ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জোয়ারের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু


জোয়ারের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় লঘুচাপের প্রভাবে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে ডুবে মো. মাহি নামে পাঁচ বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা গ্রামের রিকশা চালক মামুনের বাড়িতে এ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। পরে বিকেল ৪টার দিকে বাড়ির পাশে চোরা খাল থেকে শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মাহি একই গ্রামের মো. মামুনের ছেলে। স্থানীয়দের মতে, মাহির বাবা পেশায় একজন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক। চলতি বছরের মে মাসে মাহির বাবা মোল্লা গ্রামে এসে নতুন বাড়ি করে বসবাস শুরু করেন। লঘুচাপের প্রভাবের কারণে গত কয়েক দিন ধরে মোল্লা গ্রাম জোয়ারের পানিতে প্লাবিত রয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে মাহির মা তাহমিনা আক্তার তাকে ঘরে রেখে টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে বাইরে যান। এ সময় শিশুটি ঘর থেকে বের হয়ে জোয়ারের পানিতে ভেসে যায়। পরে বিকেল ৪টার দিকে প্রতিবেশী বেলাল ওই শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেন।

আরও পড়ুন: জিয়ানগরে ইউপি নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল জলিল শেখের সমর্থকদের নিয়ে জনসংযোগ ও পথসভা

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, জোয়ারের পানিতে ভেসে গিয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ফাইনালের উন্মাদনায় বড় পর্দার আয়োজন ঢাবি ক্লাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ পি.এম


বিশ্বকাপ ফাইনালের উন্মাদনায় বড় পর্দার আয়োজন ঢাবি ক্লাবে

 

ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬-এর বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচকে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব। ক্লাব প্রাঙ্গণে, আগামী ১৯ জুলাই (রবিবার) দিবাগত রাত ১টায়, সদস্যরা এই ম্যাচটি উপভোগ করতে পারবেন, যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কর্মকর্তা।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) তারিখে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে ক্লাবের কার্যকরী কমিটির পক্ষ থেকে সম্মানিত সদস্যদের ফাইনাল ম্যাচটি উপভোগ করার জন্য উপস্থিত থাকার জন্য সাদর আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তারা উল্লেখ করেছেন যে, সদস্যদের উপস্থিতিতে এ আয়োজন আরো আনন্দময় ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনের বনজীবীদের কষ্টের জীবন, কঠোর পরিশ্রমেও অভাব সবসময় সঙ্গী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪১ পি.এম


সুন্দরবনের বনজীবীদের কষ্টের জীবন, কঠোর পরিশ্রমেও অভাব সবসময় সঙ্গী

 

‘একদিকে সুন্দরবনের বেশির ভাগ জায়গায় মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়ে অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছে সরকার। আবার বনদস্যুর ব্যাপক অত্যাচার, টাকা ছাড়া বনে পা দেওয়া যায় না।

মহাজন তো আছেই। পরিশ্রম করি ঠিকই কিন্তু টাকা ও সুখ দেখতে পাইনা। আড়তদার ও কোম্পানিদের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী মাছ ও টাকা নিয়ে নেন, প্রথমে মাছ, এরপর নগদ টাকা কেটে নেন। আইগা শুধুই কষ্টই থাকে।’ এভাবেই নিজের কষ্টের কথা বলছিলেন খুলনার কয়রা উপজেলার জোড়শিং গ্রামের জেলে আবু মুসা।

শুধু আবু মুসাই নন, ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৭ লাখ পরিবারের জীবন ও জীবিকা এভাবেই কষ্টে কাটছে। সুন্দরবনের সংরক্ষিত অঞ্চল বৃদ্ধি পাওয়ায়, বনদস্যুর অত্যাচার, অসাধু জেলেরা বিষ দিয়ে আছ আহরণ, অসাধু বনকর্মকর্তাদের ঘুষ বাণিজ্য বেড়ে যাওয়ায় গত এক দশকে মৎস্য আহরণ, মধু আহরণ, বনজ সম্পদ আহরণসহ নানা উপায়ে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল মানুষের আয় কমছে। হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করা সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল বনজীবীদের সচ্ছল জীবনযাপন এখন কাটে অভাব অনটনে।

অভাব যেন নিত্য সঙ্গী। ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে বর্তমানে তাঁরা নানা সংকটে দিন পার করছেন।

১০ হাজার বর্গ কিলোমিটারের ‘ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটারেরই মালিকানা বাংলাদেশের। খুলনার সর্বদক্ষিণের সুন্দরবন ঘেরা সমুদ্র উপকূলবর্তী উপজেলা কয়রা। উপজেলাটির মোট আয়তন সুন্দরবনসহ ১ হাজার ৭৭৫ দশমিক ৪১ বর্গকিলোমিটার এবং সুন্দরবন বাদে ২৬৩ দশমিক ১২ বর্গকিলোমিটার।

কয়রায় বসবাসরত ৭০ ভাগ মানুষ সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল বনজীবী। কয়রা ছাড়াও সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ২০ লাখ দরিদ্র মানুষ তাদের জীবিকার জন্য পুরোপুরি অথবা আংশিকভাবে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে এসব জনগণ বসবাস করে, যারা জীবিকার জন্য বছরের বিভিন্ন সময়ে মাছ, কাঁকড়া, গোলপাতা, মধু সংগ্রহের জন্য সুন্দরবনের গভীরে প্রবেশ করেন। তবে গত এক দশকে এসব অঞ্চলের মানুষের আয় কমছে সুন্দরবন থেকে।

বন বিভাগ তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবন রক্ষার স্বার্থে ২০১৭ সালে ২৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ৫২ শতাংশ করা হয়েছে। তাই সম্পদ আহরণ সংকীর্ণ হয়ে আসার পাশাপাশি আয় কমেছে সুন্দরবন নির্ভর জনগোষ্ঠীর। বাধ্য হয়ে পেশা বদল করেছেন, নতুন কর্মসংস্থানের খোঁজে বাস্তুচ্যুতও হয়েছেন অনেকে। অনেকে অবৈধভাবে বনে প্রবেশ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শাস্তির শিকার হয়েছেন। বন থেকে মাছ, মধু কিংবা অন্য কোনো সম্পদ বৈধভাবে আহরণ করে আগে যেখানে সচ্ছলভাবে চলত প্রতিটি পরিবার, সেখানে এখন ঋণের বোঝা নিয়ে চলতে হয় তাদের।

সুন্দরবন ঘেঁষা এলাকার অধিকাংশ পুরুষেরা মৎস্য আহরণ, গোলপাতা কাটা, কাঁকড়া ধরা আর মধু আহরণে আর নারীরা ব্যস্ত থাকেন চিংড়ির পোনা ধরায়। নারীরা কখনো পুরুষের নৌকায় সুন্দরবনে যান মাছ ধরতে। শিশুরা হাঁটাচলা শিখে বাইরে বের হওয়ার পর থেকেই প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করে বনের কাজে। এত কষ্টের পরেও সুন্দরবন লাগোয়া গ্রামগুলোর বনজীবীদের কষ্টের দিন শেষ হয় না। পরিবারের সবাই মিলে কঠিন সংগ্রাম করেও তিনবেলা ভাত জোটাতে না পেরে বনজীবীদের অনেকে আবার ফিরছে অন্য কাজে। কেউ এলাকায়, আবার কেউ দূরের শহরে। ঋণ বা দাদনের জালে অনেকটাই বন্দি হয়ে পড়েছেন উপকূলের এসকল জেলেরা। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার থাকে না। এ কারণে সংসার চালাতে কিংবা পরিবারের সদস্যদের মুখে দু-মুঠো ভাত তুলে দিতে জেলেরা হাত পাতছেন বিভিন্ন এনজিও ও দাদন ব্যবসায়ী (কোম্পানি নাম ধারী) কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কাছে। ঋণ নিয়ে তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান করলেও পরবর্তী সময়ে যা আয় করছেন তা দিয়ে চালাচ্ছেন দীর্ঘমেয়াদি কিস্তি। আর অসাধু কোম্পানি ব্যবসায়ী এ সুযোগে করেন সদ্ব্যবহার সারা বছর তাদের আয়ের একটা পথ নেন তৈরি করে। ঋণ-দাদনের কিস্তির টাকা দিতে গিয়ে বাড়তি কোনো টাকা আর সঞ্চয় রাখতে পারছেন না।

সরেজমিনের কয়রা এলাকা ঘুরে, ওপারে সুন্দরবন, এপারে লোকালয়, মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে কম প্রশস্তের ছোট্ট নদী শাকবাড়িয়া। এ নদীর পারে সুন্দরবন লাগোয়া গ্রাম, মহেশ্বরীপুর, তেঁতুলতলার চর, মঠবাড়ি, কাশিয়াবাদ, কয়রা ৪ নম্বর, ৫ নম্বর, ৬ নম্বর, পাথরখালী, মাটিভাঙ্গা, চৌকুনি, গিলাবাড়ি, হাতিয়ারডাঙ্গা, ভাগবা, কাটকাটা, গাববুনিয়া, শাকবাড়িয়া, হরিহরনগর, গাতিঘেরি, বীনাপানি, জোড়শিং, আংটিহারা, গোলখালী ঘুরে বনজীবীদের জীবন সংগ্রামের নানা তথ্য মেলে।

মঠবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা রমেন মন্ডল, তিনি প্রায় এক যুগ ধরে সুন্দরবনের ওপর ভর করে জীবনযাপন করছেন। তিনি দাবি করেন, ফরেস্টের ঘাটে ঘাটে টাকা দিলে গভীরে যাওয়া যায়। কিন্তু পাসের টাকা, অন্যান্য খরচের টাকা, বনদস্যুর টাকা, ঘুষের টাকা দিয়ে গভীরে গিয়ে যে মাছ পাওয়া যায় তা দিয়ে আসলেই কিছু হয় না। তাই এ বছর আর জঙ্গলে যাইনি। মহাজনের কাছে টাকা ধার করে সংসার চালাচ্ছি। জানি না এভাবে আর কতদিন চলতে পারব। আমাদের যদি একটু অন্য কোনো আয়ের ব্যবস্থা কেউ করে দিত।’

৬নং গ্রামের জেলে রজব আলি বলেন, ‘সরকারই পারে সুদমুক্ত ঋণ দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে। নতুবা আমাদের অভাব কোনো দিন শেষ হবে না।’

৫নং কয়রা ও ৬নং কয়রা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, অনেক জেলে ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা দুপুরের খাওয়া শেষে ঘুমাচ্ছেন। আবার অনেকে ছোট মাছ ধরার জাল বুনছেন। কেউ কেউ নদীতে খাওয়ার মাছ ধরতে গেছেন।

সুন্দরবনে যাওয়ার জন্য জাল বুনে প্রস্তুতি সারছিলেন এই গ্রামের ৬নং কয়রা গ্রামের জেলে আবু তালেব সরদার। তিনি বলেন, ‘গত বছরও মাছ ধরতে গিয়ে আমার ১০ হাজার টাকার ওপর লোকসান হয়েছে। বছরের বিভিন্ন সময়ে বনে যাওয়া নিষেধ থাকে। যে কদিন যাওয়া যায়, গিয়েই-বা কী করব? দাদন ব্যবসা ও মহাজনের কবলে পড়ে এ গ্রামের জেলেরা নিঃস্ব হয়ে গেছেন। নদীতে আগের মতো মাছ পাওয়া যায় না। আর প্রতিদিন মাছ নিয়ে আড়তে না গেলে আড়তদারদের লোকজন বাড়িতে এসে জেলেদের অনেক বড় কথা ও অনেক সময় মারধরও করেন।’

সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল মানুষদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইনিশিয়েটিভ ফর কোস্টাল ডেভেলপমেন্টের (আইসিডি) প্রতিষ্ঠাতা মো. আশিকুজ্জামান। তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগে বনে প্রবেশ না করেও সুন্দরবনকেন্দ্রিক এসব মানুষকে নতুন আয়ের পথ খুলে দেওয়া সম্ভব, যা অবদান রাখতে পারে সুন্দরবনের অর্থনীতিতেও। সুন্দরবনকেন্দ্রিক অনেক বিকল্প ব্যবস্থা আছে।’

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহম্মেদ বলেন, ‘সুন্দরবন যেমন আমাদের রক্ষা করা প্রয়োজন তেমনি এত গুলো মানুষের জিবীকি নির্বাহের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। ‘আমরা চেষ্টা করছি বনজীবীদের বিকল্প আয়ের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা করতে। বেশ কয়েকটি প্রকল্প আমরা হাতে নিয়েছি। বনজীবীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকল্প আয়ের জন্য যোগ্য করে তোলা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএমজেপির সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা, দেশব্যাপী কমিটি গঠনের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ পি.এম


বিএমজেপির সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা, দেশব্যাপী কমিটি গঠনের উদ্যোগ

বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা করেছে। আসন্ন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও তৃণমূলভিত্তিক করার লক্ষ্য নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মেরুল বাড্ডার মডেল টাউন মোড়ে দলের মহাসচিব দীলিপ কুমার দাসের অফিসে সভাটি আয়োজন করা হয়।

সভায় বক্তারা মন্তব্য করেছেন, "নির্যাতিত, নিপীড়িত, শোষিত ও অধিকারবঞ্চিত মানুষ মাত্রই মাইনরিটি" এই মূল দর্শনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) এগিয়ে চলছে। দলের সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল, বিপ্লবী সহ-সভাপতি আর কে মন্ডল রবিন এবং বিপ্লবী মহাসচিব দীলিপ কুমার দাসসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দের পরামর্শে দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা কমিটি গঠন এবং পুনর্গঠনের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও সম্প্রসারিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় নেতাকর্মীদের মতামত গ্রহণ করা হয়, সাংগঠনিক কার্যক্রম তুলে ধরা হয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে বিস্তারিত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার জন্য সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আহবান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুলতানি আমলে পোড়ামাটি দিয়ে তৈরি কমলাপুর জামে মসজিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


সুলতানি আমলে পোড়ামাটি দিয়ে তৈরি কমলাপুর জামে মসজিদ

কমলাপুর জামে মসজিদ সুলতানি আমলে পোড়ামাটি দিয়ে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে অবস্থিত এই মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে এটি সতেরো শতকের শেষের দিকে নির্মিত হয়েছে। মসজিদটির দেয়ালের পুরুত্ব ১.৮৩ মিটার বা ছয় ফুট। এর দৈর্ঘ্য উত্তর দক্ষিন দিকে ১৭.২২ মিটার বা ৫৬ ফুট এবং পূর্ব-পশ্চিম দিকে ৮.০৮ মিটার বা ২৬ ফুট।

দেয়ালগুলিতে রয়েছে বহুখাঁজ বিশিষ্ট খিলানযুক্ত প্রবেশপথ। পূর্ব দিকে তিনটি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে মোট পাঁচটি প্রবেশপথ রয়েছে, যার মধ্যে পূর্ব পাশে মসজিদের মধ্যভাগের প্রবেশ পথটি বাকিগুলোর থেকে বড় এবং এটিকে প্রধান ফটক হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। কিবলার দিকে তিনটি অর্ধ অষ্টভুজ মিহরাব রয়েছে। এরমধ্যে মাঝখানের মিহরাবটি বাইরের দিকে অভিক্ষিপ্ত এবং দু’প্রান্তে দুটি ছোট অষ্টভুজ বুরুজ রয়েছে।

মসজিদটির ইটের নির্মাণ এবং খিলানের সাহায্যে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যার প্রত্যেকটি ভাগে একটি করে সামান্য কন্দাকৃতির গম্বুজ রয়েছে। কেন্দ্রীয় গম্বুজটি অপর দুটি থেকে বড়। গম্বুজগুলির শীর্ষে রয়েছে পদ্ম ও কলসের নকশা। মসজিদের অলংকরণে সুলতানি বৈশিষ্ট্যের পোড়ামাটির কাজ করা হয়েছে।

প্রবেশপথের আয়তাকার অংশে প্যাঁচানো ফুলের নকশা, গোলাপ নকশা, জালি নকশা প্রভৃতি মোটিফ দিয়ে সাজানো পোড়ামাটির ফলক রয়েছে। মিহরাবের বহুখাঁজ নকশাগুলি এখনও অসাধারণ। মসজিদের তিনপাশ দিয়ে রয়েছে হাটার রাস্তা এবং মসজিদের সামনের অংশে বিশাল বসার স্থান রয়েছে, যার পূর্বদিকে ছোট ছোট চারটি স্তম্ভ রয়েছে।

মসজিদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সৈয়দ সুমন আহম্মেদ জানালেন, প্রধান প্রবেশপথের শিলালিপিটি হারিয়ে যাওয়ার কারণে নির্মাণ সময় সঠিকভাবে জানা যায়নি, তবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মতে এটি সতেরো শতকের শেষভাগে নির্মাণ হয়েছিলো। স্থানীয় বাসিন্দা মো. এমদাদ হোসেন হাওলাদার বলেন, ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরবর্তীতে মসজিদটিতে বহুবার সংস্কার কাজ হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ১৯৮৭ ও ২০১২ সালের সংস্কার কাজ তিনি নিজেই দেখেছেন।

ঝড়ের কারণে মসজিদের গম্বুজগুলোর ওপর থাকা কলসের নকশা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং কিছু সমস্যা রয়েছে, যার কারণে জরুরি ভিত্তিতে মসজিদের সংস্কার করা প্রয়োজন। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের পক্ষ থেকে মসজিদটি দেখভালের জন্য নিয়মিত একজন লোক ছিল, তবে বর্তমানে তিনি নিয়মিত নন।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ২৬ শতক জায়গার ওপর মসজিদ কমপ্লেক্সের পাশে এখন একটি মাদ্রাসা অবস্থিত। সেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মসজিদের দেখভাল করছেন। মসজিদ ভবনের উত্তরপূর্ব কোণে একটি বিদেশী সংস্থার দ্বারা নির্মিত ওজুখানা রয়েছে। এছাড়া ওজুর জন্য পুকুরও রয়েছে মসজিদের পূর্বদিকে।

মসজিদের নিয়মিত মুসল্লিরা জানান, বহু বছর ধরে এখানে স্থানীয়দের সহায়তায় পবিত্র রমজান মাসে ইফতারের আয়োজন করা হয়ে আসছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের পাশাপাশি রমজান মাসে তারাবির নামাজসহ সকল ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করা হয়ে থাকে। মসজিদের ভিতরের অংশে তিনটি কাতারে ৮০ থেকে ৯০ জন একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন। বাহিরের খোলা অংশ নিয়ে দুই থেকে তিনশ’ মুসল্লী একত্রে নামাজ আদায় করেন। বিশেষ করে প্রতি শুক্রবার দূর-দূরান্ত থেকে জুমআর নামাজ আদায় ও মসজিদ দেখতে অসংখ্য মানুষ আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%