বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:০৭ পি.এম
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড জুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়ানোর সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে বার্সেলোনা।কাতালান ক্লাবটি জানিয়েছে, তারা আর্জেন্টিনার ফুটবলারকে স্থানান্তরের বিষয়টি বিন্দুমাত্র বিবেচনা করছে না।
২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলার ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার মধ্যে বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট হোয়ান লাপোর্তা যখন জানিয়েছিলেন, স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নরা আলভারেজকে দলে ভেড়াতে আগ্রহী, ঠিক তার পরের দিনই অ্যাটলেটিকোর পক্ষ থেকে এই বিবৃতিটি এল।
২০২২ বিশ্বকাপ জয়ে আর্জেন্টিনাকে সহায়তা করা আলভারেজ বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর অ্যাটলেটিকো সমর্থকদের তোপের মুখে পড়েছেন। রবিবার ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে ওয়ার্ম-আপের সময় এবং মাঠে নামার পর তাকে দর্শকদের দুয়োধ্বনি শুনতে হয়েছে।
আলভারেজ জানিয়েছিলেন, নিজের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে সম্ভাব্য দলবদল নিয়ে তিনি মাদ্রিদের ক্লাবটির সঙ্গে কথা বলেছিলেন। বৃহস্পতিবারের (২৭ আগস্ট) বিবৃতিতে অ্যাটলেটিকোর পরিচালনা পর্ষদ বলেছে, পেশাদার, নৈতিক ও সম্মানজনক উপায়ে পরিচালিত হলে সাধারণ দলবদল বা ট্রান্সফার মার্কেটের আলোচনার জন্য অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ সর্বদা উন্মুক্ত। ক্লাব এর আগে যে অবস্থান জানিয়েছিল, আমরা তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি। সেই অবস্থান অনুযায়ী, এফসি বার্সেলোনা এই শর্তগুলো পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। বার্সেলোনায় আলভারেজের স্থানান্তরের বিষয়টি বিন্দুমাত্র বিবেচনা করা হচ্ছে না।
বুধবারই অ্যাটলেটিকো জানিয়েছিল, বার্সেলোনার কাছে আলভারেজকে বিক্রি করার সম্ভাবনা শূন্য শতাংশ। তারা আরও বলেছিল, এই বিষয়টি অর্থের নয়, বরং মর্যাদার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তারা ঝাড়ুমিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন।
মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সদ্যঘোষিত সাত সদস্যের আংশিক কমিটিতে রাজপথের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বর থেকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ঝাড়ুমিছিল শুরু করেন। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে তারা একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।
প্রকাশ: ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৭
পরে দুপুরে মির্জাগঞ্জ প্রেস ক্লাবের হলরুমে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে লিখিত বক্তব্যে সদ্যঘোষিত কমিটি বাতিল করে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান সুজন হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বাবুল মুন্সি, শাহীন ফরাজীসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের অনুমোদিত সাত সদস্যের আংশিক কমিটিতে দীর্ঘদিন ধরে হামলা-মামলা ও জেল-জুলুম সহ্য করে রাজপথে থাকা নেতাকর্মীদের বঞ্চিত করা হয়েছে।
তাদের দাবি, ব্যক্তিস্বার্থ ও অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে অরাজনৈতিক ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গাজী রাশেদ শামসকে উপজেলা যুবদলের সভাপতি করা হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়। এছাড়া, ইঞ্জিনিয়ার মহসীন হাদীকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। তিনি চাকরিজীবী এবং আগে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলেও দাবি করেন তারা। তার পদ পাওয়ার পেছনে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও করেছেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।
তারা আরো অভিযোগ করেন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মইনুল ইসলাম শাহীনকে যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। তাদের দাবি, জ্যেষ্ঠ ও দীর্ঘদিনের রাজপথের নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র একজন নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ায় সাংগঠনিক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়া, ইব্রাহিম হোসেন জুয়েল মৃধাকে দপ্তর সম্পাদক করার বিষয়েও আপত্তি জানান বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর ২১৮টি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া জুয়েল মৃধার বিরুদ্ধে মাদকের মামলা চলমান রয়েছে। এমন একজনকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ায় সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজপথের পরীক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের কথা বলেছেন। কিন্তু মির্জাগঞ্জে তার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ‘পকেট কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।
তারা অবিলম্বে কমিটি বাতিল করে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের দাবি জানান। দাবি মানা না হলে তারা আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের বাগবিতণ্ডা ও চরম হট্টগোলের মুখে চলতি সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, একে অপরকে কথা বলার সুযোগ না দেওয়া ভালো লক্ষণ নয় এবং আইন-নীতি না মানলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া শোরগোলের পর এসব কথা বলেন স্পিকার। বিকেল তিনটায় তার সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়েছিল।
অধিবেশন চলাকালে কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর একটি সম্পূরক প্রশ্ন উত্থাপনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মন্তব্য করেন, স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো, বুঝতে পারিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যদি কথাই না বলতে দেন, তাহলে কিসের বাকস্বাধীনতা। এর পর সংসদে হট্টগোল তুঙ্গে উঠলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করার দাবি তোলে বিরোধী দল।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে স্পিকার বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখার তাগিদ দেন। নিজের দীর্ঘ ৪০ বছরের সংসদীয় অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর রাখতে হলে রুলস অব প্রসিডিউর কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
সংসদ সদস্যদের সংসদীয় রুলস অব প্রসিডিউর পড়ার পরামর্শ দিয়ে স্পিকার আরও বলেন, স্পিকার যখন কথা বলেন তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি আদর্শ সংসদীয় পরিবেশ উপহার দেওয়ার জন্য তিনি সর্বদলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশ এবং বিদেশে বিস্তৃত ‘শহীদ জিয়া সামাজিক সংগঠন’কে আরও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে সামনে রেখে পরিচালিত হচ্ছে।
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ইতিমধ্যে বেশ কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যেখানে এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, সংসদ সদস্য একরামুল বারী টিপু, সংসদ সদস্য বিথিকা বিনতে হোসাইনসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
শহীদ জিয়া সামাজিক সংগঠনের সভাপতি হিসেবে মো. এনামুল করিম মিন্টু দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে সংগঠনের সিনিয়র মহাসচিব হিসেবে রয়েছেন জনাব মোস্তফা কামাল।
সম্প্রতি নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন মো. ফাহিম মুনতাসির মাসুম।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে রাজধানী এবং প্রবাসে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক সহায়তা প্রদান এবং বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে একটি ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যেই সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে।
সংগঠনের সভাপতি এনামুল করিম মিন্টু মন্তব্য করেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে।
মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবসেবামূলক ও কল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের জন্য কাজ করার পাশাপাশি প্রবাসেও সংগঠনের কার্যক্রমকে আরো সুসংগঠিত করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের মানবিক কাজে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চান তারা। ভবিষ্যতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অসহায় মানুষের সহায়তা, সামাজিক সচেতনতা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি আরো বড় পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমন্বিত উদ্যোগ এবং জেলা ও প্রবাসী শাখাগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ‘শহীদ জিয়া সামাজিক সংগঠন’ দেশের একটি কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী সামাজিক সংগঠন হিসেবে আরো শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
সোনারগাঁ থানার সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে একজন নিয়মিত মাদক মামলায়, সাতজন মাদকসংক্রান্ত ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এবং তিনজন বিভিন্ন মামলায় পরোয়ানাভুক্ত রয়েছেন।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল বারিক জানিয়েছেন, "মাদক ও অপরাধমুক্ত সোনারগাঁ গড়ার লক্ষ্যে পুলিশের বিশেষ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে।" গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পুলিশি পাহারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ