মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৪১ পি.এম
বগুড়ার একটি স্কুলে শাসন করার কারণে এক শিক্ষককে গাছের ডাল দিয়ে আক্রমণ করে আহত করেছে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্র। এই ঘটনার পর অভিযুক্ত ছাত্রকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বগুড়া নগরীর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
আহত রায়হান বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শরীরচর্চার শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তথ্য অনুযায়ী, স্কুল ছুটির পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শিক্ষক রায়হান ইসলাম মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময় গাছের ডাল হাতে দাঁড়িয়ে ছিল অভিযুক্ত শিক্ষার্থী। শিক্ষক সেখানে পৌঁছানোর পর, গাড়ি থামানোর আগেই গাছের ডাল দিয়ে তার মুখ ও ঘাড়ে আক্রমণ করে এবং দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় শিক্ষকের থুতনিতে আটটি সেলাই দিতে হয়েছে এবং তার ঘাড়েও গুরুতর আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন।
বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে আজ সকালে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পঞ্চম দিনের উইকেটে নির্বিঘ্নে ব্যাটিং করছিলেন সেদিকুল্লাহ আতাল ও ইকরাম আলীখিল। ক্রমশ বড় হচ্ছিল তাদের জুটি, এবং টাইগার দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কপালের ভাঁজও গাঢ় হচ্ছিল। স্পিনারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে শান্ত বাধ্য হয়ে ইবাদত হোসেনের গতির শরণাপন্ন হন। ফলস্বরূপ, ইবাদতের বলে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন লিটন দাস, এবং আউট হয়ে অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ ক্রিজে দাঁড়িয়ে থাকেন আলীখিল। বহুল প্রতীক্ষিত উইকেটটি পাওয়ার ফলে বাংলাদেশ ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আবুধাবি টেস্টের পঞ্চম দিনের প্রথম সেশন শেষে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ২০৩ রান। তাদের জয়ের জন্য এখনও প্রয়োজন ২৭৬ রান, আর বাংলাদেশ দলের দরকার ৬ উইকেট।
সকালের সেশনে আফগানিস্তান বাংলাদেশের বিপক্ষে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। দিনের শুরুতেই হাশমতউল্লাহ শহিদি আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়লেও, দলের হাল ধরেন সেদিকুল্লাহ আতাল ও ইকরাম আলীখিল। এই জুটি টাইগারদের জন্য ভাঙতে পারছিল না।
অবশেষে লাঞ্চ ব্রেকের মাত্র এক ওভার আগে কাঙ্ক্ষিত ব্রেক থ্রু এনে দেন ইবাদত হোসেন। তার বলে উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন লিটন দাস। ৬৯ বলে ৫ চারে ৩৩ রান করে ফেরেন আলীখিল, ফলে ভাঙে ৬৬ রানের জুটি।
তবে গলার কাঁটা হয়ে টিকে রয়েছেন সেদিকুল্লাহ। তিনি ধৈর্যের চরম দৃষ্টান্ত গড়ে ২১৬ বল খেলে ফেলেছেন। এতে ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৬৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। লাঞ্চের পর তার সঙ্গী হবেন ইসমাত আলম।
ম্যাচ বাঁচাতে আহত হয়ে মাঠ ছাড়া হাশমতউল্লাহকেও আবার ব্যাটিংয়ে দেখতে চাইবে আফগানরা। তিনি ৩৩ বলে ২০ রান করেছেন।
এই ইনিংসে বাংলাদেশের সফলতম বোলার ইবাদত। তিনি ১৫ ওভারে ৩ মেডেনসহ ৪০ রানে ৩ উইকেট শিকার করেছেন। আগের ইনিংসের নায়ক হাসান মাহমুদ শিকার করেছেন বাকি উইকেটটি। একাদশে থাকা ৩ স্পিনার এই ইনিংসে এখন পর্যন্ত কোনো উইকেট শিকার করতে পারেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীলঙ্কা পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজের মাঝে টেস্ট সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই সিরিজে ১৫ সদস্যের দলের নেতৃত্ব দেবেন কুশল মেন্ডিস। চোটগ্রস্ত অভিজ্ঞ ব্যাটার পাথুম নিসাঙ্কা দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। তরুণ উইকেটকিপার ব্যাটার আনজালা বান্দারা এবং পেসার ইশান মালিঙ্গা প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন।
নিসাঙ্কার খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে, কারণ তিনি হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ভুগছেন। গত মাসে ইংল্যান্ড সফরে সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলতে গিয়ে তিনি এই চোট পান। বর্তমানে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন।
এদিকে, ২২ বছর বয়সি আনজালা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন। শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দলের হয়ে নজর কাড়া এই ক্রিকেটার এবার জাতীয় দলের টেস্ট স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩০ ম্যাচে তার গড় ৬৭.১৮, যেখানে তিনি ২২১৭ রান সংগ্রহ করেছেন। তার সংগ্রহে রয়েছে সাতটি সেঞ্চুরি এবং একটি অপরাজিত ২০০ রানের ইনিংস।
পেস আক্রমণে লাহিরু কুমারা ও মিলান রত্নায়েকের সঙ্গে ইশান মালিঙ্গা রয়েছেন। ২২ বছর বয়সী এই পেসার প্রথমবার টেস্ট দলে ডাক পেলেও, তার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ১৯ ম্যাচে ৪৪ উইকেট নিয়েছেন।
শ্রীলঙ্কা আগামী ৯ নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু করবে। ম্যাচ দুটি রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে।
শ্রীলঙ্কার স্কোয়াড
কুশল মেন্ডিস (অধিনায়ক), পাথুম নিসাঙ্কা, পাসিন্দু সুরিয়াবান্দারা, দিনেশ চান্ডিমাল, কামিন্দু মেন্ডিস, সোনাল দিনুশা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, আনজালা বান্দারা, কেশারা নুয়ান্থা, প্রবাথ জয়াসুরিয়া, মিলান রত্নায়েক, লাহিরু কুমারা, আসিথা ফার্নান্ডো, দিলশান মাদুশাঙ্কা ও ইশান মালিঙ্গা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর গুলশানে বর্জ্য অপসারণের কাজের জন্য ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে শীর্ষ সন্ত্রাসী রবিন-ডালিম-মাহবুব গ্রুপের বিরুদ্ধে। চাঁদা না পাওয়ার কারণে গুলশান সোসাইটির কার্যালয়ে ঢুকে অস্ত্রের মুখে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগও রয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ২২ মিনিটে গুলশানের ১৩০ নম্বর রোডে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশায় করে চারজন আসেন। রিকশা থেকে নেমে তারা সবাই মিলে কথা বলেন। এরপর পায়ে হেঁটে এগিয়ে আবারও রিকশায় উঠে ১০৩ ও ৪ নম্বর রোডে এসে মিলিত হন এবং সেখানে আলোচনা করেন। এর পর তিনজন গুলশান সোসাইটির অফিসে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর তারা বেরিয়ে আসেন।
গুলশান সোসাইটির পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, গুলশান সোসাইটির বর্জ্য অপসারণের কাজ করতে শীর্ষ সন্ত্রাসী রবিন-ডালিম-মাহবুব গ্রুপের পরিচয়ে গত সেপ্টেম্বর থেকে তাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় অফিসে অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে।
অভিযুক্তরা শুধু হুমকি দিয়েই থেমে থাকেনি। তারা গুলশানের বিভিন্ন বাসায় রুবি এন্টারপ্রাইজ নামের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের লিফলেট বিলি করেছে। এই লিফলেটে বর্জ্য অপসারণের দাবি করে টাকা চাওয়া হয়েছে।
গুলশানের বর্জ্য অপসারণ নিয়ে খোঁজ নিতে উত্তর সিটি করপোরেশনে যাওয়া হয়। প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই গুলশানের গৃহস্থালির বর্জ্যের কাজ গুলশান সোসাইটিকেই দেয়া হয়েছে।
অনুমতি থাকার পরও গুলশানের মতো কূটনৈতিক এলাকায় চাঁদা দাবির ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। গুলশানের বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনজনকে শনাক্ত করা হয় এবং পরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এ ধরনের ঘটনার পর গুলশান সোসাইটির অফিসে পুলিশি পাহারা বসানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণপূর্ত ও গৃহায়ণমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান সরকারের মেয়াদে সচিবালয়কে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করেছেন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
লটারি পদ্ধতির মাধ্যমে প্রকৌশলীদের বদলি ও পদায়ন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, "লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়নের ফলে সুশাসন ফিরে আসবে।" তিনি উল্লেখ করেন, বদলি বাণিজ্যের কারণে অনেক দক্ষ কর্মকর্তা যথাযথ পদায়ন বা ভালো জায়গায় বদলি পাননি। দুর্নীতি প্রতিরোধে লটারি পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে, যা সকলকে সমান সুযোগ প্রদান করবে এবং যোগ্য ব্যক্তিদের যোগ্য স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।
রূপপুর প্রকল্পের ‘বালিশ কাণ্ড’ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ওই ঘটনার কারণে গণপূর্ত অধিদফতরের দুর্নাম হয়েছে। অধিদফতর এখন সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায়।
মন্ত্রী আরও জানান, এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৩০ জনকে লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ