চা অব্যাহত রাখতে হবে এবং নতুন প্রযুক্তি ও নতুন ধারণা গ্রহণে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, আজ যে সনদ তারা গ্রহণ করছেন, সেটি শিক্ষার সমাপ্তি নয়, বরং আজীবন শিক্ষার নতুন অভিযাত্রার সূচনা।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর (সচিব) ড. মোহাম্মদ আলতাফ-উল-আলম বলেন, ‘জনগণের জন্য প্রশাসন, প্রশাসনের জন্য জনগণ নয়’- এই দর্শনকে সামনে রেখেই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়েছে।
তিনি জানান, পাঁচ মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুই ব্যাচের ৭৪ জন কর্মকর্তাকে দক্ষ, উদ্ভাবনী ও জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের পরিবহন কমিশনার, এনএপিডির মহাপরিচালক, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক এবং বিসিএস প্রশাসন একাডেমির অনুষদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চীনের তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পেতে যাচ্ছে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে চাচ্ছে ইরান। আর সেই ধারাবাহিকতায় চীনের তৈরি প্রায় ৪০০টি কাঁধ থেকে নিক্ষেপযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারের প্রথম চালান আগামী কয়েক সপ্তাহের মাঝে ইরানের কাছে পৌঁছাতে পারে।
এই চুক্তি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র বিষয়টি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে।
চুক্তির ক্রয়মূল্য প্রায় ছয় থেকে সাত কোটি মার্কিন ডলার। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের স্বল্প-পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার এটি সবচেয়ে বড় উদ্যোগগুলোর একটি।
কারণ এই যুদ্ধ ইরানের দুর্বলতাগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে, এই যুদ্ধে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, ইরানের সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে বিভিন্ন দুর্বলতা রয়েছে।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, চুক্তির আওতায় চীনে তৈরি কিউডব্লিউ-১২ ও এফএন-১৬ মডেলের ৩০০ থেকে ৪০০টি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা (ম্যান পোর্ট্যাবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমস বা এমএএনপিএডিএস) অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এই চুক্তিটি হংকংভিত্তিক কোম্পানি 'ঝোংকিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট'-এর সাথে হয়েছে। এই কোম্পানি ইরান ও চীনের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।
এ ব্যাপারে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি। অন্যদিকে, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, "এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। চীন সবসময় শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সংঘাতের অবসান ঘটাতে ভূমিকা রেখেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক হকি থেকে বিদায় নেওয়ার ইচ্ছা তিনি প্রকাশ করেছিলেন। তবে সেই বিদায় নিতে চেয়েছিলেন তিনি জাতীয় দলের জার্সি গায়ে। এমন ইচ্ছার কথা জানানোর দিনেই তাকে শুভ খবর দিয়েছে হকি ফেডারেশন।
জাপানের এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের অধীনে চলমান জাতীয় হকি ক্যাম্পে নতুন করে আরও ছয়জন অভিজ্ঞ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানেই ডাক পেয়েছেন অভিজ্ঞ রাসেল মাহমুদ জিমি।
জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পেয়ে উচ্ছ্বসিত জিমি জানিয়েছেন, "ফেডারেশনে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাকে ক্যাম্পে ডাকার। আগের কমিটি আমাকে অন্যায়ভাবে বাদ দিয়েছিল। নতুন কমিটি ন্যায়বিচার দিচ্ছে আমাকে। আমিও ঠিক করেছি ক্যাম্পে যাবো। এরপর কোচ যদি যোগ্য মনে করেন, চূড়ান্ত স্কোয়াডে রাখবেন। অন্তত নিজেকে প্রমাণের সুযোগ তো পাচ্ছি, এটাই দারুণ খবর।"
নবগঠিত সিলেকশন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সিদ্ধান্ত হিসেবে এই ছয়জন খেলোয়াড়কে ক্যাম্পে ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুনভাবে ডাক পাওয়া খেলোয়াড়রা হলেন— আবু সাঈদ নিপ্পন, মো. নাইম উদ্দিন, মো. শিশির, পুস্কর খীসা মিমো, রাসেল মাহমুদ জিমি এবং শহিদুল হক সৈকত।
এশিয়ান গেমসের মতো মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক আসরে দেশের জন্য সেরাগুণ অর্জন করার লক্ষ্যেই মেধা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এই খেলোয়াড়দের দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ফেডারেশনের আশা, নতুন খেলোয়াড়দের সংযোজনে চলমান ক্যাম্পে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও বাড়বে এবং খেলোয়াড়দের মনোবলও চাঙা হবে। আগামীকাল থেকেই এই ছয় খেলোয়াড় মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে চলমান ক্যাম্পে যোগদান করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিহারের সমস্তিপুরে পরিস্থিতি এমন ঘটেছে যে, এক স্বামী তার স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখতে পেয়ে নিজেই তাদের বিয়ের আয়োজন করেছেন। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, সম্পূর্ণ ঘটনা ঘটেছে সমস্তিপুরের বাসিন্দা অনুরাধা কুমারী ও মনোহর কুমারের মধ্যে। কিছু বছর আগে তাদের বিয়ে হয় এবং তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। এরই মধ্যে, অনুরাধার সঙ্গে পান্নালাল যাদব নামে এক ব্যক্তির প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। উল্লেখ্য, পান্নালালও একটি বিবাহিত ব্যক্তি এবং তারও দুই সন্তানের বাবা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, সম্প্রতি মনোহর কুমার তার স্ত্রী অনুরাধা ও তার প্রেমিক পান্নালালকে একসঙ্গে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এরপর তিনি গ্রামের মাতব্বরদের ডাকেন এবং বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর, তাদের উপস্থিতিতে অনুরাধা ও পান্নালালের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। পরে সেই ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ‘ঘর কা কলেশ’ নামে একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত হওয়ার পর এটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। বহু মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন, এবং এ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন।
মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে ভিডিওটির প্রতি। কিছু মানুষ ঘটনাটিকে বিস্ময়কর বলে অভিহিত করেছেন, আবার কেউ স্বামীর সিদ্ধান্তকে বাস্তবসম্মত বলে মনে করেছেন। এক নেটিজেনের মন্তব্য, চারদিকে শুধু পরকীয়ার ঘটনা দেখা যাচ্ছে, বিষয়টি সত্যিই বিরক্তিকর। অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, স্বামীর জন্য খারাপ লাগছে। কিন্তু যে মানুষ আপনার সঙ্গে থাকতে চায় না, তাকে জোর করে আটকে রাখার কোনও অর্থ নেই। সূত্র: আনন্দবাজার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রপ্তানি বৃদ্ধি, পরিবেশগত মানদণ্ড প্রতিপালন জোরদার এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে দেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রাক-অর্থায়ন স্কিম চালু করেছে, যার পরিমাণ ২ হাজার কোটি টাকা।
আজ প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে গঠিত এই স্কিমের মাধ্যমে চামড়া শিল্পকে টেকসই, পরিবেশবান্ধব এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে পরিণত করা হবে, যার ফলে এই শিল্পের উন্নয়নে বিশেষভাবে সহায়তা প্রদান সম্ভব হবে।
এই স্কিমের আওতায় কারখানা নির্মাণ ও সম্প্রসারণ, যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ যেমন- ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি), স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি), ডাম্পিং ইয়ার্ড এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য অর্থায়ন করা হবে।
এ ছাড়া, লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্ল Üজি) সনদ অর্জনের ব্যয়, বিদ্যমান ট্যানারি আধুনিকীকরণ এবং চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত রাসায়নিক, আনুষঙ্গিক উপকরণ ও অন্যান্য সহায়ক পণ্যের দেশীয় উৎপাদনে এই তহবিল থেকে সহায়তা গ্রহণ করা যাবে।
স্কিমের আওতায় ঋণগ্রহীতাদের সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ প্রদান করা হবে। এছাড়া অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদে পুনঃঅর্থায়ন (রিফাইন্যান্স) সুবিধা দেওয়া হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে।
আরও জানানো হয়েছে, এই তহবিল রিভলভিং ভিত্তিতে তিন বছর মেয়াদে পরিচালিত হবে। নতুন কারখানা নির্মাণকালে সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে, যার মধ্যে দুই বছর গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। বিদ্যমান কারখানা আধুনিকীকরণে সর্বোচ্চ চার বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়া হবে, যার মধ্যে ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। কার্যকর মূলধন (ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল) ঋণের মেয়াদ এক বছর, যেমনটি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত নবায়ন করা যাবে।
বাংলাদেশের সকল তফসিলি ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের সাথে চুক্তি সাপেক্ষে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
স্কিমের আওতায় নতুন চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার জন্য সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা, নতুন চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন অবকাঠামোর জন্য ২০ কোটি টাকা, বিদ্যমান স্থাপনা আধুনিকীকরণের জন্য ১০ কোটি টাকা এবং সহায়ক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যকর মূলধনের জন্য সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করা হবে। টেকসই উৎপাদন নিশ্চিতকরণের জন্য স্কিমের আওতায় বেশ কিছু শর্তও আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
চামড়া প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়ন পাওয়ার দুই বছরের মধ্যে এলডব্লিউজি সনদ অর্জন করতে হবে। একই সময়ের মধ্যে উপকারভোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার অন্তত ১০ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ থেকে নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া, শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি দূরীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকৃত ঋণগ্রহীতারা এই স্কিমের আওতায় অর্থায়নের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে না।
এছাড়া, একই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ) এবং গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (জিটিএফ) থেকে ইতোমধ্যে সহায়তা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোও এই স্কিমের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ