বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৭:০৯ পি.এম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের বাগবিতণ্ডা ও চরম হট্টগোলের মুখে চলতি সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, একে অপরকে কথা বলার সুযোগ না দেওয়া ভালো লক্ষণ নয় এবং আইন-নীতি না মানলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া শোরগোলের পর এসব কথা বলেন স্পিকার। বিকেল তিনটায় তার সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়েছিল।
অধিবেশন চলাকালে কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর একটি সম্পূরক প্রশ্ন উত্থাপনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে মন্তব্য করেন, স্পিকার, এটা প্রশ্ন হলো, না পল্টনের বক্তৃতা হলো, বুঝতে পারিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যদি কথাই না বলতে দেন, তাহলে কিসের বাকস্বাধীনতা। এর পর সংসদে হট্টগোল তুঙ্গে উঠলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করার দাবি তোলে বিরোধী দল।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে স্পিকার বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখার তাগিদ দেন। নিজের দীর্ঘ ৪০ বছরের সংসদীয় অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে সচল রাখতে এবং জনগণের এই প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর রাখতে হলে রুলস অব প্রসিডিউর কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
সংসদ সদস্যদের সংসদীয় রুলস অব প্রসিডিউর পড়ার পরামর্শ দিয়ে স্পিকার আরও বলেন, স্পিকার যখন কথা বলেন তখন সবাইকে বসে শুনতে হয়। এই আইন-নীতি যদি না মানেন, ভঙ্গ করেন তাহলে এই সংসদ বেশিদিন চলবে না। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি আদর্শ সংসদীয় পরিবেশ উপহার দেওয়ার জন্য তিনি সর্বদলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশ এবং বিদেশে বিস্তৃত ‘শহীদ জিয়া সামাজিক সংগঠন’কে আরও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে সামনে রেখে পরিচালিত হচ্ছে।
সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ইতিমধ্যে বেশ কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যেখানে এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, সংসদ সদস্য একরামুল বারী টিপু, সংসদ সদস্য বিথিকা বিনতে হোসাইনসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
শহীদ জিয়া সামাজিক সংগঠনের সভাপতি হিসেবে মো. এনামুল করিম মিন্টু দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে সংগঠনের সিনিয়র মহাসচিব হিসেবে রয়েছেন জনাব মোস্তফা কামাল।
সম্প্রতি নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন মো. ফাহিম মুনতাসির মাসুম।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে রাজধানী এবং প্রবাসে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো, মানবিক সহায়তা প্রদান এবং বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে একটি ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যেই সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে।
সংগঠনের সভাপতি এনামুল করিম মিন্টু মন্তব্য করেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে।
মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবসেবামূলক ও কল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের জন্য কাজ করার পাশাপাশি প্রবাসেও সংগঠনের কার্যক্রমকে আরো সুসংগঠিত করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মানুষদের মানবিক কাজে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চান তারা। ভবিষ্যতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অসহায় মানুষের সহায়তা, সামাজিক সচেতনতা এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি আরো বড় পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমন্বিত উদ্যোগ এবং জেলা ও প্রবাসী শাখাগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ‘শহীদ জিয়া সামাজিক সংগঠন’ দেশের একটি কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী সামাজিক সংগঠন হিসেবে আরো শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
সোনারগাঁ থানার সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে একজন নিয়মিত মাদক মামলায়, সাতজন মাদকসংক্রান্ত ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এবং তিনজন বিভিন্ন মামলায় পরোয়ানাভুক্ত রয়েছেন।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল বারিক জানিয়েছেন, "মাদক ও অপরাধমুক্ত সোনারগাঁ গড়ার লক্ষ্যে পুলিশের বিশেষ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে।" গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পুলিশি পাহারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : জেলায় দীর্ঘ এক যুগ পর ওয়ারিশ আলী হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ। একইসঙ্গে এ মামলার বাকি ৯ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন আদালত।
এছাড়াও ১১ আসামির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের ওয়েজখালী এলাকায় ২০১৪ সালে সংঘটিত ওয়ারিশ আলী হত্যা মামলার প্রায় এক যুগ পর এ রায় ঘোষণা করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে ১১ আসামির মধ্যে দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন বিচারক। তারা হলেন, ওয়েজখালীর গমীর বক্সের ছেলে বাদশা মিয়া ও সুনাফর আলীর ছেলে খেলু মিয়া ওরফে ফেলু মিয়া।
অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে চারজনকে সাত বছর এবং পাঁচজনকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- রামিজ আলী, নুরুল মিয়া, খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামান। দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন. রাজা মিয়া, জগলু মিয়া, নুর উদ্দিন, সহিনুর মিয়া ও তাহের মিয়া।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, রাষ্ট্রপক্ষের এডিশনাল পিপি শেরেনুর আলী। তিনি মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মামলার রায়ের বিবরণ থেকে জানা গেছে, স্থানীয় পৌরসভার কাউন্সিলর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাদী ও আসামি পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। ঘটনার আগের দিন ২০১৪ সালের ২৮ জুলাই জুয়েল মিয়ার সঙ্গে সাক্ষি ফয়জুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে বাদী ও আসামিপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
পরদিন ২৯ জুলাই ঈদের দিন সকালে ওয়েজখালী পয়েন্টের একটি মসজিদে ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় ওয়ারিশ আলীসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত ওয়ারিশ আলীকে প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ৪ আগস্ট ওয়ারিশ আলী মারা যান। তার মৃত্যুর পর একই ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ মামলার চার্জশিট দেবার পর দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত মামলায় আসামি জাকারিয়া, আব্দুল জহুর, সাজ্জাত আলী, রেনু মিয়া, জুয়েল মিয়া, মো. শফিকুল ইসলাম, খলিল, সুমন, রিপন ও শাহাবুদ্দিনকে অভিযোগ থেকে খালাস প্রদান করেন।
এছাড়া শাহের আলী ও পারভেজ মিয়া মারা যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে চলমান মামলা অবসান করে তাদের দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রায়ে পলাতক আসামি খোরশেদ আলম ও নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা আগে যে সময় হাজতে ছিলেন, আইন অনুযায়ী সেই সময় তাদের সাজা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মামলায় আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. সালেহ আহমদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণকাজে ঠিকাদারদের গাফিলতি এবং নিম্নমানের কাজের কারণে ৩০টি প্রকল্পে বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। এরই মধ্যে এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে রফিকুল ইসলাম জামাল জানতে চান, সারাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নকাজে কিছু ঠিকাদারের নিম্নমানের কাজের কারণে সরকারি অর্থের অপচয় ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বন্ধে আইএমইডি পরিদর্শন করে এখন পর্যন্ত কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে?
জবাবে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের উন্নয়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ১ হাজার ১৬৩টি প্রকল্প চলমান রয়েছে।
তিনি জানান, সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগ হিসেবে আইএমইডি উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করে প্রতিবেদন তৈরি করে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আইএমইডি ৬৭৭টি চলমান প্রকল্প পরিদর্শন করেছে। এর মধ্যে ৬৪০টি প্রকল্প নিয়ে সুপারিশসংবলিত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থায় পাঠানো হয়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই মাসে ৪৭টি প্রকল্প পরিদর্শন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭টি প্রকল্প নিয়ে সুপারিশসংবলিত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫টি সমাপ্ত প্রকল্প পরিদর্শন করে ১ হাজার ২৪টি সমাপ্তি মূল্যায়ন প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থায় পাঠানো হয়েছে।
জুনায়েদ সাকি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আইএমইডি পরিদর্শনের সময় অবকাঠামো উন্নয়নকাজে ঠিকাদারের গাফিলতি বা নিম্নমানের কাজ পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সংসদে দেওয়া তথ্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, আইএমইডির পরিদর্শনে ৩০টি প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণকাজে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে আইএমইডি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ