ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নেপালে অপু বিশ্বাসের ‘শিকার’ সিনেমার শুটিং শুরু


নেপালে অপু বিশ্বাসের ‘শিকার’ সিনেমার শুটিং শুরু

নেপালের পোখারার এমন মনোরম পরিবেশে, যেখানে দুই পাশে উঁচু পাহাড়, সামনে বিশাল পর্বতশ্রেণি, নীল আকাশ এবং চোখজুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রয়েছে, সেখানেই শুরু হয়েছে অপু বিশ্বাস অভিনীত সিনেমা ‘শিকার’-এর শুটিং। শুটিং শুরুর আগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় মহরতের আনুষ্ঠানিকতা।

নিজস্ব রীতি ও নিয়ম অনুসরণ করে সিনেমাটির মঙ্গল কামনায় এর প্রধান অভিনেতা মুর্তজা পলাশ প্রথমে দোয়া করেন। এরপর নারিকেল ভেঙে সিনেমাটির শুভ সূচনা করেন অভিনেতা শ্যাম ভট্টাচার্য।

মহরতের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর শুরু হয় কামরুজ্জামান রোমান পরিচালিত এবং রেজা ফিল্ম প্রযোজিত ‘শিকার’-এর দৃশ্যধারণ। সিনেমাটির প্রথম দিনের দৃশ্যধারণে একে একে অংশ নেন অপু বিশ্বাস, মুর্তজা পলাশ, বড়দা মিঠু, কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা রজতাভ দত্ত এবং ‘রনি’ ও ‘জিল্লু’খ্যাত অভিনেতা শ্যাম ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুন: বিষয়টা খুব সেনসিটিভ, সাধারণ মেয়ে হলে সুইসাইড করে ফেলত: পরীমণি

এই সিনেমাটি বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের শিল্পী ও কলাকুশলীদের সমন্বয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে।

অপু বিশ্বাস জানান, সিনেমাটির গল্পে অভিনয়ের সুযোগই তাকে প্রথমে আকৃষ্ট করেছে। তিনি বলেন, ‘যখন নির্মাতা গল্প নিয়ে আসেন, আমি তখনই রাজি হয়ে যাই। কারণ, সিনেমাটিতে আমার কাজের জায়গা আছে, অভিনয়ের জায়গা আছে। আর এই সিনেমার মাধ্যমে আরও একজন নতুন নায়ক মুর্তজা পলাশের অভিষেক হবে। এটা নিয়েও আমি অনেক বেশি এক্সাইটেড। আশা করি, গল্পটি দর্শকের ভালো লাগবে।’

অপু বিশ্বাস নাটকে একাধিকবার অভিনয় করলেও ‘শিকার’-এর মাধ্যমে মুর্তজা পলাশের বড় পর্দায় এই প্রথম আবির্ভাব ঘটছে। সিনেমায় নিজের চরিত্রের জন্য দীর্ঘ প্রস্তুতিও নিয়েছেন এই অভিনেতা।

জানা গেছে, নেপালের বিভিন্ন মনোরম লোকেশন ও পাহাড়ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রায় এক মাস ধরে ‘শিকার’ সিনেমার দৃশ্যধারণ চলবে। তিন দেশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের অংশগ্রহণে নির্মিত সিনেমাটি আগামী বছর ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: সংবিধান অনুযায়ী সব নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিপাইনে ভারী বৃষ্টিতে প্রাণ গেল ১৬ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


ফিলিপাইনে ভারী বৃষ্টিতে প্রাণ গেল ১৬ জনের

ফিলিপিন্সের উত্তরাঞ্চলে টানা ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যা, ভূমিধস এবং বিভিন্ন দুর্ঘটনায় অন্তত ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সোমবার (১০ আগস্ট) উদ্ধারকর্মীদের উদ্ধৃতি দিয়ে এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের প্রভাবে এই বর্ষণ তীব্র হয়েছে, যার কারণে প্রধান দ্বীপ লুজনজুড়ে স্কুল ও সরকারি অফিস বন্ধ হয়ে গেছে। একইসঙ্গে রাজধানী ম্যানিলার সড়কে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। শহরের উদ্ধারকর্মী এস্থার বানাওয়ে এএফপি-কে জানান, পর্যটন শহর বাগিওতে বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের একটি অংশ ধসে তিনটি বাড়ির ওপরে পড়লে সাতজন নিহত হয়। এছাড়া সেখানে আরও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন।

তিনি বলেন, উদ্ধারকাজ চলছে, তবে ভারী বৃষ্টির কারণে এটি হাতে-কলমে করা হচ্ছে। তিনি জানান, আরও ভূমিধসের আশঙ্কা থাকায় একজন নির্ধারিত নিরাপত্তা কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সরকারি আবহাওয়াবিদ ড্যান ভিলামিল জানিয়েছেন, রাজধানী থেকে চার ঘণ্টা উত্তরের বাগিও শহরে ইতোমধ্যে পুরো মাসের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের চেয়ে ৪৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি জানান, ১ থেকে ৯ আগস্টের মধ্যে শহরটিতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যার মোট পরিমাণ ১,৪১৩.২ মিলিমিটার। উল্লেখ্য, সাধারণত ওই শহরে এই মাসে ৯৬৩.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।

মেট্রো ম্যানিলার কিছু অংশে আগস্ট মাসের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের প্রায় ৯০ শতাংশের সমান বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। সিভিল ডিফেন্স অফিসের তথ্য অনুযায়ী, লুজনের অন্যান্য অঞ্চলে ভূমিধসে ছয়জন নিহত হয়েছেন। অতিরিক্ত, একজন পানিতে ডুবে, একজন গাছ পড়ে এবং একজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।

সোমবার সন্ধ্যায়ও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পাবলিক ওয়ার্কস সেক্রেটারি ভিন্স ডিজোন এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত আছে, তবে বন্যা প্রতিরোধে বছরের পর বছর ধরে চলে আসা ত্রুটিপূর্ণ পদক্ষেপ সংশোধন করতে হবে। তিনি করদাতাদের কোটি কোটি ডলার ব্যয়ে বাস্তবায়িত ভুয়া বন্যা-নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের কেলেঙ্কারির বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঘূর্ণিঝড় বলয়ের মুখে অবস্থিত প্রধান ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে ফিলিপাইন অন্যতম, যেখানে প্রতি বছর গড়ে ২০টি ঝড় ও টাইফুন আঘাত হানে। এটি দুর্যোগপ্রবণ এলাকার লাখ লাখ মানুষকে প্রতিনিয়ত দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে ফেলে রাখে। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও ঘন ঘন, দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হয়ে উঠছে।

সূত্র: এএফপি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস্তবায়ন করে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ পি.এম


বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা বাস্তবায়ন করে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

ঢাকা দক্ষিণ, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, নির্বাচনে জনগণের কাছে যা কিছু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলো পূরণ করতে বিএনপি সরকার সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর।

আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ উপজেলার তেঘুরিয়া ও কোণ্ডা ইউনিয়নে কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতের আওতায় বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজি বীজ এবং সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা আমাদের নির্বাচনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেই প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। স্থানীয় নির্বাচন, অন্যান্য উন্নয়ন কাজ এবং বিভিন্ন সুবিধার যে দাবিগুলো রয়েছেÑ সেগুলো আমরা শুনবো এবং তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো। আমি আশা করি, এ পথচলায় আপনাদের সকলের পূর্ণ সহযোগিতা পাবো।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেÑ এই কথাটি আপনাদের সবসময় বিশ্বাস রাখতে হবে। কারণ আপনি সকলেই আমাকে মনোনীত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আমাদের সব জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি এবং যা কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা রক্ষা করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করছি। আমরা এখান থেকে আপনাদের কেবল দোয়া এবং সমর্থন কামনা করছি।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় তেঘুরিয়া ও কোণ্ডা ইউনিয়নের শতাধিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন জাতের গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

এ সময় কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থানচিতে পর্যটকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তিন গাইড বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ পি.এম


থানচিতে পর্যটকদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তিন গাইড বহিষ্কার

বান্দরবান, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগের ভিত্তিতে এবং পর্যটকদের সঙ্গে অসদাচরণের কারণে বান্দরবানের থানচিতে নয় দিনের ব্যবধানে তিনজন নিবন্ধিত পর্যটক গাইডকে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক বহিষ্কার করা হয়েছে।

সর্বশেষ গতকাল রোববার একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে সাশৈথোয়াই মারমা নামে এক পর্যটক গাইডকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর পূর্বে ২ আগস্ট একজন গাইড এবং ৬ আগস্ট আরও একজন গাইডকে বহিষ্কার করা হয়। এর ফলে চলতি আগস্ট মাসে এ পর্যন্ত তিনজন পর্যটক গাইডকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সর্বশেষ বহিষ্কারাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত পর্যটক গাইড সাশৈথোয়াই মারমা, বাবা চাই অং প্রু মারমা, ওয়েলাওয়াও পাড়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড, থানচিÑ প্রশাসনের বিধি-বিধান অমান্য করে পর্যটকদের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন। গত ৮ আগস্ট পর্যটন তথ্যসেবা কেন্দ্রের সামনে পর্যটকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে তাকে গাইড হিসেবে বহিষ্কারের বিষয়টি বিস্তারিত জানানো হয়েছে। একইসাথে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক, আইনশৃঙ্খলা ও পর্যটন বিষয়ে যেসব দপ্তর ও সংগঠন রয়েছে, তাদেরকে এই বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

থানচির পাহাড়, ঝরনা, খুম, নদী ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসেন। পাশাপাশি, পর্যটকদের নিরাপত্তা, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং সুন্দর ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় গাইডদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন, গাইডদের অনিয়ম এবং পর্যটকদের সঙ্গে অসদাচরণের প্রভাব কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর গুটিয়ে থাকে না; বরং এর নেতিবাচক প্রভাব পুরো পর্যটন খাতের ওপর পড়ে। তাই গাইডদের আচরণবিধি অনুসরণ করা, প্রশাসনের নির্দেশনা মানা এবং পর্যটকদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-ফয়সাল বাসসকে বলেছেন, থানচির পর্যটন খাতকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং পর্যটকবান্ধব করতে নিবন্ধিত গাইডদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, আচরণবিধি সম্পর্কে সচেতনতা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

এ ধারাবাহিক বহিষ্কারের ঘটনা থানচির পর্যটক গাইড ব্যবস্থাপনা, গাইডদের আচরণবিধি এবং দায়িত্বশীলতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোর বোর্ডে এসএসসি পাসের হারে শীর্ষে খুলনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৮ পি.এম


যশোর বোর্ডে এসএসসি পাসের হারে শীর্ষে খুলনা

খুলনা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষস্থানে রয়েছে খুলনা জেলা।

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যশোর। আজ সোমবার যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রকাশিত ফলাফলগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় খুলনা জেলা মোট ৫৪টি কেন্দ্রে ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠানের ২০ হাজার ৭৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ১৪ হাজার ৪২১ জন, যার ফলস্বরূপ পাসের হারে ৬৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এটির মাধ্যমে খুলনা বোর্ডের শীর্ষে অবস্থান গড়ে উঠেছে।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা যশোর জেলায় ৫৩টি কেন্দ্রে ৪৯৫টি প্রতিষ্ঠানের ২১ হাজার ৯০৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে পাস তাদের ১৫ হাজার ১১৮ জন।

এছাড়া, বাগেরহাট জেলা থেকে ২০ হাজার ৭৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, এবং তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার ৭৫৭ জন পাস করেন, পাসের হার দাঁড়ায় ৬৬ দশমিক ৩৭।

সাতক্ষীরা থেকে ১৪ হাজার ২৪৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন, এবং ৯ হাজার ৪৪৩ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন, পাসের হার এখানে ৬৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

কুষ্টিয়া জেলার ১৯ হাজার ৯৮২ শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১২ হাজার ৫৬৯ জন, যার পাসের হার ৬২ দশমিক ৯০ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা থেকে ৮ হাজার ৫৯৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫ হাজার ৯০৪ জন, পাসের হার ৬৮.৭০।

মেহেরপুর জেলা থেকে অংশ নিয়েছিল ৬ হাজার ১২৫ শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৩ হাজার ৯৩৫ জন, পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৪ শতাংশ।

নড়াইল জেলা থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ৬ হাজার ১৯৪ জন এবং ৪ হাজার ৩৬ জন পাস করেছেন, পাসের হার ৬৫ দশমিক ১৬ শতাংশ।

ঝিনাইদহ জেলা থেকে আসা ১৫ হাজার ৯৬৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১০ হাজার ৫৪ জন, পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

মাগুড়া জেলার ৭ হাজার ৪৯৫ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশগ্রহণ করেছে। এখানে ৪ হাজার ৮৬০ জন পাস করেছেন, এবং পাসের হার ৬৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী মন্তব্য করেন, ইংরেজি ও গণিতের কারণে আমাদের ফলাফল কিছুটা খারাপ হয়েছে, যার জন্য পাসের হার কমেছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি বিষয়েই ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া, জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও নারী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি।

তিনি আরো জানান, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও নির্ধারিত নিয়মগুলি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। সংখ্যা নয়, শিক্ষার গুণগত মানই বোর্ডের উদ্দেশ্য।

ফলাফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকাল থেকে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%