ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

নিজে ফেরারি ডাকাত, অন্যকে ফাঁসাচ্ছেন কাল্পনিক মামলায়! বরিশালের ‘মামলা-বাজ’ মারযুকের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ মানুষ


নিজে ফেরারি ডাকাত, অন্যকে ফাঁসাচ্ছেন কাল্পনিক মামলায়! বরিশালের ‘মামলা-বাজ’ মারযুকের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে সাধারণ মানুষ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্রসংগঠন ছাত্রশক্তি বরিশাল মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারযুক আব্দুল্লাহকে ঘিরে আবারও তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষকে একের পর এক মামলায় জড়ানোর অভিযোগের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে মামলা-বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ বরিশাল আদালতে দায়ের করা একটি নালিশি মামলায় মৃত ব্যক্তিদেরও আসামি করায় বিষয়টি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা ওই মামলায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ মোট ২৪৮ জনকে আসামি করা হয়। তবে অভিযোগের সত্যতা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠায় আদালত সরাসরি এজাহার গ্রহণ বা মামলা রেকর্ডের নির্দেশ না দিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন।
মৃত ব্যক্তিকেও আসামি
মামলার সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, এতে অন্তত চারজন প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতাকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ২০২১ সালে মারা যাওয়া মোহাম্মদ আলী হাওলাদার, ২০২৩ সালে মৃত্যুবরণকারী আবুল ফারুক হুমায়ুন, ২০২২ সালে মারা যাওয়া খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা এবং ২০২১ সালে প্রয়াত ইঞ্জিনিয়ার এইচএম হাফিজুর রশিদ শিবলী।
মামলায় দাবি করা হয়েছে, ২২ জুন সন্ধ্যায় তারা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিছিল ও বৈঠকে অংশ নিয়ে ককটেল, হাতবোমা ও বিস্ফোরক নিক্ষেপ করেন। অথচ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বহু আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন। এ ঘটনায় মামলার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
পুলিশের বক্তব্যেও মিলছে না অভিযোগ
মামলায় ১০, ১৬ ও ২২ জুন বরিশাল নগরের বিমানবন্দর থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, মিছিল, সড়ক অবরোধ ও গোপন বৈঠকের অভিযোগ আনা হলেও বিমানবন্দর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ওই সময়ে এমন কোনো ঘটনা তাদের নথিভুক্ত হয়নি।
বিমানবন্দর থানার ওসি (তদন্ত) সুমন কুমার আইচ বলেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তাদের থানার আওতাধীন এলাকায় কোনো কর্মসূচি পালনের তথ্য পুলিশের কাছে নেই।
চাঁদাবাজির অভিযোগ
একাধিক সূত্রের দাবি, আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিভিন্ন ব্যবসায়ী, হাসপাতাল মালিক ও ব্যক্তিকে মামলায় নাম জড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়েছে। যারা টাকা দেননি, তাদের অনেকের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
একই মামলার আসামি নিলয় আহম্মেদ রাব্বি ওরফে রাইডার দাবি করেছেন, মারযুক আব্দুল্লাহ তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন। টাকা না দেওয়ায় তাকে মামলার ৬ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
এদিকে বিদেশে অবস্থানরত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বরিশাল জেলা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব হোসেন খানও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেন, মামলার কপি আদালতে জমা দেওয়ার আগেই বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে পাঠিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মারযুক আব্দুল্লাহ। তার দাবি, সাক্ষীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মামলায় আসামিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ডাকাতি মামলার আসামি
বিভিন্ন সূত্র জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত হন মারযুক আব্দুল্লাহ। ২০২৫ সালের ৬ জুন পটুয়াখালীর দুমকিতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই সহযোগীসহ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বর্তমানে ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নাগরিক সমাজের ক্ষোভ
মামলায় মৃত ব্যক্তি, বিএনপির নির্যাতিত নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে আসামি করায় বরিশালে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এমন ভিত্তিহীন মামলা বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।
আইনজীবীদের প্রতিক্রিয়া
বরিশাল মেট্রোপলিটন আদালতের সরকারি আইন কর্মকর্তা (এপিপি) হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা করা এবং মৃত ব্যক্তিকে আসামি করা গুরুতর অপরাধ। আদালত যেহেতু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বাদীর বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
পুলিশের অবস্থান
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম বলেন, মারযুক আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে, তবে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।
অন্যদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ বলেন, আদালত যেহেতু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।
আইনবিদদের মত
আইনবিদদের মতে, আদালতের তদন্তে অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত হলে বাদীর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সেটিও আইনের আওতায় আসতে পারে।
এদিকে পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বরিশালের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তদন্ত প্রতিবেদনের দিকে এখন সবার নজর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালিজুড়ে নতুন করে সমন্বিত বিদ্রোহী হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ পি.এম


মালিজুড়ে নতুন করে সমন্বিত বিদ্রোহী হামলা

আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী এবং তাদের সহযোগী তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা শনিবার মালিজুড়ে নতুনভাবে সমন্বিত হামলা পরিচালনা করেছে। কয়েক মাস আগে একই ধরনের হামলায় দেশটির সামরিক জান্তাকে বড় আঘাত দেওয়ার পর এটি তাদের আরেকটি বড় আক্রমণ।

বামাকো থেকে এএফপি জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ৫টার দিকে (গ্রিনিচ সময় ০৫০০) শুরু হওয়া এ হামলায় উত্তরাঞ্চলের গাও, আনেফিস ও আগেলহক শহর, মধ্যাঞ্চলের সেভারে শহর এবং রাজধানীর কাছে কেনিয়েরোবার একটি কারাগার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

গত এপ্রিলের শেষ দিকে আল-কায়েদা-ঘনিষ্ঠ জেএনআইএম (জামাআত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন) এবং তুয়ারেগ এফএলএ (আজাওয়াদ মুক্তি ফ্রন্ট) উত্তরাঞ্চলের কৌশলগত শহর কিদাল দখল করে এবং মালির প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে হত্যা করে।

২০২০ ও ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর ইতোপূর্বে মালি সামরিক শাসনের অধীনে রয়েছে। ক্ষমতা দখলের সময় সামরিক নেতৃত্ব দেশটিতে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ২০১২ সাল থেকে বিস্তীর্ণ মরুভূমি অধ্যুষিত এ দেশটি জঙ্গি এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতায় জর্জরিত হয়ে আছে।

২৫-২৬ এপ্রিলের বড় হামলার পর মালির সেনাবাহিনী, রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত আফ্রিকা কোরের সহায়তায় সামরিক অভিযান জোরদার করে।

প্রায় এক বছর আগে তুয়ারেগ এফএলএ এবং জেএনআইএম একসাথে জোটবদ্ধ হয়। এরপর থেকে তারা যৌথভাবে সামরিক সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে।

ডাকারভিত্তিক টিম্বুক্তু ইনস্টিটিউটের পরিচালক বাকারি সাম্বে এএফপিকে বলেন, ‘বৃহত্তর আক্রমণের আগে মধ্যবর্তী ধাপ হিসেবে পরিচালিত এসব অভিযান সরকারের দুর্বলতা ও বিচ্ছিন্নতা তৈরি করছে।’

মালির সেনাবাহিনী শনিবার সকালে ফেসবুকে এক বিবৃতিতে চারটি শহর ও কেনিয়েরোবার ওপর হামলার কথা নিশ্চিত করেছে। তাদের দাবি, ‘হামলাগুলো শক্ত হাতে প্রতিহত করা হয়েছে’ এবং ‘পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

তবে এএফপির সাথে কথা বলা বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, দুপুর পর্যন্তও কয়েকটি এলাকায় সংঘর্ষ চলছিল।

এফএলএ-এর মুখপাত্র মোহামেদ এলমাউলুদ রমাদানে এএফপিকে বলেন, আনেফিসে ‘বেশ কয়েকটি অবস্থান’ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে শনিবার সকাল পর্যন্ত সেখানে লড়াই চলছিল।

আনেফিসের এক বাসিন্দা জানান, ‘সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো শহরের ভেতরে রয়েছে। কিন্তু সেনাবাহিনী এখনো প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। সেনা শিবির এখনও দখল হয়নি।’

এপ্রিলের হামলার পর উত্তরাঞ্চলের কিদাল অঞ্চলে আনেফিস ও আগেলহকই বর্তমানে শেষ দুটি এলাকা, যেখানে মালির সেনাবাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে।

উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর গাওয়ের বাসিন্দারা জানান, সেনা ঘাঁটির কাছে গুলির শব্দ এবং বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

সন্ত্রাসবাদবিরোধী আন্তর্জাতিক একাডেমির কৌশলগত গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক গবেষক এএফপিকে বলেন, ‘এ মুহূর্তে তাদের লক্ষ্য সম্ভবত উত্তরাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা এবং তারপর আরও দক্ষিণে অগ্রসর হওয়া।’

মধ্যাঞ্চলের সেভারে শহরে, যেখানে একটি বড় সেনা ঘাঁটি এবং বিমানবন্দর রয়েছে, স্থানীয় এক নিরাপত্তা সূত্র জানাচ্ছে, ‘সকাল ৫টার দিকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর পর কয়েকটি যুদ্ধবিমান এলাকাটির ওপর দিয়ে উড়তে দেখা যায়।’

রাজধানী বামাকো থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে কেনিয়েরোবা কারাগার কমপ্লেক্সেও হামলা চালানো হয়। সেখানে জঙ্গিসহ বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত বন্দিদের রাখা হয়।

এক বন্দি এএফপিকে বলেন, ‘আমরা বিছানার নিচে লুকিয়ে আছি। এখনো গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।’ এরপরই তার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

কেনিয়েরোবা কেন্দ্রীয় কারাগার মালির সবচেয়ে বড় আধুনিক কারাগার, যেখানে আড়াই হাজারের বেশি বন্দি রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।

দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা সংকট

২০১২ সাল থেকে আল-কায়েদা এবং তথাকথিত ইসলামিক স্টেট-সংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী, বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কারণে মালি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে রয়েছে।

এপ্রিলের যৌথ হামলায় তুয়ারেগ বিদ্রোহী এবং জঙ্গিরা কিদাল পুনর্দখল করে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে মালির সেনাবাহিনী এবং রুশ ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপ শহরটি দখল করেছিল। পরে ওয়াগনারের স্থলাভিষিক্ত হয় আফ্রিকা কোর।

জান্তাপ্রধান জেনারেল আসিমি গোইতা রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন এবং সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্স থেকে দূরত্ব তৈরি করেছেন।

গত মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, এপ্রিলের হামলার পর বিদ্রোহী গোষ্ঠী, মালির সেনাবাহিনী এবং তাদের রুশ মিত্ররা বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন’ করেছে।

২০১২ সালের সংকটে তুয়ারেগ বিদ্রোহীরা জঙ্গিদের সঙ্গে মিলে উত্তর মালির গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো দখল করেছিল।

ঐতিহাসিকভাবে যাযাবর তুয়ারেগ জনগোষ্ঠী মালি, নাইজার, আলজেরিয়া, লিবিয়া এবং বুরকিনা ফাসো জুড়ে বিস্তৃত। দীর্ঘদিন ধরে তারা বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সশস্ত্র আন্দোলন চালিয়ে আসছে, যার কেন্দ্র ছিল বিশেষ করে কিদাল।

এদিকে জেএনআইএম গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানী বামাকোগামী জ্বালানিবাহী ট্যাংকার বহরে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে আসছে। এই হামলা গত অক্টোবর মাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েল বাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নষ্টের চেষ্টা করছে: এরদোয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ পি.এম


ইসরায়েল বাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নষ্টের চেষ্টা করছে: এরদোয়ান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তোলা শান্তি চুক্তিটি এখন বড় ধরনের হুমকির সম্মুখীন হয়ে গেছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান অভিযোগ করেছেন যে, ইসরায়েল এই চুক্তিটি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এরদোয়ানের মতে, যুদ্ধ ও সংঘাত ছাড়া ইসরায়েল টিকে থাকতে পারবে না।

ইস্তাম্বুলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন এরদোয়ান। তিনি উল্লেখ করেন, শান্তি ফিরিয়ে আনার এই মধ্যস্থতা অত্যন্ত কঠিন ছিল। তুর্কি সরকার এ অঞ্চলে শান্তি আনার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের সাহায্য করতে প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া, ইসরায়েলকে সতর্ক করেন তিনি যে, সারা অঞ্চলের সংঘাতের ওপরেই ইসরায়েলের টিকতে থাকা নির্ভর করছে, বিশেষ করে সিরিয়া ও লেবাননে।

সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারক প্রকাশিত হয়েছে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এই সমঝোতার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’। এতে মূলত উল্লেখিত হয়েছে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের ওপর থেকে কিছু আর্থিক নিষেধাজ্ঞा কমানোর বিষয়টি।

এর বিনিময়ে, ইরান তাদের পারমাণবিক বর্জ্য ধ্বংস করবে। চুক্তির পর, যদি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘গ্রহণযোগ্য’ আচরণ প্রদর্শন করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদেরকে আরও অর্থনৈতিক সুবিধা প্রদান করবে। উল্লেখ্য, চূড়ান্ত চুক্তির জন্য ৬০ দিনের সময় সংরক্ষিত থাকবে।

অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার চাওয়ার জন্য কঠোর ভাষায় দাবি জানাবে। এটি তাদের দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্য হিসেবে থাকবে। এছাড়া, ইরানের সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার জানাজায় সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় নেতাদের উপস্থিতি প্রমাণ করে, তিনি কতটা মহান ব্যক্তি এবং তিনি ও ইরানের মানুষ কতটা গৌরবময়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার দশকের নেতৃত্বের অবসান, প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা লাখো ইরানির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


চার দশকের নেতৃত্বের অবসান, প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা লাখো ইরানির

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোকানুষ্ঠান ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। দেশটির সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা এই নেতা ইসলামিক রিপাবলিকের রাজনৈতিক, সামরিক ও কৌশলগত নীতিনির্ধারণে প্রায় চার দশক ধরে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে আসছিলেন।

এখন তার শেষ বিদায়ে অংশ নিতে রাজধানী তেহরানে সমবেত লাখো মানুষের কণ্ঠে শোকের পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভও প্রকাশিত হয়েছে। জনগণের মধ্যে প্রতিশোধের আগুন দেখা গেছে এবং তারা এর জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন।

১৯৮৯ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধের পর আলী খামেনি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বের আওতায় সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় সশস্ত্র বাহিনী, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নিয়োগের ওপর ব্যাপক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।

খামেনির সময়কালে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নিরাপত্তা, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবেলায় ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করেছে।

তার পারমাণবিক নীতি ছিল পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ইরানের অন্যতম বিতর্কিত বিষয়। খামেনি দাবি করেছিলেন যে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না, কিন্তু শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার বজায় রাখার পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

আঞ্চলিক কৌশলে, তিনি মিত্র সরকার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপর নির্ভর করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তার করেছিলেন, যদিও এটি উপসাগরীয় আরব দেশগুলো, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে।

খামেনির মৃত্যু অনেক ইরানির কাছে জাতীয় ঐক্য ও সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে, যা রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুর্বল করার পরিবর্তে নতুন আবেগ সৃষ্টি করেছে। লাখো মানুষ তার শেষ বিদায়ে অংশ নিচ্ছেন, যা দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

শনিবার জানাজায় অংশ নেওয়া সাধারণ নাগরিক এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মানুষ খামেনির মৃত্যুকে পারিবারিক অভিভাবক হারানোর চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখতে পাচ্ছেন।

এই হামলার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।

গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে জড়ো হওয়া জনতার আবেগ এবং ক্ষোভের চিত্র তুলে ধরে আরশ রাহিমি নামের ৪০ বছর বয়সী একজন ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা নিশ্চিতভাবেই আমাদের নেতার রক্তের প্রতিশোধ নেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ এখানে যারা সমবেত হয়েছেন, তারা প্রত্যেকেই সর্বোচ্চ নেতার হত্যার বিচার চান। আমাদের নেতা সবসময় বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের রক্তের শত্রুতা রয়েছে। তাই আমেরিকার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কখনই ভালো হওয়ার নয়।’

এই জাতীয় শোকের গভীরতা সাধারণ ইরানিদের কতটা স্পর্শ করেছে, তা দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষের কথায় প্রকাশিত হয়েছে।

ইরানের হামাদান প্রদেশ থেকে তেহরানে আসা হামিদ তেইমোরি নামের একজন ব্যক্তি বলেন, ‘আমি এক অদ্ভুত ও অবর্ণনীয় মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে রয়েছি। আমার নিজের বাবা যখন মারা গেলেন, তখনও আমি এতটা কাঁদিনি, যতটা কাঁদছি আমাদের সর্বোচ্চ নেতার শাহাদতের খবর শুনে।’

অপেক্ষমাণদের একজন সোমাইয়ে সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, ‘আমরা আমাদের নেতার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এসেছি। এই অপেক্ষা একই সঙ্গে মধুর এবং বেদনাদায়কও।’

অনেকের মতে, দেশের জন্য খামেনির অবদানের তুলনায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা খুবই সামান্য ত্যাগ।

দেশটির এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ফাতেমেহ বলেন, ‘তাকে বিদায় জানাতে কোনো ধরনের কমতি রাখা উচিত নয়।’

আরেক শিক্ষার্থী মাহদি বলেন, ‘১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা কোনো বিষয়ই নয়। মনে হচ্ছে যেন আমরা নিজের পরিবারের একজন সদস্যের শোকানুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছি।’

এদিকে, প্রয়াত এই নেতার সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে বাংলাদেশ, চীন, রাশিয়া, ভারত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, পাকিস্তানসহ বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন। তারা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তা মহাপরিকল্পনা যেকোন মূল্যে বাস্তবায়ন করবে সরকার: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ পি.এম


তিস্তা মহাপরিকল্পনা যেকোন মূল্যে বাস্তবায়ন করবে সরকার: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই, যে আন্দোলন করেছি। তা সফল হতে চলেছে। আমাদের তিস্তা মহাপরিকল্পনা যেকোন মূল্যে বাস্তবায়ন করব। এর মধ্য দিয়ে তিস্তাপাড়ের মানুষের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত সূচিত হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকালে লালমনিরহাট শহরের এমটি হোসেন মাঠে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য উল্লেখ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি এবং সংগ্রাম করেছি। আমরা নির্যাতন সহ্য করেছি। অনেক প্রাণ দিয়ে এবং জেল খেটে কাটিয়েছি। তবুও মাথা নোয়াইনি। খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা এক নতুন বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছি। এখন একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। নতুনভাবে একটা বাংলাদেশ গড়ে তোলার সময় এসেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিনির্মানের সেই আন্দোলন আসাদুল হাবিব দুলুর নেতৃত্বে আলোকিত লালমনিরহাট গড়ার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে। আমাদের সমাজ মাদকের আগ্রাসনে পরাজিত হয়েছে। যুবকদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হচ্ছে মাদকের আগ্রাসনে। তাই আমরা এটা হতে দিতে পারি না।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, আমাদের অবশ্যই প্রতিরোধ গড়তে হবে। জনগণকে সচেতন করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আপনাদের মাদককে না বলবেন, যৌতুককে না বলবেন, জুয়াকে না বলবেন।

তিনি বলেন, যদি আমরা মাদকসহ সামাজিক অপরাধ দমন করতে পারি, তাহলে নিশ্চয় আমরা সমৃদ্ধিশালী দেশ গড়তে পারব। আমাদের স্বপ্নের নেতা, যিনি স্বপ্ন দেখেন ও বাস্তবায়ন করেন। সেই নেতার স্বপ্নের বাংলাদেশ নির্মাণ হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ইমাম-মুয়াজ্জিনের বেতন-ভাতা প্রদানসহ অনেক কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আমরা একটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। লালমনিরহাটে যে সামাজিক অপরাধ দমনের আন্দোলন শুরু হলো তা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক।

‘আলোকিত লালমনিরহাটের’ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

আলোকিত লালমনিরহাটের সভাপতি জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক প্রধানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য হাসান রাজিব প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক প্রমুখ।

পরে তিন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যেদের নেতৃত্বে আলোকিত লালমনিরহাটের একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি এমটি হোসেন মাঠ থেকে বের হয়ে বিভিন্ন মোড় প্রদক্ষিণ করে শহরের প্রাণকেন্দ্র মিশন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%