ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরীর বড় ভাই আর নেই: বিএফইউজে-ডিইউজের শোক


বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরীর বড় ভাই আর নেই: বিএফইউজে-ডিইউজের শোক

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরীর বড় ভাই আহমদ গণি চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আহমদ গণি চৌধুরীর মৃত্যু কালীন বয়স ছিল ৬৬ বছর। আজ সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুর পরে, আহমদ গণি চৌধুরী স্ত্রী, তিন ছেলে, এক মেয়ে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য

পারিবারিক সূত্র জানাচ্ছে, আগামীকাল শনিবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার মাইজভান্ডার দরবার শরীফ শাহী মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

আহমদ গণি চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), জাতীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

শোক সংগঠনগুলোর নেতা ও সদস্যরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনা সেতুতে একাধিক যানবাহন বিকল, মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


যমুনা সেতুতে একাধিক যানবাহন বিকল, মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট

যমুনা সেতুর ওপর একাধিক যানবাহন বিকল হয়ে পড়ার ফলে সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের ঢাকা মুখী লেনে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক যানজট। শুক্রবার সকালে থেকেই এই যানজটের সমস্যা শুরু হয়।

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের উপচে পড়া চাপের মধ্যে, যমুনা সেতুর ওপর কয়েকটি যানবাহন খুব সমস্যার মধ্যে বিকল হয়ে যায়। যার ফলে পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটে। যমুনা সেতুর পশ্চিম গোলচত্বর থেকে কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল পর্যন্ত প্রায় দশ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের বিশাল সারি দেখা যাচ্ছে।

মহাসড়কে আটকে পড়া যাত্রীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। তাঁরা দীর্ঘ সময় যানজটে আটকা পড়ে থাকায় অনেকেই নিজেদের নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হতে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

এ বিষয়ে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, "যমুনা সেতুর পশ্চিম প্লাজায় টোল দেওয়ার পরপরই তিনটি গাড়ি বিকল হয়ে গেছে। আমরা রেকার দিয়ে সরানোর চেষ্টা করছি। এখন সেতুর দুই লেনেই যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে। আসলে কোনো যানবাহন বিকল হলে তাৎক্ষণিক পেছনে যানবাহনের সারি দীর্ঘ হয়। পাশাপাশি আজকের দিনে যানবাহনের চাপও বেশি রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মমতা নয়, অভিষেকেই যত আপত্তি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


মমতা নয়, অভিষেকেই যত আপত্তি!

সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর এক মাসের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। একের পর এক কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান ও পঞ্চায়েত সদস্য পদত্যাগ করেছেন। নতুন রাজনৈতিক মঞ্চ গড়ে উঠেছে দল ভেঙে। এর মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে, এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী কে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি তার ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?

বিদ্রোহী নেতাদের অনেকেই বলছেন, মমতার হাতে গড়া দল এখন আর তার হাতে নেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মমতার হাত থেকে দলের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে অভিষেকের হাতে। এরপর তা করপোরেট দলে পরিণত হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ভোট কুশলী সংস্থা ‘আইপ্যাক’কে নিয়ে এসে দলের ক্ষতি হয়ে গেছে। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী হিসেবে মানলেও, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তারা নেতা হিসেবে মানছেন না।

মালদার তৃণমূল নেতা ও সাবেক মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেছেন, ‘তিল তিল করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়ে তোলা দলটাকে শেষ করে দিল অভিষেক।’ তার অভিযোগ, অভিষেক ব্যানার্জি দলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের জনমুখী চরিত্র বদলে গেছে। পুরোনো কর্মীদের কোণঠাসা করে দলে নতুন সংস্কৃতির আমদানি করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই দলে কর্পোরেট কালচার এবং মাফিয়া কালচার নিয়ে এসেছে। যার ফলে দলের আদর্শ বলে কিছু নেই।’

১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূলের সঙ্গে আছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বর্তমানে দলের বারাসাত আসনের সংসদ সদস্য কাকলির মত, ‘মমতা ব্যানার্জি যদি আবার দলের রাস টেনে ধরেন, তবে নিশ্চিতভাবে তিনি যেই ফল চাইছেন সেটা পাবেন।’ তৃণমূলের ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাক নামের সংস্থার কারণে দলের এই বিপর্যয় বলেও অভিমত তার। একই সঙ্গে দলে দুর্বৃত্তায়ন, অসদাচরণ ও নেতাকর্মীদের মধ্যে অহংকার জন্মানো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

ইতোমধ্যেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ১৮তম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনো সম্পর্ক নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে ৮০ জন বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আপাতত ৬০ জন বিধায়ক মনে করছেন, তারাই প্রধান বিরোধীদল। বিশ্লেষকরা বলছেন, ঋতব্রতর এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে, ধীরে ধীরে তৃণমূল থেকে অভিষেককে ছেঁটে ফেলাই তাদের উদ্দেশ্য।

তৃণমূলের ভাঙন নিয়ে মুখ খুলেছেন সাবেক তৃণমূল বিধায়ক ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক ও চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, ‘একটা দলের সর্বোচ্চ নেত্রী হয়েও যদি অন্যদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেন, তার ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে।’

তবুও, এমন টালমাটাল অবস্থায়ও অভিষেকের পাশে আছেন পিসি মমতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধ চাই না, তবে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে: আরাগচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


যুদ্ধ চাই না, তবে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে: আরাগচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শত্রুদের কাছ থেকে কঠোর এবং স্পষ্ট বার্তা প্রদান করে বলেছেন, ইরান কখনোই যুদ্ধ চায় না। তবে যদি দেশের ওপর কোনো আগ্রাসন চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে নিজেদের রক্ষার্থে চূড়ান্ত ও সিদ্ধান্তমূলক জবাব দিতে হবে। বৃহস্পতিবার লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।

পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো সফরের প্রসঙ্গ টেনে আরাগচি বলেন, এই অঞ্চলের দেশগুলোকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, যদি ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনে ওইসব দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করা হয়, তাহলে ইরানও পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে সরাসরি সেই ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে বাধ্য হবে। তিনি এ সময় অঞ্চলের তথাকথিত মার্কিন ‘নিরাপত্তা ছাতা’ বা সুরক্ষার ব্যাপারে সমালোচনা করে বলেন, ওয়াশিংটনের এই সামরিক উপস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে সুরক্ষার পরিবর্তে কেবল নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে।

সাক্ষাৎকারের সময়ে ইরানের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে ভয়াবহ হামলা চালায়। যখন ওই ঘটনাটি ঘটে, তখন তিনি সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনির দফতরে উপস্থিত ছিলেন। যুদ্ধের সেই চরম উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে নিজের নিরাপত্তার চেয়ে দেশের সর্বোচ্চ নেতার নিরাপত্তার জন্য তিনি বেশি উদ্বিগ্ন ছিলেন। হামলার প্রেক্ষাপটে দুই দিন পর্যন্ত তিনি নেতার ভাগ্য নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় ছিলেন। আরাগচি জানান, সামরিক কর্মকর্তারা সে সময় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে একটি নিরাপদ আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি তা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। শহীদ এই সর্বোচ্চ নেতা বলেছিলেন, ইরানের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত তিনি নিজে কোনো নিরাপদ আশ্রয়ে যাবেন না। দেশের জনগণের ভাগ্যে যা ঘটবে, তার ভাগ্যেও ঠিক তা-ই ঘটবে। আরাগচি একে একজন প্রকৃত নেতার উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেন, যিনি কেবল শাসন করেননি বরং people's hearts জয় করেছিলেন।

নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে আরাগচি স্পষ্ট করেন যে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনির অধীনে ইরানের রাষ্ট্রীয় ও সামরিক কাঠামো সম্পূর্ণ সুসংগঠিত রয়েছে। তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী ভূমিকার মাধ্যমে দেশের সার্বিক কর্তৃত্ব নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন এবং জাতীয় বিষয়ে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন। সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় থেকে নিয়মিত এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে দিকনির্দেশনা আসছে এবং সরকারি কর্মকর্তারা তা নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করছেন। শহীদ নেতার প্রতি ইরানি জনগণের যে আনুগত্য এবং ভালোবাসা ছিল, তা বর্তমান নতুন নেতার প্রতিও সম্পূর্ণরূপে বজায় রয়েছে। এই ক্রান্তিকালে এই জাতীয় ঐক্যই ইরানের সবচেয়ে বড় শক্তি। নিরাপত্তাজনিত কারণে বর্তমান নেতার জনসমক্ষে আসা সীমিত রাখা হলেও রাষ্ট্র পরিচালনায় তার সরাসরি অংশগ্রহণ এবং সম্পৃক্ততা অত্যন্ত জোরালো।

আঞ্চলিক রাজনীতির বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরুল্লেখ করেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের ‘প্রতিরোধ অক্ষ’ বা অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স-এর প্রতি তেহরানের নীতিগত সমর্থন সর্বদা বজায় থাকবে। চলমান সংঘাতের অবসানে যেকোন যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে হলে তাতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান কখনোই লেবাননের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি; বরং একে একটি ভাইদের রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করে। আগ্রাসী শক্তিগুলো মনে করেছিল যে, প্রতিরোধ যোদ্ধাদের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করে আন্দোলনকে দুর্বল করা যাবে, কিন্তু বাস্তবে তা আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ তাদের মিত্ররা ইরানের তাৎক্ষণিক এবং শক্তিশালী প্রতিরোধক্ষমতা দেখে বিস্মিত হয়েছেন। ইরান তার কৌশলগত অবস্থান এবং অভ্যন্তরীণ ঐক্যের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী। সংঘটিত সমস্ত যুদ্ধাপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিকভাবে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে বলেও তিনি জানান আব্বাস আরাগচি।

সূত্র: প্রেস টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের এজেন্ট হয়ে আমেরিকায় ছদ্মনামে সাংবাদিকতা, অতঃপর…

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


চীনের এজেন্ট হয়ে আমেরিকায় ছদ্মনামে সাংবাদিকতা, অতঃপর…

চীনের এজেন্ট হিসেবে আমেরিকায় ছদ্মনামে সাংবাদিকতার ঘটনায় দোষ স্বীকার করেছেন থমাস পাউকেন দ্বিতীয় নামক এক ব্যক্তি।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে চীনে বসবাসকারী মার্কিন সাংবাদিক থমাস পাউকেন দ্বিতীয় ফেডারেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছেন যে, তিনি যথাযথ সরকারি অনুমতি ও নিবন্ধন ছাড়াই চীনের পক্ষে এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। একইসঙ্গে এ ঘটনায় তাকে আগামী ১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালতে সাজা দেওয়া হবে। তার সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

টম ম্যাকগ্রেগর নামে পরিচিতি ও পটভূমি

থমাস পাউকেন দ্বিতীয় অনলাইন লেখালেখি ও সাংবাদিকতার কাজে ‘টম ম্যাকগ্রেগর’ নামে পরিচিত। তিনি তার পিতার সঙ্গে বিভ্রান্তি এড়াতে এই ছদ্মনাম ব্যবহার করেন। তার পিতা ১৯৯০-এর দশকে টেক্সাস রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান ছিলেন এবং পরবর্তীতে গভর্নর পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

পাউকেন ২০১০ সাল থেকে চীনে বসবাস করছিলেন এবং সেখানে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে কাজ করেছেন, যা তদন্তে উঠে এসেছে।

অভিযোগের মূল বিষয় কী

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পাউকেন চীনা সরকারি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়মিতভাবে কাজ করতেন। তিনি তাদের জন্য রিপোর্ট প্রস্তুত ও তথ্য সংগ্রহ করে পাঠাতেন, যা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতো।

তদন্ত নথিতে বলা হয়েছে, তিনি ‘ক্যাথি’ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে কাজ করতেন, যাকে তিনি চীনের নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করতেন। এই কাজের বিনিময়ে তিনি প্রায় এক লাখ মার্কিন ডলার এবং বিভিন্ন ভ্রমণ সুবিধা পেয়েছেন।

মার্কিন তদন্ত ও গ্রেফতার প্রক্রিয়া

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময় সীমান্তে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটনে এক বৈঠকের সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি এক ব্যক্তিকে ট্রাম্প প্রশাসনে চাকরির সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে চীনা পক্ষের জন্য তথ্য সংগ্রহে উৎসাহিত করার চেষ্টা করেন। ওই ব্যক্তিকে তিনি সিম কার্ড, ল্যাপটপ এবং ১০ হাজার ডলারের প্রস্তাব দেন, যাতে নিয়মিতভাবে রিপোর্ট সরবরাহ করা যায়।

তদন্তকারীরা বলছেন, এসব রিপোর্ট চীনা নেতৃত্বের কাছে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হচ্ছিল এবং এর মাধ্যমে মার্কিন নীতিতে প্রভাব ফেলার চেষ্টা ছিল।

আইন লঙ্ঘন ও বিদেশি এজেন্ট আইন

যুক্তরাষ্ট্রে কোনও ব্যক্তি বিদেশি সরকারের পক্ষে কাজ করলে তাকে ‘ফরেন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট (এফএআরএ)’ অনুযায়ী নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। পাউকেন এই আইন অনুযায়ী কোনও নিবন্ধন করেননি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাউকেনের আইনজীবীর বক্তব্য

পাউকেনের আইনজীবী চার্লস বার্নহ্যাম এক বিবৃতিতে বলেন, পাউকেন স্বীকার করেছেন যে, তিনি প্রয়োজনীয় সরকারি ফর্ম পূরণ না করেই বিদেশি সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, পাউকেনের উদ্দেশ্য ছিল চীনে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়ন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রসারে সহায়তা করা।

আরও বিস্তৃত তদন্ত ও অন্যান্য মামলা

এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে চীনের পক্ষে অনিবন্ধিত লবিং ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে চলমান একাধিক মামলার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আরও কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রসিকিউটরদের মতে, এসব মামলার মাধ্যমে বিদেশি সরকারগুলোর গোপন প্রভাব বিস্তার ও নীতি প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে।

পাউকেনের দোষ স্বীকার যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি প্রভাব বিস্তার সংক্রান্ত তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে তার সাজা ঘোষণার পর এই মামলার চূড়ান্ত আইনগত পরিণতি জানা যাবে।

সূত্র: গালফ নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%