ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের শব্দ, সামরিক কার্যক্রমের সম্ভাবনা


ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের শব্দ, সামরিক কার্যক্রমের সম্ভাবনা

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে আবারও বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হরমুজ প্রণালির কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপসহ একাধিক স্থানে এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এ তথ্য ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সূত্রে এসেছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক কার্যক্রমের সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে, এসব স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত করেনি ইরানি কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: কলম্বিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় তিন সেনা নিহত

আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে শোনা বিস্ফোরণের শব্দের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে, রোববার ভোরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় মাইন আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। বাহিনীটির দাবি, জাহাজ দুটি ‘অনুমোদনহীন পথে’ চলাচলের চেষ্টা করছিল।

তবে, দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন স্থানে শোনা বিস্ফোরণের সঙ্গে তেলবাহী জাহাজ দুটির ঘটনার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

কয়েক দিন আগে দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়। মার্কিন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই হামলা ছিল সীমিত পরিসরের। তিনি আরও দাবি করেন যে, এর মাধ্যমে বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু করা হয়নি।

আরও পড়ুন: সানায় হামলার জবাবে সৌদিতে দফায় দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল হুতিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ এম


খুলনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন

খুলনায় ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিনের অংশ হিসেবে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে একটি বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন।

প্রদর্শনীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং দেশ পুনর্গঠনের বিরল ছবি ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়েছে।

আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন মন্তব্য করেন, "বাংলাদেশের মানুষের মূল রাজনৈতিক দর্শন হচ্ছে প্রকৃত গণতন্ত্র। এ দেশের মানুষ মুক্ত বাতাসে প্রাণ খুলে কথা বলতে চায়, নির্ভয়ে ও নিঃসংকোচে নিজের মত প্রকাশ করতে চায়।"

তিনি আরও বলেন, এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সুসংহত ও শক্তিশালী রাখার সুতীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে সব সময় বিরাজমান। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের চেতনা যুগের পর যুগ সেই জাতীয় আকাঙ্ক্ষাকেই জাগ্রত রেখে চলেছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা উল্লেখ করেন, কোনো অপশক্তি বা ষড়যন্ত্রই এ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারবে না। সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৭ নভেম্বরের মূলসুর ধারণ করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিএনপি প্রস্তুত রয়েছে।

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিরাজুর রহমান মিরাজের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইশতিয়াক আহমেদ ইসতির পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম মাহমুদুল হাসান টিটু, মিরাজ শাহীন শুভ, মনজুর শাহীন রুবেল, ইবাদুল ইসলাম, সিফাত আহমেদ রিকি, সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রায়হান বিন কামাল, সোনাডাঙা থানা সদস্য সচিব রাকিবুল হাসান প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজাবাসীর বন্যার ঝুঁকি, আক্রান্ত ৯ লাখের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ এম


গাজাবাসীর বন্যার ঝুঁকি, আক্রান্ত ৯ লাখের বেশি

গাজায় যুদ্ধের চতুর্থ শীতকাল শুরু হয়েছে। কিন্তু লাখ লাখ ফিলিস্তিনির জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব রয়েছে। বাস্তুচ্যুত এসব মানুষ ছেঁড়া ত্রিপল ও অস্থায়ী তাঁবুর মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার কারণে তাদের আশ্রয়স্থলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, গাজায় প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজার বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি বন্যার মাঝারি থেকে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এলাকায় বসবাস করছেন। এর মধ্যে ৪ লাখের বেশি মানুষ বন্যার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

গাজার রাজধানী গাজা সিটি থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক ইব্রাহিম আল-খলিল এই তথ্য তুলে ধরেছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর চারটি শীতকাল পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো কয়েক লাখ ফিলিস্তিনি পর্যাপ্ত আশ্রয় পাননি। যুদ্ধের কারণে ঘরবাড়ি হারানো এসব মানুষ আবারও শীত মোকাবিলা করতে হচ্ছে ছেঁড়া ত্রিপল ও অস্থায়ী তাঁবুর মধ্যে।

সাম্প্রতিক ঝড় তাদের আশ্রয়ের নাজুক পরিস্থিতি আরো স্পষ্ট করে দিয়েছে। কয়েক ঘণ্টার প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে অনেক তাবু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু তাবুর ত্রিপল ছিঁড়ে গেছে। বৃষ্টির পানিতে ভিজে গেছে বিছানার তোশক, বালিশ, কাপড়চোপড়সহ তাদের শেষ সম্বলটুকুও। অনেক পরিবার কয়েক দিন ধরে নিজেদের আশ্রয়স্থল মেরামত ও শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঝড়ের মুখে সেসব প্রচেষ্টা কার্যকর হয়নি।

গাজায় বন্যার ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা ব্যাপক। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৯ লাখ ৫০ হাজার বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি এমন এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন, যেখানে বন্যার ঝুঁকি মাঝারি থেকে উচ্চপর্যায়ের। তাদের মধ্যে ৪ লাখের বেশি মানুষ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে রয়েছেন।

শুধু অস্থায়ী তাঁবুতে থাকা মানুষই ঝুঁকিতে নেই। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় ২ হাজার ৩০০টির বেশি ভবনে প্রায় ৪৪ হাজার ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছেন। এসব ভবন ধসে পড়ার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

আলজাজিরার সাংবাদিক ইব্রাহিম আল-খলিল বলেন, "তাঁবুতে ছেঁড়া ত্রিপল জোড়া লাগিয়ে বা সাময়িক মেরামত করে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।" গাজায় বাস্তুচ্যুত বহু পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পেরেছেন, তাদের প্রয়োজন স্থায়ী ও উপযুক্ত আশ্রয়। একই সঙ্গে নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রীও দরকার।

তার মতে, এসব প্রয়োজন মেটাতে গাজায় জরুরি ভিত্তিতে আশ্রয় ও পুনর্গঠনের সামগ্রী প্রবেশের সুযোগ দিতে হবে। অন্যথায় যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের পাশাপাশি শীত ও বন্যার ঝুঁকিও বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ আরো বাড়াবে।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওমান উপসাগরে জাহাজে আগুন, ২২ নাবিক উদ্ধার করেছে আমিরাতের ন্যাশনাল গার্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ এম


ওমান উপসাগরে জাহাজে আগুন, ২২ নাবিক উদ্ধার করেছে আমিরাতের ন্যাশনাল গার্ড

ওমান উপসাগরে একটি পণ্যবাহী জাহাজে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ন্যাশনাল গার্ড ২২ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করেছে। খবর গলফ নিউজের

জাহাজের ক্রুদের কাছ থেকে বিপৎসংকেত পাওয়ার পর, কোস্টগার্ডের একটি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরবর্তীতে, বিশেষায়িত উদ্ধারকারী দল জাহাজটির অবস্থান শনাক্ত করে সেখানে পৌঁছায় এবং নিরাপদে ২২ জন ক্রুকে সরিয়ে আনে।

উদ্ধার হওয়া নাবিকদের মধ্যে সবাই আরব দেশের নাগরিক বলে জানা গেছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ন্যাশনাল গার্ড জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ২২ জনই বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন।

সংস্থাটি আরও জানায়, এ উদ্ধার অভিযান সামুদ্রিক জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের সদস্যদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতার প্রমাণ। একই সঙ্গে, মানুষের জীবন রক্ষা এবং সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবা-দাদার নামে জমির তথ্য কোথায় কতটুকু আছে, জানবেন যেভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ এম


বাবা-দাদার নামে জমির তথ্য কোথায় কতটুকু আছে, জানবেন যেভাবে

জমি সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য একসময় ভূমি অফিসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। বিশেষ করে বাবা-দাদার নামে কোথায় কত জমি রয়েছে, তা খুঁজে বের করা ছিল একটি কঠিন কাজ। তবে বর্তমানে দেশের ভূমিসেবা ডিজিটাল হয়ে যাওয়ার ফলে সাধারণ জনগণ ঘরে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে জমির খতিয়ান ও দাগসংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি, ঝামেলা ছাড়াই অনলাইনে খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করা সম্ভব হয়েছে।

অনলাইনে জমির তথ্য জানার সহজ উপায়

জমির তথ্য জানার জন্য প্রথমে স্মার্টফোনের ব্রাউজার থেকে ‘ই-পর্চা’ লিখে অনুসন্ধান করতে হবে। এরপর সরকারি ই-পর্চা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মেন্যু থেকে ‘খতিয়ান’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। পরবর্তী ধাপে জমির বিভাগ, জেলা, খতিয়ানের ধরন, উপজেলা ও মৌজা নির্বাচন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ানের ধরন হিসেবে বিএস, সিএস, আরএস বা এসএ নির্বাচন করার সুযোগ রয়েছে।

এরপর খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর অথবা মালিকের নাম ব্যবহার করে জমির তথ্য খোঁজা যাবে। প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ক্যাপচা পূরণের পর ‘অনুসন্ধান করুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। সার্চ সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে জমির মালিকের নাম, দাগ ও খতিয়ানসংক্রান্ত তথ্য এবং জমির পরিমাণ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে।

খতিয়ানের কপির জন্য অনলাইনে আবেদন

জমির তথ্য পাওয়ার পর খতিয়ানের কপির জন্য সংশ্লিষ্ট রেকর্ডের ‘আবেদন করুন’ অপশন থেকে আবেদন করা যাবে। এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, ই-মেইল, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দিয়ে ফরম পূরণের পর তথ্য যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।

শুধু নাম দিয়েই কী সব জমির তথ্য পাওয়া যাবে?

অনলাইনে শুধুমাত্র নাম দিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া সম্ভব নয়। জমির রেকর্ডের নির্দিষ্ট এলাকা ও দাগ নম্বরের সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় বাবা বা দাদার সম্পত্তি খুঁজতে সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা প্রয়োজন।

অনলাইনে প্রাপ্ত তথ্য কেবল প্রাথমিক যাচাইয়ের কাজে ব্যবহার করা উচিত। জমি কেনাবেচা বা মালিকানা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে খতিয়ান, দলিল ও নামজারিসহ সকল বৈধ নথি ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি, বিশেষ করে পুরনো জমির ক্ষেত্রে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%